
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-5.50577%20-450.63084%20362.02878%20-4.42324%20579%20229.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1195.02406%20-26.25777%203.933%20178.99606%20768.5%20810)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(133.05291%203.43844%20-26.25015%201015.76946%201094.5%20546)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-135.45053%209.23409%20-65.33696%20-958.39712%2062%20409.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ম্যাজিক স্কয়্যারের সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। ছোট বেলা থেকে সবাই নিশ্চয়ই ম্যাজিক স্কয়্যার দেখে এসেছেন এবং চমৎকারিতায় চমৎকৃত হয়েছেন। যারা এখনো বুঝতে পারেন নি তাদের জন্য বলছি ম্যাজিক স্কয়্যার হলো সমসংখ্যাক কলাম এবং সারি বিশিষ্ট সংখ্যার সজ্জা যেগুলোর সংখ্যাগুলোকে পাশা-পাশি, উপর-নিচ কিংবা কোণাকুনিভাবে যোগ করলে সর্বদা এই উত্তর পাওয়া যায়। ম্যাজিক স্কয়্যারের ইতিহাস যথেষ্ট প্রাচীন। খ্রীষ্টপূর্ব ৬৫০ সালে চীনে ম্যাজিক স্কয়্যারের প্রচলন ছিল। এরপর ৭ম খ্রীস্টাব্দের আরবীয় কিছু নমুনায় ম্যাজিক স্কয়্যারের খোঁজ পাওয়া যায়। এছাড়াও অনেক প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষে ম্যাজিক স্কয়্যার খুঁজে পাওয়া গেছে। প্রাচীন কাল থেকে ম্যাজিক স্কয়্যারের অদ্ভুত প্যাটার্ন দেখে মানুষ অভিভূত হয়েছে।…
%22%20transform%3D%22translate(1.5%201.5)%20scale(2.96875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23815051%22%20cx%3D%22101%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%22103%22%20ry%3D%2231%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23feffff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(112.584%20228.80088%20-38.70346%2019.04446%20227.2%2042.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(179.3022%20-18.23276%202.54861%2025.06322%20102.3%207)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bf4d77%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(78.4%2015.2%20165.6)%20scale(54.91221%2028.37468)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এন্টিবায়োটিক নিয়ে লড়াই
ছড়িয়ে আছে সবখানে এরা আছে সবখানে। বাতাসে উড়ে বেড়াচ্ছে। এক মুঠো মাটিতে আপনি এদের লাখখানেক পাবেনই। ফুটন্ত পানিতেও এরা আছে। এমনকি আপনার-আমার শরীরের ভেতরে-বাহিরেও এরা আছে। দেখতে খুবই ছোট এরা, আমরা খালি চোখে দেখি না। কিন্তু এরাই পৃথিবীর অন্য̈তম নায়ক। এরা হলো অণুজীব, মূলত ব্যাক্টেরিয়া। মাত্র ৫ ভাগ অণুজীব আমাদের জন্য ক্ষতিকর। ক্ষতিকর অণুজীবদের আমরা জীবাণু নামে চিনি। বাকিরা হয় আমাদের উপকার করে, অথবা তারা নিরপেক্ষ। কিন্তু এই ৫ ভাগ জীবাণুই নানারকম রোগ তৈরি করে মানুষকে নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে। শরীর নামের দূর্গে অণুজীবরা মূলত এককোষী জীব। তারা বাঁচতে চায়, খাদ্য গ্রহণ করে টিকে থাকতে চায়, বংশবৃদ্ধি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234e4e4e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(13.88572%20-90.45078%2033.1913%205.09543%20110%20105)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(81.8%20-73.6%2079)%20scale(180.69918%2027.12096)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M194%20274.9l-50.8-2.7L157.7-3.3l50.7%202.7z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-32.7641%2025.2562%20-14.3784%20-18.65266%2017.1%2018.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কি দিয়ে গড়িনু
আচ্ছা, কেউ কি বলতে পারো আমাদের চারপাশের পদার্থ আসলে কি দিয়ে তৈরি? এই পদার্থ পৃথিবীতে আসলই বা কিভাবে? পদার্থগুলো সৃষ্টি হলো কখন? ইতিকথা কেউ এখন শুনে হাসতে পারে যে, গ্রীক সভ্যতার এক বিজ্ঞানী নাকি বলেছিলেন যে পানি, কেবল পানি দিয়েই তৈরি হয়েছে আমাদের মহাবিশ্ব। এই বিজ্ঞানী ছিলেন থ্যালিস। আরো পরে অ্যারিস্টোটল বললেন – না, মাটি, পানি, বাতাস আর আগুন এ চারটি মৌলিক পদার্থ দিয়েই আমাদের বিশ্ব গঠিত। এরাই মিলেমিশে অন্য সব বস্তু তৈরি করে। আসলে এখানে হাসার কোন কারণ নেই। তারা চেষ্টা করেছিলেন চারপাশের এই জগতের বাস্তবভাবে ব্যাখ্যা দেয়ার। তবে মজার ব্যাপার, অ্যারিস্টোটলের এই ধারণাটিকে পরবর্তী…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffa14a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(235.06332%20113.10444%20-76.31036%20158.59472%201743.2%203.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23646f2e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-41.29286%20182.31826%20-288.62736%20-65.37057%20955.9%20475.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-34.5%202532.9%20-1676.9)%20scale(1620.70099%20416.41675)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-290.59783%20-104.91498%20449.12077%20-1243.99324%20108.3%20574.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
তারাদের জন্ম মৃত্যু
রাতের আকাশে মিটমিট করে জ্বলছে হাজার কোটি তারা (নক্ষত্র)।অকল্পনীয় দুরত্বে থাকা সত্বেও তারাদের আলো আমরা দেখতে পাই। স্বাভাবিক ভাবেই মনে প্রশ্ন আসতে পারে,কিভাবে একটি তারার সৃস্টি হয়? আর এই যে মিটমিট করে জ্বলছে কিভাবে? তারাদের অভ্যন্তরে তাপের রহস্য 1938 সালে বিজ্ঞানী হানস্ বেথে (Bethe) ও ফন উইসজেইকার উদঘাটন করেন।বস্তু গটিত হয় পরমানু দিয়ে,আর পরমানু গঠিত হয় গোটাকতক ভিন্ন ভিন্ন মৌলিক কনিকা দিয়ে। তারার প্রধান উপাদান হলো হাইড্রোজেন ও কিছু হিলিয়াম গ্যাস।এই গ্যাস যখন এক জায়গায় জড়ো হতে হতে একটি পিন্ডের আকার নেয় তখন শুরু হয় অভিকর্ষের খেলা। এই অভিকর্ষের টানে প্রকান্ড গ্যাসীয় পিন্ড সংকুচিত হতে থাকে।যতই…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.74219)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b4000%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-94.7%2073.3%20-25.7)%20scale(21.58394%2037.02762)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23949999%22%20cx%3D%22205%22%20cy%3D%2216%22%20rx%3D%2251%22%20ry%3D%2251%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23474d49%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(43.59445%20-42.09867%2016.14602%2016.7197%2048.6%20104.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2391a02d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-5.79053%2020.31163%20-41.6226%20-11.86596%20167.6%2066.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কেন প্রাণীদের চাকা নেই?
মানুষের ইতিহাসে কিছু মৌলিক আবিষ্কার আছে যেগুলোকে মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়। অমল দাশগুপ্ত তার মানুষের ঠিকানা বইটিতে পাথরের হাতিয়ার, আগুন, কৃষিকাজ, চাকা ইত্যাদিকে একেকটা বিপ্লবের চিহ্ন হিসেবে ধরেছেন। হাতিয়ার মানুষের ক্ষমতা দিয়েছে বাড়িয়ে। আগুন মানুষকে দিয়েছে সুরক্ষা। কৃষিকাজ মানুষকে খাবারের নিশ্চিত উৎস দিয়েছে। এর ফলে শিকারী আর রাখাল মানুষ থিতু হওয়ার সুযোগ পায়। চাকা যে পরিবহনে কেবল সাহায্য করেছে শুধু তাই নয়। চাকা ব্যবহার করে মানুষ নানা জটিল যন্ত্র তৈরি করেছে। যেমন কুমারের চাকা। যে কোন জটিল যন্ত্রে আমরা চাকা বা গোলাকার যন্ত্রাংশের ব্যবহার দেখি। আমরা প্রাণিজগতের সাথে মানুষের একটা তুলনা করতে পারি। মানুষ যেসব প্রযুক্তি…
মর্ত্যবাসীর একাকিত্ব দূর করার প্রচেষ্টা এবং অ্যারেসিবো বার্তা
মানুষ যেদিন থেকে ‘মহাজাগতিক জীব’ বিষয়টি নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে মূলত সেদিন থেকেই তাদের সাথে যোগাযোগের আগ্রহের সূত্রপাত। সেই ঊনিশ শতক থেকেই গণিতবিদ ও গবেষকগণ মাহাজাগতিক জীবের সাথে যোগাযোগের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করে যাচ্ছেন। এই নিয়ে ঊনিশ শতক থেকেই বিস্তর বই ও প্রবন্ধ লেখা হচ্ছে। তখনকার দিনে অনেক মানুষই মনে করতেন মঙ্গল, শুক্র কিংবা চাঁদে বুদ্ধিমান প্রাণীর অস্তিত্ব থাকার সম্ভবনা রয়েছে। তবে তখনো রেডিও তরঙ্গ আবিষ্কৃত না হওয়ায় এবং অন্যগ্রহে নভোযান পাঠানোর মত প্রযুক্তি না থাকায় এ বিষয়ে তেমন অগ্রগতি হয় নি। ঊনিশ শতকের বিখ্যাত গণিতবিদ কার্ল ফ্রেডরিখ গাউস(Carl Friedrich Gauss) পীথাগোরাসের উপপাদ্যের জ্যামিতিক চিত্রটি…
%22%20transform%3D%22translate(1%201)%20scale(2.10938)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23522147%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.71529%2042.38534%20-81.17858%20-53.08173%2024.4%2018.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fdb068%22%20cx%3D%2228%22%20cy%3D%22160%22%20rx%3D%2288%22%20ry%3D%2251%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff4073%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-52.32883%204.4086%20-3.40378%20-40.4019%20245.1%2053.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236f9899%22%20cx%3D%22149%22%20cy%3D%22151%22%20rx%3D%2259%22%20ry%3D%2259%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্বপ্নের পেছনের বিজ্ঞান
“স্বপ্ন হল চোখের ভেতরে চোখ …” সমুদ্র গুপ্ত স্বপ্ন কি? মানুষ কেন স্বপ্ন দেখে? কেবল মানুষই কি স্বপ্ন দেখে? স্বপ্নের কি কোন অর্থ আছে? এসব প্রশ্ন নতুন নয়। আদিমকালে মানুষ ভাবতো ঘুমের মধ্যে মানুষের আত্মা দেহ থেকে বের হয়ে আসে। তারপর ঘুরে বেড়ায় চারপাশের জগতে। তাই মানুষ স্বপ্ন দেখে। প্রাচীন গ্রীক-রোমানরা ভাবতো স্বপ্ন বিশ্লেষণ করলে হয়তো ভবিষ্যত সম্পর্কে জানা যাবে। শুধু গ্রীক-রোমানরাই নয়, প্রতিটি সভ্যতাই স্বপ্নের বিভিন্ন ব্যাখ্য দেয়ার চেষ্টা করতো। অবশ্য স্বপ্নের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য মানুষকে অপেক্ষা করতে হয়েছে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত। এই শতাব্দীতে সিগমুন্ড ফ্রয়েড এবং কার্ল জাঙ প্রথম স্বপ্নের উপর বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23d3d3d3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M336.3-38.8l102.4%20377.6-430-187.6z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-149.46051%2085.59684%20-110.11345%20-192.26892%20585.2%2099.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(137.2%20-38.8%20134.8)%20scale(88.11771%20277.3266)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d4d4d4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(15.89462%20-45.80918%2060.5224%2020.99974%20464.7%20268.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিবর্তনবাদ : Theory or Fact?
ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম বড় বিতর্কের নাম বিবর্তনবাদ। বিবর্তনবাদ নিয়ে বিতর্কটা নতুন মনে হলেও এটা কিন্তু খুব নতুন কোন বিষয় নয়। খ্রিষ্টের ও জন্মের আগে গ্রীক দার্শনিক আনাক্সিম্যানডার (Anaximander) বিবর্তনবাদের ধারণা দিয়ে গেছেন। এরপর বিভিন্ন বিজ্ঞানী ও দার্শনিক বিবর্তনবাদের স্বপক্ষে কথা বললেও, তেমন কোন জোরালো প্রমানের অভাবে এই তত্ত্ব জনসাধারণের মধ্যে তেমন গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। তবে ঊনবিংশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময়ে চার্লস ডারউইন এবং আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস এর মাধ্যমে বিবর্তনবাদ তত্ত্বটি নতুন করে পালে হাওয়া পায়। ১৯৫৯ সালে ডারউইন তাঁর “On the origin of species” নামক বইয়ে প্রাকৃতিক নির্বাচন বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেন। বলতে গেলে এর পর থেকেই বিবর্তনবাদ তত্ত্বটি…

অতিথি পোস্ট: বিবর্তন, বিশ্বাস আর বিবর্তনবাদ-বিরোধিতার হুজুগ
কয়েক বছর আগে, আমার হার্নিয়া অপারেশন করা হয়। এমন একটা অভিজ্ঞতা, যেটা প্রতি চারজনের একজন ব্রিটিশ পুরুষের হয়। তার মানে প্রতি একশ জনে পঁচিশ জন, বেশ ভাবানোর মত একটা সংখ্যা। হার্নিয়া এমন একটা রোগ, যেখানে অন্ত্রের একটা অংশ ঝিল্লি ফুঁড়ে নিচে নেমে আসে, আর নিম্নাঙ্গে বিচ্ছিরি এবং বিপজ্জনক একটা স্ফীতি তৈরি হয়। অপারেশনের কাজটা একজন সার্জনের, নিঃসন্দেহে উনি আগেও আরো কয়েকশ বার একই জিনিস করেছেন। কিন্তু, এতো বেশি মানুষের এই সমস্যাটা হয় কেন? কাহিনীর শুরু আসলে অনেক আগে, যখন আমাদের পূর্বপুরুষেরা সাগরে সাঁতরে বেড়ানো মাছের পর্যায়ে ছিল। সেই ‘গেছে যে দিন সুখে’র সময়ে, জননকোষ বা অন্ডকোষ শরীরের অনেক…






