পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-৫

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-১: পদার্থ অনুচ্ছেদ-৫: বিভিন্ন প্রকার পরমাণুর মধ্যে পার্থক্য পরমাণু যদি বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে তাহলে যৌক্তিকভাবেই ধরে নেওয়া যায় যে তাদের মধ্যে যথেষ্ট পরিমান পার্থক্য থাকবে, বিশেষ করে বিভিন্ন পরমানুর ধর্ম হবে বিভিন্ন ধরনের। যাদি তা না-ই হয় অর্থাৎ সবধরনের পরমাণুর ধর্মই যদি একই রকম হয় তাহলে কেনইবা একগুচ্ছ পরমাণু একত্রিক হয়ে সোনা আর অপর একগুচ্ছ পরমাণু একত্রিত হয়ে সীসা তৈরি করবে? প্রাচীন গ্রীক পন্ডিতরা সবচেয়ে বেশী প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছিলেন যেই বিষয়টিতে তা হচ্ছে জ্যামিতি, কাজেই তাঁরা যেহেতু মৌলিক পদার্থ এবং পরমাণু নিয়ে চিন্তা করেছিলেন, তাদের পক্ষে পরমাণুর আকৃতি নিয়েও চিন্তা করাটাই স্বাভাবিক। বিস্তারিত

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-৪

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-১: পদার্থ অনুচ্ছেদ-৪: পরমাণুর বাস্তবতা পারমাণবিক তত্ত্ব যতোই ভালোভাবে কাজ করুক কিংবা যতোই দক্ষতার সাথে এর উন্নতি ঘটানো হোক কিংবা যতোই এটি নতুন নতুন আবিষ্কারের দিকবর্তিকা দিক না কোন, একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতা শেষ পর্যন্ত রয়েই যায় আর তা হচ্ছে পরমাণু কেউই দেখতে পায়নি কিংবা কেউ কোনোভাবে শনাক্ত-ও করতে পারে নি। পরমাণুর যাবতীয় সাক্ষ-প্রমাণই পরোক্ষভাবে অর্জিত। আপনি হয়তো পরমাণু ধরে নিলে আপনার অমুক পরীক্ষা ব্যাখ্যা করতে পারছেন কিংবা তমুক পর্যবেক্ষণের ভিত্তি দিতে পারছেন কিন্তু পুরো বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ভুলও হতে পারে। পারমাণবিক তত্ত্ব মোটের উপর একটি চিত্র দেয় যা ঠিকঠাক কাজ করে বলে দেখা যায়, বিস্তারিত

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-৩

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-১: পদার্থ অনুচ্ছেদ-৩: পরমাণুবাদের বিজয় যেসকল বস্তু পৃথিবীতে উৎপন্ন হয় তাদের অধিকাংশই মৌলিক নয় তবে সেগুলোকে একাধিক মৌলিক পদার্থে বিশ্লেষণ করা যায়। যেসব বস্তু একাধিক মৌলিক পদার্থের সমন্বয় হিসেবে পাওয়া যায় সেগুলোকে যৌগিক পদার্থ বা যৌগ বলা হয় (ইংরেজিতে compound, যা একটি ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ একসাথে স্থাপন)। রসায়নবিদগণ ক্রমশঃ কোন বস্তু কী পরিমান বিভিন্ন মৌলিক পদার্থ নিয়ে গঠিত তা শনাক্ত করতে প্রবল উৎসাহী হয়ে উঠলেন। এর শুরু হয় ফরাসী রসায়নবিদ যোসেফ লুই প্রাউস্ট (Joseph Louis Proust, ১৭৫৪-১৮২৬) এর হাত ধরে যিনি এই সমস্যা নিয়ে কাজ শুরু করেন এবং একটি যুগান্তকারী বিস্তারিত

পরমাণুর অভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-২

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায়-১ অনুচ্ছেদ-২: মৌলিক পদার্থ এই বিশ্ব কী দিয়ে তৈরি তা ভেবে প্রাচীন গ্রীক দার্শনিকরা চমৎকৃত হতেন। পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় এটি অগণিত বিভিন্ন ধরনের বস্তু দিয়ে তৈরি কিন্তু বিজ্ঞানীরা সবসময়ই এই উপাদানগুলোকে সরলীকরনের তাগিদ অনুভব করে আসছেন। বিজ্ঞানীদের কাছে সবসময়ই অনুভূত হয়ে এসেছে যে, এই বিশ্ব কিছু সরল ভিত্তিমূলক উপাদান দিয়ে গঠিত এবং বিশ্বের সবকিছু সেই সরল ভিত্তিগত উপাদানগুলোর বিভিন্ন রকম রূপভেদ এবং সংমিশ্রণ। খুব সম্ভবতঃ থ্যালেস (Thales, ৬৪০ -৫৪৬ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) ছিলেন প্রথম গ্রীক দার্শনিক যিনি মতামত দিয়েছিলেন যে পানিই হচ্ছে এই বিশ্বের সকল বস্তুর মূল ভিত্তি যা দিয়ে সকল বস্তু তৈরি হয়েছে। অপর বিস্তারিত

পরমাণুর অভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ-১

পরমাণুর অাভ্যন্তরীন মহাবিশ্বে ভ্রমণ মূল: আইজ্যাক আসিমভ অধ্যায় -১: পদার্থ পরিচ্ছেদ-১: পদার্থের বিভাজন মনে করুন আপনার কাছে একটি বড়সড় বালুর স্তুপ আছে। বালুর দানাগুলো মসৃন এবং সেগুলো পরিমানে কয়েক লক্ষ। সেই বালুর স্তুপটি নিয়ে আপনার আপাততঃ কিছু করার নেই। এমন পরিস্থিতিতে আপনি চাইলেন বালুর স্তুপটিকে সমান দুইভাগে ভাগ করবেন। প্রথমবার ভাগ করার পর একটি ভাগ ফেলে দিয়ে অপর ভাগটিকে আবারো সমান দুইভাগে ভাগ করলেন। এই দু’টি ক্ষুদ্রভাগের মধ্যে একটি ভাগ ফেলে দিয়ে অপর ভাগটিকে আবারো সমান দুইভাগে ভাগ করলেন এবং এভাবে বারবার ভাগ করতে করতে বালির স্তুপটিকে ছোট থেকে ছোট করতে লাগলেন। আপনি হয়তো এরই মধ্যে ভাবছেন কতক্ষণ এই ভাগাভাগি বিস্তারিত

আলকেমি: রূপকথার পরিণতিতে বিজ্ঞান

কয়েক সহস্রাব্দকাল আগের কথা, যখন বিজ্ঞান বলতে কিছুই ছিলো না, যখন জ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তর ছিল প্রাকৃতিক দর্শন এবং সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছিলেন দার্শনিক তখন দুনিয়াতে একটি বিদ্যা প্রচলিত ছিলো। এই বিদ্যাটির নাম আলকেমি। আজকের যুগে আলকেমী বলতে আমরা বুঝি তুচ্ছ এবং সহজপ্রাপ্য এবং ক্ষয়িষ্ণু ধাতু যেমন সীসা কিংবা লোহাকে অতিমূলবান এবং সমাদৃত ধাতু যেমন: সোনা এবং রূপায় পরিণত করার বিদ্যাকে। মধ্যযুগে যখন আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান এখনকার মতো বিস্তৃতিলাভ করেনি তখন একশ্রেনীর মানুষের মনে ধারনা তৈরি হয় যে তুচ্ছ ও অকিঞ্চিৎকর ধাতুগুলোকে একধরনের পরশপাথরের (Philosopher’s stone) ছোঁয়ায় দুস্প্রাপ্য এবং মূল্যবান ধাতুতে পরিণত করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, আরো কিছু বিষয় এই বিদ্যার বিস্তারিত

পৃথিবীর সবচেয়ে গোলাকার বস্তু এবং ভরের নতুন আদর্শ

উপরের ছবিতে যেই গোলকটি দেখা যাচ্ছে এটা পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত গোলাকার বস্তু। সম্প্রতি প্রায় ১ মিলিয়ন ইউরো এবং হাজার হাজার কর্মঘন্টা খরচ করে এটা তৈরি করা হয়েছে। এই গোলকটির পুরোটাই সিলিকন-২৮ পরমানুর একটি মাত্র কৃষ্টাল থেকে তৈরি করা হয়েছে। এবং এর ভর পুরোপুরি ১ কেজি। ভরের নতুন স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ব্যবহারের জন্য এটাকে তৈরি করা হয়েছে। এর আগে প্যারিসে অবস্থিত International Bureau of weigh and measure এর বিশেষ ভল্টে সংরক্ষিত একটি প্লাটিনাম ইরিডিয়ামের সংকর ধাতুর তৈরি সিলিন্ডারকে ভর পরিমাপের standard হিসেবে ধরা হত এবং এর মাধ্যমেই ভর পরিমাপের একক কিলোগ্রামের সংজ্ঞা দেওয়া হতো। কিন্তু যেহেতু ইতিমধ্যেই একটা standard বস্তু আছে তাহলে বিস্তারিত

কাঠকয়লা: মানবজাতির ত্রাণকর্তা হতে যাচ্ছে কি?

“কয়লা ধুলে ময়লা যায় না” বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। স্পষ্টতই কয়লাকে চরম অবজ্ঞা করে ময়লার সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হল এই যে পানির তো কয়লাকে ধোয়ার কোন যোগ্যতা নেইই বরং কয়লা যে পানি দিয়ে ধোয়া হয় সেই পানিটাই পরিস্কার হয়ে যায়! খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে কি কথাটাকে? ভাবছেন পুরোপুরি উল্টো কথা বলছি? মোটেই না। কাঠকয়লা নিয়ে আজ কিছু কথা বলব। কথাগুলো বলা শেষ হলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন এতদিন যা শুনেছেন সেটাই বরং উল্টো। সম্প্রতি সারা বিশ্বে কাঠকয়লা নিয়ে এমন আলোড়ন উঠছে যে কাঠকয়লাই হতে পারে মানুষের ভারে ভারাক্রান্ত পৃথিবীর জন্য পরিত্রানের হাতিয়ার।