চিকিৎসাবিজ্ঞানের বহুল আলোচিত দশ

রফিকুল ইসলাম   রক্ষক কোষ তৈরিতে ক্লোনিং বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এই ক্লোনিং মানব ক্লোনিং না হলেও অনেকটা কাছাকাছি। এটি ক্লোনিং প্রাণী ডলি তৈরির সাথে সম্পরক্রিত। কোন দৈহিক কোষ গ্রহণ করে তার ডি.এন.এর পরিবর্তন ঘটিয়ে এটি সম্ভব হয়েছিল। আর এই পদ্ধতির নাম সোমাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্র্যান্সফার। এ বছর অক্টোবর মাসে নিউইয়র্ক স্তেম(stem) ফাউনডেশনের  বিজ্ঞানীরা এমন একটি মানব ক্লোন মডেল উন্মোচন করেছেন। যা মূলত স্তেম(stem) সেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এটি দাতার সাথে সম্পর্ক না রেখেও স্কাইনকর্ড ও পেশির চিকিৎসায় সফলতা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্যান্সারের বিবর্তন রহস্য উন্মোচন

ক্যান্সারের বিবর্তন ও ক্যান্সার চিকিৎসায় পদার্থবিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে ফিজিক্স ওয়ার্ল্ডে প্রকাশিত পল ডেভিসের লেখনীর বাংলা বঙ্গানুবাদ। অনুবাদঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম পল ডেভিসের মতে ক্যান্সার একটি প্রাচীন ব্যাধি যা সর্বপ্রথম  বিলিয়ন বছর পূর্বে বহুকোষী জীবে দেখা যায়। একজন পদার্থবিদের কাছে জীবন অনেকটা জাদুবিদ্যার মত। জীবিত কোষের জটিল সব কার্যপদ্ধতি দেখে একজন পদার্থবিদ স্বভাবতই অবাক হন। যদিও কিছু জৈবিক পদ্ধতি গণনানির্ভর। এর মধ্যে অন্যতম ডিম্বকের বৃদ্ধি। ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই ঘটে। ক্যান্সারের উৎপত্তি ও বৃদ্ধির ধরণ সকল…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জীবাণুনাশক হ্যান্ডওয়াশ কতটা কাজের?

সারাদিন কর্মব্যাস্ত ছিলেন। দিনটা ছিলো আর্দ্র, গরম পড়েছিলো খুব। বাসায় ফিরতে হয়েছে বাসে ঝুলে ঝুলে। বাসের ভেতর ঘর্মাক্ত সহযাত্রীদের সংস্পর্শ এড়ানো সম্ভব হয় নি। তাই ঠিক করলেন বাসায় গিয়েই গোসল করতে হবে। জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে। 'স্বাস্থ্যকে রক্ষা' করতে হবে না? চারপাশে তো অদৃশ্য রোগজীবাণু গিজগিজ করছে। একমাত্র জীবাণুনাশক সাবানই পারে এসব লুকিয়ে থাকা জীবাণুদের কুপোকাত করে আমাদের সুস্থ রাখতে।   উপরের লেখাটা পড়ে কি আপনার কোন সাবান বা হ্যান্ডওয়াশের বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে? সুনির্মিত…
বিস্তারিত পড়ুন ...

রিজেনারেটিভ মেডিসিনঃ চিকিৎসাবিজ্ঞানের নতুন দর্শন

আজকালকার বিজ্ঞানীরা ল্যাবে বসে বসে মানুষের বিভিন্ন অঙ্গ তৈরি করে ফেলতে পারেন! শুধু তৈরি করেই ক্ষান্ত হন না, রোগীর ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ কেটে ফেলে দিয়ে একদম ল্যাবফ্রেশ ওয়ার্কিং অংগটা শরীরে ফিট করে দেয়ার ক্ষমতাও রাখেন! কিন্তু অঙ্গ প্রতিস্থাপন বা অরগ্যান ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট তো নতুন কিছু না, সেই হিন্দু পুরাণের গনেশের মাথা প্রতিস্থাপন অথবা ড্যামিয়ান আর কসমসের মিথ থেকে শুরু, তারপর থেকে আজ অবধি কত কিডনি, চোখ, হার্ট, লিভার-ই তো প্রতিস্থাপিত হল। তাহলে এটা নিয়ে লেখা ফেঁদে বসেছি…
বিস্তারিত পড়ুন ...

উন্নত স্মৃতিশক্তি প্রাপ্তি ও হতাশা দুর করার সহজ ও সুলভ উপায়

চমৎকার স্মৃতিশক্তি আমাদের সকলেরই কাম্য, এর জন্য আমরা কত আয়োজনই না করে থাকি, কিন্তু এতসব আয়োজনে হয়ত একটি পরিচিত নিত্যসঙ্গীর কথাই ভুলে যায়আবার কর্মব্যাস্ত ও ক্লান্তিকর একটা দিন অতিবাহিত করার পর আমাদের দেহ মন দুইয়েরই একটু আরাম প্রয়োজন। কারন আগামীদিন আর একটা নতুন কর্মস্পৃহা নিয়ে জীবন যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু কোন জিনিসটা যোগাবে এই নতুন কর্মস্পৃহা এবং শানিত করবে আমাদের স্মৃতিশক্তি ? উত্তর হল ঘুম ! একটা ভাল ঘুম। আসুন তাহলে জেনে নেই, ঘুম আমাদের জীবন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জ্বর কেন হয়?

বেশ তো আছেন! খেলাধুলা, লাফ-ঝাঁপ সব চলছে! কিন্তু, হঠাৎ একদিন দেখা গেল, গা গরম, মাথাটাও একটু ব্যাথা ব্যাথা করছে। সবাই বলল, আপনার জ্বর হয়েছে! অর্থাৎ, আপনার দেহের তাপমাত্রা যেখানে থাকা উচিত ৯৭ থেকে ৯৮.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট, তার থেকে বেড়ে গেছে। থার্মোমিটার ও একই কথা জানালো। বুঝলাম, আপনার দেহের তাপমাত্রা বেড়ে গেছে, আপনার জ্বর হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, এই জ্বর কেন হয়??? জ্বর মানে হল, দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেরে যাওয়া। আর দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি মানে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কৃত্রিম ডিএনএতে বিবর্তন পর্যবেক্ষণ: বিবর্তন প্রতিষ্ঠায় আরো একধাপ

বিবর্তন প্রতিষ্ঠার পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো বিজ্ঞান। প্রথমবারের মত বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে বিবর্তনের রসায়ন পর্যায়ের পরীক্ষা চালিয়েছেন এবং আবিষ্কার করেছেন যে, রাসায়নিক ভাবেই বিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই গবেষণার মাধ্যমে বোঝা গেলো মহাবিশ্বের অন্যকোথায় প্রাণের বিকাশ ঘটলে সেখানেও স্বাভাবিক রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণের বংশবৃদ্ধি এবং বিবর্তন ঘটবে এবং তার জন্য পৃথিবীর অনুরূপ ডিএনএ বা আরএনএ-র দরকার হবে না। এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি অতিসম্প্রতি ‘সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যমব্রিজের MRC Laboratory of Molecular Biology…
বিস্তারিত পড়ুন ...

শীঘ্রই আসছে : কৃত্রিম রক্ত

মেডিক্যালে পড়ার কারণে এক ব্যাগ রক্তের জন্য মানুষের যে কী হাহাকার, কী কষ্ট, কী ছুটোছুটি, কী দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তা খুব কাছ থেকেই অনুভব করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আনকমন ব্লাড গ্রুপ যেমন যেকোন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ হলে তো কথাই নেই। এমনিতে হয়তো রোগ তেমন সিরিয়াস না, মাত্র এক ব্যাগ রক্তই পারে রোগীকে মৃত্যুযাত্রা থেকে ফেরাতে। কিন্তু রক্তপ্রার্থীদের অজ্ঞতা আর রক্তদানে মানুষের চরম অনাগ্রহের কারণে এই এক ব্যাগ রক্তের অভাবেই রোগীটি মারা যেতে হচ্ছে। অন্তত এক…
বিস্তারিত পড়ুন ...