অনলাইন একাডেমিক প্রোফাইল

বর্তমান সময়ে সকল গবেষকদের একাডেমিক প্রোফাইল অনলাইনে থাকা খুব দরকারি। যারা গবেষণা অনুদান দিবে অথবা গবেষণা-সম্পর্কিত চাকরি দিবে, তারা সহজেই আপনার সব কাজ একসাথে দেখে নিতে পারে। অনেক জার্নাল এই কারণে অনলাইন একাডেমিক প্রোফাইল অথরের নামের সাথে বসিয়ে দিতে আগ্রহী। এই অনলাইন একাডেমিক প্রোফাইল ব্যাপারটা খুবই দরকারি জিনিস। এই দরকারি জিনিসটা করার জন্য অনেকগুলো প্ল্যাটফর্ম আছে এখন। যেমনঃ গুগল স্কলার, অর্কিড, একাডেমিয়া ডট এডু, রিসার্চগেট ইত্যাদি। কিন্তু, অনেক অনেক প্ল্যাটফর্মের মাঝে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে রিসার্চগেট। ২০১৬ সালের পরিসংখ্যান অনুসারে ১১ মিলিয়ন ব্যাবহারকারী এবং ১০০ মিলিয়ন পাবলিকেশন। কি কারণে রিসার্চগেট এতো জনপ্রিয়? অন্য সব অনলাইন একাডেমিক প্রোফাইলের বিস্তারিত

এসো এবার ফুলের রঙটা দেই পাল্টে ;-)

ফুলের রং পাল্টে দেবার আগে আমার ছোট মামার কথা বলে নেই। আমার দেখা প্রথম বিজ্ঞানী হচ্ছেন আমার ছোট মামা। তার কাছ থেকেই শিখেছি কি করে ফুলের রং পাল্টে দিতে হয়। প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় আমরা ছিলাম সেই বিজ্ঞানী মামার সার্বক্ষণিক এসিস্ট্যান্ট। সে সুবাদে তার কাছ থেকে শিখেছি হলুদ আর সাদা মেশানো ছিটছিট রঙের পাতাবাহার গাছের ডাল কেটে স্বচ্ছ কাঁচের বোতলে পানি ভরে রেখে দিলে কিভাবে শিকড় গজায়। আরও শিখেছি, ফাউন্টেন পেনের কালির দোয়াতে সাদা ফুলের দুবলা গাছ থেকে কী করে কালো ফুল ফোটাতে হয়। চিকন বাঁশের চটি দিয়ে বানিয়েছি বাতাসের দিক নির্দেশক যন্ত্র। ফিউজ হয়ে যাওয়া বাল্বের ভেতর কালি শেষ বিস্তারিত

ক্যান্সারের জিন চেনার পথে এক ধাপ

একেকটি জিনের কাজ একেক রকম। কোনো কোনো জিন মানুষের চোখের রং নির্ধারণ করে দেয়। কোনোটি ঠিক করে মানুষের চুল কেমন হবে, কোনোটি ঠিক করে মানুষের উচ্চতা। আবার কোনো কোনো জিন বর্ণান্ধতাসহ বিভিন্ন জটিল ব্যাধির জন্য দায়ী। কিছু কিছু জিন ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি গবেষকদল এ রকম একটি জিন প্রস্তাব করেছেন। এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ক্যান্সার ইনফরমেটিকসে। এ গবেষণায় তাঁর সঙ্গে আরো কাজ করেন রুহুল আমিন, জেসমিন এবং হাসান জামিল। ক্যান্সারের জন্য দায়ী জিনের এই পরিবারটি হলো মেজ বা মেলানোমা এন্টিজেন পরিবার। এ জিনগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের বিস্তারিত

বড় অনেক গবেষকই দেশে ফিরে আসতে চান

[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের গবেষক ড. আনোয়ার হোসেনের এ সাক্ষাৎকারটি নেযা হয়েছিলো ক্যান্সার জিন সনাক্তকরণ সম্পর্কিত একটি গবেষণা কাজ নিয়ে। গবেষণাপত্রের লিঙ্ক: PubMed] আপনাদের কাজটি একটু ব্যাখ্যা করে বলবেন কী? আমাদের কাজটি ছিল ক্যান্সারের ওপর। আমরা একটা নতুন জিন প্রস্তাব করেছি, যে জিনটা কি না ক্যান্সারের জন্য দায়ী হতে পারে। এ ধরনের জিন আগে দেখা যায়নি। মানুষের ডিএনএতে কিছু কিছু জায়গায় এমন সব জিন থাকতে পারে, যা কি না ক্যান্সার তৈরি করে। মেজ পরিবারে এ রকম অনেক জিন দেখা যায়। সাধারণত মানুষের তিন আর পনেরো নম্বর ক্রোমোজমে এ জিনগুলো থাকে। তবে আমাদের প্রস্তাবিত জিনটি পাঁচ নম্বর ক্রোমোজমে আছে। প্রস্তাবিত এ বিস্তারিত