অণুজীববিজ্ঞান

করোনার মধ্য দিয়েই কি mRNA ভ্যাক্সিনের বিপ্লব ঘটবে?

ভাইরাস এবং ভ্যাক্সিন এখন বলা যায় “ভয় এবং ভরসা” শব্দ দুইটির সাথে বেশি যায়। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে আমরা বুঝতে পেরেছি ভাইরাস যতটা না সহজলভ্য, ভ্যাক্সিন ততটাই মূল্যবান আর কষ্টসাধ্য৷ পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারীর কারণেই গত কয়েক মাসে জনসাধারণ অনেকগুলি বৈজ্ঞানিক শব্দের সাথে পরিচিত হয়েছে। যেমন: কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ, লকডাউন, মাস্ক বা মুখোশ পরিধান, সামাজিক দূরত্ব ইত্যাদি। …

করোনার মধ্য দিয়েই কি mRNA ভ্যাক্সিনের বিপ্লব ঘটবে? Read More »

মানবদেহ কি অনুজীবের বিচরণভূমি?

আমাদের দেহের গাঠনিক উপাদানের কথা চিন্তা করলে আসবে অস্থি-তরুণাস্থি সমন্বিত শিরা-উপশিরা, লসিকাতন্ত্র, পরিপাক তন্ত্র, রেচনতন্ত্র, নিউরন-পেশী ইত্যাদির সংমিশ্রণে গঠিত এক জটিল গাঠনিক ক্রিয়াকলাপ৷ অর্থাৎ, মানবদেহ আর যাই হোক মোটেও কোন সহজ কাঠামো নয়৷ আর, অণুজীববিজ্ঞানীদের চোখে দেখলে হবে নানা ধরণের অনুজীবের সমাহারে গঠিত মানবদেহ ৷ তবে এটা মোটেও কোন নিছক খেলার বিষয়বস্তু নয়।  বিষয়টা অনেকটা …

মানবদেহ কি অনুজীবের বিচরণভূমি? Read More »

যে ভাইরাসটি মানুষকে বৃক্ষে পরিণত করতে পারে

১. আবুল বাজনদার গান-বাজনা করতেন কি না জানি না, তবে খবরে পাওয়া যায় তিনি পেশায় ছিলেন ভ্যান-চালক। কিন্তু গত-দশ বছর ধরে তার দু’হাতের আঙ্গুলে গাছের শেকড়-বাকড়ের মতো অদ্ভূতদর্শন অংশ গজিয়ে ওঠা শুরু করলে তার পক্ষে স্বাভাবিক কাজ-কর্ম চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে এই অস্বাভাবিক অসুখের খবর বাংলাদেশের তথ্যমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার …

যে ভাইরাসটি মানুষকে বৃক্ষে পরিণত করতে পারে Read More »

ভাইরাস কি আসলেই আমাদের ভবিষ্যৎ-সম্ভাবনার দ্বার?

ভাইরাস শব্দটি মূলত আক্রমনাত্মক এবং সংক্রামক স্বভাবেই বেশি পরিচিত। খালি চোখে দেখতে না পাওয়া এই জীবতত্ত্বিক রসায়ন অসংখ্য মৃত্যু এবং অসুস্থতার সাথে জড়িত। একটি ক্ষতিকর ভাইরাস মহামারীর মত প্রতিবেশি, শহর, এমনকি কোন ভৌগলিক এলাকাকে নিদারুণ উদ্ভট আতংকে ফেলতে পারে৷ যার প্রমাণ আমরা এই করোনার কারণে ভালোই উপলব্ধি করতে পারছি৷ আর এই খালি চোখে অদৃশ্য ভাইরাস …

ভাইরাস কি আসলেই আমাদের ভবিষ্যৎ-সম্ভাবনার দ্বার? Read More »

অণুজীববিজ্ঞানে ভাইরাসের প্রথম সূচনা ও বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রাম

বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারী পেক্ষাপটে “ভাইরাস” একটি বহুল আলোচিত ও আতঙ্ক সৃষ্টিকারী শব্দ। কিন্তু, কখনো কি মনে হয়েছে নামটির উদ্ভব কিভাবে হলো? কিংবা কেনই বা একে আমরা ভাইরাস বলি?  আসলে, ভাইরাস শব্দটি এসেছে ইতালির একটি শব্দ “ওয়েইস-ও-(এস-)” থেকে যাকে ল্যাটিন শব্দে রূপান্তরিত করলে “ভাইরাস” নামটি পাওয়া যায়। অর্থাৎ, ল্যাটিন ভাষা হতে ধার করা একটি শব্দ হলো …

অণুজীববিজ্ঞানে ভাইরাসের প্রথম সূচনা ও বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রাম Read More »

গড়গড়ার মাধ্যমে ভাইরাস ধুয়ে ফেলার বিজ্ঞান

শ্বাসতন্ত্রের যেসব ভাইরাস সাধারণ সর্দি, ঠান্ডা অথবা আরো মারাত্মক উপসর্গের জন্য দায়ী তারা মূলত নাক ও মুখ দিয়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। নাক ও মুখের গভীরে এই অংশকে ফ্যারিংক্স বলে যেটির সবথেকে উপরের অংশ ন্যাসোফেরিংক্স (নাকের গভীরের অংশ), এরপর অরোফেরিংক্স (মুখ গহ্বর এর ভিতরে) এবং হাইপোফেরিংক্স ( অরোফেরিংক্স এর আরো খানিকটা নীচে)। অন্যান্য ভাইরাসের মতো …

গড়গড়ার মাধ্যমে ভাইরাস ধুয়ে ফেলার বিজ্ঞান Read More »

কোভিড-১৯ শনাক্তে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড RT-PCR আসলে কতটা খাঁটি?

কোভিড-১৯ প্যানডেমিকের জন্য দায়ী সার্স-কভ-২ ভাইরাস শনাক্তকরণে বিশ্বব্যাপী রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ পলিমারেজ চেইন রিয়াকশন (RT-PCR) ব্যবহার করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সম্ভাব্য রোগীর নাক বা গলার ভিতর থেকে নমুনা নেয়া হয় যার মধ্যে সক্রিয় ভাইরাস বিদ্যমান। এই নমুনা ল্যাবে এনে পরীক্ষায় কয়েকটি ধাপ রয়েছে। প্রথমে নমুনার ভাইরাস থেকে এর জেনেটিক ম্যাটেরিয়াল বা RNA বের করে আনা। এরপর বেশ কিছু উপাদান ব্যবহার করে এইRNA এর একটি নির্ধারিত অংশ কে DNA তে রূপান্তরিত করা এবং সেই রূপান্তরিত DNA এর সংখ্যা বা পরিমাণ চক্র হারে বৃদ্ধি করা। শেষ পর্যায়ে এই DNA এর উপস্থিতি নির্দেশ করে নমুনাতে ভাইরাস টি উপস্থিত ছিল। তখন আমরা বলি ব্যক্তি টি সার্স-কভ-২ পজিটিভ।

সার্স-কভ-২ ভাইরাস RNA এর যেই অংশ টুকু কে নির্ধারন করে পুরো টেস্ট টি সাজানো হয় সেটি খুব সতর্কতার সাথে বাছাই করা হয়। যাতে ঐ অংশ টি কাছাকাছি অন্য কোন ভাইরাসের সাথে না মিলে যায়। কারন মানব শরীরে সার্স-কভ-২ ছাড়াও অন্য অনেক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও সর্দি, কাশি বা জ্বরের মত উপসর্গ থাকতে পারে । তাই সার্স-কভ-২ ভাইরাসের RNA এর ঐ বিশেষ অংশ টি কোন ভাবেই যেন অন্য করোনাভাইরাস, সার্স ভাইরাস, মার্স ভাইরাস বা অন্য শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসের সাথে মিলে না যায় সেটি নিশ্চিত করা হয়। ফলে এই পদ্ধতিতে খুব কম ক্ষেত্রেই সার্স-কভ-২ ভাইরাস ছাড়া ভুলক্রমে অন্য ভাইরাসের RNA শনাক্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। শরীরে সার্স-কভ-২ ভাইরাস না থাকার পর ও অন্য ভাইরাস এর RNA ভুলক্রমে শনাক্ত হয়ে সার্স-কভ-২ হিসাবে ফলাফল (যাকে বলা হয় ‘ফলস পজিটিভ’) খুব একটা আসে না।

কোভিড-১৯ টেস্টে নেগেটিভ মানেই বিপদমুক্ত নয়

আপনার কোভিড-১৯ এর উপসর্গ বিদ্যমান। টেস্ট করালেন। রিপোর্ট হাতে পেয়ে দেখলেন রিপোর্ট নেগেটিভ। নিঃসন্দেহে খুশি হবেন। খুশিতে বাড়ি ফিরে নির্দ্বিধায় জড়িয়ে ধরলেন প্রিয়জনদের। দূরত্ব বজায় রেখে চলার প্রয়োজন বোধ করলেন না। দিনকয়েকের মধ্যেই আপনার প্রিয়জনদের উপসর্গ দেখা দিল এবং তাদের টেস্ট রেজাল্ট পজিটিভ আসলো! আপনি আসলে করোনা আক্রান্ত হবার পরেও রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছিল, এটাকেই বলা হয় ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট। করোনা টেস্টে পজিটিভ আসার চেয়েও ভয়াবহ ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট।

উপসর্গ থাকলে টেস্টে নেগেটিভ আসলেও অবশ্যই ডাক্তারের পরমর্শ মেনে নিজ থেকে ৭ দিন আইসোলেশনে থেকে উপসর্গসমূহ পর্যবেক্ষণ করা উচিৎ।

গ্রাহক হতে চান?

যখনই বিজ্ঞান ব্লগে নতুন লেখা আসবে, আপনার ই-মেইল ইনবক্সে চলে যাবে তার খবর।