১০ মিনিটে ক্যান্সার শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার

ক্যান্সার শব্দটি শুনলেই এর ভিতরটা কেমন যেন আঁতকে উঠে। কেননা ক্যান্সার হলো পৃথিবীর অন্যতম প্রধান মরণব্যধী। কোন কারণে  আমাদের দেহে স্বাভাবিক কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেলেই ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়। কোন নির্দিষ্ট একটা জায়গায় ক্যান্সার হওয়ার পর তা ধীরে ধীরে দেহের অন্যত্র ছড়িয়ে পরে। ২০১৫ সাল নাগাদ প্রায় ৯০.৫ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সার রোগে ভোগছে। প্রতিবছর প্রায় ১৪.১ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় এবং ক্যান্সারের ফলে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৮.৮ মিলিয়ন। ২০১২ সালে প্রায় ১,৬৫,০০০ অনুর্ধ্ব ১৫ বছর বয়সি শিশুর ক্যান্সার রোগ ধরা পরে। মানবদেহে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা উলেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। কোন রোগীর ক্যান্সার হয়েছে বিস্তারিত

X ক্রোমোসোম এর রহস্য উন্মোচন

ধরুন দুটি আইডেন্টিক্যাল জমজ বোন আছে। আইডেন্টিক্যাল জমজ মানে এরা দুইজন একটিমাত্র জাইগোট থেকে বৃদ্ধি লাভ করেছে। যেহেতু তারা সম্পূর্ণ একই রকম ডিএনএ বিশিষ্ট্য তাই তাদের চুলের রঙ, নাক, হাত, চোখের রঙ সহ প্রায় সব কিছুই হুবুহু একই রকম। কিন্তু আশ্চর্য করা বিষয় হল এদের মাঝে একজন সবুজ আলোর জন্য বর্ণান্ধ কিন্তু অন্যজন স্বাভাবিক। প্রশ্ন হলো ,একই রকম জিনোম বিশিষ্ট্য হলে দুই বোনের মাঝে এই ভিন্নতা কিভাবে সম্ভব হলো ? উত্তর লোকানো আছে তাদের জিনে এবং X ক্রোমোসোম এর বিশেষ রহস্যে। মানব দেহে ২৩ জোড়া ক্রোমোসোম আছে। আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্যট নিয়ন্ত্রনকারী সকল উপাদান ২৩ জোড়া ক্রোমোসোম রূপে দেহের প্রতিটি কোষে বিস্তারিত

গ্রীনহাউজ গ্যাস যেভাবে তাপ ধরে রাখে

গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূ্‌-পৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমন্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়। এই বিকীর্ণ তাপ বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূ-পৃষ্ঠের তথা বায়ুমন্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত সৌর বিকিরণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বায়ুমন্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভূ-পৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূ-পৃষ্ঠ পরবর্তীকালে এই শক্তি নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অবলোহিত রশ্মি আকারে নির্গত করে। এই অবলোহিত রশ্মি বায়ুমন্ডলস্ত গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে অনেক বেশি শক্তি আকারে ভূ-পৃষ্ঠে ও বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে পুনঃবিকিরিত হয়। শীত প্রধান দেশগুলোতে সাধারণত কাচ নির্মিত গ্রীনহাউজ তৈরি করে উদ্ভিদ উৎপাদন করার পদ্ধতি অনুসরণ এই প্রক্রিয়ার নামকরণ করা বিস্তারিত

লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি

কোন দম্পতির ক্ষেত্রে যখন স্ত্রী গর্ভবতী হয় তখন ঐ দম্পতিকে দেখলে সকলের একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো “ছেলে হবে নাকি মেয়ে?”। এই প্রশ্নের কারণ হলো, সামাজিক জীবনের অভিজ্ঞতায় আমরা বলতে পারি যে ছেলে বা মেয়ে হওয়ার সম্ভাবনা ৫০/৫০। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে মেয়ে বা ছেলে হওয়ার সম্ভাবনা কেনই বা ৫০/৫০ হলো? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে আমাদের লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতিতে। আমাদের এই প্রাণিজগতে নানা বৈচিত্রের জনন প্রক্রিয়া ও জীবনচক্র লক্ষ করা যায়। কোন প্রাণী অযৌন জনন, কোনটা যৌন জনন, কোনটা আবার যৌন অযৌন উভয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে । যৌন জননের ক্ষেত্রে মাইয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড (2n) প্রাণিদেহ থেকে হ্যাপ্লয়েড (n) বিস্তারিত