বিস্মৃত একজন গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য

বেশ কিছু কাল আগের কথা  বলছি। তখন রাজশার্দূল এর শাসনামল বিরাজমান। শরীয়তপুরের লোনসিং নামের একটি গ্রামে বাস করতেন এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ। নাম অম্বিকাচরণ ভট্টাচার্য। পেশা যজমানি। অর্থাৎ পুজোর দক্ষিণার দাক্ষিণ্যই তাঁর  সংসারযন্ত্রকে সচল রাখতে সাহায্য করত।তবে মধ্যে কাজ করতেন স্থানীয় জমিদারের কাছারিতেও । তাঁর পরিবারেই ১৮৯৫ সালের পহেলা আগস্ট গৃহিণী শশিমুখী দেবী জন্ম দেন এক পুত্র সন্তানের। দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম নেওয়া পিতামাতার জ্যেষ্ঠ সন্তানটির কথাই আজকে বলতে বসেছি। তাঁর নাম গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য। ভারতীয় উপমহাদেশে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

প্রাণের প্রথম একশ কোটি বছর কেন একঘেঁয়ে ছিলো? [একমেবাদ্বিতীয়ম্ সংযোজন পর্ব-১]

প্রথম দেখায় একটি গাছ থেকে ঐ গাছের পাতা খাওয়া শুঁয়োপোকা, গাছের বাকল থেকে অঙ্কুরিত ব্যাঙের ছাতা, গুঁড়ির পাশে বর্ধনশীল ঘাস, কিংবা তরু ছায়ায় বসে গল্প করা যুগল – কোন কিছুই দেখতে এক রকম লাগবে না। তবে বাহ্য-রূপ ছলনাপূর্ণ হতে পারে। আণুবীক্ষণিক পর্যায়ে বিবর্ধিত করে দেখা হলে এদের কাঠামোগত সাদৃশ্য অবাক করে দেবে। কারণ এরা সকলে একই ধরনের গঠন-শৈলী মেনে চলা কোষ দিয়ে তৈরি। এ কোষগুলোতে রয়েছে একটি নিউক্লিয়াস যা সুক্ষ্ম ঝিল্লী দিয়ে ডি.এন.এ-কে ধরে রাখে।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

মানুষ-অণুজীব যুগলবন্দী

যখন ছোট ছিলাম তখন খাওয়ার আগে আর বাথরুম থেকে আসার পর হাত ধোয়ার জন্যে বিটিভিতে সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন দেয়া হত। আমি খুব মনোযোগ দিয়ে দেখতাম। আর মা তো লেগেই থাকতো খাবার আগে ভালো করে হাত ধোয়ার জন্যে। তখন যেটা জানতাম জীবাণু হচ্ছে আমাদের জন্মের শত্রু! এরা আমাদের শরীরে ঢুকে আর আমাদের বারোটা বাজিয়ে দেয়। তাই জীবাণুর প্রতি no ভালোবাসা, Only ঢিসুম ঢিসুম with লাইফবয়! কিছুটা বড় হওয়ার পর দুর্ভাগ্য কিংবা সৌভাগ্যক্রমে অণুজীববিজ্ঞান বিভাগে অনার্সে ভর্তি হলাম।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ভ্যাক্সিন, এক স্বর্গীয় আশীর্বাদ

এ বছরে ‘The Croods’ নামে একটা অ্যানিমেটেড মুভি বের হয়েছিল। মুভিটা অনেকেই দেখেছেন। Croods রা মূলত গুহামানব। সারা পৃথিবী থেকে তারা বিচ্ছিন্ন। গুহাতেই তারা তাদের জীবনের প্রায় পুরোটাই কাটিয়ে দেয়। প্রকৃতির নানা প্রতিকূলতার সাথে তারা দিন রাত যুদ্ধ করে টিকে থাকার জন্যে। প্রকৃতির ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা তারা জানে না। তাই তারা ঘটনাগুলোকে নিজের মত করে ব্যাখ্যা করে। আর তৈরি হয় নান মিথ।   মানুষের ইতিহাসও অনেকটা Croods দের মত। মানুষের কাছে যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগে নি।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

রোগের জীবাণুতত্ত্ব

রোগ বালাই তো মানুষের লেগেই থাকে। তখন আমরা দৌড়াতে থাকি ডাক্তার কবিরাজের কাছে। অবশেষে পথ্য নিয়ে সুস্থ হই। কিন্তু আমরা কিভাবে রোগে আক্রান্ত হলাম তা কিন্তু চিন্তার বিষয়! আমরা এখন জানি রোগ সৃষ্টির সাথে অণুজীবের গভীর সম্পর্ক আছে। আমাদের সবার কাছে পরিচিত ও ভয়াবহ একটি রোগ হল এইডস। আর যে কারণে এইডস হয় তা হল HIV ভাইরাস। একইভাবে আমাদের অনেকেরই জলবসন্ত হয়। এটার কারণও অণুজীব। কোথাও ব্যথা পেয়ে কেটে ছিঁড়ে গেলে অনেক সময় ইনফেকশন হয়।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বিলুর অণুজীব ভাবনা

অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে। যাকে বলে Cats and dogs! আর বিলু বিছানায় উপর হয়ে পত্রিকার খেলার খবর পড়ছে। এমন সময় বেল বেজে উঠল। দরজা খুলতেই বিলু আনন্দে আত্মহারা। হাসান মামা এসেছেন! বিলুর ঘরে ঢুকে মামা বললেন, -কি বৃষ্টি পড়েছে দেখেছিস! একবারে কুকুর বেড়াল যুদ্ধ! বিলু কিছু না বলে হাসতে থাকলো। হাসান মামা বিলুর সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। বিলুর মতে হাসান মামা জানেন না এমন কোন জিনিস নেই। গতবার বিগব্যাঙ নিয়ে কি গল্পটাই না করলেন হাসান মামা!…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এমন হলে কেমন হত!

মানুষ হিসেবে জন্ম হয়েছে আপনার। আপনি জন্মসুত্রে মানুষ ‘The Homo sapiens’। আচ্ছা এক মুহূর্ত ভাবুন তো আপনি মানুষ নন। আপনি হচ্ছেন কোন এক অণুজীব। হয়তো ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক কিংবা ভাইরাস জাতের কেউ। কেমন হত আপনার জীবন তখন? চলেন একটু কল্পনা করে দেখি তো! আপনি হয়তো তখন কোন মানুষের অন্ত্রের ভিতর খাবার ভেঙ্গে হজমে সাহায্য করছেন, ভিটামিন তৈরি করে দিচ্ছেন। (যদি ব্যাকটেরিয়া হতেন) লোকটা হয়তো মনের আনন্দে মুরগির রান চিবুচ্ছে! সে হয়তো জানেই না আপনার কথা! রাগে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীব যখন আশীর্বাদঃ পর্ব-১

(আগের লেখায় অণুজীবের কিছু উপকারী দিক নিয়ে লিখেছিলাম। ঠিক করেছি ‘অণুজীব যখন আশীর্বাদ’ এই শিরোনামে কিছু লেখা লিখব যেখানে অণুজীবের উপকারী দিকগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে চলছে। যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করার পাশাপাশি কিছু জটিল সমস্যারও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল নানা ভাবে সৃষ্ট আবর্জনা। গৃহস্থালির আবর্জনা থেকে শুরু করে শিল্প কারখানা ও বিভিন্ন খনি থেকে নিষ্কাশিত আবর্জনা মানুষ ও পরিবেশের জন্য বিরাট হুমকি হয়ে…
বিস্তারিত পড়ুন ...