কৃত্রিম ডিএনএতে বিবর্তন পর্যবেক্ষণ: বিবর্তন প্রতিষ্ঠায় আরো একধাপ

বিবর্তন প্রতিষ্ঠার পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো বিজ্ঞান। প্রথমবারের মত বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে বিবর্তনের রসায়ন পর্যায়ের পরীক্ষা চালিয়েছেন এবং আবিষ্কার করেছেন যে, রাসায়নিক ভাবেই বিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই গবেষণার মাধ্যমে বোঝা গেলো মহাবিশ্বের অন্যকোথায় প্রাণের বিকাশ ঘটলে সেখানেও স্বাভাবিক রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণের বংশবৃদ্ধি এবং বিবর্তন ঘটবে এবং তার জন্য পৃথিবীর অনুরূপ ডিএনএ বা আরএনএ-র দরকার হবে না। এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি অতিসম্প্রতি ‘সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যমব্রিজের MRC Laboratory of Molecular Biology এর গবেষক ফিলিপ হলিগার। DNA এবং RNA হচ্ছে পৃথিবীতে জীবের বংশবিস্তার এবং শারীরবৃত্তীয় কাজের মূল ভিত্তি। জীবের বংশগতীয় যাবতীয় বৈশিষ্ট্য DNA তে কোডের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ বিস্তারিত

শীঘ্রই আসছে : কৃত্রিম রক্ত

মেডিক্যালে পড়ার কারণে এক ব্যাগ রক্তের জন্য মানুষের যে কী হাহাকার, কী কষ্ট, কী ছুটোছুটি, কী দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তা খুব কাছ থেকেই অনুভব করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আনকমন ব্লাড গ্রুপ যেমন যেকোন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ হলে তো কথাই নেই। এমনিতে হয়তো রোগ তেমন সিরিয়াস না, মাত্র এক ব্যাগ রক্তই পারে রোগীকে মৃত্যুযাত্রা থেকে ফেরাতে। কিন্তু রক্তপ্রার্থীদের অজ্ঞতা আর রক্তদানে মানুষের চরম অনাগ্রহের কারণে এই এক ব্যাগ রক্তের অভাবেই রোগীটি মারা যেতে হচ্ছে। অন্তত এক দশমাংশ সুস্থ-সক্ষম মানুষ যদি স্বেচ্ছায় নিয়মিত রক্তদান করত তাহলে এই মানুষগুলোকে রক্তের জন্য এতো ছুটোছুটি, এতো হাহাকার করা লাগতো না। তবে সেদিন বোধহয় খুব বেশি বিস্তারিত

টিকা-বিরোধী আন্দোলন : একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা

একটা অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন দিয়ে লেখাটা শুরু করা যেতে পারে। বিজ্ঞানমনষ্কতা কেন জরুরী? এই প্রশ্নের যথার্থতা আমাদের তৃতীয় বিশ্বের গরীব দেশে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। বাংলাদেশে জনগণের মাঝে বিজ্ঞানমনষ্কতা কম। বিপরীতভাবে, এমনটা ভাবার অবকাশ নেই যে উন্নত দেশে জনসাধারণের মধ্যে বিজ্ঞানমনষ্কতা বেশি। উন্নতদেশে সাধারণ মানুষজন উন্নত প্রযুক্তির সুবিধা পেয়ে থাকেন বলে যে তাদের বিজ্ঞানবোধও বেশি হবে – বিষয়টা এতো সরল নয়। প্রথমবিশ্বেও দরকার হয় বিজ্ঞান-জনপ্রিয়করণ এবং আধুনিক-কুসংস্কার বিরোধী আন্দোলন। তৃতীয় বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষার প্রস্তুতী নেয়ার সময় পাঠ্যতে ঠিক এই প্রসঙ্গেরই একটা বাস্তব উদাহরণ দেখলাম। সেটাই এখন পাঠকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।    অভিভাবকেরা যখন টিকার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেন একটা বিস্তারিত

সুস্থ হোন, সুস্থ থাকুন

একটা স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখা সবার সাথে শেয়ার না করে পারছি না। অনেক দিন আগে পেয়েছিলাম। লিফলেটে ছিল। দরকারি মনে হলো। তাই ব্লগে হুবহু দিলাম। কারো কাজে লাগলে এটা যিনি লিখছেন এবং যারা প্রচার করছেন তাদের শ্রম সার্থক হতে পারে। __________________________________________________________ সুস্থ হোন, সুস্থ থাকুন “ভবিষ্যতে চিকিৎসক রোগীকে ওষুধ না দিয়ে তাকে শেখাবেন শরীরের যত্ন নেওয়া, সঠিক খাদ্য নিবার্চন, রোগের কারণ নির্ণয় ও তা প্রতিরোধের উপায়।” টমাস আলভা এডিসন,মার্কিন আবিষ্কারক। এডিসন যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তা আজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলেও শরীরের যত্ন, খাদ্য বিচার ও রোগ ঠেকানোর ব্যাপারেও এখনও যথেষ্ট সচেতন নই।তাই বিভিন্ন মানবদরদী চিকিৎসক ও গবেষকের পরামর্শের ওপর ভিত্তি করে বিস্তারিত