প্রকাশিত বিজ্ঞানের বই

বিজ্ঞান ব্লগের লেখকদের প্রকাশিত বিজ্ঞানের বইয়ের খবরাখবর
বিস্তারিত মুক্ত ই-বই

ক্যাঁচক্যাঁচ

ভূমিকাঃ বিজ্ঞানবিষয়ক এই ব্লগটি আমার খুবই প্রিয় একটি ব্লগ। আমি প্রায়শই এই ব্লগে আসি, একটি কিংবা দু’টি লেখা পড়ি। তৃতীয়টি পড়ার সময় আবিষ্কার করি আমারও তো এরকম কিছু একটা লেখা দরকার। এই ছেলেপেলেগুলো কি সুন্দর দিনের পর দিন “আহা…বেশ!বেশ!” টাইপ লেখা লিখে যাচ্ছে, আর আমি কি খালি দু’চোখ গোলগোল করে পড়তেই থাকব? লিখব কখন? এই না চিন্তা করে আমি যখন মহা উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে “দাঁড়া …দেখাচ্ছি মজা” ভাব নিয়ে লিখতে বসি সমস্যার সূত্রপাত ঠিক তখনটাই। দুই ছত্র লিখি তো তিন ছত্র কাটি (মনে মনে মাথায় যেটা অগ্রীম লিখেছি সেটা সহ)।তাই আজ অবধি আমি একটি লেখাও দিতে পারি নাই। আমার কথা বিস্তারিত

মহাবিশ্বের আদি অন্ধকার গ্যালাক্সি সমূহ প্রথম বারের মত দৃশ্যমান হল বিজ্ঞানীদের কাছে।

সায়েন্স টুডের  যে প্রধান খবর টা কিছুদিন আগে পড়লাম তা হল ডার্ক বা অন্ধকার গ্যালাক্সি সমূহ এর প্রথম বারের মত সন্ধান পাওয়া। কয়েকদিন আগে এই খবর টা প্রকাশিত হয়েছিল সায়েন্স টুডে আর নিউজ বাইন । এই খবরটা পড়ার পরে আমি বাইরের সন্ধ্যাখচিত আকাশের দিকে তাকিয়ে যেন দেখতে পেলাম মানুষের শত বছরের আকাঙ্খা কে। এই মহাকাশ কে জানার আকাঙ্খা এই মহাবিশ্ব কে জানার আকাঙ্খাকে। যার জন্য হাজার বছর আগের ব্যাবিলনের পুরোহিতেরা আকাশের দিকে তন্ময় হয়ে চেয়ে থাকতেন তাদের দেবতাদের মুখ কে দর্শন করার প্রত্যাশা নিয়ে। সেই মহাকাশ কে যুক্তি দিয়ে বোঝার প্রত্যাশা নিয়ে প্রথম বারের মত দেখেছিলেন গ্যালিলিও আজ থেকে তিনশ বিস্তারিত

মেডুসয়েড: ইঁদুরকোষ থেকে তৈরি এক কৃত্রিম জেলিফিশ

মেরী শেলীর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন নিশ্চয়ই অনেকে পড়েছেন। প্রাণ আসলে কি? প্রাণকে কি কখনো বোঝা যাবে? তৈরি করা যাবে কৃত্রিম ভাবে? এই প্রশ্নগুলো নানা পদের মানুষকে ভাবিয়েছে, অনেক সময় বিব্রতও করেছে। কিন্তু বিজ্ঞানকে কখনোই নিবৃত্ত করা যায় নি মানুষের ক্ষমতা কতদূর তা আরেকবার যাচাই করে দেখতে। ক্রেইগ ভেন্টরের কৃত্রিম প্রাণ আসলেই কৃত্রিম ‘প্রাণ’ কি না, এ বিষয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, সমালোচনা করেন। তাই বলে কৃত্রিম জীবন নিয়ে গবেষণা থেমে থাকে নি। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকতায় মাইল ফলক হিসেবে বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের কোষ থেকে তৈরি করলেন কৃত্রিম জেলিফিশ। জীববিজ্ঞানে যারা কারিগরীবিদ্যা ফলান, তাদের বলা যায় জৈবকারিগর বা বায়োইঞ্জিনিয়ার। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন জৈবকারিগর এই কৃত্রিম জেলিফিশ বিস্তারিত

খবর-দার বিজ্ঞান দ্বিমাসিক এর নতুন যাত্রায় বিজ্ঞান লেখকদের জন্য খবর!

আগামী ৬ আগষ্ট হিরোশিমা দিবস এবং ৯ আগষ্ট নাগাসাকি দিবস। ১৯৪৫ সালের ৬ আগষ্ট, এই দিনে সকালে জাপানের হিরোশিমা শহরে লিটল বয় এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে ফ্যাটম্যান নামের নিউক্লিয় বোমার বিস্ফোরণের হাজার মানুষের হতাহতের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এই ভয়াবহ ঘটনার স্বাক্ষী হয়ে এবং ভবিষ্যতে আরও মারাত্মক পরমাণু বিপর্যয়ের আশংকায় পৃথিবীর মানুষ বাস করছে। হিরোশিমা – নাগাসাকি দিবস উপলক্ষে অনুসন্ধিৎসু চক্র মুগদাপাড়া শাখার মুখপত্র, বিজ্ঞান পত্রিকা খবর – দার এর একটি বিশেষ সংখ্যা বের হতে যাচ্ছে। খবর-দার একটি দ্বিমাসিক বিজ্ঞান পত্রিকা। বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র এর Anushandhitshu Chokro Science Organization একটি শাখা “মুগদাপাড়া শাখা”। শাখার পত্রিকা হলো খবরখবর্রাবুকাি খবর-দার নামটি নেয়া হয়েছে বিস্তারিত

মঞ্চে স্ট্রিঙের প্রবেশ

গত পোস্টে আমরা আপেক্ষিক কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্বের নাম শুনেছি। মৌলিক কণাগুলোর আচরণ, ধর্ম ব্যাখ্যা করার জন্য এই ক্ষেত্রতত্ত্ব বেশ ভালো কাজ করে। কিন্তু এর সীমাবদ্ধতা হলো তত্ত্বটি ধরে নেয় মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অনেক দূর্বল বলে পরিত্যাজ্য।  অন্যদিকে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব মহাবিশ্বের গঠন, বিগব্যাঙ, ব্ল্যাকহোল, নক্ষত্র আর গ্যালাক্সিদের বোঝার জন্য দারুণ। কিন্তু এই তত্ত্ব ধরে নেয় মহাবিশ্ব ক্ল্যাসিক্যাল – মহাবিশ্বকে বোঝার জন্য কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োজন নেই। এই ফাঁক পুরনের জন্য এলো স্ট্রিঙ তত্ত্ব। আমরা জানি, ভারী বস্তুকণা হেড্রনদের (যেমন প্রোটন, নিউট্রন) নির্দিষ্ট ভর এবং স্পিন আছে।  এই দুইটির মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখার জন্য স্ট্রিঙ তত্ত্ব প্রথমে প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু এই কাজে স্ট্রিঙ বিস্তারিত

মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে : মহাকর্ষের গতি ও রবীন্দ্রনাথ

[পূর্বের পোস্ট] রবীন্দ্রনাথের নাম উচ্চারণ ছাড়া বাঙ্গালী নাকি এক পাও এগুতে পারে না। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপরিচয় প্রতিটি বিজ্ঞান-পিপাসু বাঙ্গালীর পড়া উচিত। এই বইটি রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনের শেষ-প্রান্তে (১৯৩৭এ প্রকাশ) লিখেছিলেন, উৎসর্গ করেছিলেন সত্যেন বসুকে। এর উপসংহারে রবীন্দ্রনাথ এনট্রোপী ও মহাবিশ্বের শীতল মৃত্যু নিয়ে লিখেছিলেনঃ     “পণ্ডিতেরা বলেন, বিশ্বজগতের আয়ু ক্রমাগতই ক্ষয় হচ্ছে এ কথা চাপা দিয়ে রাখা চলে না। মানুষের দেহের মতোই তাপ নিয়ে জগতের দেহের শক্তি। তাপের ধর্মই হচ্ছে যে খরচ হতে হতে ক্রমশই নেমে যায় তার উষ্মা। সূর্যের উপরিতলের স্তরে যে তাপশক্তি আছে তার মাত্রা হচ্ছে শূণ্য ডিগ্রির উপরে ছয় হাজার সেন্টিগ্রেড। তারই কিছু কিছু অংশ নিয়ে বিস্তারিত

মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে (প্রথম কিস্তি)

          এই ছবিটা আমি ছোট থাকতে দেখেছিলাম। পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌঁছে এক পর্যটক তারকাখচিত গোলার্ধের সন্ধান পেয়েছে। কিন্তু সেই গোলার্ধ একটি দেয়ালের মত, সেই দেয়াল অনেকটা অলীক। তার মধ্যে দিয়ে মাথা বের করে সেই পর্যটক মহাশূন্যের ওপারে কি আছে সেটা দেখার চেষ্টা করছে।  তার কাছে মনে হচ্ছে আর একটি মেঘালোক যার মাঝে রয়েছে আর একটি সূর্য, আর একটি সৌর জগৎ। ছবিটা অনেক জায়গাতেই ষোড়শ শতাব্দীর ইউরোপের কাঠ-খোদাই কাজ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই উল্লেখে কোন শিল্পীর নাম নেই। তাহলে পনেরশো শতকের ইউরোপে ফ্ল্যাট আর্থ বা সমতল পৃথিবীর ধারণা কি বজায় ছিল? শুধু তাই নয় ছবিটিতে সব বিস্তারিত