প্রকাশিত বিজ্ঞানের বই

বিজ্ঞান ব্লগের লেখকদের প্রকাশিত বিজ্ঞানের বইয়ের খবরাখবর
বিস্তারিত মুক্ত ই-বই

একি, সবখানে শুধু সেলুলোজ দেখি!

একি, সবখানে শুধু সেলুলোজ দেখি! মনে করুন, আপনি আপনার প্রাত্যহিক জীবনের একটি দিন শুরু করতে যাচ্ছেন। আপনি সেলুলোজের তৈরি একটি খাটে ঘুমিয়ে আছেন। বিছানা, বালিশ সবই সেলুলোজের। আপনি ঘুম থেকে উঠলেন। আপনার গায়ে সেলুলোজের পোষাক। আপনি বিছানা ছেড়ে সেলুলোজের মেঝে দিয়ে হেঁটে হাতমুখ ধুয়ে আসলেন। তারপর নাস্তার টেবিলের দিকে এগিয়ে গেলেন যেটা সেলুলোজ নির্মিত। একটা চেয়ার টেনে বসলেন সেটাও সেলুলোজের। তারপর খাবার খেতে গিয়ে দেখলেন খাবারের মধ্যেও সেলুলোজ। খাবার খেয়ে দেয়ালঘড়িতে সময় দেখলেন অফিসে যাওয়ার আর কতটা সময় বাকি আছে এবং হঠাৎ থমকে গেলেন দেয়ালটা সেলুলোজ দিয়ে তৈরি বলে। আপনার অবাক হওয়ার পালা এখনো শেষ হয়নি। আপনি অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিস্তারিত

মাইক্রোফটোগ্রাফি ব্লগ :: অণুবীক্ষণের তলে

ব্লগার বেঙ্গেলেনসিসের মাইক্রোফটোগ্রাফি দেখে মনে হলো, আমিও মনে হয় কিছু যোগ করতে পারবো। প্রথম বর্ষে থাকার সময়ে কিছু ছবি তোলা হয়েছিলো ল্যাব ক্লাসে। সেগুলো তুলে দিলাম। ইহা হইলো পেড্রিডিশ। এইখানে জমি তৈরি করা হয়। অতপর এইখানে ব্যাক্টেরিয়ার চাষাবাদ করা হয়। দেখেন কতো বাহারী রঙের ক্ষেত-খামার। ইহারা বিভিন্ন রকমের পেট্রিডিশ।

ডাল্টনের চোখ :: বর্ণান্ধতার পরীক্ষা

রসায়নের বিখ্যাত পারমাণবিক  তত্ত্বের জন্মদাতা জন ডাল্টন। তিনি ছিলেন বর্ণান্ধ। তিনি সবুজ রঙ বুঝতে পারতেন না। আমাদের অক্ষিগোলকের মধ্যে একরকম তরল পদার্থ থাকে। এ জৈব পদার্থকে বলে ভিট্রিয়াস হিউমার। জন ডাল্টন ভাবতেন, তার চোখের ভিট্রিয়াস হিমার অন্যদের মতো স্বচ্ছ নয় – নীল রঙের। এজন্যই তিনি বর্ণান্ধ। মৃত্যুর পর কি হবে না হবে তা নিয়ে অনেকেই  উইল করে যান। জন ডাল্টন একটি অদ্ভূত ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মৃত্যুর পর যাতে তার চোখের ভিট্রিয়াস হিউমার পরীক্ষা করে দেখা হয় তা নীল বর্ণের কি না। ১৮৪৪ সালে ডাল্টনের মৃত্যুর পর তার এ ইচ্ছাকে সম্মানিত করা হয়। জোসেফ র্যানসম নামের একজন বিজ্ঞানী তার বিস্তারিত