অণুলেখা ৬: ইবোলা ঠিক কতটা সংক্রামক?

কার্যকরী ঔষধ এবং টিকা আবিষ্কার না হওয়ার কারণে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা আক্রান্তের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র প্রায় ৩০ শতাংশের মত। সেই সঙ্গে মিডিয়ার কারণে এবং কিছু পশ্চিমা মানুষেরা আক্রান্ত হওয়ার ফলে ইবোলা ভীতি প্রায় সংক্রামক আকার ধারণ করেছে। আসলে রোগটির চেয়ে রোগটির ভীতি বেশি সংক্রামক। কিছু তুলনামূলক পরিসংখ্যান দেখি।       Centers for Disease Control and Prevention (CDC) এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী যদি তুলনা করি তবে ইবোলে মোটেই খুব সংক্রামক নয়। বরং মিসেলস বা হাম এবং মাম্পস রোগ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুলেখা ৫: ক্যান্সার কোষের সংক্রামক আচরণ

বেশ কিছুদিন আগে একটা লেখা প্রকাশ করেছিলাম যেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে ক্যান্সার সংক্রামক হতে পারে কিনা। কিছু প্রাণীতে এরকম সংক্রমণ সম্ভব। যেমন, তাসমানিয়ান ডেভিল নামের জন্তুটি ক্যান্সার আক্রান্ত হলে সে যদি অন্য তাসমানিয়ান ডেভিলকে কামড়ে দেয় তবে মুখ থেকে ক্ষতে ক্যান্সার কোষ ঝরে পড়ে কামড় খাওয়া জন্তুটিরও ক্যান্সার তৈরি হয়। মানুষে এমন উদাহরণ পাওয়া যায়নি। তবে খুব সম্প্রতি একটি পরীক্ষা বলছে কোষ নয়, বরং ক্যান্সার কোষ থেকে তৈরি হওয়া এক্সোজোম থেকে ক্যান্সার একটি কোষ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

নিউরন, আলো এবং অপ্টোজেনেটিক্স

আমাদের মগজটা অসাধারন একটা বস্তু। অসাধারন এর প্রয়োজনীয়তা, অসাধারন এর জটিলতা। ছোট্ট-বদ্ধ একটা কোঠরে থেকেও, একটি কোয়ান্টাম কণার স্পন্দন থেকে মহাবিশ্বের নিঃসীমতা- বহু কিছুই ধারন করতে পারে। ভালো লাগা, খারাপ লাগা, চলাফেরায় ভারসাম্য রাখা- এই ব্যাপারগুলো মগজের নিউরনের মধ্যে ছড়ানো কিংবা সাজানো থাকে। মন ভালো নাই- নির্দিষ্ট কিছু নিউরন কাজ করছে। সুন্দর একটি গান শুনে মন ভালো হয়ে গেল, অন্য এক গুচ্ছ নিউরন এখন সক্রিয়। কিংবা ভাইভা দিতে গিয়ে সব ভূলে যাওয়া, তখন সব নিউরন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

স্মার্ট হবার ঔষধ

'কোথায় কাজ? কি কাজ আছে মানুষের? অংক কষা, ইঞ্জিন বানানো, কবিতা লেখা? ওসব তো ভান, কাজের ছল। পৃথিবীতে কেউ ওসব চায়না। একদিন মানুষের জ্ঞান ছিল না, বিজ্ঞান ছিল না, সভ্যতা ছিলনা, মানুষের কিছু এসে যায় নি। আজ মানুষের ওসব আছে কিন্তু তাতেও কারো কিছু এসে যায়না। তার মধ্যে যে বিপুল শূন্যতা আছে সেটা তাকে ভরতেই হবে...' --মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, দিবারাত্রির কাব্য এই শূন্যতা পূরনের আয়োজন চলছেই। মানুষের চাহিদা যেন বিশাল ব্ল্যাকহোলের মত। যদি শুধু ভালো দিকটাই…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অ্যাপপ্টসিস

মানুষের মৃত্যুর কারন নানান রকম। আলোচনার সুবিধার জন্য দুই ভাগে ভাগ করলাম, আত্নহত্যা আর পরহত্যা(মানে খুন, দূর্ঘটনা, রোগ এরকম পরের দ্বারা হত্যা)। কোষের ক্ষেত্রেও একই প্রকারভেদ প্রয়োগ করা যায়। পরহত্যা-মানে কোন কোষ যদি আঘাতজনিত, বিষক্রিয়া কিংবা কোন ধরনের সংক্রমনের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথবা রক্তের প্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মারা যায় তখন তাকে বলে নেক্রোসিস। নেক্রোসিসের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানে প্রদাহ এবং পরবর্তীতে নানান জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে কোষের সমাজে নেক্রোসিস যতটা অস্বাভাবিক, অ্যাপপ্টসিস ততটাই স্বাভাবিক।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

চশমার সাহায্যে শনাক্ত করা যাবে টিউমার

বিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন কত সহজে ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, টিউমার শনাক্ত করতে পারেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বড় ধরণের এজেন্ডার মাঝে ক্যানসার একটি। এখন পর্যন্ত ডাক্তারেরা তিনটি উপায়ে ক্যান্সারের চিকিৎসা করে থাকেন। প্রথমটি হল ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে ক্যানসারকে আস্তে আস্তে নিষ্ক্রিয় করা, অন্যটি তেজস্ক্রিয়তা বা রেডিওথেরাপির মাধ্যমে একটু একটু করে কমিয়ে আনা। আরেকটি যেটি আছে সেটি হল ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু কেটে ফেলে দেয়া। এখানে প্রথম প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ধীরপ্রক্রিয়া। অন্যদিকে পরের দুটি উপায় চিকিৎসকরা ব্যবহার করে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ল্যাবে একদিন…

বেশ কিছুদিন আগে ফিজিওলজি ল্যাবে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা শেখানো হল। স্যার একবার দেখিয়ে দিয়ে ল্যাব থেকে চলে গেলেন। উৎসাহীরা একে অপরের আঙ্গুল ফুটো করে তিনফোটা রক্ত স্লাইডে নিয়ে অ্যান্টিজেন মিশিয়ে গ্রুপ বের করতে শুরু করল। সাহসীরা নিজেরাই নিজেদের আঙ্গুলে সুই ফুটিয়ে কাজ করল। কিন্তু, ঝামেলা হল-বেশ কয়েকজনের রক্তের গ্রুপ তারা যেটা জানতো সেটা না এসে অন্য কিছু দেখাচ্ছে। তারা আবার পরীক্ষা করল, তবে ফলাফল আগের মতই। তারাও সেটা মেনে গেল, কেউ কেউ আগের পরীক্ষকের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

চিকিৎসাবিজ্ঞানের বহুল আলোচিত দশ

রফিকুল ইসলাম   রক্ষক কোষ তৈরিতে ক্লোনিং বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এই ক্লোনিং মানব ক্লোনিং না হলেও অনেকটা কাছাকাছি। এটি ক্লোনিং প্রাণী ডলি তৈরির সাথে সম্পরক্রিত। কোন দৈহিক কোষ গ্রহণ করে তার ডি.এন.এর পরিবর্তন ঘটিয়ে এটি সম্ভব হয়েছিল। আর এই পদ্ধতির নাম সোমাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্র্যান্সফার। এ বছর অক্টোবর মাসে নিউইয়র্ক স্তেম(stem) ফাউনডেশনের  বিজ্ঞানীরা এমন একটি মানব ক্লোন মডেল উন্মোচন করেছেন। যা মূলত স্তেম(stem) সেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এটি দাতার সাথে সম্পর্ক না রেখেও স্কাইনকর্ড ও পেশির চিকিৎসায় সফলতা…
বিস্তারিত পড়ুন ...