প্রকাশিত বিজ্ঞানের বই

বিজ্ঞান ব্লগের লেখকদের প্রকাশিত বিজ্ঞানের বইয়ের খবরাখবর
বিস্তারিত মুক্ত ই-বই

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাবে প্রোবায়োটিক

আজকাল প্রোবায়োটিক সম্পর্কে এত বেশী প্রচার-প্রচারণা হয়, তাতে অনেকের মনেই এমন ধারণা হতে পারে যে এটা বুঝি ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম থেকে শুরু করে ক্যান্সার সব কিছুই নিরাময় করার যাদুকরী ওষুধ। প্রোবায়োটিক শব্দের অর্থ জীবনের জন্য। আমাদের শরীরের ভিতরে নানারকম জীবাণু বাস করে। এদের প্রোবায়োটিক বলা হয়। এরা ব্যাকটেরিয়া কিংবা ইস্ট। শরীরের ভিতরে যে সকল জীবাণু থাকে, তাদের সবাই কিন্তু আমাদের ক্ষতি করে না। কিছু জীবাণু আমাদের বন্ধু। সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের শরীরে এসব জীবাণুর উপস্থিতি বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। কিছু প্রোবায়োটিক ব্যাক্টেরিয়ার তালিকা Lactobacillus bulgaricus, Lactobacillus plantarum, Lactobacillus rhamnosus, Lactobacillus casei, Bifidobacterium, Bacillus infantis, Streptococcus thermophillus, Enterococcus faecium। মূলত পরিপাক নালীতে এসব বিস্তারিত

একজন হোমো স্যাপিয়েন্স

ছেলেটাকে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল এই জন্য যে, তার স্মৃতি শক্তি অত্যধিক দুর্বল। এই ছেলেকে দিয়ে জীববিজ্ঞানের মতো ভাইটাল সাবজেক্ট পড়া সম্ভব না। তাকে অন্য বিষয় পড়তে দেয়া হোক যেটা তার জন্য সোজা। পরবর্তীকালে ইনিই হয়েছিলেন দ্বিপদ নামকরনের জনক। বিশ্ব তাকে চেনে বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস নামে। লিনিয়াসের জন্ম দক্ষিণ সুইডেনের সামালান্দের এক গ্রামে। তার পূর্বপুরুষ কেউই শেষ নাম ব্যবহার করতেন না। তাদের নাম রাখা হতো স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশের প্যাট্রোনিমিক (পিতার নামের সাথে সংযুক্ত) নিয়মে। তার বাবাই প্রথম শেষ নামের প্রচলন করেন। বাড়ির সামনের এক বিশাল লিন্ডেন গাছের নামানুসারে লিনিয়াস নামটিই বেছে নেন। ক্যারোলাস লিনিয়াসের জন্ম ১৭০৭ সালে সুইডেনের স্মেলেন বিস্তারিত

সিকাডা মাশরুম – ডায়াবেটিস চিকিৎসার বিকল্প সমাধান

একবিংশ শতাব্দীতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় ডায়াবেটিস একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেন্জ হিসেবে দাড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফাউন্ডেশনের হিসেব অনুযায়ী বর্তমানে ৩৭১ মিলিয়ন লোক ডায়াবেটিসে ভুগছে আর এই রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে আরো ২৮০ মিলিয়ন লোক। ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধ মিলিয়ন লোক এই রোগে আক্রান্ত হবে। বাংলাদেশে এখন ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লক্ষ। বিশেষত নিম্ন আয়ের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এর প্রভাব বেশীমাএায় পরিলক্ষিত হয়। এই রোগটি বর্তমানে বাংলাদেশর জন্যও একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা দাড়িয়েছে এবং এর প্রকোপ দিন দিন দ্রুত হারে বেড়ে চলছে। মূল কারণ হল, শারীরিক পরিশ্রম আর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অনুপস্থিতি। ডায়াবেটিস মেলাইটাস বা বহুমূত্র একটি ক্রনিক রোগ যা নিরাময়যোগ্য না হলেও খুব সহজে পুরোমাত্রায় বিস্তারিত

ব্যক্টেরিয়ার রাজত্বে বসবাস

সাধারণভাবে, রাজত্ব দ্বারা বোঝায় কোন রাজ্যের রাজা কিংবা সম্রাটের দ্বারা রাজ্য পরিচালনা করা । যেখানে রাজা হবে একজন আর তার থাকবে বিশাল জনসংখ্যার প্রজা। তবে ‘ব্যক্টেরিয়ার-রাজত্বের’ সাথে মানুষের রাজত্বের কিছুটা অবশ্যি পার্থক্য রয়েছে। যেমনঃ ব্যাকটেরিয়ার রাজত্বে রাজা হলো একক কোন ব্যক্টেরিয়া নয় বরং পুরা প্রজাতির সকল ব্যক্টেরিয়া। যেন আমরা সবাই রাজা মেনে চলে। আর সেখানে রাজত্বের বিস্তৃতি হলো মানুষ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রাণী, মাটি, পানি, বায়ু অর্থাৎ চারপাশের পুরা পরিবেশ টাই। সে এক ভিন্ন ধরণের রাজ্য। যেখানে রাজ্য পরিচালনা করেন সম্রাট “ব্যাকটেরিয়া” । কেননা পরিবেশের সকল জায়গাতেই তার উপস্থিতি মিলে। সামান্য এক গ্রাম মাটির কথায় চিন্তা করা যাক। সেখানেও বিস্তারিত

আগুন লাগলে কী করবেন?

বর্তমান সময়ের কয়েকটি অগ্নি দুর্ঘটনা আমাদের কিছু দুঃখজনক কিন্তু অত্যন্ত জরুরী বিষয়ের দিকে চোখ ফেরাতে বাধ্য করেছে। এসব দুর্ঘটনার পেছনে যেমন দায়ী ছিলো কাঠামোগত ত্রুটি, অপর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা, তেমনি হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে হাত ছিলো এ ধরণের পরিস্থিতিতে কী করণীয় সে সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকা। আসুন আজ আমরা জানতে চেষ্টা করি আপনার বাসস্থান বা অফিসে আগুন লাগলে আপনি কী করতে পারেন সেটা নিয়ে। আগুন লেগেছে বুঝতে পারার পর প্রথম করণীয় হচ্ছে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র (Fire extinguisher) দিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করা। এতে কাজ না হলে দ্রুতই মাথা ঠান্ডা রেখে আগুন লাগা ভবন থেকে বের হয়ে যেতে চেষ্টা করুন। বিস্তারিত

ক্রিসপার ও জিনোম সম্পাদনা

১. এমন যদি হতো জীবন্ত-প্রাণকে কম্পিউটার সফটওয়্যাররের মতো সহজে বদলানো যেতো? তাহলে আমরা খামারের পশু থেকে থেকে পেতাম চর্বিহীন মাংশপিন্ড। প্রকৌশলের মাধ্যমে গাছগাছালি থেকে রসালো ফল অথবা তীব্র জলবায়ুতে টিকে থাকার ক্ষমতা চালু করা যেত। চিকিৎসা গবেষণা বদলে যেত। মানব রোগ বোঝার জন্য আমরা মিউট্যান্ট প্রাণী তৈরি করতাম। কিংবা নতুন ঔষুধ-অণুর উৎস হিসেবে উদ্ভিদ-প্রকৌশল করা হতো। ঔষুধ তখন একেবারেই ভিন্ন প্রকৃতির হতো। সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা মাসকুলার ডিসট্রফির মতো বংশগতির-রোগের দূর্ভোগে না ভূগে ডাক্তাররা হয়তো ক্ষতিগ্রস্থ কোষ থেকে এর জন্য দায়ী খুঁত মুছে ফেলতেন। এখানেই বা থামতাম কেন? এ ধরণের দূরারোগ্য-অবস্থা অতীতের গল্পের অংশ হয়ে যেত। গবেষণাগারে নিষিক্ত ভ্রুণে কোন বংশগতীয় বিস্তারিত

বাংলাদেশের বিজ্ঞান আন্দোলনের চারযুগ

১৯৭৮ সালের কথা। বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় বিজ্ঞান সপ্তাহ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে একটি আলোচনা সভায় আলোচ্য বিষয় ছিল ’আমাদের সমাজ দেহে বিজ্ঞান প্রবেশ করছে না কেন?’ তারপর পার হয়েছে চল্লিশ বছর। এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে সমাজ দেহে কতটা বিজ্ঞান প্রবেশ করেছে- বাংলাদেশের বিজ্ঞান আন্দোলনের চিত্র আঁকতে গিয়ে অবধারিতভাবে এই প্রশ্ন এসেই যায়। বিজ্ঞানসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাব এক হতে বহুর মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার নামই বিজ্ঞান আন্দোলন। এটি গড়ে তোলার মাধ্যমগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশময় বিজ্ঞান ভিত্তিক ক্লাব সংগঠন প্রতিষ্ঠান, প্রকাশনা, আয়োজন। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর বিজ্ঞান আন্দোলন দানা বাধতে থাকে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরপরই যেসব দাবী জোরালো হয়ে ওঠে বিস্তারিত

স্টিফেন হকিং-এর শেষ তত্ত্ব

গতবছর ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন স্টিফেন হকিং। তার প্রায় দেড় মাস পরে ২ মে, জার্নাল অফ হাই এনার্জি ফিজিক্সে (Journal of High Energy Physics) তাঁর একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়। ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি লিউভেনের কসমোলজির অধ্যাপক থমাস হারটগের সাথে যৌথভাবে লেখা এই গবেষণাপত্রে মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশের নতুন তত্ত্ব নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। গতবছরের জুলাইতে, হকিংএর ৭৫তম জন্মদিনে হারটগ, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সম্মেলনে নতুন তত্ত্বটি নিয়ে আলোচনা করেন। মহাবিশ্বের বিকাশের পূর্বের তত্ত্বটি হলো চিরস্থায়ী স্ফিতি (eternal inflation) তত্ত্ব। এই তত্ত্বের আলোকে বিগব্যাং এর পরবর্তীতে সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়ের মধ্যে মহাবিশ্ব একটি পর্যায়ক্রমিক সুচকীয় স্ফীতির (exponential inflation) মধ্য দিয়ে যায়। অতপর এই প্রক্রিয়া ধীর বিস্তারিত