
%22%20transform%3D%22translate(.6%20.6)%20scale(1.14453)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001200%22%20cx%3D%22238%22%20cy%3D%2263%22%20rx%3D%2229%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dac3e0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-86.4%20122.9%20-58.9)%20scale(38.38439%2050.81091)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239eff90%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-24.6937%2056.04836%20-83.94984%20-36.9865%2063.7%2038)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c411c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(117.62725%20-14.44281%202.91062%2023.7051%20203.2%20140.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এনার্জি সেভিং বাল্ব এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই বাতি ব্যাবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। সম্প্রতি এনার্জি সেভিং বাতির বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন যে এই বাতিগুলো ভেঙে গেলে তা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। এসব বাল্ব কোনভাবে ভেঙে গেলে ঘরের সবাইকে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ৈ যেতে হবে। কমপক্ষে ১৫ মিনিট ঘরের বাইরে থাকতে হবে। এসব বাল্বে আছে বিষাক্ত পারদ বা মার্কারী। এটি মাথাব্যাথ্যা, মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি নিশ্বাসের সাথে টেনে নেয়াও বিপজ্জনক। এলার্জিগ্রস্থ লোকেরা এটি স্পর্শ করলে বা নিশ্বাসের সাথে টেনে নিলে ত্বকের মারাত্মক সমস্যা বা অন্যকোন বিপত্তিতে…
%22%20transform%3D%22translate(1.8%201.8)%20scale(3.51563)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20cx%3D%22249%22%20cy%3D%229%22%20rx%3D%2230%22%20ry%3D%2240%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300030f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(10.7%2050.8%20632.4)%20scale(32.34253%2021.59423)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-18.23163%20-24.30747%2020.05853%20-15.04475%20251.7%20148)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c8e5d9%22%20cx%3D%22118%22%20cy%3D%2298%22%20rx%3D%2283%22%20ry%3D%2262%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আমাদের দেহের প্রাণবৈচিত্র্য – গন্ধের জন্য দায়ী কে?
আপনাকে কি মশারা একটু বেশিই ভালোবাসে? চারপাশের মানুষের তুলনায় একটু বেশিই “রক্ত-চোষা-চুম্বন” দেয়? আপনার দেহে এমন কি আছে যে কারণে মশারা এতো আকর্ষণ অনুভব করে আপনারপ্রতি? ঘ্রাণ। আপনার-আমার-প্রত্যেকের দেহেই বৈশিষ্ট্যসুচক গন্ধ আছে। ঘাম, পায়েরমোজা, মাথার চুল কিংবা বগলের তলায় গন্ধ (মতভেদে দুর্গন্ধ!) তৈরি হয়। এই গন্ধের জন্যই হয়তো মশারা আপনার প্রতি একটু বেশিই আকৃষ্ট হয়।
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23eb9a62%22%20cx%3D%22128%22%20cy%3D%2295%22%20rx%3D%2264%22%20ry%3D%2264%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23560f0d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(82.7%20-28.9%2025.4)%20scale(95.0802%2056.69828)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23718fa2%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-91.4%20156%2041.6)%20scale(47.50412%20158.52018)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23863b00%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(36.836%20-6.368%2017.86609%20103.3473%20201.6%2049.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বড় অনেক গবেষকই দেশে ফিরে আসতে চান
(ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের গবেষক ড. আনোয়ার হোসেনের এ সাক্ষাৎকারটি নেযা হয়েছিলো ক্যান্সার জিন সনাক্তকরণ সম্পর্কিত একটি গবেষণা কাজ নিয়ে। গবেষণাপত্রের লিঙ্ক: PubMed) আপনাদের কাজটি একটু ব্যাখ্যা করে বলবেন কী? আমাদের কাজটি ছিল ক্যান্সারের ওপর। আমরা একটা নতুন জিন প্রস্তাব করেছি, যে জিনটা কি না ক্যান্সারের জন্য দায়ী হতে পারে। এ ধরনের জিন আগে দেখা যায়নি। মানুষের ডিএনএতে কিছু কিছু জায়গায় এমন সব জিন থাকতে পারে, যা কি না ক্যান্সার তৈরি করে। মেজ পরিবারে এ রকম অনেক জিন দেখা যায়। সাধারণত মানুষের তিন আর পনেরো নম্বর ক্রোমোজমে এ জিনগুলো থাকে। তবে আমাদের প্রস্তাবিত জিনটি পাঁচ নম্বর…
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232816ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-51.22489%2063.54927%20-39.81319%20-32.09204%2029%2065.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c75405%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-164.3%2089.1%209.6)%20scale(90.84179%2060.15266)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22175%22%20cy%3D%22127%22%20rx%3D%22156%22%20ry%3D%2223%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235520fa%22%20cx%3D%2246%22%20cy%3D%2256%22%20rx%3D%2259%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জীবনের অন্ধকার অঞ্চল – প্রাণের নতুন ডোমেইন?
পদার্থবিদ্যার এক রহস্যজনক বিষয় হলো ডার্ক ম্যাটার। মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় হিসেব মতো যে বস্তু ও শক্তি তৈরি হওয়ার কথা, বিজ্ঞানীরা তার মাত্র ৪%-র হিসেব পেয়েছেন। বাকি ৯৬% বস্তু-শক্তির অস্তিত্ব এখনো বোঝা যাচ্ছে না। এদেরকে বলা হয় ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি নামে। মহাবিশ্বের যেমন ৯৬% জিনিসকে আমরা জানি না। ঠিক তেমনই ১% অণুজীবকে আমরা কালচার মিডিয়াতে চাষ করতে পারি। বাকি ৯৯% অণুজীব কালচার মিডিয়ামে দেখা দেয় না। তাই এদেরকে জীববিজ্ঞানের “ডার্ক ম্যাটার” বলে ডাকা হয়। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার একদল জীববিজ্ঞানী এই ৯৯% অণুজীবদের জন্য ন্যূনতম একটি ডোমেইন প্রস্তাব করেছেন। আমরা জানি, সকল কোষীয় জীবনকে তিনটি…
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.42188)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23446076%22%20cx%3D%2225%22%20cy%3D%2286%22%20rx%3D%2271%22%20ry%3D%2244%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bb6d2e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-139.032%20-.91298%20.33853%20-51.55165%20205.2%20128.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2346637d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(58.11317%2020.53277%20-15.17578%2042.95149%20231.1%2034.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2399480c%22%20cx%3D%2296%22%20cy%3D%2215%22%20rx%3D%2280%22%20ry%3D%2235%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পড়ার টেবিলে আবহাওয়া অফিস
বিচিত্র কারণে এলাকার কাকগুলো প্রায়ই চড়াও হয় অ্যান্টেনার ওপর। তখন স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পেতে সমস্যা হয়। নিজের তৈরি আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রাহক অ্যান্টেনা দেখাতে গিয়ে এ কথা বললেন তারিফ রশীদ। ঢাকার অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠনের ডেমরা শাখা বিজ্ঞানচর্চা চালিয়ে আসছে নিয়মিত। ওই সংগঠনেরই এক বিজ্ঞানকর্মী তারিফ। আর তাঁর বাসার ছাদেই আছে নানা রকম ছয়টি অ্যান্টেনা! চারটি দেখতে সাধারণ টিভি-অ্যান্টেনার মতো হলেও একটি বেশ প্যাঁচালো, ঠিক যেন কোষের ডিএনএ। অন্যটা বিচিত্র এক চতুর্ভুজের মতো। কক্ষপথে ঘুরতে থাকা বিভিন্ন আবহাওয়া স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্য ধরার জাল এসব অ্যান্টেনা। তারিফদের নিয়মিত কাজ হলো, ওই স্যাটেলাইটগুলোর পাঠানো সংকেত নেওয়া। তারপর কম্পিউটারে বিশ্লেষণ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23818181%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M-7.2%2055.8L14%2042.6l64.2%20102.6L57%20158.4z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-30.13648%20-57.3476%2016.40572%20-8.6213%204.5%20126)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f4f4f4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(131.3%2043.5%2088.1)%20scale(24.49814%2074.57156)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(62.5%2055.5%20125.3)%20scale(144.13844%2017.98253)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অপবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানচর্চা
আজকাল প্রায় সব দৈনিক পত্রিকাতেই রাশিফল দেয়া হয়। রাশিফল বলে দেয় মানুষের ভাগ্যে কি আছে। তাছাড়া, মানুষের ভাগ্য নাকি তার জন্মের সময়েই ঠিক হয়ে যায়। জন্মের সময় আকাশে গ্রহনক্ষত্রের অবস্থানই নাকি মানুষের ভাগ্য রচয়িত। এছাড়া আমরা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখি হরলিকস খেলে না কি ছেলে মেয়েরা ‘লম্বা-শক্তিশালী-বুদ্ধিমান’ হয়ে যায়। ডেটল সাবান না কি ৯৯% জীবাণু মেরে ফেলে। ফেয়ার-এন্ড-লাভলী (অথবা ফেয়ার-এন্ড-হ্যান্ডসাম) নাকি গায়ের রঙ ফর্সা করতে পারে। বলা বাহুল্য, উপরের কোনটাই সত্য নয়। পৃথিবীর উপর গ্রহ-নক্ষত্রের কেবল অতি সামান্য মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আছে। এছাড়া অন্য কোন প্রভাব নেই। বাড়ন্ত ছেলে-মেয়েদের দিনে যে পরিমাণ পুষ্টি লাগে, হরলিকস দিয়ে তা পুরণ…

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারনা
বিগব্যাঙ। বিখ্যাত একটি তত্ত্ব। বিজ্ঞানে সর্বাধিক উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি। শুধু তাই না, পৃথিবীর সবচাইতে ভুল ভাবে বোঝা বিষয়গুলোরও একটি হলো বিগব্যাঙ। বিগব্যাঙ সম্পর্কে আমরা সাধারণ মানুষ হয়তো নাম শুনেই যথাযথ সম্মান জানিয়ে দুরে থাকি। কিংবা, এমন কিছু আবছা ধারনা রাখি যা আসলে ভুল, মহাভুল। আমারা যেই মহাবিশ্বে বাস করি তার কিভাবে উৎপত্তি হলো? মহাবিশ্বের সৃষ্টির আগে কি ছিল? এই প্রশ্ন মানুষ অনেক আগে থেকেই করে আসছে। পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে বিগব্যাঙ তত্ত্ব এই প্রশ্নের উত্তর দেয়? যদি এরকমটাই ভেবে থাকেন তাহলে এখনই এ ধারণাটা মাথা হতে ঝেড়ে ফেলে দিন! আসলে এই মহাবিখ্যাত তত্ত্বটির মহাবিশ্বের…
%22%20transform%3D%22translate(1.3%201.3)%20scale(2.52734)%22%20fill%3D%22%23202020%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20d%3D%22M85.4%2022.3l-20-15%2019.2-25.6%2020%2015zM119%20120l-13%2031%2026-29z%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%2274%22%20cy%3D%2244%22%20rx%3D%2220%22%20ry%3D%2226%22%2F%3E%3Cpath%20d%3D%22M165%2024h2v8h-2z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এন্টিম্যাটারের খোঁজে
এন্টিম্যাটার(Antimatter) বা প্রতিপদার্থ হলো সেই বস্তু যা কোন পদার্থের সংস্পর্শে এলে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। যে কোন পদার্থই আবার অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মূল কণিকা দিয়ে তৈরি। সেই হিসেবে এন্টিম্যাটারও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা তৈরি। কাজেই যে কোন মুল কণিকার একটি বিপরীত মূল কণিকা আছে। এই মূলকণিকাগুলো তাদের প্রতিপদার্থের একই রকম মূলকণিকার সংস্পর্শে এলে উভয়েই নিশ্চিন্হ হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার দেহের সমপরিমান কোন এন্টিম্যাটারের সংস্পর্শে আসেন তাহলে উভয়েই বিলুপ্ত হয়ে যাবেন তবে বিলুপ্ত হয়ে যাবার সময় উত্তরাধিকারীদের জন্য প্রচুর পরিমান শক্তি রেখে যেতে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236377c9%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-132.38035%20338.8993%20-522.68967%20-204.17228%201067.7%20296.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23040100%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1721.98268%20-88.16755%2014.42684%20-281.76772%20724%201079)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233e9fbe%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-197.62134%20-173.09297%20139.79774%20-159.60796%201126.8%20215.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234e368e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(54.3%20-103.2%20573.8)%20scale(158.76152%20507.41974)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
২০১০: বিজ্ঞানের বছর
২০১০। এ বছরটিকে অনায়াসে বিজ্ঞানের অগ্রগতির বছর বলা যেতে পারে। কারন ২০১০ এর পুরো বছরটাই ছিলো বিজ্ঞানের জগতে ঘটনাবহুল। এ বছর ইতিহাসে স্থান করে নেওয়ার মত বেশ কিছু আবিষ্কার যেমন হয়েছে তেমনি নতুন নতুন প্রশ্ন ও চ্যালেন্জের মুখোমুখিও দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদেরকে। আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরাও এ বছর প্রচুর অবদান রেখেছেন। বিগত বছরের এমনই কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও তাক লাগানো আবিষ্কার ও ঘটনা নিয়ে আজকের আয়োজন। ১. কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কার: কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কারের ঘটনাটি একাই হুলস্থূল ফেলে দেবার জন্য যথেষ্ট। মে মাসে বিজ্ঞানী ক্রেইগ ভেন্টর ও তার সহকর্মীরা প্রথমবারের মত নিজে নিজে বংশবৃদ্ধির করতে পারে এমন ক্ষমতা সম্পন্ন…







