ডিম, উপবৃত্ত ও মুক্তিবেগ

গত পর্বে সমুদ্রের পারে উঁচু একটি পর্বতের উপরে একটি কাল্পনিক কামানের কথা বলেছিলাম। নিউটন তার চিন্তন পরীক্ষায় এই কামানটি ব্যবহার করেছিলেন। ঐ কামান থেকে খুব বেশি জোরে গোলা ছুঁড়া হলে গোলাটি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকবে। ঐ কামানের কাছে আবারো ফিরে যাই। এবার কামানটিকে আগের চেয়েও বেশি শক্তিশালী করে তুলি। এমন শক্তিশালী কামান থেকে গোলা ছুড়ে মারলে কী ঘটবে? তা জানতে হলে আমাদেরকে এখন বিজ্ঞানী জোহানেস কেপলারের অসাধারণ আবিষ্কারের সাথে পরিচিত হতে হবে। উপবৃত্তকে অনেকটা ডিমের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জ্যোতির্বিজ্ঞানের অনন্য ইতিহাস গ্রন্থ “ইউডক্সাসের গোলক ও অন্যান্য প্রসঙ্গ”

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাস নিয়ে লেখা অনন্য একটি বই। মানুষ জ্যোতির্বিজ্ঞানের সাথে পরিচিত তখন থেকেই যখন থেকে মানুষ আকাশ দেখতে শুরু করেছে। আর আকাশ যেহেতু সর্বক্ষণের সঙ্গী তাই মানুষের বুদ্ধিমত্তার বিকাশের শুরু থেকেই মানুষ জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চা করে আসছে। হতে পারে তারা ভুল কিংবা আংশিক সঠিক, তবুও জ্যোতির্বিজ্ঞানের শুরুটা তারাই করে দিয়েছিল। এটা নাহয় ধরে নেয়া গেল মানুষ পর্যাপ্ত বুদ্ধিমত্তার শুরু থেকেই আকাশ পর্যবেক্ষণ করতো কিন্তু কেমন ছিল তাঁদের সেই আকাশ চিন্তা? আর সেই মানুষগুলোই বা কারা? তারা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

নিউটনের কামানে চড়ে কক্ষপথে

সৌরজগতের গ্রহগুলো নিজ নিজ কক্ষপথ ধরে সূর্যকে কেন প্রদক্ষিণ করে? একটি বস্তু কেন অন্য কোনো কিছুকে কেন্দ্র করে ঘুরবে? এই প্রশ্নগুলো নিয়ে চিন্তিত ছিলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন। তিনি এই প্রশ্নগুলোর উত্তরও বের করেছিলেন। নিউটন দেখালেন গ্রহদের কক্ষপথগুলো মহাকর্ষ বল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই মহাকর্ষ বলের কারণেই আম গাছ থেকে পাকা আম পড়লে তা নিচে ভূ-পৃষ্ঠে নেমে আসে। নিউটনের মহাকর্ষের তত্ত্বটি যখন আলোচিত হয় তখন প্রায় সময়ই তার মাথায় আপেল পড়ার গল্পটি চলে আসে।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অনুকরণ ও টিকে থাকার লড়াই

চিত্রঃ আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে টাইগার কানাডীয় সলোটেইল শুঁয়াপোকা। উপরের ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটা শুঁয়াপোকা। নাম টাইগার সলোটেইল (Canadian Tiger Swallowtail)।  এরা পাতার মাঝে বসে একটু একটু করে পাতাকে কেটে চলে। অনেক পাখিই এদেরকে ভোজনের জন্য সুস্বাদু খাবার হিসেবে উদরে চালান করে দেয়, আবার অনেক পাখিই এদের দেখা সত্ত্বেও এড়িয়ে চলে। এই ধরনের শুঁয়াপোকারা অসাধারণ একটি প্রতিরোধ ব ব্যাবস্থার মাধ্যমে নিজেদের রক্ষা করে চলে। গবেষকরা খুঁজে পেয়েছেন যে, এরা পাখিদের এমনভাবে ধোঁকা দেয় যেন পাখিরা মনে করে এটা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

গতির আপেক্ষিতা ও ‘পৃথিবীর চারপাশে সূর্যের ঘূর্ণন’

গতির আপেক্ষিতা ও ‘পৃথিবীর চারপাশে সূর্যের ঘূর্ণন’
[এই লেখাটি ছোটদেরকে উদ্দেশ্য করে লেখা] যখনই কোনো জিনিস নিয়ম মেনে একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর ছন্দ আকারে ফিরে আসে, বিজ্ঞানের চোখে এমন ঘটনাকে দেখলে, ধরে নিতে হবে অবশ্যই কোনো কিছু দোলক (পেন্ডুলাম) এর মতো এদিক হতে ওদিকে দোলে চলছে কিংবা বৃত্তাকার পথে ঘুরে চলছে। যেমন ঘড়ির কাঁটা, এটি নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সময় পর পর একটি স্থানে ফিরে আসে। আমাদের প্রতিদিনকার সঙ্গী দুটি ব্যাপার দিন-রাত ও শীত-গ্রীষ্মকে পৃথিবীর দুই ধরনের ঘূর্ণন দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এক বছরের ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক (২০১৫)

বিশ্বসেরা স্বনামধন্য ম্যাগাজিনগুলোর মাঝে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক অন্যতম। সরাসরি বিজ্ঞানের ম্যাগাজিন না হলেও প্রত্যেকটা সংখ্যাতেই বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা বা ছবি থাকে। পুরোপুরি বিজ্ঞান মনস্ক এই ম্যাগাজিন আমাদের দেশে খুব একটা সহজলভ্য নয়। ঢাকায় হাতে গোনা কয়েকটা স্টলে পাওয়া যায়। একেকটার দাম ৬০০ টাকা করে রাখে। বাংলাদেশের গরীব পাঠকের জন্য এটা খুবই বিশাল পরিমাণ টাকা। একে তো দুর্লভ, তার উপর প্রচণ্ড দাম। এহেন পরিস্থিতিতে পিডিএফই ভরসা। এটা ভাগ্যের কথা যে এই ম্যাগাজিনের পিডিএফ খুব একটা দুর্লভ নয়,…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জিওমেট্রিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল অপটিক্‌স (বই)

  অনলাইন জগতের সহজলভ্যতার ফলে অনেকেই বিভিন্ন ব্লগে ও ফেসবুকে বিজ্ঞান বিষয়ক লেখালেখি করে থাকে। তাদের অনেকেরই লেখার মান অনেক ভালো। আগে যেখানে পাঠক কম, মানুষ কিনে না, প্রকাশক বই বের করলে লোকসান হয় সেই ঝামেলা থেকে কিছুটা হলেও বাঁচা গেল। কিন্তু একটা ব্যাপার খুবই গুরুত্বপূর্ণ, অনলাইন বিজ্ঞান নিয়ে অনেকে লেখালেখি করলেও ৯৪%-৯৮%ই (অনুমান) 'পপুলার সায়েন্স' ধাঁচের লেখা লিখছেন। শুধুমাত্র পপুলার সায়েন্স দিয়ে কি একটা দেশ বা একটা ভাষায় বিজ্ঞান চর্চা হয়? এর পাশাপাশি লাগবে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

গোল গোল গোলক: গোলকের ভুবন [১]

কিছু গল্প কিছু অনুধাবনঃ   মানুষের চোখের যে অংশটা নড়াচড়া করে দেখতে সাহায্য করে সে অংশটাকে বাইরে থেকে দেখলে চ্যাপ্টা আকৃতির কিছু একটা বলে মনে হয়। আসলে এটি চ্যাপ্টা নয়, গোলক আকৃতির। এই অঙ্গটিকে বলা হয় অক্ষিগোলক, এটির বেশ খানিকটা অংশ ভেতরের দিকে গ্রোথিত থাকে বলে বাইরে থেকে দেখা যায় না। এই অক্ষিগোলক যদি গোল না হতো তাহলে আমাদেরকে দেখা সংক্রান্ত ব্যাপারে মারাত্মক সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। এটি গোলাকার বলেই চোখকে এপাশ-ওপাশ, উপর-নিচ করা যায়।…
বিস্তারিত পড়ুন ...