কোয়ান্টাম প্রযুক্তি

১৯৮১ সালের এক লেকচারে রিচার্ড ফাইনম্যান বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন- কেমন হয় যদি সম্পূর্ণ মহাবিশ্বকে কম্পিউটারে সিমুলেট করা যায়! এ কাজের জটিলতা হল খুব ক্ষুদ্র স্কেলে আমাদের মহাবিশ্ব অদ্ভুত নিয়মের অধীনে কাজ করে।  একই সময়ে কণা থাকতে পারে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়; অনেক দূরে থেকেও পরস্পরের দ্বারা তাৎক্ষণিক ভাবেই প্রভাবিত হতে পারে; পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে পরিবর্তীত হয়ে যেতে পারে বাস্তবতার স্বরূপ। তাই সেই লেকচারে তিনি বলেছিলেন- “প্রকৃতি ক্লাসিকাল নয়, তাই যদি প্রকৃতির সিমুলেশন বানাতে চাও, সেটাকে হতে হবে কোয়ান্টাম মেকানিকাল।”  কোয়ান্টাম কম্পিউটার ফাইনম্যান কল্পনা করে গেছেন এমন এক কম্পিউটারের যার বিটগুলো কোয়ান্টাম কণাদের মত আচরণ করে। আজ প্রায় ৪০ বছর পর সেই বিস্তারিত

আমার কম্পিউটার – স্টিফেন হকিং

১৪ মার্চ – একই সাথে পাই দিবস এবং আইন্সটাইনের জন্মবার্ষিকী। তাই এতদিন বিজ্ঞানপ্রেমী যে কারো কাছে এটা ছিল একটা উৎসবমুখর দিন। কিন্তু এ বছর এই একই দিনে  না-ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন আমাদের সময়ের অন্যতম তাত্ত্বিক পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং। নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কম্পিউটার যুক্ত হুইলচেয়ারে বসা বাক-চলনশক্তিহীন সেই অতিপরিচিত প্রখর চিন্তশীল মানুষটি। তিনি শুধু জনপ্রিয় বিজ্ঞানী নন, যেকোন ব্যাক্তির জন্যই অনুপ্রেরণার অপর নাম তিনি – চূড়ান্ত শারীরিক প্রতিবন্ধকতাও যাঁর প্রতিভা এবং সফলতাকে বিন্দুমাত্র দমিয়ে রাখতে পারেনি। যে যন্ত্র-প্রযুক্তির সাহায্যে কালের এই মহানায়ক তাঁর কঠিন বাস্তবতাকে মোকাবিলা করে গেছেন, চলুন আজ সেই সম্পর্কে শুনে আসি তাঁর নিজের জবানিতে :- বিস্তারিত

ভবিষ্যত প্রযুক্তি,মোবাইলের মাধ্যমেই বিভিন্ন দূরের বস্তু ধরতে পারবেন

কেমন হতে পারে আমাদের ভবিষ্যত প্রযুক্তি।আই.বি.এম এর গবেষকরা সাধারনত প্রতি বছর ভবিষ্যত প্রযুক্তি গুলোনিয়ে ভবিষ্যতবাণী করে থাকেন।তবে তারা নিকট ভবিষ্যত নিয়েই ভবিষ্যতবাণী করেন।তারা এমন পাঁচটি ভবিষ্যত প্রযুক্তির কথা বলে থাকেন যেগুলো পাঁচ বছরের মধ্যেই আমাদের জীবন সম্পূর্ণ বদলে দিবে।এটা আই.বি.এম. ৫*৫ আর্টিকেল নামেও পরিচিত।এবারের পাঁচটি ভবিষ্যতবাণীর মধ্যে একটি হল,আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আমরা ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে বাজার করতে পারব, পন্যর গঠনটা বুঝতে পারব,পন্যটি ধরতে পারব।অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এটা কিভাবে সম্ভব?আসলে পন্যটির গঠন অনুভূতি পাওয়া মানেই পন্যটি নিজ হাতে ধরা হবেনা।আপানাকে শুধু ভায়ব্রেশন এর মাধ্যমে আপনার ফোনের স্ক্রিন বস্তুটির অনুভূতি দিবে। মনে করুন আপনি পন্যটি নিজ হাতে ধরে বিস্তারিত