সুস্থ হোন, সুস্থ থাকুন

একটা স্বাস্থ্য বিষয়ক লেখা সবার সাথে শেয়ার না করে পারছি না। অনেক দিন আগে পেয়েছিলাম। লিফলেটে ছিল। দরকারি মনে হলো। তাই ব্লগে হুবহু দিলাম। কারো কাজে লাগলে এটা যিনি লিখছেন এবং যারা প্রচার করছেন তাদের শ্রম সার্থক হতে পারে। __________________________________________________________ সুস্থ হোন, সুস্থ থাকুন “ভবিষ্যতে চিকিৎসক রোগীকে ওষুধ না দিয়ে তাকে শেখাবেন শরীরের যত্ন নেওয়া, সঠিক খাদ্য নিবার্চন, রোগের কারণ নির্ণয় ও তা প্রতিরোধের উপায়।” টমাস আলভা এডিসন,মার্কিন আবিষ্কারক। এডিসন যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তা আজ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কাঠকয়লা: মানবজাতির ত্রাণকর্তা হতে যাচ্ছে কি?

“কয়লা ধুলে ময়লা যায় না” বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। স্পষ্টতই কয়লাকে চরম অবজ্ঞা করে ময়লার সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হল এই যে পানির তো কয়লাকে ধোয়ার কোন যোগ্যতা নেইই বরং কয়লা যে পানি দিয়ে ধোয়া হয় সেই পানিটাই পরিস্কার হয়ে যায়! খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে কি কথাটাকে? ভাবছেন পুরোপুরি উল্টো কথা বলছি? মোটেই না। কাঠকয়লা নিয়ে আজ কিছু কথা বলব। কথাগুলো বলা শেষ হলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন এতদিন যা শুনেছেন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

একি, সবখানে শুধু সেলুলোজ দেখি!

একি, সবখানে শুধু সেলুলোজ দেখি! মনে করুন, আপনি আপনার প্রাত্যহিক জীবনের একটি দিন শুরু করতে যাচ্ছেন। আপনি সেলুলোজের তৈরি একটি খাটে ঘুমিয়ে আছেন। বিছানা, বালিশ সবই সেলুলোজের। আপনি ঘুম থেকে উঠলেন। আপনার গায়ে সেলুলোজের পোষাক। আপনি বিছানা ছেড়ে সেলুলোজের মেঝে দিয়ে হেঁটে হাতমুখ ধুয়ে আসলেন। তারপর নাস্তার টেবিলের দিকে এগিয়ে গেলেন যেটা সেলুলোজ নির্মিত। একটা চেয়ার টেনে বসলেন সেটাও সেলুলোজের। তারপর খাবার খেতে গিয়ে দেখলেন খাবারের মধ্যেও সেলুলোজ। খাবার খেয়ে দেয়ালঘড়িতে সময় দেখলেন অফিসে যাওয়ার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

মাইক্রোফটোগ্রাফি ব্লগ :: অণুবীক্ষণের তলে

ব্লগার বেঙ্গেলেনসিসের মাইক্রোফটোগ্রাফি দেখে মনে হলো, আমিও মনে হয় কিছু যোগ করতে পারবো। প্রথম বর্ষে থাকার সময়ে কিছু ছবি তোলা হয়েছিলো ল্যাব ক্লাসে। সেগুলো তুলে দিলাম। ইহা হইলো পেড্রিডিশ। এইখানে জমি তৈরি করা হয়। অতপর এইখানে ব্যাক্টেরিয়ার চাষাবাদ করা হয়। দেখেন কতো বাহারী রঙের ক্ষেত-খামার। ইহারা বিভিন্ন রকমের পেট্রিডিশ। 3598
বিস্তারিত পড়ুন ...

ডাল্টনের চোখ :: বর্ণান্ধতার পরীক্ষা

রসায়নের বিখ্যাত পারমাণবিক  তত্ত্বের জন্মদাতা জন ডাল্টন। তিনি ছিলেন বর্ণান্ধ। তিনি সবুজ রঙ বুঝতে পারতেন না। আমাদের অক্ষিগোলকের মধ্যে একরকম তরল পদার্থ থাকে। এ জৈব পদার্থকে বলে ভিট্রিয়াস হিউমার। জন ডাল্টন ভাবতেন, তার চোখের ভিট্রিয়াস হিমার অন্যদের মতো স্বচ্ছ নয় - নীল রঙের। এজন্যই তিনি বর্ণান্ধ। মৃত্যুর পর কি হবে না হবে তা নিয়ে অনেকেই  উইল করে যান। জন ডাল্টন একটি অদ্ভূত ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মৃত্যুর পর যাতে তার চোখের ভিট্রিয়াস হিউমার পরীক্ষা…
বিস্তারিত পড়ুন ...