বিভিন্ন ভ্যাক্সিন নিয়ে আপনার যা জানা প্রয়োজন

ভ্যাক্সিন তৈরী হলে এবার আসে কার্যকারীতার ব্যাপারটি। কোনটি মানুষের দেহে কাজ করবে । একই সাথে অক্ষতিকর ও সহজলভ্য কিংবা কমমূল্যে উৎপাদন করা যাবে ইত্যাদি। এছাড়া, মানুষে অনুপ্রবেশ করানোর আগে ল্যাবে বিভিন্ন ট্রায়ালের/পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা পড়ে৷ সেটির কার্যকারীতা প্রকাশ পেলে এরপর আসে মানুষের মাঝে পরীক্ষামূলক প্রমাণ। এটি আবার ছোট পরিসর, বড় পরিসরে ট্রায়াল/পরীক্ষার ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এভাবে, সবগুলি ধাপ অতিক্রম করলে তা FDA-এর মত প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। তারপর, এটি সর্বসাধারণের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয়। আর, পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘসময়ের প্রয়োজন হয়।

ভ্যাক্সিন, এক স্বর্গীয় আশীর্বাদ

এ বছরে ‘The Croods’ নামে একটা অ্যানিমেটেড মুভি বের হয়েছিল। মুভিটা অনেকেই দেখেছেন। Croods রা মূলত গুহামানব। সারা পৃথিবী থেকে তারা বিচ্ছিন্ন। গুহাতেই তারা তাদের জীবনের প্রায় পুরোটাই কাটিয়ে দেয়। প্রকৃতির নানা প্রতিকূলতার সাথে তারা দিন রাত যুদ্ধ করে টিকে থাকার জন্যে। প্রকৃতির ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা তারা জানে না। তাই তারা ঘটনাগুলোকে নিজের মত করে ব্যাখ্যা করে। আর তৈরি হয় নান মিথ।   মানুষের ইতিহাসও অনেকটা Croods দের মত। মানুষের কাছে যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগে নি। তখন তারা প্রকৃতির কাছে এমনটাই অসহায় ছিল। আর মানুষের চরম শত্রু ছিল নানা প্রাণঘাতী রোগ। এমন একটি রোগ হলো গুটি বসন্ত বা Smallpox। যে রোগ বিস্তারিত

টিকা-বিরোধী আন্দোলন : একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা

একটা অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন দিয়ে লেখাটা শুরু করা যেতে পারে। বিজ্ঞানমনষ্কতা কেন জরুরী? এই প্রশ্নের যথার্থতা আমাদের তৃতীয় বিশ্বের গরীব দেশে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। বাংলাদেশে জনগণের মাঝে বিজ্ঞানমনষ্কতা কম। বিপরীতভাবে, এমনটা ভাবার অবকাশ নেই যে উন্নত দেশে জনসাধারণের মধ্যে বিজ্ঞানমনষ্কতা বেশি। উন্নতদেশে সাধারণ মানুষজন উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা পেয়ে থাকেন বলে যে তাদের বিজ্ঞানবোধও বেশি হবে – বিষয়টা এতো সরল নয়। প্রথমবিশ্বেও দরকার হয় বিজ্ঞান-জনপ্রিয়করণ এবং আধুনিক-কুসংস্কার বিরোধী আন্দোলন। তৃতীয় বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষার প্রস্তুতী নেয়ার সময় পাঠ্যতে ঠিক এই প্রসঙ্গেরই একটা বাস্তব উদাহরণ দেখলাম। সেটাই এখন পাঠকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।    অভিভাবকেরা যখন টিকার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন একটা বিস্তারিত