ভাইরাস এবং আমাদের অনাক্রম্য ব্যবস্থা

আসলে ভাইরাস সামান্য কিছু প্রোটিনে মোড়ানো অল্প কিছু ডিএনএ কিংবা আরএনএ। কখনো কখনো এদের প্রোটিন আবরণের এখানে ওখানে টুকটাক লিপিড দেখা যায়। তবে বংশবিস্তারের ক্ষমতার বিচারে ভাইরাস যেকোন জীবিত সত্তার চেয়ে বেশি পারদর্শী। এটা সত্যি, ভাইরাসের বংশবিস্তারের জন্য তাকে অন্য কোষকে আক্রান্ত করতে হয়, সেই আক্রান্ত কোষের পুষ্টি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেই নতুন ভাইরাস জন্ম নেয়। অবশেষে আক্রান্ত কোষটি মরেও যেতে পারে। তবে এটা নিয়ে আসলে রাজনীতি করার কিছু নেই, আমরা মানুষেরাই তো বেঁচে থাকার জন্য কত কত প্রাণী মেরে ফেলি। নিজে জীবন্ত না হয়েও, নিজের সব কাজ অন্যকে দিয়ে করিয়ে নেয়ার দক্ষতাতেও কিন্তু ভাইরাস অন্য সব জীবসত্তার চেয়ে এগিয়ে।

ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ ও আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা

আমাদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অন্তর্নিহিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা। বিবর্তনীয় সময়রেখায় আগে আসা অন্তর্নিহিত প্রতিরোধের ব্যাপ্তি গায়ের চামড়া, চোখের পানি, পেটের এসিড, নাকের মিউকাস এবং নানান রকম শ্বেতরক্তকণিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ অ্যান্টিজেন, অ্যান্টিবডি, টি কোষ, বি কোষ সহ আরো সূক্ষ্ণ জিনিসপাতি। যদিও মানুষের মত বড়সর একটি প্রাণি যার আবার বংশবৃদ্ধির হার অতটা দ্রুত নয়, তাকে রক্ষা করার জন্য শুধু অন্তর্নিহিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট না হলেও যেকোন সংক্রমনে টি কোষ, অ্যান্টিবডি এদের কসরত শুরু হবার আগ পর্যন্ত অন্তর্নিহিত প্রতিরোধই আমাদের ভরসা। ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমনে অন্তর্নিহিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুইটা ধাপে কাজ করে। বিস্তারিত