অপবিজ্ঞান কিংবা Pseudoscience: সাধু সাবধান!

অপবিজ্ঞান তথা Pseudoscience হল সেইসব তত্ত্ব যা বিজ্ঞান হিসেবে দাবী করা হয় কিন্তু সেগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়। সাধারণত সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য, বই বিক্রয় বাড়ানোর জন্য, প্রতারণার মাধ্যম হিসেবে কিংবা ব্যবসায়িক স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অপবিজ্ঞান, বিজ্ঞানের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। নিজেদের অজান্তেই আমরা সাধরন মানুষ প্রতিনিয়ত অপবিজ্ঞানের শিকার হচ্ছি। এমন অনেক কিছুই আছে যা আমরা বিজ্ঞান বলে জানি কিংবা আমাদেরকে জানানো হয় কিন্তু সেটা আসলে বিজ্ঞান নয়। এধরনের অপবিজ্ঞানের ফাঁদ থেকে দুরে থাকার জন্য আজ এই লেখার অবতারনা করছি। অপবিজ্ঞান সেই তত্তকেই বলা হবে যা বিজ্ঞান হিসেবে উপস্থাপন করা হবে, যার সাথে বৈজ্ঞানিক অন্যান্য তথ্য উপাত্তের সম্পর্ক দেখানো হবে বিস্তারিত

অপবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানচর্চা

আজকাল প্রায় সব দৈনিক পত্রিকাতেই রাশিফল দেয়া হয়। রাশিফল বলে দেয় মানুষের ভাগ্যে কি আছে। তাছাড়া, মানুষের ভাগ্য নাকি তার জন্মের সময়েই ঠিক হয়ে যায়। জন্মের সময় আকাশে গ্রহনক্ষত্রের অবস্থানই নাকি মানুষের ভাগ্য রচয়িত। এছাড়া আমরা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখি হরলিকস খেলে না কি ছেলে মেয়েরা ‘লম্বা-শক্তিশালী-বুদ্ধিমান’ হয়ে যায়। ডেটল সাবান না কি ৯৯% জীবাণু মেরে ফেলে। ফেয়ার-এন্ড-লাভলী (অথবা ফেয়ার-এন্ড-হ্যান্ডসাম) নাকি গায়ের রঙ ফর্সা করতে পারে। বলা বাহুল্য, উপরের কোনটাই সত্য নয়। পৃথিবীর উপর গ্রহ-নক্ষত্রের কেবল অতি সামান্য মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আছে। এছাড়া অন্য কোন প্রভাব নেই। বাড়ন্ত ছেলে-মেয়েদের দিনে যে পরিমাণ পুষ্টি লাগে, হরলিকস দিয়ে তা পুরণ করা যায় না। পানিতে বিস্তারিত