প্রকাশিত বিজ্ঞানের বই

বিজ্ঞান ব্লগের লেখকদের প্রকাশিত বিজ্ঞানের বইয়ের খবরাখবর
বিস্তারিত মুক্ত ই-বই

অতিথি পোস্ট: বিবর্তন, বিশ্বাস আর বিবর্তনবাদ-বিরোধিতার হুজুগ

কয়েক বছর আগে, আমার হার্নিয়া অপারেশন করা হয়। এমন একটা অভিজ্ঞতা, যেটা প্রতি চারজনের একজন ব্রিটিশ পুরুষের হয়। তার মানে প্রতি একশ জনে পঁচিশ জন, বেশ ভাবানোর মত একটা সংখ্যা। হার্নিয়া এমন একটা রোগ, যেখানে অন্ত্রের একটা অংশ ঝিল্লি ফুঁড়ে নিচে নেমে আসে, আর নিম্নাঙ্গে বিচ্ছিরি এবং বিপজ্জনক একটা স্ফীতি তৈরি হয়। অপারেশনের কাজটা একজন সার্জনের, নিঃসন্দেহে উনি আগেও আরো কয়েকশ বার একই জিনিস করেছেন। কিন্তু, এতো বেশি মানুষের এই সমস্যাটা হয় কেন? কাহিনীর শুরু আসলে অনেক আগে, যখন আমাদের পূর্বপুরুষেরা সাগরে সাঁতরে বেড়ানো মাছের পর্যায়ে ছিল। সেই ‘গেছে যে দিন সুখে’র সময়ে, জননকোষ বা অন্ডকোষ শরীরের অনেক গভীরে, লিভারের কাছাকাছি জায়গায় ছিলো বিস্তারিত

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল: রহস্য না প্রতারণা?

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, বাহামা দ্বীপ এবং ক্যরিবীয়ান দ্বীপ এই তিনটি স্থানকে নিয়ে যে ত্রিভুজাকার এলাকা পাওয়া যায় সেটাই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল এর রহস্যময়তার জন্য সবার কাছেই কম বেশী পরিচিত। যেসব রহস্যময় ঘটনা বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে ঘিরে শোনা যায় সেগুলো হল: ১. বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে প্রায়শ:ই নৌযান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে নিশ্চিন্থ হয়ে যায়। ২. বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের উপর দিয়ে বিমান উড়ে গেলে তার আর হদিস পাওয়া যায় না। ৩. এই এলাকায় কম্পাসের কাঁটা এলোমেলো দিক নির্দেশনা দেয়। ৪. বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে যেসব মানুষ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন তাদের সাথে শেষবার যোগাযোগের সময় অদ্ভুৎ আচরন করেছেন বা কথাবার্তা বলেছেন এবং অতঃপর সম্পূর্ণ নিশ্চিন্থ হয়ে গেছেন। ৫. মাঝে বিস্তারিত

অপবিজ্ঞান কিংবা Pseudoscience: সাধু সাবধান!

অপবিজ্ঞান তথা Pseudoscience হল সেইসব তত্ত্ব যা বিজ্ঞান হিসেবে দাবী করা হয় কিন্তু সেগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়। সাধারণত সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য, বই বিক্রয় বাড়ানোর জন্য, প্রতারণার মাধ্যম হিসেবে কিংবা ব্যবসায়িক স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অপবিজ্ঞান, বিজ্ঞানের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। নিজেদের অজান্তেই আমরা সাধরন মানুষ প্রতিনিয়ত অপবিজ্ঞানের শিকার হচ্ছি। এমন অনেক কিছুই আছে যা আমরা বিজ্ঞান বলে জানি কিংবা আমাদেরকে জানানো হয় কিন্তু সেটা আসলে বিজ্ঞান নয়। এধরনের অপবিজ্ঞানের ফাঁদ থেকে দুরে থাকার জন্য আজ এই লেখার অবতারনা করছি। অপবিজ্ঞান সেই তত্তকেই বলা হবে যা বিজ্ঞান হিসেবে উপস্থাপন করা হবে, যার সাথে বৈজ্ঞানিক অন্যান্য তথ্য উপাত্তের সম্পর্ক দেখানো হবে বিস্তারিত

কেন চোখ বন্ধ করে ভাবেন?

কাজটা  অনেকবারই করেছেন, আজ আবার করে দেখুন। কাউকে খুব জটিল কোনো প্রশ্ন করুন। ভাবুন তো তার প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে? সবচেয়ে বড়ো সম্ভাবনা যেটা সেটাই বলি। তারা চোখ বন্ধ করে কিংবা আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকবে। এটাই এ লেখার পয়েন্ট। কেন বেশিরভাগ মানুষ জটিল কোনো বিষয় নিয়ে ভাবার সময় কিংবা প্রশ্নের উত্তর দেবার সময় চোখ বন্ধ করে ফেলে?

মহাকাশের রহস্যময় জ্যেতিস্ক

বিজ্ঞানের অনেক কিছু আবিস্কারের পর আমরা এখন জানি যে,মহাবিশ্বর চারপাশের অসংখ্য জ্যেতিস্ক থেকে নানা রকম বিকিরণ ছড়িয়ে পরছে। যাদের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কয়েক কিমি থেকে শুরু করে এক সেমি এর হাজার কোটি ভাগের চেয়ে ও ছোট হতে পারে।এই বিরাট বিস্তারের মাঝখনে যেটুকু বিকিরনের দৈর্ঘ্য 0.4 থেকে 0.7 মাইক্রণ মাপের মধ্যে ( 1micron=1/1000mm)।অনেক জ্যেতিস্ক আছে যার থেকে নির্গত দৃশ্য আলো আমাদের কাছে অতি ক্ষীন ভাবে পৌছায়। বিজ্ঞানের নতুন যন্তপাতি আবিস্কারের ফলে বর্তমানে এগুলোর মাপ সম্ভব। এর ফলে এদের প্রকৃতিতে এত অভিনবত্ব ধরা পরেছে যে কল্পনাকে ও হার মানায়। মহাবিশ্বের সব জ্যেতিস্ক গুলিকে দুরত্বের ভিত্তিতে তিন শ্রেনীতে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে কাছের বিস্তারিত

“ওয়াল-স্ট্রিট দখল করো” আন্দোলনে বিজ্ঞানীরা : কাজ এবং পরিবর্তনের মহাক্ষুধা

গেল সপ্তাহে বাল্টিমোরে গাড়ি চালাচ্ছিলাম। হঠাৎই গাড়ির সামনে দেখি “ওয়ালস্ট্রিট দখল করো”-আন্দোলনের মিছিল। তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন চারপাশে ছুটে চলা গাড়ির দিকে তাকিয়ে। সাথে ছিলো বিচিত্র প্ল্যাকার্ড। অবাক করা বিষয়, আন্দোলনকারীদের মাঝে ছিলেন বিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞান-শিক্ষার্থীরা। তারা সন্তুষ্ট নন তাদের জীবিকা, গবেষণার অর্থায়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিজ্ঞান’-কে যেভাবে দেখা হয় – তা নিয়ে। এর আগে খবরে এই “দখল করো” আন্দোলনের কথা শুনলেও খুব একটা মনোযোগ দেই নি। সেদিন আন্দোলনকারীদের মিছিলে একটা প্ল্যাকার্ডের দিকে আমার চোখ আটকে গেল। সেখানে লেখা: “পিএইচডি   চাকরী” পিএইচডি মানেই চাকরী নয়। এই প্রসঙ্গ আমাদের বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। বিজ্ঞানকে জীবিকা হিসেবে বেছে নেয়ার জন্য দীর্ঘ শিক্ষাজীবন, বিশেষায়িত বিস্তারিত

শীঘ্রই আসছে : কৃত্রিম রক্ত

মেডিক্যালে পড়ার কারণে এক ব্যাগ রক্তের জন্য মানুষের যে কী হাহাকার, কী কষ্ট, কী ছুটোছুটি, কী দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তা খুব কাছ থেকেই অনুভব করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আনকমন ব্লাড গ্রুপ যেমন যেকোন নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ হলে তো কথাই নেই। এমনিতে হয়তো রোগ তেমন সিরিয়াস না, মাত্র এক ব্যাগ রক্তই পারে রোগীকে মৃত্যুযাত্রা থেকে ফেরাতে। কিন্তু রক্তপ্রার্থীদের অজ্ঞতা আর রক্তদানে মানুষের চরম অনাগ্রহের কারণে এই এক ব্যাগ রক্তের অভাবেই রোগীটি মারা যেতে হচ্ছে। অন্তত এক দশমাংশ সুস্থ-সক্ষম মানুষ যদি স্বেচ্ছায় নিয়মিত রক্তদান করত তাহলে এই মানুষগুলোকে রক্তের জন্য এতো ছুটোছুটি, এতো হাহাকার করা লাগতো না। তবে সেদিন বোধহয় খুব বেশি বিস্তারিত

আমাদের দেহের প্রাণবৈচিত্র্য || দেহবাসীদের কথা

“তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা মন জানো না – তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা?” উঁকুন, কৃমি ছাড়াও মানবদেহে স্হায়ীভাবে বসবাস করে অজস্র অণুজীব। আমরা দেহকে একটি ঘন অরণ্যের সাথে তুলনা করতে পারি। এই অরণ্য ব্যাক্টেরিয়াতে কিলবিল করছে। মনস্তাত্ত্বিক কারণে মানুষ সাধারণত সংখ্যা বা পরিসংখ্যান পছন্দ করে না। তাই আমি বলবো না মানবদেহে দশ ট্রিলিয়নের মতো ব্যাক্টেরিয়া থাকতে পারে। তবে একটা তুলনা করা যেতে পারে। দেহে মোট কোষের তুলনায় ক্ষুদে ব্যাক্টেরিয়াদের সংখ্যা দশগুণ – চিন্তা করা যায়! অবশ্য এটা ঠিক যে আমাদের দেহকোষ একটি ব্যাক্টেরিয়ার চাইতে আকারে দশগুণের মতো বড়ো হয়। তাহলে কি প্রতিটি কোষের ভেতরে দশটি ব্যক্টেরিয়া থাকে? না। এরকমটা বিস্তারিত