“There is grandeur in this view of life, with its several powers, having been originally breathed into a few forms or into one; and that, whilst this planet has gone cycling on according to the fixed law of gravity, from so simple a beginning endless forms most beautiful and most wonderful have been, and are being, evolved.”
~ Charles Darwin
চলুন, খোলা মন নিয়ে একটা বিশেষ আলোচনায় বসা যাক।
ধরুন, আপনি আর আপনার বন্ধু পরীক্ষা দিতে বসলেন। বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামছে। আজকে আপনাদের বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা। উদ্দীপকের আলোকে বিভিন্ন গল্প, কবিতার নানানকিছু আপনাদের নিজস্ব ইন্টারপ্রেটেনশনের ধানাই পানাই আরকি। আপনাদের দুজনেরই পরীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে। হঠাৎ আপনাদের হলের ইনভিজিলেটর এসে আপনাদের দুজনের খাতা-ই জব্দ করল। দোষ কী আপনাদের?
তাদের দাবি হচ্ছে, আপনি আপনার খাতা খোলা রেখেছেন আর আপনার বন্ধু তা পুরোটা দেখে দেখে লিখেছে। কিন্তু, আপনার বন্ধু সেই লেভেলের নাছোড়বান্দা। সে কোনোমতেই স্বীকার করছে না যে, সে দেখে দেখে লিখেছে। যা অল্প কিছু মিল দেখা যাচ্ছে প্রথম দেখায়, এসব নেহাতই কাকতালীয়।
কিন্তু, ক্লাসে ঢুকলো এক পাগলাটে শিক্ষক। সে ভদ্রলোক আপনাদের দুজনের খাতা পাশাপাশি রেখে মূল্যায়ন করা শুরু করলেন। আপনার বন্ধু যে মিথ্যা বলেছে, তা সেই পাগলাটে লোক প্রমাণ করেই ছাড়বে।
এবার টিচার গুনে দেখলো, দুজনের খাতাতেই মোট ১২,৪৮৭টা অক্ষর, একদম সমান। প্রতিটা প্রশ্নে উত্তর সংখ্যা ১০টা করে, এবং ১০টা প্রশ্নেই একই ক্রমে একই উত্তর লেখা। মোট ৮৭টা একই বানান ভুল, ৩২টা একই জায়গায় কাটাকাটি, আর ১৯টা একই লাইনে বাক্য শেষ। কমা ৫৬টা, ফুলস্টপ ১০টা… সবই একদম একই অবস্থানে। এমনকি প্রতিটা লাইনের স্পেসিং, প্যারাগ্রাফ ব্রেক, আর শব্দের গ্যাপ পর্যন্ত মিল। দুটো খাতার কেবল হাতের লেখা ছাড়া বাকি সবকিছু ১০০% হুবহু একই। এবার আপনিই বলুন, আপনার বন্ধুর সবকিছু আপনার সাথে ১০০% মিলে যাওয়া কাকতালীয় কি? আপনি বিশ্বাস করবেন?
আমার এ লেখাটা এতোটুকু পড়ে বুঝে আসা যে কেউ তার বন্ধুর এতোটুকু ধাপ্পাবাজি ধরে রাখার মতো ইন্টেলেক্ট রাখে। এবার আপনাকে সামনে যা বলতে যাচ্ছি, তা বুঝার মতো বুদ্ধিসুদ্ধিও আপনার আছে বলে আমার বিশ্বাস।
এবার আপনাকে ৩ টা গল্প বলবো। ধৈর্য্য ধরে শুনবেন, একই সাথে আপনার বন্ধুকেও ভুলে যাবেন না। গল্পের মাঝে তাকে আর আপনাকে পাঠানো হবে পৃথিবীর দুই প্রান্তের দুই সমুদ্র সৈকতে, আবার কখনো আপনাদেরকে বসানো হবে বল বাছাইয়ের পরীক্ষায়।
গল্প নম্বর-১:
অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণী (যেমন- কুকুর, বিড়াল বা গরু) তাদের নিজেদের শরীরের ভেতরেই ভিটামিন-সি তৈরি করতে পারে। কিন্তু মানুষ, শিম্পাঞ্জি, গরিলা এবং ওরাংওটাংরা তা পারে না; খাবারের সাথে ভিটামিন-সি না খেলে আমাদের স্কার্ভি রোগ হয়। গরু, ছাগল, বিড়ালের মধ্যে ভিটামিন সি তৈরির জন্য আছে GULO নামে একটা জিন। আমরা যদি মানুষের DNA ঘেঁটে দেখি, তাহলে দেখবো GULO জিনটা মানুষের DNA তেও আছে। কিন্তু সেটা কাজ করে না। কারণ জিনের কোডের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ছোট্ট একটি মিউটেশন বা ত্রুটি আছে, যার ফলে জিনটি অকেজো হয়ে গেছে। জীববিজ্ঞানীরা এমনসব জিনকে সিউডোজিন বলে।
এবার, জাপানের ওয়াকায়ামা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত গবেষক মিরিমিতসু নিশিকিমি এক কাজ করলেন। তিনি এবং তাঁর দল শিম্পাঞ্জি, গরিলা বা ম্যাকাকের DNA পরীক্ষা করে দেখলেন তাদেরও ঐ একই জিন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এবং… এবং আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, এই শিম্পাঞ্জি, গরিলাদেরও হুবহু একই জায়গায়, একই মিউটেশনের কারণে GULO জিনটা অকেজো! মানুষের GULO সিউডোজিনের যেই নিউক্লিওটাইডটা হারিয়ে গেছে, শিম্পাঞ্জি, গরিলাদেরও ঠিক একই জায়গায় একিই নিউক্লিওটাইড হারিয়ে গেছে৷
ডিএনএ-র ৩০০ কোটি অক্ষরের (Base pairs) মধ্যে দৈবক্রমে বা কাকতালীয়ভাবে মানুষ, শিম্পাঞ্জি, ওরাংওটাং, গরিলার জিনের ঠিক একই জায়গায় একই ত্রুটি ঘটার গাণিতিক সম্ভাবনা আক্ষরিক অর্থেই শূন্য। এর একমাত্র যৌক্তিক ব্যাখ্যা হলো, আমাদের এক সাধারণ পূর্বপুরুষের শরীরে এই মিউটেশনটি ঘটেছিল এবং আমরা সবাই সেই ভাঙা জিনটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি।
ধরুন মানুষ, শিম্পাঞ্জি, ওরাংওটাং, গরিলা, ম্যাকাক… এরা একই পূর্বপুরুষ থেকে আসলো না। সেক্ষেত্রে আমাদের এই বিলিয়ন বিলিয়ন বেইস পেয়ারের একই GULO জিনে একই জায়গায় সেইম মিউটেশন ঘটা পুরোপুরিভাবে অসম্ভব।
বিজ্ঞানীরা হিসাব করে দেখিয়েছেন যে, এরকম একই রকম পরিবর্তন (parallel substitutions) ঘটার সম্ভাবনা প্রায় 1.83 × 10⁻¹² … অর্থাৎ ১০ লাখ কোটি বারের মধ্যে মাত্র ১ বার। [১]
গল্প নম্বর-২: জাম্পিং আলুর গল্প
জাম্পিং আলুর কেচ্ছায় যাওয়ার আগে আপনার বন্ধুকে এখানে টেনে আনি আরেকবার। ধরুন আপনাকে বসানো হলো বাংলাদেশের একটা ঘরে। আর আপনার বন্ধুকে বসানো হলো পৃথিবীর অন্য প্রান্তে, ব্রাজিলের একটা ঘরে। আপনাদের কোনো যোগাযোগ নেই। এখন আপনাদের দুজনের ঘরেই ৩০ হাজারটা বল রাখা। প্রতিটাতেই নাম্বারিং করা। এখন, আপনাদের দুজনকেই ৩ টা বল তুলতে বলা হলো। আপনি তুললেন ৪৫৬৭ নং, ২৭৮ নং ও ৮৯০৮ নং… বল।
এখন প্রশ্ন হলো, কেবল কাকতালীয়ভাবে আপনার বন্ধুরও একই নম্বরের তিনটি বল তোলার সম্ভাবনা ঠিক কতটুকু? স্রেফ কাকতালীয়ভাবে আপনাদের দুজনেরই হুবহু একই নম্বরের তিনটি বল তুলে আনার গাণিতিক সম্ভাবনা হলো 2 × 10⁻¹³, অর্থাৎ কয়েক ট্রিলিয়ন বারের মধ্যে বড়জোর একবার! বাস্তব দুনিয়ায় এমন ঘটনা ঘটা এক কথায় অসম্ভব। এই অসম্ভব কেবল তখনই সম্ভব হতে পারে, যদি আপনাদের দুজনের মধ্যে আগে থেকেই কোনো গোপন ‘যোগাযোগ’ থাকে, কিংবা আপনারা আগে থেকেই ঠিক করে রাখেন যে কোন বলগুলো তুলবেন। সহজ কথায়, গাণিতিক এই অসম্ভবকে হার মানাতে পারে কেবল আপনাদের মধ্যকার সেই “কানেকশন”!
এবার জাম্পিং আলুর গল্পে যাই…
আমাদের ডিএনএ-তে এমন কিছু অদ্ভুত অংশ আছে, যাদের কাজ হলো শুধু নিজেদের কপি করা এবং ডিএনএ-র অন্য কোনো র্যান্ডম জায়গায় গিয়ে বসে পড়া। এদের বলা হয় ‘জাম্পিং জিন’ বা ট্রান্সপোজন (Transposons)। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো Alu Elements। মানুষের জিনোমে এমন প্রায় ১০ লাখের বেশি Alu সিকোয়েন্স বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে আছে। (Alu এর উচ্চারণটা কিন্তু অ্যালু হবে)
একটি Alu সিকোয়েন্স যখন ডিএনএ-র ৩০০ কোটি জোড়া বেসের কোনো একটিতে গিয়ে বসে, সেটি সম্পূর্ণ এলোপাতাড়ি একটি ঘটনা। সে আমাদের DNA এর যেকোনো জায়গায়ই বসতে পারে। এখন, ধরেন বিবর্তন তত্ত্ব ভুয়া। কমন এনসেস্ট্রির কেচ্ছা সব ভুয়া। সেক্ষেত্রে একেক প্রাণির জিনে একেক জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে Alu সিকোয়েন্স থাকার কথা, তাই না?
কিন্তু আপনাকে হতাশ করে দিয়ে বলতে হচ্ছে, এমনটা ঘটেনি।
বিজ্ঞানীরা মানুষের ডিএনএ-র সাথে শিম্পাঞ্জির ডিএনএ মিলিয়ে দেখলেন, হাজার হাজার Alu এলিমেন্টস মানুষ এবং শিম্পাঞ্জির ক্রোমোজোমে হুবহু একই স্থানে বসে আছে! ভেবে দেখুন, ৩০০ কোটি বেইস পেয়ারে হাজার হাজার Alu সিকোয়েন্স দুইটা সম্পূর্ণ আলাদা প্রজাতির প্রাণির দেহের DNA তে একই জায়গায় আছে!
ধরুন শিম্পাঞ্জি আর আমরা একই পূর্বপুরুষ দ্বারা কানেক্টেড না। সেক্ষেত্রে Alu এলিমেন্টস একই জায়গায় বসার সম্ভাবনা গাণিতিকভাবে প্রায় অসম্ভব। Alu elements একবার বসার পর সেটা সাধারণত স্থায়ী হয়ে যায়। তাই এগুলো আলাদা আলাদা করে ঘটা সম্ভব না। [২]
গল্প-৩:
চার্লস ডারউইন নামক এক ব্রিটিশ ভদ্রলোক যখন বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে হাজির হলেন, তখন ভদ্রলোকের কোনো ধারণা ছিলো না জিনতত্ত্ব নিয়ে। সে এক বড় গল্প। কিন্তু ভদ্রলোক শারীরতাত্ত্বিক, ভ্রুণতাত্ত্বিক মিলজুক দিয়ে বিবর্তন তত্ত্বের কাঠামো বেশ ভালো রকমেই দাঁড় করিয়েছিলেন। উনিশ শতকের পর থেকে নানান জায়গায় জীবাশ্মের সন্ধান মিলতে মিলতে কমন এনসেস্ট্রির চমৎকার একটা নকশাও দাঁড় করান বিজ্ঞানীরা। একটা প্রজাতি মানুষের থেকে কতো দূরের আত্মীয়, তাদের আর আমাদের পূর্বপুরুষ কতো আগে একই প্রজাতিরূপে ছিলো, তা জিনতত্ত্বের বিকাশের আগেই জীবাশ্ম রেকর্ড থেকেই বেশ ভালো মতোই বলে দেয়া গেছে। প্রাইমেটরা আমাদের সবচেয়ে কাছের, এরপর অন্যান্য স্থন্যপায়ীরা, এরপর অন্যান্য ভার্টিব্রেটরা, এরপর ইত্যাদি ইত্যাদি।
তো, জিনতত্ত্বের আতশি কাঁচের নিচে ফেলে বিবর্তন তত্ত্বকে যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ এসেছে অনেক পরে। এখন ধরুন, ফসিল-টসিল ঘেঁটে বিবর্তন তত্ত্ব আমাদের নিকটাত্মীয় হিসেবে দাঁড় করালো ওরাংওটাংকে। কিন্তু জেনেটিক্যালি পরীক্ষা করে দেখা গেল, আমাদের সবচেয়ে কাছের আত্মীয় আসলে ছাগল! চিন্তা করুন তো অবস্থা—সোজা ভাগাড়ে চলে যেত বিবর্তন তত্ত্ব!
কিন্তু না, বাস্তবে তা ঘটেনি। শত বছর আগে কেবল জীবাশ্ম বা ফসিল রেকর্ড থেকে বিবর্তনের যে নকশা আঁকা হয়েছিল, এক শতাব্দী পর জিনতত্ত্বও অবিকল সেই একই নকশায় সিলমোহর দিল। এমন অসংখ্য নজির রয়েছে। সেসব উদাহরণ নাহয় অন্য কোনো দিনের জন্য তোলা থাক। আজকে চলুন সরাসরি ঢুকে পড়ি আমাদের গল্প নম্বর ৩-এ।
সাইটোক্রোম-সি হলো এমন একটি প্রোটিন, যা উদ্ভিদ থেকে শুরু করে প্রাণী…. সবার কোষে শক্তি উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য। এটি ১০৪টি অ্যামিনো এসিডের একটি চেইন দিয়ে তৈরি। এই চেইনের কিছু অ্যামিনো এসিড পরিবর্তন হলেও প্রোটিনটি তার কাজ চালিয়ে যেতে পারে।
বিজ্ঞানীরা যখন বিভিন্ন প্রাণীর সাইটোক্রোম-সি এর গঠন মেলাতে শুরু করলেন, তারা দেখলেন:
১. মানুষের সাইটোক্রোম-সি এবং শিম্পাঞ্জির সাইটোক্রোম-সি ১০০% হুবহু এক। এদের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
২. এবার মানুষের আরেকটু দূরের আত্মীয় রিসাস বানরের সাথে সে পার্থক্য কতো হতে পারে? মাত্র ১ টি অ্যামিনো এসিডের।
৩. এবার আরেকটু দূরের কোনো স্তন্যপায়ী প্রাণী বাছাই করা যাক। কাকে করা যায়? ধরুন, কুকুর। তাদের সাথে পার্থক্য ১১ টি অ্যামিনো এসিডের।
৪. আরও দূরে যাই। স্তন্যপায়ী ছাড়া অন্য একটা ভার্টিব্রেট ধরা যাক। মাছ। মাছের সাথে ২১ টি অ্যামিনো এসিডের পার্থক্য।
৫. এবার ভার্টিব্রেট পেরিয়ে আরও দূরের কোনো জীবে যাই। ইস্টের সাথে আমাদের পার্থক্য ৫১ টি অ্যামিনো এসিডের।
এই পার্থক্যগুলো ঠিক সেই অনুক্রমেই বাড়ে, ফসিল রেকর্ড অনুযায়ী আমাদের পূর্বপুরুষরা যত আগে একে অপরের থেকে আলাদা হয়েছিল। ফসিল রেকর্ড বা হাড়গোড় ছাড়াই কেবল এই প্রোটিনের গঠন মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা নিখুঁতভাবে বলে দিতে পারেন কে কার কত কাছের আত্মীয়। [৩]
এবার, কমন এনসেস্ট্রি বা সাধারণ পূর্বপুরুষের ধারণা ব্যতীত এমন শৃঙ্খলা একেবারেই অসম্ভব। একটা প্রোটিন তৈরি করতে সম্ভাব্য অ্যামিনো অ্যাসিডের সিকোয়েন্সের সংখ্যা অত্যন্ত বিশাল (প্রায় ১০^৯৩ এর মতো, যা মহাবিশ্বের মোট পরমাণুর সংখ্যার চেয়েও বেশি)।
এতো বিশাল “সম্ভাব্যতার জগত” এর মধ্যে থেকে ঠিক সেই
সিকোয়েন্সগুলো বেছে নেওয়া যাতে সব প্রজাতির মধ্যে একটা নির্দিষ্ট গাছের মতো প্যাটার্ন (nested hierarchy) তৈরি হয়, সেটা র্যান্ডমভাবে ঘটা প্রায় অসম্ভব।
এবার আপনিই বলুন, কীভাবে এতোকিছু কাকতালীয় হয়?

আগামী কোনো এক আলোচনায় হয়তো গল্প হবে, কীভাবে মানুষ, শিম্পাঞ্জি, বেবুন আর ওরাংওটাংয়ের ডিএনএ-র ঠিক একই জায়গায় রেট্রোভাইরাল ইনসার্শনের (ERV) আলামত পাওয়া গেছে…. এটি কাকতালীয় হওয়ার গাণিতিক সম্ভাবনা এতই ক্ষীণ যে, ১-কে মহাবিশ্বের মোট পরমাণুর সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলেও তা মেলানো কঠিন! জানাবো, কীভাবে ন্যানোগ (Nanog) নামের একটি জিন মানুষ, শিম্পাঞ্জির ক্ষেত্রে ঠিক একই লোকেশনে, হুবহু একই নিউক্লিওটাইডে এসে ভেঙে পড়েছে। এভাবেই হয়তো একদিন আমরা পড়বো আমাদের ডিএনএ-র পরতে পরতে সযতনে লেখা ৩৫০ কোটি বছরের বিবর্তনের সেই বিশাল ইতিহাস!
Stay hungry, stay foolish…
তথ্যসূত্র:
[১] Ohta, Y., & Nishikimi, M. (1999). “Random nucleotide substitutions in primate nonfunctional gene for L-gulono-gamma-lactone oxidase, the missing enzyme in L-ascorbic acid biosynthesis.” Biochimica et Biophysica Acta (BBA) – General Subjects, 1472(1-2), 408–411. PubMed: 10572964.
[২] Salem, A. H. et al. (2003). “Alu elements and hominid phylogenetics.” Proceedings of the National Academy of Sciences (PNAS), 100(22), 12787–12791. DOI: 10.1073/pnas.2133766100
[৩] Margoliash, E. (1963). “Primary structure and evolution of cytochrome c.” Proceedings of the National Academy of Sciences (PNAS)






Leave a Reply