দাবা আবিষ্কারক ও করোনা (অনুজীবের) মহামারী!!

এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে যতগুলো দাবা খেলা হয়েছে তার কোনটার সাথে কোনটার হুবুহু মিল নেই। ঠিক কোথায় সর্বপ্রথম দাবা খেলার উৎপত্তি, সেটি নিয়েও বিতর্কের শেষ নেই। কিছু প্রাচীন আমলের হরফে দাবা খেলার প্রারম্ভিক কাল সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, পাশাপাশি খেলাটির আদি অস্তিত্বের প্রমাণস্বরূপ কিছু কিছু দাবার গুটিরও হদিশ মেলে। একারণেই, এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা, তত্ত্ব ও মতামতের অভাব নেই। বেশিরভাগ ইতিহাসবিদের ধারণা ভারত, পারস্য কিংবা চীনই দাবার জন্মস্থল। ইউরোপে দাবার যে রূপ অনুপ্রবেশ করে তা আদপে প্রায় ১,৩৫০ বছর আগেই পারস্যে খেলা হতো। এখন, আসল প্রসঙ্গে আসা যাক। দাবা আবিষ্কারককে নিয়ে একটা পৌরাণিক গল্প আছে। যা খুব সম্ভবত বিখ্যাত গণিতবিদ "ইয়াকভ পেরেলমান" এর লেখা।
বিস্তারিত পড়ুন ...

ব্যক্টেরিয়ার রাজত্বে বসবাস

সাধারণভাবে, রাজত্ব দ্বারা বোঝায় কোন রাজ্যের রাজা কিংবা সম্রাটের দ্বারা রাজ্য পরিচালনা করা । যেখানে রাজা হবে একজন আর তার থাকবে বিশাল জনসংখ্যার প্রজা। তবে 'ব্যক্টেরিয়ার-রাজত্বের' সাথে মানুষের রাজত্বের কিছুটা অবশ্যি পার্থক্য রয়েছে। যেমনঃ ব্যাকটেরিয়ার রাজত্বে রাজা হলো একক কোন ব্যক্টেরিয়া নয় বরং পুরা প্রজাতির সকল ব্যক্টেরিয়া। যেন আমরা সবাই রাজা মেনে চলে। আর সেখানে রাজত্বের বিস্তৃতি হলো মানুষ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রাণী, মাটি, পানি, বায়ু অর্থাৎ চারপাশের পুরা পরিবেশ টাই। সে এক ভিন্ন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীবদের কি নৈতিকতা আছে?

অণুজীবদের কি নৈতিকতা আছে?
মানুষের বিবেক আছে। মানে আমরা কোন কিছু করার আগে ভালো মন্দ চিন্তা করি। তারপর আমাদের মানসিক অবস্থা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিই। খারাপ মানুষ হয়তো কারো ক্ষতি করার সিদ্ধান্ত নেয় আর ভালো মানুষ অন্যের উপকারের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই হিসেবে আমরা কোন মানুষকে ভালো কিংবা খারাপ মানুষ বলি। তার কাজকেও আমরা ভালো কাজ কিংবা খারাপ কাজ বলতে পারি। যেসব জীব অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক তাদের কি এই বিবেক ও নৈতিকতা আছে। এখানে কথা বলছি অণুজীবদের নিয়ে।
বিস্তারিত পড়ুন ...

ভাইরাসও কিন্তু ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে

ভাইরাস শব্দটা শুনলেই আমাদের রোগের কথা মনে পড়ে। ভাইরাস আমাদের রোগ সৃষ্টি করে। ভাইরাস আমাদের কোষকে আক্রান্ত করে আবার কোন কোন ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকেও আক্রান্ত করে। তবে আরও বিস্ময়কর ব্যাপার হল ভাইরাসও ভাইরাসকে আক্রান্ত করে ; অর্থাৎ ভাইরাসও ভাইরাসের রোগ সৃষ্টির কারণ হতে পারে । এই ভাইরাসের ভাইরাসকে আবিষ্কার করেন Bernard La Scola এবং Christelle Desnues. তারা এর নামকরণ করেন সেই চিরচেনা স্যাটেলাইট স্পুটনিক এর নামে। ব্যাকটেরিওফেজের নামের সাথে মিল রেখে এদের অনন্যতার কারণে তাদের অন্য…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ছোঁয়াচে প্রাণরসঃ টোবাকো মোজাইক ভাইরাস এবং ভাইরাস জগতের আবিষ্কার

ছোঁয়াচে প্রাণরসঃ টোবাকো মোজাইক ভাইরাস এবং ভাইরাস জগতের আবিষ্কার
(লেখাটি কার্ল জিমারের বই A plantet of virus এর প্রথম অধ্যায়ের অনুবাদ) মেক্সিকান সিটির চিহুয়াহুয়া প্রদেশের ৫০ মাইল দক্ষিণে একটা শুষ্ক ও বিরান পাহাড় আছে যার নাম সিয়েরা দে নাইসা। ২০০০ সালে খনি শ্রমিকরা পাহাড়ের গুহা খনন করছিলো। কয়েক হাজার ফুট গভীরে প্রবেশ করার পর তারা এমন এক জায়গার সন্ধান পেল যেটা দেখে মনে হবে তা হয়তো ভিন গ্রহের কোন এক জায়গা। তারা এমন একটা প্রকোষ্ঠে দাড়িয়ে ছিলো যা ৩০ ফুট চওড়া এবং ৯০ ফুট…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীব পরিচিতিঃ ই. কোলাই

ইশেরশিয়া কোলাই বা ই. কোলাই হলো অণুজীব জগতের সেলিব্রেটি। যারা অন্তত একটা অণুজীবের নাম জানেন তাদের ক্ষেত্রে এ অণুজীবটির নাম হয় ই কোলাই। ১৮৮৫ সালে জার্মান-অস্ট্রিয়ান শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ থিওডোর ইশেরিখ মানুষের মলে ই. কোলাই আবিষ্কার করেন। তিনি দেখেন অনেক শিশু ডায়েরিয়ায় মারা যাচ্ছে। জার্ম থিওরি তখনও প্রতিষ্ঠিত হয় নি। কিন্তু এশেরিখ ধারণা করলেন জার্ম থিওরির মাধ্যমেই এই রোগের কারণ বের করা যাবে। জার্ম থিওরিই প্রথম বলেছিলো যে অণুজীবের কারণের রোগের সৃষ্টি হয়।  তিনি শিশুদের মল সংগ্রহ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীব পরিচিতিঃ Mycobacterium tuberculosis

আমি যে সে শহরে থাকি ওখানে একটা বক্ষ ব্যাধি হাসপাতাল আছে। ছোটবেলায় আব্বু আম্মুর মুখে শুনতাম এখানে টিবি এর চিকিৎসা হয়। আমার কাছে টিবি নামটা কেমন জানি ইন্টারেস্টিং লাগতো কারণ এর সাথে ‘টিভি’ শব্দটার মিল আছে। পরে বুঝতে পারি টিবি আসলে যক্ষ্মা। আর এই যক্ষ্মা রোগের কারণ Mycobacterium tuberculosis নামের অণুজীব। ১৮৮২ সালে রবার্ট কখ (Robert Koch) এই অণুজীবটি আবিষ্কার করেন। তাঁর এই আবিষ্কারের জন্যে তিনি ১৯০৫ সালে মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পান। ওনার নাম অনুসারে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীব পরিচিতিঃ Clostridium tetani

ছোটবেলায় নানা রকম দুষ্টুমি করতে গিয়ে কত লোহা পেরেকের গুঁতো খেয়েছি। তখন যে কথাটি অবধারিতভাবে শুনতে হয়েছে তা হলো ‘লোহার গুঁতো খেলে কিন্তু টিটেনাস ইনজেকশন দিতে হবে’। এ অভিজ্ঞতা যে হয় নি তা নয়। লোহার গুঁতো খেয়ে ইনজেকশনের শরণাপন্ন আমাকে হতে হয়েছে। তখন যা জানতাম তা হলো ধনুষ্টঙ্কার হলে ঘাড় মটকিয়ে যায়। তাই ছোটবেলায় পেরেককে ভয় পেতাম খুব। মজার বিষয় হচ্ছে আজ এতদিন পর আমি সেই ধনুষ্টঙ্কারের জন্য দায়ী অণুজীব নিয়েই লিখতে বসেছি! প্রথমে জানা…
বিস্তারিত পড়ুন ...