পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-১১

অধ্যায়-৩ : ইলেক্ট্রন অনুচ্ছেদ-১: তড়িৎ বিভাজন তড়িৎ বিষয়ক প্রাথমিক পরীক্ষা-নীরিক্ষাগুলো খুব অল্প বৈদ্যুতিক চার্জের উপর করা হয়েছিলো। তবে ১৭৪৬ সালে ডাচ পদার্থবিদ পিটার ভন মুশানব্রক (Pieter van Musschenbroek, ১৬৯২-১৭৬১) যখন লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করছিলেন তখন লেইডেন জার নামক একটি জিনিস উদ্ভাবন করেছিলেন যা বিপুল পরিমান চার্জ জড়ো করতে পারে। চার্জ যতো বেশী জড়ো করা হবে ততোই সেই চার্জ নিষ্ক্রিয় করার জন্য বাইরে থেকে চাপ তৈরি হবে। লেইডেন জারকে যদি কোনো কিছুর সাথে স্পর্শ করানো হয় তাহলে বিদ্যুৎ সেই বস্তুতে প্রবাহিত হয়ে অতিরিক্ত চার্জ নিষ্ক্রিয় করে দেয় (যদি কোনো মানুষ তা স্পর্শ করে তাহলে তার মধ্য দিয়েই বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে যা বিস্তারিত

বৃষ্টির পেছনের বিজ্ঞান [৪] (শেষ পর্ব)

তৃতীয় পর্বের পর থেকে।  শেষ গল্প: বিজ্ঞান কংগ্রেসের প্রস্তুতি কর্মশালা শুরু হয়েছে মে মাসে। সে উপলক্ষে বিজ্ঞান-প্রেমী স্বেচ্ছাসেবীদের দেশের বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়েছে। স্কুলে স্কুলে প্রস্তুতি কর্মশালার একটিভেশনের কাজে আমাদের এলাকায় এসেছিলেন আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ভাই [আমি উনাকে ভাই বলে ডাকি]। কাজ শেষে বিকেলে আমরা তিতাস নদীর পারে বেড়াতে গিয়েছিলাম। আর যাওয়া মাত্রই আকাশ কালো করে সে কী হুড়মুড়িয়ে বৃষ্টি! পাশেই ছিল টিনের চালের আশ্রয়। আর সে টিনের চালাতে হয়েছিল “মন্দ্রসপ্তক”। টিনের চালা আছে কিন্তু বেড়া নেই। বৃষ্টির এতই তোড় যে আশ্রয়ের মাঝে এসে সবাইকে ভিজিয়ে দিচ্ছে। ভিজলেও কারো খারাপ লাগা নেই। সবাই আনন্দ পাচ্ছে। সেই দৃশ্য আমার এমন ভাল বিস্তারিত

বৃষ্টির পেছনের বিজ্ঞান [১]

বৃষ্টি : মেঘ মাদলে ভরা বাদলে “মেঘ মাদলে ভরা বাদলে বরষা বুঝি আসে ওই। জল বরণে তৃষিত মন ভিজিয়ে হাসে ওই।” বৃষ্টির সৌন্দর্যের দিক থেকে আমাদের বাংলাদেশের মানুষের মত ভাগ্যবান মানুষ মনে হয় পৃথিবীর আর কোথাও নেই। সব দেশে তেমন বৃষ্টি হয় না। প্রায় দেশেই তুষারপাত হয়। বরফে ঢাকা, কিংবা মাইলের পর মাইল মরুভূমি। আবার সব দেশে টিনের চাল নেই। বাংলাদেশের মানুষদের জন্য আশ্চর্য এক সমাবেশ ঘটেছে ফোটায় ফোটায় বৃষ্টি আর টিনের চাল। ঝমঝম করে যখন টিনের চালে বৃষ্টি পড়ে তখন যে কী স্বর্গীয় এক সুখানুভূতি হয় তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বৃষ্টি এতোটাই পাগলকরা যে তার প্রেমে একজন পাকিস্তানিকেও বাংলাদেশে থেকে যেতে দেখা যায়। [১] বৃষ্টি ব্যাপারটা এতই সুন্দর মনোহর আর গ্রহণযোগ্য যে অনেক বিস্তারিত

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-১০

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-২ : আলো অনুচ্ছেদ-৫: শক্তির বিভাজন তড়িৎ, চৌম্বকত্ব, আলো এবং মহাকর্ষ এসবই শক্তির বিভিন্ন রূপ যাদের মাধ্যমে কোনো কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। এদের একটির চেয়ে আরেকটিকে খুবই ভিন্ন ধরনের মনে হলেও একটিকে অন্যটিতে রূপান্তর করা যায়। যেমনটি আমরা এরই মধ্যে দেখেছি বিদ্যুৎকে চৌম্বকত্বে রূপান্তর করা যায় যা এর বিপরীত প্রক্রিয়ার জন্যও প্রযোজ্য এবং একটি স্পন্দিত তড়িৎচৌম্বক ক্ষেত্র আলো উৎপন্ন করতে পারে। মহাকর্ষের প্রভাবে পানির পতন ঘটানো যায়, যেই পতিত পানি একটি টারবাইনকে ঘোরানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। তাপগতিবিদ্যায় শক্তি এবং এর পারষ্পরিক রূপান্তর সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়। এ ধরনের রূপান্তর কখনোই পরোপুরি বিস্তারিত

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-৯

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-২ : আলো অনুচ্ছেদ-৪: বর্ণালীর বিবর্ধন ম্যাক্সওয়েল তাঁর সমীকরণে কোনো ক্ষেত্রের তরঙ্গের স্পন্দনকাল সম্পর্ক কোনো সীমাবদ্ধতা রাখেন নি। একটি স্পন্দনের সময় এক সেকেন্ডেরও কম হতে পারে, সেই ক্ষেত্রে তরঙ্গের দৈর্ঘ্য হবে তিন লক্ষ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশী। এমনি প্রতি সেকেন্ডে ডেসিলিয়ন পরিমান (১০^৩০) স্পন্দনও হতে পারে যেই ক্ষেত্রে একেকটি তরঙ্গদৈর্ঘ্য হবে এক সেন্টিমিটারের ট্রিলিয়নের ট্রিলিয়নের ভগ্নাংশ। এবং এর মধ্যবর্তী যেকোন মানই গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আমরা যে আলো দেখি সেই আলোর তরঙ্গ যদিও এই সম্ভাবনার অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। সবচেয়ে দীর্ঘ দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের দৈর্ঘ্য হচ্ছে ০.০০০৭ মিলিমিটার, এবং সবচেয়ে ক্ষুদ্রটির বিস্তারিত

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-৮

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-২ : আলো অনুচ্ছেদ-৩: প্রতিভাসগুলোর একীভবন তাহলে আমরা সবমিলিয়ে চারধরনের প্রবাহ বা প্রতিভাস পাচ্ছি যাদের শূন্যমাধ্যমের মধ্য দিয়ে অনুভব করা যায়: আলো, বিদ্যুৎ, চৌম্বকত্ব এবং মহাকর্ষ। এই প্রত্যেক ঘটনাই ইথারের মাধ্যমে গমন করে বলে কল্পনা করা হয় কিন্তু প্রশ্ন হলো এদের প্রত্যেকটির জন্য কি ইথার আলাদা আলাদা নাকি একই রকম? বলার কোনো উপায় নেই। তবে মাঝে মধ্যে আলোকে বলা হয় আলোবাহী (luminiferous) ইথারের তরঙ্গ (luminiferous শব্দটি ল্যাটিন থেকে নেওয়া হয়েছে যার অর্থ আলো ধারনকারী)। কাজেই “বিদ্যুৎবাহী”, “চৌম্বকবাহী”, এবং “মহাকর্ষবাহী” ইথারের অস্তিত্বও হয়তোবা থাকতে পারে? নিশ্চিতভাবে বলা যায় এই চারটি বিষয়ের মধ্যে খুব বড় বিস্তারিত

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-৭

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-২ : আলো অনুচ্ছেদ-২: চার প্রকার প্রতিভাস পুরোপুরি সন্তোষজনক উত্তর খুবই বিরল এবং এই কথা বিজ্ঞানের জন্য খুবই প্রযোজ্য যেখানে প্রতিটি উত্তর একেকটি নতুন ও আরো সূক্ষ প্রশ্নের জন্ম দেয়। আমরা যদি স্বীকৃতি দিয়ে দিই যে, আলো; শব্দ কিংবা আন্দোলিত পুকুরের মতোই তরঙ্গের সমাহারে গঠিত তাহলে সমস্যা থেকে যায় যে, আলো খুব সহজেই শূন্য মাধ্যমে চলতে পারে যেখানে শব্দ কিংবা পানির তরঙ্গ তা পারে না।পানির তরঙ্গ তৈরি হয় কেননা পানির অণুগুলো নিয়মিত উপরে-নীচে স্পন্দিত হতে থাকে। যদি পানি না থাকত তাহলে পানির তরঙ্গও থাকত না। শব্দ তরঙ্গ তৈরি হয় বায়ুর অণুগুলোর (কিংবা অন্য বিস্তারিত

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-৬

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-২: আলো অনুচ্ছেদ-১: কণা ও তরঙ্গ এটি যদি আমরা স্বীকার করে নিতে প্রস্তুত থাকি যে এই পৃথিবীতে প্রতিটি পদার্থ পরমাণু দিয়ে গঠিত তাহলে এই পশ্নটিও খুব যুক্তি সংগত হবে যে এই পৃথিবীতে এমন কিছু আছে কিনা যা পদার্থ নয় এবং একই কারনে পরমাণু দিয়ে গঠিত-ও নয়। প্রথম সম্ভাব্য উত্তর যা মনে আসতে পারে তা হচ্ছে আলো। মানুষ সর্বদাই স্পষ্টভাবে ধারনা করে এসেছে যে আলো পদার্থ নয়। কঠিন এবং তরল স্পর্শ করা যায়, তাদের ভর আছে তাই ওজনও আছে এবং তারা জায়গা দখল করে। গ্যাস, কঠিন এবং তরলের মতো অনুভব করা না গেলেও গতিশীল বিস্তারিত