পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার কথা-২

এই সিরিজের অন্য পোস্ট গুলো পড়তে চাইলে [ ১ ,৩ , ৪ ] পূর্বের পোস্টে বোসন আর ফার্মিয়ান কণার কথা বলেছিলাম আজ ফার্মিয়ান কণাদের দিয়েই শুরু করি । এই কণা গুলোকে বলা হয় ‘বস্তু কণা’ অর্থাৎ আমরা আমাদের চারপাশে যাই দেখি সবই এই ফার্মিয়ান কণা দিয়ে গঠিত (তবে ফার্মিয়ান কণার মধ্যে যে বল আছে তা কিন্তু বোসন কণার জন্য সৃষ্টি) , এরা অড হাফ ইন্টিজার ১/২ স্পিনযুক্ত কণা অর্থাৎ ১/২ ,৩/২ ,৫/২ … ইত্যাদি । এই কণাগুলো পদার্থবিদ ওলফ্ গ্যাংগ পাউলির বর্জন নীতি (পরমাণুর দু’টি বা তার বেশি সমতুল্য ইলেক্ট্রন থাকতে পারে না যার কোয়ান্টাম সংখ্যা গুলোর মান একই ) মেনে বিস্তারিত

এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-১

এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (২ , ৩ , ৪)   মূল : মিশিও কাকু ড্যান ব্রাউন আমার একজন প্রিয় লেখক , তাঁর The Da Vinci Code বইটির জন্য অনেকের কাছেই তিনি আজীবন  স্মরণীয় হয়ে থাকবেন । Angels And Demons তাঁর আরেকটি বিখ্যাত বই ,এই বইয়ের গল্পের একটি পর্যায়ে লেখক এন্টি-ম্যাটার বোম এর কথা উল্লেখ করেন যা কিনা Illuminati নামক চরমপন্থি একটি দল জেনেভার নিউক্লিয়ার পরীক্ষাগার CERN হতে চুরি করে । এই চক্রান্তকারী দল  কোনভাবে জানতে পারে যে ম্যাটার এবং এন্টি-ম্যাটার যখন একে অন্যের সংস্পর্শে আসে তখন ভয়াবহ রকমের বিস্ফোরণ হয় , যা হাইড্রোজেন বোম হতে কয়েক গুণ শক্তিশালী । যদিও বিস্তারিত

তারাদের জন্ম মৃত্যু

রাতের আকাশে মিটমিট করে জ্বলছে হাজার কোটি তারা (নক্ষত্র)।অকল্পনীয় দুরত্বে থাকা সত্বেও তারাদের আলো আমরা দেখতে পাই। স্বাভাবিক ভাবেই মনে প্রশ্ন আসতে পারে,কিভাবে একটি তারার সৃস্টি হয়? আর এই যে মিটমিট করে জ্বলছে কিভাবে? তারাদের অভ্যন্তরে তাপের রহস্য 1938 সালে বিজ্ঞানী হানস্ বেথে (Bethe) ও ফন উইসজেইকার উদঘাটন করেন।বস্তু গটিত হয় পরমানু দিয়ে,আর পরমানু গঠিত হয় গোটাকতক ভিন্ন ভিন্ন মৌলিক কনিকা দিয়ে। তারার প্রধান উপাদান হলো হাইড্রোজেন ও কিছু হিলিয়াম গ্যাস।এই গ্যাস যখন এক জায়গায় জড়ো হতে হতে একটি পিন্ডের আকার নেয় তখন শুরু হয় অভিকর্ষের খেলা। এই অভিকর্ষের টানে প্রকান্ড গ্যাসীয় পিন্ড সংকুচিত হতে থাকে।যতই সংকুচিত হয় সংকোচনের মাত্রাও বিস্তারিত

মর্ত্যবাসীর একাকিত্ব দূর করার প্রচেষ্টা এবং অ্যারেসিবো বার্তা

মানুষ যেদিন থেকে ‘মহাজাগতিক জীব’ বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে মূলত সেদিন থেকেই তাদের সাথে যোগাযোগের আগ্রহের সূত্রপাত। সেই ঊনিশ শতক থেকেই গণিতবিদ ও গবেষকগণ মাহাজাগতিক জীবের সাথে যোগাযোগের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে যাচ্ছেন। এই নিয়ে ঊনিশ শতক থেকেই বিস্তর বই ও প্রবন্ধ লেখা হচ্ছে। তখনকার দিনে অনেক মানুষই মনে করতেন মঙ্গল, শুক্র কিংবা চাঁদে বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিত্ব থাকার সম্ভবনা রয়েছে। তবে তখনো রেডিও তরঙ্গ আবিষ্কৃত না হওয়ায় এবং অন্যগ্রহে নভোযান পাঠানোর মত প্রযুক্তি না থাকায় এ বিষয়ে তেমন অগ্রগতি হয় নি। ঊনিশ শতকের বিখ্যাত গণিতবিদ কার্ল ফ্রেডরিখ গাউস(Carl Friedrich Gauss) পীথাগোরাসের উপপাদ্যের জ্যামিতিক চিত্রটি প্রথিবীর বুকে দশ মাইল বিস্তারিত

মহাকাশের রহস্যময় জ্যেতিস্ক

বিজ্ঞানের অনেক কিছু আবিস্কারের পর আমরা এখন জানি যে,মহাবিশ্বর চারপাশের অসংখ্য জ্যেতিস্ক থেকে নানা রকম বিকিরণ ছড়িয়ে পরছে। যাদের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কয়েক কিমি থেকে শুরু করে এক সেমি এর হাজার কোটি ভাগের চেয়ে ও ছোট হতে পারে।এই বিরাট বিস্তারের মাঝখনে যেটুকু বিকিরনের দৈর্ঘ্য 0.4 থেকে 0.7 মাইক্রণ মাপের মধ্যে ( 1micron=1/1000mm)।অনেক জ্যেতিস্ক আছে যার থেকে নির্গত দৃশ্য আলো আমাদের কাছে অতি ক্ষীন ভাবে পৌছায়। বিজ্ঞানের নতুন যন্তপাতি আবিস্কারের ফলে বর্তমানে এগুলোর মাপ সম্ভব। এর ফলে এদের প্রকৃতিতে এত অভিনবত্ব ধরা পরেছে যে কল্পনাকে ও হার মানায়। মহাবিশ্বের সব জ্যেতিস্ক গুলিকে দুরত্বের ভিত্তিতে তিন শ্রেনীতে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে কাছের বিস্তারিত

পড়ার টেবিলে আবহাওয়া অফিস

বিচিত্র কারণে এলাকার কাকগুলো প্রায়ই চড়াও হয় অ্যান্টেনার ওপর। তখন স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পেতে সমস্যা হয়। নিজের তৈরি আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রাহক অ্যান্টেনা দেখাতে গিয়ে এ কথা বললেন তারিফ রশীদ। ঢাকার অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠনের ডেমরা শাখা বিজ্ঞানচর্চা চালিয়ে আসছে নিয়মিত। ওই সংগঠনেরই এক বিজ্ঞানকর্মী তারিফ। আর তাঁর বাসার ছাদেই আছে নানা রকম ছয়টি অ্যান্টেনা! চারটি দেখতে সাধারণ টিভি-অ্যান্টেনার মতো হলেও একটি বেশ প্যাঁচালো, ঠিক যেন কোষের ডিএনএ। অন্যটা বিচিত্র এক চতুর্ভুজের মতো। কক্ষপথে ঘুরতে থাকা বিভিন্ন আবহাওয়া স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্য ধরার জাল এসব অ্যান্টেনা। তারিফদের নিয়মিত কাজ হলো, ওই স্যাটেলাইটগুলোর পাঠানো সংকেত নেওয়া। তারপর কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ, বঙ্গোপসাগরসহ আশপাশের বিস্তারিত

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারনা

বিগব্যাঙ। বিখ্যাত একটি তত্ত্ব। বিজ্ঞানে সর্বাধিক উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি। শুধু তাই না, পৃথিবীর সবচাইতে ভুল ভাবে বোঝা বিষয়গুলোরও একটি হলো বিগব্যাঙ। বিগব্যাঙ সম্পর্কে আমরা সাধারণ মানুষ হয়তো নাম শুনেই যথাযথ সম্মান জানিয়ে দুরে থাকি। কিংবা, এমন কিছু আবছা ধারনা রাখি যা আসলে ভুল, মহাভুল। আমারা যেই মহাবিশ্বে বাস করি তার কিভাবে উৎপত্তি হলো? মহাবিশ্বের সৃষ্টির আগে কি ছিল? এই প্রশ্ন মানুষ অনেক আগে থেকেই করে আসছে। পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে বিগব্যাঙ তত্ত্ব এই প্রশ্নের উত্তর দেয়? যদি এরকমটাই ভেবে থাকেন তাহলে এখনই এ ধারণাটা মাথা হতে ঝেড়ে ফেলে দিন! আসলে এই মহাবিখ্যাত তত্ত্বটির মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে কোন মাথাব্যাথা বিস্তারিত

এন্টিম্যাটারের খোঁজে

এন্টিম্যাটার(Antimatter) বা প্রতিপদার্থ হলো সেই বস্তু যা কোন পদার্থের সংস্পর্শে এলে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। যে কোন পদার্থই আবার অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মূল কণিকা দিয়ে তৈরি। সেই হিসেবে এন্টিম্যাটারও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা তৈরি। কাজেই যে কোন মুল কণিকার একটি বিপরীত মূল কণিকা আছে। এই মূলকণিকাগুলো তাদের প্রতিপদার্থের একই রকম মূলকণিকার সংস্পর্শে এলে উভয়েই নিশ্চিন্হ হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার দেহের সমপরিমান কোন এন্টিম্যাটারের সংস্পর্শে আসেন তাহলে উভয়েই বিলুপ্ত হয়ে যাবেন তবে বিলুপ্ত হয়ে যাবার সময় উত্তরাধিকারীদের জন্য প্রচুর পরিমান শক্তি রেখে যেতে পারবেন।