ভাইরাসই হবে ক্যানসারের প্রতিষেধক

ভাইরাসই হবে ক্যানসারের প্রতিষেধক
ভাইরাস বললেই আমাদের মনে একধরণের ভয় সৃষ্টি হয়। ভাইরাস শব্দটিই যেন নেতিবাচক। আমরা জানি ভাইরাস নানা ধরণের রোগ সৃষ্টি করে। আমরা মাঝে মাঝে ভাইরাল জ্বরের মাধ্যমে যে কষ্ট পাই তার পেছনেও কিন্তু ভাইরাস দায়ী। কিন্তু আমি যদি বলি ভাইরাসরা ভালো কাজ করতে পারে তাহলে চমকাবার কিছু নেই। কিছুদিন আগে ইউটিউবে একটি Ted Talk দেখছিলাম। বক্তা Dalhousie University এর মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনলজি ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক Patrick Lee. তিনি যা বললেন তা আমরা সচরাচর যা ভাবি ঠিক তার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীব

বিবর্তনের পথ ধরে আসা আজকের হোমো স্যাপিয়েন্সের সময়ের অনেক অনেক আগ থেকে তাদের অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে। অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া তাদের অনেকের অস্তিত্বই আমরা টের পাই না। অথচ তারা আমাদের শরীরের ভেতর মহা আনন্দে বিচরণ করছে। আমাদের সামনেই গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে কিংবা একাকী টিকে আছে হাজার হাজার বছর ধরে। অথচ আমরা দেখতে পাচ্ছি না । কি অবাক ব্যাপার ! পাউরুটি -ওয়াইন থেকে শুরু করে দই, পনির- সকল খাদ্যদ্রব্য তৈরিতে তাদের উপস্থিতি একান্ত দরকার। শিল্প ক্ষেত্রে তাদের বাণিজ্যিক…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞান

যদি বলা হয “একজন হেঁটে যাওয়া ব্যক্তির তুলনায় দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তির বয়স বেশি বাড়বে”। - কথাটা কতটা গ্রহণ যোগ্য? ঠিক আছে প্রশ্নটায় পরে আসছি। তার আগে দুটি ঘটনা বলে নেওয়া যাক। ঘটনা-১: পৃথিবীর কোথাও দুই বন্ধু ইভান ও বিভান বাস করে যাদের প্রত্যেকের বয়স ২০ বছর। ইভান রকেটে করে মহাকাশ ভ্রমনে বের হলো। তার রকেটের বেগ ছিল . 0.995c (এখানে c হচ্ছে আলোর বেগ 3.00 × 108 m/s অর্থাৎ রকেটের বেগ হবে 0.995 × 3.00…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ইন্দ্রিয়ের এলোমেলো অবস্থান

আমাদের দেহে প্রতিটা অংগেরই নির্দিষ্ট কিছু কাজ আছে। পা দিয়ে হাটি, হাত দিয়ে লেখি, পেট দিয়ে খাবার হজম করি। যেসব অংগের মাধ্যমে পরিবেশ সম্পর্কে ধারনা নেই তাদের বলি ইন্দ্রিয়। আমরা চোখ দিয়ে দেখি, চোখ আমাদের দর্শনেন্দ্রিয়। কান দিয়ে শুনি, কান আমাদের শ্রবনেন্দ্রিয় ইত্যাদি। আমরা কিন্তু চামড়া দিয়ে ঘ্রাণ নেয়া, কিংবা পাকস্থলি দিয়ে স্বাদ নেয়ার কথা ভাবিনা। ভাবার দরকারও পড়েনা। তবে আশ্চর্যের বিষয় এটাই, এক ইন্দ্রিয়ের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় কোষ অন্য অংগেও থাকে। আমরা তাদের ইচ্ছা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কথা ছাড়া প্রমাণ: গণিতের সৌন্দর্য

  গণিত এক অবাক করা সুন্দরী। এর প্রতিটি বাঁকে রয়েছে অপূর্ব এক মায়া। আজ আমরা গণিতের এক ধরনের প্রমাণের কথা বলব, যার জন্য কোন কথার প্রয়োজন হয় না। শুধু ছবি থেকেই প্রমাণিত হয়ে যায়! সমীকরণের যদি প্রয়োজন হয়ও তবুও তা মাত্র কয়েক লাইন। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এ ধরনের প্রমাণ আমাদের শেখায় কীভাবে গণিতকে অনুভব করতে হয়। গণিতের বিমূর্ত সূত্র, উপপাদ্যসমূহ তখন জীবন্ত হয়ে শিরা-উপশিরায় বইতে থাকে। এ ধরনের প্রমাণকে বলা হয় proof without words,…
বিস্তারিত পড়ুন ...

নক্ষত্রের তিন ধরনের মৃত্যু (জামাল নজরুল ইসলাম)

নক্ষত্র কীভাবে সৃষ্টি হয় তা সঠিকভাবে এখনো জানা যায়নি। মহাকাশে বিভিন্ন নক্ষত্রের মাঝে যে জায়গা তা শূন্য মনে হলেও আসলে তা শূন্য নয়। বরং সেখানে পাতলা এবং হালকা বাষ্পীয় মেঘ থাকে যা বেশিরভাগ হাউড্রোজেন দিয়ে তৈরি। এই বাষ্পীয় পদার্থ সব জায়গায় একই পরিমাণে থাকে না। কোথাও এই ঘনত্ব কম কোথাও বেশি। অধিকাংশ জায়গায় তার ঘনত্ব খুব কম, প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ১০^-১৯ কিলোগ্রাম। এক ঘনমিটারে পানির ওজন প্রায় ১০^৩ বা ১০০০ হাজার কিলোগ্রাম। অন্যভাবে বলা যায়…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বোর মডেলের অন্তরালে

বোরের পরমাণু মডেলে পরমাণুতে ইলেক্ট্রন কিছু নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে। বোর জানতেন যে রাদারফোর্ডের তত্ত্ব ব্যার্থ হয় ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎ চুম্বক তত্ত্বের আঘাতে। বোর নিজেও এর সমাধানের পথ খুঁজে পান নি। তখন তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন ইলেক্ট্রন ঐসকল কক্ষপথে থাকার সময় শক্তি শোষণ বা বর্জন করে না। কেনো করে না? তার উত্তর ছিল ---- পরমাণু জগতে নাকি তড়িৎচুম্বক তত্ত্ব খাটবেই না! ব্যাপারটা জোর করে চাপিয়ে দেয়ার মতো হলেও এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিলো। তিনি নিজে প্রথম দিকে প্লাঙ্কের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

পদার্থবিদ্যার কিছু তথ্য এবং তত্ত্ব (জামাল নজরুল ইসলাম)

পদার্থ কী দিয়ে তৈরী এই সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান আজও হয়নি। মৌলিক বস্তুকণা কাকে বলে তা এখনও স্থির করা সম্ভব হয়নি। সাধারণত একটি পরমাণু একটি নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রন দিয়ে গঠিত। নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রীণের মধ্যে আছে প্রোটন ও নিউট্রন নামক বস্তুকণা। তাই পরমাণুকে আমরা মৌলিক বস্তুকণা বলতে পারি না। আবার প্রোটন বা নিউট্রনকেও মৌলিক কণা বলা যায় না। কেননা গত কয়েক বছরের গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে একটি প্রোটন বা নিউট্রন অন্য আরেক ধরনের বস্তুকণা দিয়ে গঠিত…
বিস্তারিত পড়ুন ...