কন্ডিশনাল স্টেটমেন্ট এবং তার রকমভেদ

গণিতে প্রচুর পরিমাণে কন্ডিশনাল স্টেটমেন্ট ব্যবহৃত হয়, আমরাও আমাদের কথার মাঝে প্রচুর কন্ডিশনাল স্টেটমেন্ট ব্যবহার করি। যেমন, ‘যদি আজ বৃষ্টি নামে তবে বাংলাদেশ জিতে যাবে’, ‘যদি কোন আয়তের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হয় তবে এটি একটি বর্গ’। আমরা উদাহরণগুলো থেকে কন্ডিশনাল স্টেটমেন্টের কিছু বৈশিষ্ট্য খেয়াল করি- প্রতিটি স্টেটমেন্টের গঠন এরকম: ‘যদি Statement1 তবে Statement2’ (‘If Statement1 then Statement2’), এখানে দুটো Statement ‘If…then..’ দিয়ে যুক্ত হয়েছে। মানে দুটো সিম্পল স্টেটমেন্ট মিলে কমপ্লেক্স আরেকটা স্টেটমেন্ট। Statement1 কে বলা হয় Hypothesis, Statement2 কে বলা হয় Conclusion পুরো কন্ডিশনাল স্টেটমেন্টটি মিথ্যা হবে যদি Hypothesis সত্য হলেও Conclusion মিথ্যা হয়। যেমন ধরুন আমরা বললাম ‘যদি বিস্তারিত

সাগর তলের আতঙ্ক

আপনি কি স্টার ওয়ার মুভি এর “রিটার্ন ওফ জেডি” সিকুয়াল টি দেখেছেন?যদি দেখে থাকেন তবে নিশ্চই মনে করতে পারছেন কিছু লম্বাটে পোকার মত প্রাণী যারা মানুষদের আক্রমণ করত। ধরুন আপনি সাগরের মেঝে তে হেঁটে যাচ্ছেন, ঠিক এমন সময় কিছু একটা এসে আপনার পা ধরে ফেললো আর আপনাকে টেনে নিয়ে গেলো ভেতরে। ভাবতেই আঁতকে উঠছেন না? প্রশান্ত মহসাগরের ট্রপিকাল অঞ্চলের উষ্ণ পানিতে এমন এক ধরনের ওয়ার্ম পাওয়া যায় যাদের নাম ববিট ওয়ার্ম। প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারা এ প্রাণীরা বিখ্যাত তাদের অতর্কিত আক্রমণের জন্যে। মারাত্মক ধারালো চোয়াল এর অধিকারী এই প্রাণীরা সাধারণত নিশাচর হয়। এদের চোয়াল এতই ধারালো যে বিস্তারিত

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাবে প্রোবায়োটিক

আজকাল প্রোবায়োটিক সম্পর্কে এত বেশী প্রচার-প্রচারণা হয়, তাতে অনেকের মনেই এমন ধারণা হতে পারে যে এটা বুঝি ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম থেকে শুরু করে ক্যান্সার সব কিছুই নিরাময় করার যাদুকরী ওষুধ। প্রোবায়োটিক শব্দের অর্থ জীবনের জন্য। আমাদের শরীরের ভিতরে নানারকম জীবাণু বাস করে। এদের প্রোবায়োটিক বলা হয়। এরা ব্যাকটেরিয়া কিংবা ইস্ট। শরীরের ভিতরে যে সকল জীবাণু থাকে, তাদের সবাই কিন্তু আমাদের ক্ষতি করে না। কিছু জীবাণু আমাদের বন্ধু। সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের শরীরে এসব জীবাণুর উপস্থিতি বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। কিছু প্রোবায়োটিক ব্যাক্টেরিয়ার তালিকা Lactobacillus bulgaricus, Lactobacillus plantarum, Lactobacillus rhamnosus, Lactobacillus casei, Bifidobacterium, Bacillus infantis, Streptococcus thermophillus, Enterococcus faecium। মূলত পরিপাক নালীতে এসব বিস্তারিত

একজন হোমো স্যাপিয়েন্স

ছেলেটাকে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল এই জন্য যে, তার স্মৃতি শক্তি অত্যধিক দুর্বল। এই ছেলেকে দিয়ে জীববিজ্ঞানের মতো ভাইটাল সাবজেক্ট পড়া সম্ভব না। তাকে অন্য বিষয় পড়তে দেয়া হোক যেটা তার জন্য সোজা। পরবর্তীকালে ইনিই হয়েছিলেন দ্বিপদ নামকরনের জনক। বিশ্ব তাকে চেনে বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস নামে। লিনিয়াসের জন্ম দক্ষিণ সুইডেনের সামালান্দের এক গ্রামে। তার পূর্বপুরুষ কেউই শেষ নাম ব্যবহার করতেন না। তাদের নাম রাখা হতো স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশের প্যাট্রোনিমিক (পিতার নামের সাথে সংযুক্ত) নিয়মে। তার বাবাই প্রথম শেষ নামের প্রচলন করেন। বাড়ির সামনের এক বিশাল লিন্ডেন গাছের নামানুসারে লিনিয়াস নামটিই বেছে নেন। ক্যারোলাস লিনিয়াসের জন্ম ১৭০৭ সালে সুইডেনের স্মেলেন বিস্তারিত

ব্যক্টেরিয়ার রাজত্বে বসবাস

সাধারণভাবে, রাজত্ব দ্বারা বোঝায় কোন রাজ্যের রাজা কিংবা সম্রাটের দ্বারা রাজ্য পরিচালনা করা । যেখানে রাজা হবে একজন আর তার থাকবে বিশাল জনসংখ্যার প্রজা। তবে ‘ব্যক্টেরিয়ার-রাজত্বের’ সাথে মানুষের রাজত্বের কিছুটা অবশ্যি পার্থক্য রয়েছে। যেমনঃ ব্যাকটেরিয়ার রাজত্বে রাজা হলো একক কোন ব্যক্টেরিয়া নয় বরং পুরা প্রজাতির সকল ব্যক্টেরিয়া। যেন আমরা সবাই রাজা মেনে চলে। আর সেখানে রাজত্বের বিস্তৃতি হলো মানুষ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রাণী, মাটি, পানি, বায়ু অর্থাৎ চারপাশের পুরা পরিবেশ টাই। সে এক ভিন্ন ধরণের রাজ্য। যেখানে রাজ্য পরিচালনা করেন সম্রাট “ব্যাকটেরিয়া” । কেননা পরিবেশের সকল জায়গাতেই তার উপস্থিতি মিলে। সামান্য এক গ্রাম মাটির কথায় চিন্তা করা যাক। সেখানেও বিস্তারিত

আগুন লাগলে কী করবেন?

বর্তমান সময়ের কয়েকটি অগ্নি দুর্ঘটনা আমাদের কিছু দুঃখজনক কিন্তু অত্যন্ত জরুরী বিষয়ের দিকে চোখ ফেরাতে বাধ্য করেছে। এসব দুর্ঘটনার পেছনে যেমন দায়ী ছিলো কাঠামোগত ত্রুটি, অপর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা, তেমনি হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে হাত ছিলো এ ধরণের পরিস্থিতিতে কী করণীয় সে সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকা। আসুন আজ আমরা জানতে চেষ্টা করি আপনার বাসস্থান বা অফিসে আগুন লাগলে আপনি কী করতে পারেন সেটা নিয়ে। আগুন লেগেছে বুঝতে পারার পর প্রথম করণীয় হচ্ছে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র (Fire extinguisher) দিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করা। এতে কাজ না হলে দ্রুতই মাথা ঠান্ডা রেখে আগুন লাগা ভবন থেকে বের হয়ে যেতে চেষ্টা করুন। বিস্তারিত

বাংলাদেশের বিজ্ঞান আন্দোলনের চারযুগ

১৯৭৮ সালের কথা। বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় বিজ্ঞান সপ্তাহ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে একটি আলোচনা সভায় আলোচ্য বিষয় ছিল ’আমাদের সমাজ দেহে বিজ্ঞান প্রবেশ করছে না কেন?’ তারপর পার হয়েছে চল্লিশ বছর। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সমাজ দেহে কতটা বিজ্ঞান প্রবেশ করেছে- বাংলাদেশের বিজ্ঞান আন্দোলনের চিত্র আঁকতে গিয়ে অবধারিতভাবে এই প্রশ্ন এসেই যায়। বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাব এক হতে বহুর মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার নামই বিজ্ঞান আন্দোলন। এটি গড়ে তোলার মাধ্যমগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশময় বিজ্ঞান ভিত্তিক ক্লাব সংগঠন প্রতিষ্ঠান, প্রকাশনা, আয়োজন। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর বিজ্ঞান আন্দোলন দানা বাধতে থাকে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরপরই যেসব দাবী জোরালো হয়ে ওঠে বিস্তারিত

আমার অভিজ্ঞতা কিডনি রোগের জন্য দায়ী অনিয়মসমূহ এবং আপনার করণীয়

আমার কিডনি রোগ ধরা পড়ে ২০১৫ সালে। এর আগে আমি বুঝতেই পারিনি এত বড় একটি রোগ আমার শরীরে বাসা করেছে। কিডনি বিকল হওয়ার জন্য আমাদের কিছু অনিয়ম দায়ী। তাই এই অনিয়মগুলো জানা জুরুরী। কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম: ১. প্রস্রাব আটকে ২. পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া ৩. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া ৪. যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা ৫. মাংস বেশি খাওয়া ৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া ৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন ৮, ওষুধ সেবনে অনিয়ম ৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া ১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া এই অনিয়মগুলো না করার মাধ্যমে অধিকাংশ কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা যায়। আমি আমার জীবন থেকে দেখাবো উপরের বিস্তারিত