‘ল্যাবে মেয়ের সংখ্যাই বেশি’

  ঘর-সংসার সামলেও যে রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএর মতো জটিলতর বিষয় নিয়ে গবেষণা  করা যায় তার প্রমাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও  অনুপ্রাণ বিভাগের অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ। শিগগিরই হয়তো তার গড়ে তোলা গবেষণাগার হতে উপকূলের চাষীদের হাতে পৌঁছে যাবে লবণসহনশীল নতুন জাতের ধান। এই সাক্ষাতকারটির পরিবর্তিত অংশ কালের কন্ঠের সন্ধানীতে প্রকাশিত হয়েছে। ১. আমাদের সমাজে সাধারণত স্নাতকের পরেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। তারা গৃহিণী হয়ে যান। আপনি কেন ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেন? - প্রায়ই দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারনা

বিগব্যাঙ। বিখ্যাত একটি তত্ত্ব। বিজ্ঞানে সর্বাধিক উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি। শুধু তাই না, পৃথিবীর সবচাইতে ভুল ভাবে বোঝা বিষয়গুলোরও একটি হলো বিগব্যাঙ। বিগব্যাঙ সম্পর্কে আমরা সাধারণ মানুষ হয়তো নাম শুনেই যথাযথ সম্মান জানিয়ে দুরে থাকি। কিংবা, এমন কিছু আবছা ধারনা রাখি যা আসলে ভুল, মহাভুল। আমারা যেই মহাবিশ্বে বাস করি তার কিভাবে উৎপত্তি হলো? মহাবিশ্বের সৃষ্টির আগে কি ছিল? এই প্রশ্ন মানুষ অনেক আগে থেকেই করে আসছে। পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে বিগব্যাঙ তত্ত্ব এই…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এন্টিম্যাটারের খোঁজে

এন্টিম্যাটার(Antimatter) বা প্রতিপদার্থ হলো সেই বস্তু যা কোন পদার্থের সংস্পর্শে এলে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। যে কোন পদার্থই আবার অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মূল কণিকা দিয়ে তৈরি। সেই হিসেবে এন্টিম্যাটারও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা তৈরি। কাজেই যে কোন মুল কণিকার একটি বিপরীত মূল কণিকা আছে। এই মূলকণিকাগুলো তাদের প্রতিপদার্থের একই রকম মূলকণিকার সংস্পর্শে এলে উভয়েই নিশ্চিন্হ হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার দেহের সমপরিমান…
বিস্তারিত পড়ুন ...

২০১০: বিজ্ঞানের বছর

২০১০। এ বছরটিকে অনায়াসে বিজ্ঞানের অগ্রগতির বছর বলা যেতে পারে। কারন ২০১০ এর পুরো বছরটাই ছিলো বিজ্ঞানের জগতে ঘটনাবহুল। এ বছর ইতিহাসে স্থান করে নেওয়ার মত বেশ কিছু আবিষ্কার যেমন হয়েছে তেমনি নতুন নতুন প্রশ্ন ও চ্যালেন্জের মুখোমুখিও দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদেরকে। আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরাও এ বছর প্রচুর অবদান রেখেছেন। বিগত বছরের এমনই কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও তাক লাগানো আবিষ্কার ও ঘটনা নিয়ে আজকের আয়োজন। ১. কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কার: কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কারের ঘটনাটি একাই হুলস্থূল ফেলে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

সিল্ক……………… রেশম পোকা…

কথিত আছে, খ্রিষ্ট জন্মের প্রায় ২০০০ বছর আগে চীন দেশে সর্বপ্রথম রেশম সুতা আবিস্কৃত হয়। এরপর প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার বছর পর্যন্ত চীনারা একচেটিয়াভাবে অত্যন্ত গোপনীয়নতার সাথে রেশমী সুতা ও রেশমী কাপড় তৈরি করত। খ্রিষ্টের জন্মের প্রায় সাড়ে পাঁচশত বছর পর দুজন ইউরোপীয় পাদ্রী চুরি করে রেশম উৎপাদনের কৌশল শিখে নেন। এবং ইউরোপে কিছু রেশম পোকার ডিম ও তুঁত গাছের বীজ নিয়ে এসে রেশম চাষ শুরু করেন। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশ উন্নতমানের রেশম সুতা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

চীনের রেশমী পোকা চাষের পদ্ধতি কিভাবে জানাজানি হয়…………………

কথিত আছে , পাঁচ হাজার বছর আগে চীনের সম্রাট হুয়াংয়ের পত্নী লুও জু প্রজাদের রেশমী পোকা চাষের পদ্ধতি শিখিয়েছিলেন । চীনের কচ্ছপের খোলের উপরে খোদিত যে চীনা শব্দগুলো আবিস্কৃত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে তুঁত, রেশমী গুটি, রেশমী সুতো এবং রেশমী কাপড় প্রভৃতি শব্দ ছিল । জুলাই মাস শীর্ষক চীনের প্রথম কাব্য সংকলন “ কাব্য গ্রন্থ”এর একটি কবিতায় বলা হয়েছে : বসন্তের সুর্য্য উঠেছে , কোকিল গান গাইছে , গ্রামের মেয়েরা তুঁতের কচি পাতা সংগ্রহের জন্য হাতে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ফটোব্লগ | কিছু পরিবেশবাদী শিল্পকর্ম

১. নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে বিশ্বে এখন নানা রকমের কাজ হচ্ছে। বায়োফুয়েলের নাম হয়তো অনেকেই শুনেছেন। বায়োফুয়েলের এখন তৃতীয় প্রজন্ম নিয়ে গবেষণা চলছে। বায়োফুয়েল হলো জৈবপদার্থ, জীবিত ব্যাক্টেরিয়া, শৈবাল, গাছ হতে তৈরি জ্বালানী। প্রধানত ইথানল এলকোহল। জৈবজ্বালানীর প্রথম প্রজন্মটি ছিলো খাদ্যশস্য থেকে জ্বালানী তৈরি। এই পদ্ধতিটি মানুষের খাদ্য আর কৃষিজমির উপর  ভাগ বসায়। সুতরাং চিন্তা করা হলো অন্য কোন পদ্ধতির। এলো দ্বিতীয় প্রজন্মের জৈবজ্বালানী।   এই প্রজন্মের জ্বালানী কাজ করতো বিভিন্ন পরিত্যাক্ত জৈব পদার্থ নিয়ে। এক্ষেত্রে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কি পড়িলে কি বুঝিবেন

বিশেষ সতর্কীকরণ : এটা কেবলই একটা মজাদার পোস্ট। দয়া করে কেউ সত্য-সত্যই বিজ্ঞানের সব জার্নালে এই “অভিধান” প্রয়োগ করবেন না। বিজ্ঞান বেশ সিরিয়াস জিনিস। বিজ্ঞান ঠিক তাই বলে, যা সে বোঝাতে চায়। আপনি হয়তো কোন জার্নাল পড়ছেন। অথবা কোন সিম্পোজিয়ামে গিয়েছেন। বিষয় হলো বিজ্ঞানের। আপনি বিজ্ঞানের ঐ বিভাগের পরিভাষা হয়তো জানেন। পরিভাষার সাথে সাথে ভাষার ব্যবহারও কিন্তু খেয়াল করতে হবে! বেশ কিছু বাক্যাংশের মাধ্যমে লেখক, বা বক্তা মূলত কি বোঝাতে চাচ্ছেন তা কিন্তু অনেক সময়ই…
বিস্তারিত পড়ুন ...