
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232816ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-51.22489%2063.54927%20-39.81319%20-32.09204%2029%2065.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c75405%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-164.3%2089.1%209.6)%20scale(90.84179%2060.15266)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22175%22%20cy%3D%22127%22%20rx%3D%22156%22%20ry%3D%2223%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235520fa%22%20cx%3D%2246%22%20cy%3D%2256%22%20rx%3D%2259%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পদার্থবিদ্যার এক রহস্যজনক বিষয় হলো ডার্ক ম্যাটার। মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় হিসেব মতো যে বস্তু ও শক্তি তৈরি হওয়ার কথা, বিজ্ঞানীরা তার মাত্র ৪%-র হিসেব পেয়েছেন। বাকি ৯৬% বস্তু-শক্তির অস্তিত্ব এখনো বোঝা যাচ্ছে না। এদেরকে বলা হয় ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি নামে। মহাবিশ্বের যেমন ৯৬% জিনিসকে আমরা জানি না। ঠিক তেমনই ১% অণুজীবকে আমরা কালচার মিডিয়াতে চাষ করতে পারি। বাকি ৯৯% অণুজীব কালচার মিডিয়ামে দেখা দেয় না। তাই এদেরকে জীববিজ্ঞানের “ডার্ক ম্যাটার” বলে ডাকা হয়। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার একদল জীববিজ্ঞানী এই ৯৯% অণুজীবদের জন্য ন্যূনতম একটি ডোমেইন প্রস্তাব করেছেন। আমরা জানি, সকল কোষীয় জীবনকে তিনটি…
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.42188)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23446076%22%20cx%3D%2225%22%20cy%3D%2286%22%20rx%3D%2271%22%20ry%3D%2244%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bb6d2e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-139.032%20-.91298%20.33853%20-51.55165%20205.2%20128.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2346637d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(58.11317%2020.53277%20-15.17578%2042.95149%20231.1%2034.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2399480c%22%20cx%3D%2296%22%20cy%3D%2215%22%20rx%3D%2280%22%20ry%3D%2235%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পড়ার টেবিলে আবহাওয়া অফিস
বিচিত্র কারণে এলাকার কাকগুলো প্রায়ই চড়াও হয় অ্যান্টেনার ওপর। তখন স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পেতে সমস্যা হয়। নিজের তৈরি আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রাহক অ্যান্টেনা দেখাতে গিয়ে এ কথা বললেন তারিফ রশীদ। ঢাকার অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠনের ডেমরা শাখা বিজ্ঞানচর্চা চালিয়ে আসছে নিয়মিত। ওই সংগঠনেরই এক বিজ্ঞানকর্মী তারিফ। আর তাঁর বাসার ছাদেই আছে নানা রকম ছয়টি অ্যান্টেনা! চারটি দেখতে সাধারণ টিভি-অ্যান্টেনার মতো হলেও একটি বেশ প্যাঁচালো, ঠিক যেন কোষের ডিএনএ। অন্যটা বিচিত্র এক চতুর্ভুজের মতো। কক্ষপথে ঘুরতে থাকা বিভিন্ন আবহাওয়া স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্য ধরার জাল এসব অ্যান্টেনা। তারিফদের নিয়মিত কাজ হলো, ওই স্যাটেলাইটগুলোর পাঠানো সংকেত নেওয়া। তারপর কম্পিউটারে বিশ্লেষণ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23818181%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M-7.2%2055.8L14%2042.6l64.2%20102.6L57%20158.4z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-30.13648%20-57.3476%2016.40572%20-8.6213%204.5%20126)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f4f4f4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(131.3%2043.5%2088.1)%20scale(24.49814%2074.57156)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(62.5%2055.5%20125.3)%20scale(144.13844%2017.98253)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অপবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানচর্চা
আজকাল প্রায় সব দৈনিক পত্রিকাতেই রাশিফল দেয়া হয়। রাশিফল বলে দেয় মানুষের ভাগ্যে কি আছে। তাছাড়া, মানুষের ভাগ্য নাকি তার জন্মের সময়েই ঠিক হয়ে যায়। জন্মের সময় আকাশে গ্রহনক্ষত্রের অবস্থানই নাকি মানুষের ভাগ্য রচয়িত। এছাড়া আমরা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখি হরলিকস খেলে না কি ছেলে মেয়েরা ‘লম্বা-শক্তিশালী-বুদ্ধিমান’ হয়ে যায়। ডেটল সাবান না কি ৯৯% জীবাণু মেরে ফেলে। ফেয়ার-এন্ড-লাভলী (অথবা ফেয়ার-এন্ড-হ্যান্ডসাম) নাকি গায়ের রঙ ফর্সা করতে পারে। বলা বাহুল্য, উপরের কোনটাই সত্য নয়। পৃথিবীর উপর গ্রহ-নক্ষত্রের কেবল অতি সামান্য মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আছে। এছাড়া অন্য কোন প্রভাব নেই। বাড়ন্ত ছেলে-মেয়েদের দিনে যে পরিমাণ পুষ্টি লাগে, হরলিকস দিয়ে তা পুরণ…

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারনা
বিগব্যাঙ। বিখ্যাত একটি তত্ত্ব। বিজ্ঞানে সর্বাধিক উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি। শুধু তাই না, পৃথিবীর সবচাইতে ভুল ভাবে বোঝা বিষয়গুলোরও একটি হলো বিগব্যাঙ। বিগব্যাঙ সম্পর্কে আমরা সাধারণ মানুষ হয়তো নাম শুনেই যথাযথ সম্মান জানিয়ে দুরে থাকি। কিংবা, এমন কিছু আবছা ধারনা রাখি যা আসলে ভুল, মহাভুল। আমারা যেই মহাবিশ্বে বাস করি তার কিভাবে উৎপত্তি হলো? মহাবিশ্বের সৃষ্টির আগে কি ছিল? এই প্রশ্ন মানুষ অনেক আগে থেকেই করে আসছে। পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে বিগব্যাঙ তত্ত্ব এই প্রশ্নের উত্তর দেয়? যদি এরকমটাই ভেবে থাকেন তাহলে এখনই এ ধারণাটা মাথা হতে ঝেড়ে ফেলে দিন! আসলে এই মহাবিখ্যাত তত্ত্বটির মহাবিশ্বের…
%22%20transform%3D%22translate(1.3%201.3)%20scale(2.52734)%22%20fill%3D%22%23202020%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20d%3D%22M85.4%2022.3l-20-15%2019.2-25.6%2020%2015zM119%20120l-13%2031%2026-29z%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%2274%22%20cy%3D%2244%22%20rx%3D%2220%22%20ry%3D%2226%22%2F%3E%3Cpath%20d%3D%22M165%2024h2v8h-2z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এন্টিম্যাটারের খোঁজে
এন্টিম্যাটার(Antimatter) বা প্রতিপদার্থ হলো সেই বস্তু যা কোন পদার্থের সংস্পর্শে এলে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। যে কোন পদার্থই আবার অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মূল কণিকা দিয়ে তৈরি। সেই হিসেবে এন্টিম্যাটারও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা তৈরি। কাজেই যে কোন মুল কণিকার একটি বিপরীত মূল কণিকা আছে। এই মূলকণিকাগুলো তাদের প্রতিপদার্থের একই রকম মূলকণিকার সংস্পর্শে এলে উভয়েই নিশ্চিন্হ হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার দেহের সমপরিমান কোন এন্টিম্যাটারের সংস্পর্শে আসেন তাহলে উভয়েই বিলুপ্ত হয়ে যাবেন তবে বিলুপ্ত হয়ে যাবার সময় উত্তরাধিকারীদের জন্য প্রচুর পরিমান শক্তি রেখে যেতে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236377c9%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-132.38035%20338.8993%20-522.68967%20-204.17228%201067.7%20296.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23040100%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1721.98268%20-88.16755%2014.42684%20-281.76772%20724%201079)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233e9fbe%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-197.62134%20-173.09297%20139.79774%20-159.60796%201126.8%20215.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234e368e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(54.3%20-103.2%20573.8)%20scale(158.76152%20507.41974)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
২০১০: বিজ্ঞানের বছর
২০১০। এ বছরটিকে অনায়াসে বিজ্ঞানের অগ্রগতির বছর বলা যেতে পারে। কারন ২০১০ এর পুরো বছরটাই ছিলো বিজ্ঞানের জগতে ঘটনাবহুল। এ বছর ইতিহাসে স্থান করে নেওয়ার মত বেশ কিছু আবিষ্কার যেমন হয়েছে তেমনি নতুন নতুন প্রশ্ন ও চ্যালেন্জের মুখোমুখিও দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদেরকে। আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরাও এ বছর প্রচুর অবদান রেখেছেন। বিগত বছরের এমনই কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও তাক লাগানো আবিষ্কার ও ঘটনা নিয়ে আজকের আয়োজন। ১. কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কার: কৃত্রিম প্রাণ আবিষ্কারের ঘটনাটি একাই হুলস্থূল ফেলে দেবার জন্য যথেষ্ট। মে মাসে বিজ্ঞানী ক্রেইগ ভেন্টর ও তার সহকর্মীরা প্রথমবারের মত নিজে নিজে বংশবৃদ্ধির করতে পারে এমন ক্ষমতা সম্পন্ন…
%22%20transform%3D%22translate(3.7%203.7)%20scale(7.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23222%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-54.22437%20-44.27255%2026.79574%20-32.81902%2044.8%20147.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238a8a8a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(64.73742%2052.86822%20-17.58796%2021.53655%20101.4%2074.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238e8e8e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(25.86014%20-.02673%20.08963%2086.7058%20187.8%2029.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23202020%22%20cx%3D%22247%22%20cy%3D%22159%22%20rx%3D%2240%22%20ry%3D%2222%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সিল্ক: রেশম পোকা
কথিত আছে, খ্রিষ্ট জন্মের প্রায় ২০০০ বছর আগে চীন দেশে সর্বপ্রথম রেশম সুতা আবিস্কৃত হয়। এরপর প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার বছর পর্যন্ত চীনারা একচেটিয়াভাবে অত্যন্ত গোপনীয়নতার সাথে রেশমী সুতা ও রেশমী কাপড় তৈরি করত। খ্রিষ্টের জন্মের প্রায় সাড়ে পাঁচশত বছর পর দুজন ইউরোপীয় পাদ্রী চুরি করে রেশম উৎপাদনের কৌশল শিখে নেন। এবং ইউরোপে কিছু রেশম পোকার ডিম ও তুঁত গাছের বীজ নিয়ে এসে রেশম চাষ শুরু করেন। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশ উন্নতমানের রেশম সুতা ও রেশম পোকার চাষ করে। বাংলাদেশ ও এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। উন্নত মানের রেশমী কাপড় উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশের রাজশাহী শহরকে সিল্ক…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23222%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-155.73658%20251.1774%20-478.18547%20-296.48755%20298.3%201057.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23909090%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(180.78528%20-2.01237%208.05918%20724.01202%201381.6%20147.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23858585%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-54.2%20898.2%20-477.8)%20scale(235.49126%20671.6937)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23222%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-280.5781%20-33.45691%2027.53424%20-230.9091%201810.4%201239)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
চীনের রেশমী পোকা চাষের পদ্ধতি কিভাবে জানাজানি হয়
কথিত আছে , পাঁচ হাজার বছর আগে চীনের সম্রাট হুয়াংয়ের পত্নী লুও জু প্রজাদের রেশমী পোকা চাষের পদ্ধতি শিখিয়েছিলেন । চীনের কচ্ছপের খোলের উপরে খোদিত যে চীনা শব্দগুলো আবিস্কৃত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে তুঁত, রেশমী গুটি, রেশমী সুতো এবং রেশমী কাপড় প্রভৃতি শব্দ ছিল । জুলাই মাস শীর্ষক চীনের প্রথম কাব্য সংকলন “ কাব্য গ্রন্থ”এর একটি কবিতায় বলা হয়েছে : বসন্তের সুর্য্য উঠেছে , কোকিল গান গাইছে , গ্রামের মেয়েরা তুঁতের কচি পাতা সংগ্রহের জন্য হাতে ঝুলি নিয়ে মেঠো পথে হাঁটছে ।এই কবিতা পড়ে জানা যায় যে , প্রাচীনকালে চীনারা রেশমী পোকা চাষ,রেশমী সুতো তোলা এবং রেশমী…
%22%20transform%3D%22matrix(3%200%200%203%201.5%201.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aad7be%22%20cx%3D%22219%22%20cy%3D%22137%22%20rx%3D%2292%22%20ry%3D%2281%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23030002%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(108.24093%20-230.8872%2071.35226%2033.45026%2058.2%2058.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231774b8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(39.778%2020.69594%20-27.24746%2052.37015%20233.8%20166.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a89334%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(10.87866%2025.81111%20-78.01345%2032.88047%20182.7%2084.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গ্রীন হাউস ইফেক্ট: অজানা তথ্য
গ্রীনহাউজ ইফেক্ট সম্বন্ধে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর উপস্থিতি এর জন্য দায়ী সেটাও আমরা সবাই জানি। তবে যে বিষয়গুলো সবাই জানে না সেগুলো অবগত করাই আজকের লেখাটির উদ্দেশ্য। কার্বন-ডাইঅক্সাইড ছাড়াও গ্রীনহাউস ইফেক্টের জন্য দায়ী বেশ কিছু গ্যাস রয়েছে। এগুলো হচ্ছে মিথেন(১৯%), ক্লোরো-ফ্লোরো-কার্বন(১৭%), ওজোন(৮%), নাইট্রাস অক্সাইড(৪%), জলীয় বাস্প(২%)। বন্ধনীর ভিতরে লেখা সংখ্যাগুলো দ্বারা গ্রীনহাউজ ইফেক্টের জন্য কোন গ্যাস কতটা দায়ী সেটা দেখানো হলো। কার্বন-ডাইঅক্সাইড একা ৫০% দায়ী। অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে গ্রীনহাউজ ইফক্টের জন্য কার্বন-ডাইঅক্সাইড একা দায়ী নয়। এর পাশাপাশি আরো কিছু গ্যাসের দায়িত্ব আছে। মিথেন:আমরা রান্না-বান্নার…







