জিনোম সম্পাদনা

জিনোম সম্পাদনা
১. এমন যদি হতো জীবন্ত-প্রাণকে কম্পিউটার সফটওয়্যাররের মতো সহজে বদলানো যেতো? তাহলে আমরা খামারের পশু থেকে থেকে পেতাম চর্বিহীন মাংশপিন্ড। প্রকৌশলের মাধ্যমে গাছগাছালি থেকে রসালো ফল অথবা তীব্র জলবায়ুতে টিকে থাকার ক্ষমতা চালু করা যেত। চিকিৎসা গবেষণা বদলে যেত। মানব রোগ বোঝার জন্য আমরা মিউট্যান্ট প্রাণী তৈরি করতাম। কিংবা নতুন ঔষুধ-অণুর উৎস হিসেবে উদ্ভিদ-প্রকৌশল করা হতো। ঔষুধ তখন একেবারেই ভিন্ন প্রকৃতির হতো। সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা মাসকুলার ডিসট্রফির মতো বংশগতির-রোগের দূর্ভোগে না ভূগে ডাক্তাররা হয়তো ক্ষতিগ্রস্থ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

১০ মিনিটে ক্যান্সার শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার

১০ মিনিটে ক্যান্সার শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার
ক্যান্সার শব্দটি শুনলেই এর ভিতরটা কেমন যেন আঁতকে উঠে। কেননা ক্যান্সার হলো পৃথিবীর অন্যতম প্রধান মরণব্যধী। কোন কারণে  আমাদের দেহে স্বাভাবিক কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেলেই ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়। কোন নির্দিষ্ট একটা জায়গায় ক্যান্সার হওয়ার পর তা ধীরে ধীরে দেহের অন্যত্র ছড়িয়ে পরে। ২০১৫ সাল নাগাদ প্রায় ৯০.৫ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সার রোগে ভোগছে। প্রতিবছর প্রায় ১৪.১ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় এবং ক্যান্সারের ফলে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৮.৮ মিলিয়ন। ২০১২ সালে প্রায় ১,৬৫,০০০ অনুর্ধ্ব…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্রিসপার-শিশুর জন্ম-বিতর্ক : পৃথিবী কি জিনোম-সম্পাদিত শিশুদের স্বাগত জানাবে?

ক্রিসপার-শিশুর জন্ম-বিতর্ক : পৃথিবী কি জিনোম-সম্পাদিত শিশুদের স্বাগত জানাবে?
তাদের নাম লুলু ও নানা। প্রকৃত নয়, ছদ্মনাম। ছদ্মনাম দেয়ার উদ্দেশ্য হলো এ দুই নবজাতকের প্রকৃত পরিচয় যাতে গোপন থাকে। কারণ তাদের জন্ম কোন সাধারণ জন্ম নয়, প্রকৃতির উপর বাড়াবাড়ি যেন, বিশ্ববাসীর কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত । লুলু ও নানা পৃথিবীতে জন্ম নেয়া প্রথম শিশু যাদের জিনোম প্রকৃতির হাত থেকে ছিনিয়ে গবেষণাগারে সম্পাদিত করা হয়েছে। হে জিয়ানকুই নামক বিজ্ঞানী এ ঘোষণা দেয়ার পর সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানী-মহল তো বটেই, সাধারণ মানুষের মাঝেও হুলস্থুল ও নাটকীয় বিতর্কের সৃষ্টি…
বিস্তারিত পড়ুন ...

X ক্রোমোসোম এর রহস্য উন্মোচন

X ক্রোমোসোম এর রহস্য উন্মোচন
ধরুন দুটি আইডেন্টিক্যাল জমজ বোন আছে। আইডেন্টিক্যাল জমজ মানে এরা দুইজন একটিমাত্র জাইগোট থেকে বৃদ্ধি লাভ করেছে। যেহেতু তারা সম্পূর্ণ একই রকম ডিএনএ বিশিষ্ট্য তাই তাদের চুলের রঙ, নাক, হাত, চোখের রঙ সহ প্রায় সব কিছুই হুবুহু একই রকম। কিন্তু আশ্চর্য করা বিষয় হল এদের মাঝে একজন সবুজ আলোর জন্য বর্ণান্ধ কিন্তু অন্যজন স্বাভাবিক। প্রশ্ন হলো ,একই রকম জিনোম বিশিষ্ট্য হলে দুই বোনের মাঝে এই ভিন্নতা কিভাবে সম্ভব হলো ? উত্তর লোকানো আছে তাদের জিনে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি

লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি
কোন দম্পতির ক্ষেত্রে যখন স্ত্রী গর্ভবতী হয় তখন ঐ দম্পতিকে দেখলে সকলের একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো “ছেলে হবে নাকি মেয়ে?”। এই প্রশ্নের কারণ হলো, সামাজিক জীবনের অভিজ্ঞতায় আমরা বলতে পারি যে ছেলে বা মেয়ে হওয়ার সম্ভাবনা ৫০/৫০। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে মেয়ে বা ছেলে হওয়ার সম্ভাবনা কেনই বা ৫০/৫০ হলো? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে আমাদের লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতিতে। আমাদের এই প্রাণিজগতে নানা বৈচিত্রের জনন প্রক্রিয়া ও জীবনচক্র লক্ষ করা যায়। কোন প্রাণী অযৌন জনন, কোনটা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বেহালা-বাদক, শয়তানের বর কিংবা বংশগতি

নিকোলো প্যাগানিনি পাশ্চাত্য ধ্রুপদী সংগীতের একটি বিখ্যাত নাম। আঠারোশো শতকের শেষ দিকে ইতালিতে জন্ম নেন তিনি। প্যাগানিনি সমসাময়িক ইউরোপ মাতিয়ে তুলেছিলেন তার বেহালার জাদু দিয়ে। পাশ্চাত্য সংগীতে বেহালা বাজানোর আধুনিক রীতি স্থাপন করেছেন তিনি। তার তৈরি সুর এখনো জনপ্রিয়। বহু বেহালা-বাদকের অনুপ্রেরণা হলেন প্যাগানিনি। অদ্ভূত বিষয় হলো, তার এই সাফল্যের অন্তত আংশিক কারণ ছিলো বংশগতির একটি দূর্লভ রোগ। অন্য অনেক প্রতিভাধর সংগীতজ্ঞের মতোই প্যাগানিনি ছোটবেলাতে সংগীতচর্চা শুরু করেন। তিনি পাঁচ বছর বয়সে গিটার আর সাত…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বায়োহ্যাকার বদলে দিলেন নিজের ডিএনএ

মানুষের বংশগতি বৈশিষ্ট্য জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। মানুষ কি ইচ্ছা অনুযায়ী জিন এ পরিবর্তন মাধ্যমে তার বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আনতে পারবে? মানুষ কেন বংশপরম্পরায় পাওয়া জিন এর দাস হয়ে থাকবে? এ প্রশ্নের উওর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানী জোসেফ জেইনার কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যের জন্য তার নিজ-দেহের জিন এর পরিবর্তন ঘটান।তিনি তার হাতের মাংস পেশির একটি জিন এর পরিবর্তন ঘটান। জিন এর পরিবর্তন করে নতুন বৈশিষ্টের উদ্ভব মানুষে এই প্রথম। এর আগে কাঙ্খিত বৈশিষ্টের জন্য বিজ্ঞানীরা অনুজীব সহ অনেক উদ্ভিদ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ভাইরাস কি প্রকৃতির ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে?

ভাইরাসও প্রকৃতির ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে। ইনফ্লুয়েঞ্জা, ইবোলা, এইচআইভি, ডেঙ্গু এরা আমাদের বার বার মনে করিয়ে দেয় যে ভাইরাস কতটা ক্ষতিকর। গঠনের দিক থেকে ভাইরাস সহজ সরল। অল্প কিছু জীন এবং তার চারপাশে ঘিরে একটি প্রোটিনের তৈরী খোলস নিয়ে গঠিত হয় একটি ভাইরাস, যার আকার প্রায় একটি অণুর সমান। কিন্তু  এই ক্ষুদ্র ভাইরাসটির ক্ষমতা আমাদের ধারণারও বাইরে। এরা যখন দেহের কোন কোষকে আক্রমণ করে তখন সেই কোষের ভেতরে সব রকম কর্মকান্ডের দখল নিজের আয়ত্তে নেয়।…
বিস্তারিত পড়ুন ...