অনলাইন একাডেমিক প্রোফাইল

বর্তমান সময়ে সকল গবেষকদের একাডেমিক প্রোফাইল অনলাইনে থাকা খুব দরকারি। যারা গবেষণা অনুদান দিবে অথবা গবেষণা-সম্পর্কিত চাকরি দিবে, তারা সহজেই আপনার সব কাজ একসাথে দেখে নিতে পারে। অনেক জার্নাল এই কারণে অনলাইন একাডেমিক প্রোফাইল অথরের নামের সাথে বসিয়ে দিতে আগ্রহী। এই অনলাইন একাডেমিক প্রোফাইল ব্যাপারটা খুবই দরকারি জিনিস। এই দরকারি জিনিসটা করার জন্য অনেকগুলো প্ল্যাটফর্ম আছে এখন। যেমনঃ গুগল স্কলার, অর্কিড, একাডেমিয়া ডট এডু, রিসার্চগেট ইত্যাদি। কিন্তু, অনেক অনেক প্ল্যাটফর্মের মাঝে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে রিসার্চগেট। ২০১৬ সালের পরিসংখ্যান অনুসারে ১১ মিলিয়ন ব্যাবহারকারী এবং ১০০ মিলিয়ন পাবলিকেশন। কি কারণে রিসার্চগেট এতো জনপ্রিয়? অন্য সব অনলাইন একাডেমিক প্রোফাইলের বিস্তারিত

তুলোর মেঘ ও বঙ্গীয় ব-দ্বীপের গল্প

দিনের নীল আকাশে তাকালেই আমরা দেখতে পাই সুন্দর সুন্দর তুলোর মত মেঘগুলো আকাশে চমৎকারভাবে উড়ে বেড়াচ্ছে। রাতের আকাশেও পূর্ণিমার সময় এমনটা দেখা যায়। মেঘগুলো দেখে আমাদের অনেকের দারুণ লাগে। সেগুলো কখনো বিশাল আকৃতিতে থাকে আবার কখনো একেবারেও কুয়াশার মত হালকা যেন আকাশে উড়ে বেড়ানো তুলোর পাল। কিন্তু কখনো কি আমরা ভেবে দেখেছি যে এই সব তুলোর মত মেঘের পালের কারণেই আজকের এই বাংলাদেশের সৃষ্টি! অনেকের হয়তো এখনই এটা পড়ে চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে। কিন্তু আমি মোটেও মিথ্যে বলছি না। এসব মেঘের লক্ষ লক্ষ বছরের বর্ষণে এই বঙ্গ-দেশ বা বঙ্গীয় ব-দ্বীপ। আর কথা না বাড়িয়ে চলুন গল্প করতে করতে সেই সৃষ্টির ইতিহাসটা বিস্তারিত

কান ফাটানো শব্দ এবং তার চেয়ে বেশী কিছু

জেট ইঞ্জিন কিংবা নিউক্লিয় বোমার আঘাত এদের কোনটির শব্দ বেশী জোরালো? পৃথিবীতে এসবের সৃষ্ট শব্দই কি সবচেয়ে জোরালো? সম্ভাব্য সবচেয়ে তীব্র শব্দ কতটা তীব্র হতে পারে বা তীব্রতার কি কোনো নির্দিষ্ট সীমা আছে? চলুন দেখা যাক। শব্দ হলো একপ্রকার চাপীয় তরঙ্গ যা কোনো মাধ্যমের, যেমন: বায়ুর মধ্যে এর অণুগুলোর নির্দিষ্ট স্থানে সংকোচন আর তার পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রসারণ এবং ক্রমশঃ সংকোচিত এলাকার অণুর প্রসারণ এবং প্রসারিত এলাকার অণুর সংকোচনের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে চলে।  পরপর একটি সংকোচন ও একটি প্রসারণ মিলে একটি পুর্ণ স্পন্দন তৈরি করে। একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমে যেহেতু শব্দের বেগ নির্দিষ্ট তাই সম্পন্দের হার বৃদ্ধি পেতে থাকলে কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি পেতে বিস্তারিত

হাঁচি! এটা স্বাভাবিক

শুরুতেই বলি, আমি নিজেই একজন ঘনঘন সিরিজ হাঁচির কষ্টে ভোগা মানুষ। নিজে বাঁচার জন্যে জ্ঞান নিতে যেয়ে এই লেখাটা তৈরি হয়ে গেল। অনেক সময় ব্যয় করে, ঘাঁটা-ঘাঁটি করে অবশেষে লেখাটাকে যখন দাঁড় করালাম তখন দেখি এটা হাঁচির রচনা হয়ে গেছে। এটাকে ছোট করতে গেলেই মনে হচ্ছে নিজের জন্যই কিছু একটা তথ্য বাদ পড়ে যাচ্ছে। অবশ্য জ্ঞানটা নিয়ে উপকার পেয়েছি বটে। কিন্তু তারপরও মাঝেমধ্যে ফেক্সোফেনাড্রিন জাতীয় ওষুধ খাই। তবে সেটা আগের থেকে কম। ওষুধ শরীরের জন্যে মোটেও ভাল না। আর আমার তো মাঝেমধ্যে ওষুধ খেয়েও ভাল কাজ হয় না। তাই আমার হাঁচি কেন হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছে আর কার জন্যে হচ্ছে তাই বিস্তারিত

বৃষ্টির পেছনের বিজ্ঞান [৩]

বৃষ্টি : মেঘ মাদলে ভরা বাদলে …দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে।  শিশির, কুয়াশা, তুষার: বায়ুমণ্ডলের উপরে সৃষ্টি হওয়া মেঘ আমাদের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে হলেও আমাদের হাতের কাছেই আছে মেঘের ছোট ভাই! কুয়াশা। বৃষ্টি, তুষার, কুয়াশা, শিশির এদেরকে আমরা আলাদা হিসেবে চিনলেও এরা আসলে একই জিনিস। এদের যেকোনো একটার ব্যাপারে জেনে গেলে সবগুলো সম্পর্কে জানা হয়ে যায়। আবহবিদগণ এই জিনিসটাকে বলেন Precipitation বাংলায় এর পরিভাষা হতে পারে বারিপাত। এই প্রেসিপিটেশনের কয়েকটা প্রকারভেদের মাঝে একটা হচ্ছে বৃষ্টি। আরেকটা কুয়াশা। শীতের সময়ে ভূমি তাপ বিকিরণ করে খুব দ্রুত ঠাণ্ডা হয়ে যায়। ভূমির কাছাকাছি যে বাতাস থাকে সেগুলোও ভূমির সাথে সাথে ঠাণ্ডা হয়। ঠাণ্ডা হলেই ঘনীভূত হবার প্রবণতা দেখা যায়। আর বিস্তারিত

অ্যাপোমিক্সিস

এক দেশে এক এক কৃষক বাস করত, নানান ধরনের শস্য চাষ করে সুখে শান্তিতে দিন কাটাতো। ধীরে ধীরে দিন বদলে গেল, জমিজমা কমে গেল। দেশী জাতে আর পোষায়না, দুম করে কোথা থেকে চলে আসল ‘হাইব্রীড’। তার ঝলকানিতে সম্মোহিত হয়ে অনেকেই হাইব্রীড চাষ শুরু করল। আমাদের কৃষকও তার ব্যাতিক্রম নয়। কিন্তু, হাইব্রীডের সমস্যা একটাই…প্রতিবারই নতুন করে বীজ কেনা লাগে। কারন, হাইব্রীড গাছের থেকে যে বীজ পাওয়া যায়, সেই বীজে আর আগের মত ক্ষমতা থাকেনা। ব্যাপারটা খুব একটা ঝামেলার না হলেও, কৃষক মনে মনে অন্যের কাছে জিম্মি ভাবে নিজেকে। সে স্বপ্ন দেখে, এমন যদি হতো… হাইব্রীডের বীজ থেকেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম হাইব্রীড বিস্তারিত

পৃথিবীর সবচেয়ে গোলাকার বস্তু এবং ভরের নতুন আদর্শ

উপরের ছবিতে যেই গোলকটি দেখা যাচ্ছে এটা পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত গোলাকার বস্তু। সম্প্রতি প্রায় ১ মিলিয়ন ইউরো এবং হাজার হাজার কর্মঘন্টা খরচ করে এটা তৈরি করা হয়েছে। এই গোলকটির পুরোটাই সিলিকন-২৮ পরমানুর একটি মাত্র কৃষ্টাল থেকে তৈরি করা হয়েছে। এবং এর ভর পুরোপুরি ১ কেজি। ভরের নতুন স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ব্যবহারের জন্য এটাকে তৈরি করা হয়েছে। এর আগে প্যারিসে অবস্থিত International Bureau of weigh and measure এর বিশেষ ভল্টে সংরক্ষিত একটি প্লাটিনাম ইরিডিয়ামের সংকর ধাতুর তৈরি সিলিন্ডারকে ভর পরিমাপের standard হিসেবে ধরা হত এবং এর মাধ্যমেই ভর পরিমাপের একক কিলোগ্রামের সংজ্ঞা দেওয়া হতো। কিন্তু যেহেতু ইতিমধ্যেই একটা standard বস্তু আছে তাহলে বিস্তারিত

এন্ডোসিম্বায়োসিস

ধরা যাক, আপনার একটি সুপারপাওয়ার আছে। আর পাওয়ারটি হল সময়কে স্থির করে দেয়া। পরিস্থিতি অনুযায়ী এই পাওয়ার ব্যাবহার এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন, এসব করে সুখেই আছে। “Great power comes with great responsibility” এই ধরনের কোন ফিলোসফি এখনো আপনাকে আক্রান্ত করেনি। তবে কেউ না জানলেও আপনার এই ক্ষমতার সর্বোৎকৃষ্ট ব্যাবহার ঘটে পরীক্ষার হলে। কোন কিছু না পারলে প্রায়ই টাইম ফ্রিজ করে দিয়ে হল থেকে বের হয়ে বই-খাতা খুলে দেখে আসেন ব্যাপারটা কি। আজও আপনি পরীক্ষার হলে, প্রশ্ন এসেছে এন্ডোসিম্বায়োটিক থিওরীর উপর। কিছুই পারছেননা। তবে আপনার এই অশুভ শক্তি কিছুক্ষনের জন্য একটু শুভকাজে ব্যায় করুন। আপনাকে বায়োটিক রিলেশনশিপ সম্পর্কে ধারনা দেব এই বিস্তারিত