
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23afa5ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.62145%2016.34425%20-36.60353%2017.0685%2020.7%208.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000a00%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.32229%20-80.60392%2022.42593%205.37592%20141.2%2056.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23630014%22%20cx%3D%2238%22%20cy%3D%2293%22%20rx%3D%2266%22%20ry%3D%2214%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23554bb9%22%20d%3D%22M94%2072.4l-23-11%204-15.1%2029.7%202.5z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভাইরাসও প্রকৃতির ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে। ইনফ্লুয়েঞ্জা, ইবোলা, এইচআইভি, ডেঙ্গু এরা আমাদের বার বার মনে করিয়ে দেয় যে ভাইরাস কতটা ক্ষতিকর। গঠনের দিক থেকে ভাইরাস সহজ সরল। অল্প কিছু জীন এবং তার চারপাশে ঘিরে একটি প্রোটিনের তৈরী খোলস নিয়ে গঠিত হয় একটি ভাইরাস, যার আকার প্রায় একটি অণুর সমান। কিন্তু এই ক্ষুদ্র ভাইরাসটির ক্ষমতা আমাদের ধারণারও বাইরে। এরা যখন দেহের কোন কোষকে আক্রমণ করে তখন সেই কোষের ভেতরে সব রকম কর্মকান্ডের দখল নিজের আয়ত্তে নেয়। ভাইরাস ওই কোষের সাহায্যেই সংখ্যাবৃদ্ধি করে আরও অসংখ্য ভাইরাস তৈরি করে। একেক রকম ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির ধরণ একেক রকম। কোনটা খুব দ্রুত…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235e6076%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-62.9796%20171.16988%20-247.02738%20-90.89033%20330.4%20310.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237e0326%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(154.73385%205.67383%20-5.66925%20154.60884%20866.5%20296.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300005d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-162.21279%206.68292%20-8.41915%20-204.35572%20578.1%20426.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237e8071%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(69.89895%20-57.55652%2058.33727%2070.84712%20274.7%20301.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বি-কোষ এবং টি-কোষ
উনিশ শতকের প্রথম ভাগে সবার ধারনা ছিল মানুষ এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ীতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সব কিছুই আসলে অ্যান্টিবডির জারিজুরি। ল্যাবরেটরিতে কিংবা হাসপাতালে দৈবাৎ কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটত যার ব্যাখ্যা অ্যান্টিবডির ধারনা ব্যবহার করে দেয়া সম্ভব হতোনা, তখন তারা ভেবে নিতো যে হয়তো অ্যান্টিবডি নিয়েই এখনো অনেক কিছু জানেন না তাই ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। তবে ১৯৫০ সালের দিকে ব্যতিক্রমের সংখ্যা এত বেড়ে গেল যে আর উপেক্ষা করা গেলনা। যেমন একজনের অঙ্গ আরেক জনের দেহে প্রতিস্থাপনের কথাই ধরা যাক। অঙ্গ প্রতিস্থাপনের সময় দাতা এবং গ্রহীতার মধ্যে রক্তের গ্রুপ সহ কিছু ইমিউনোলজিক্যাল ফ্যাক্টরের মিল না থাকলে গ্রহীতার দেহ প্রতিস্থাপনটি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23003b84%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(59.30514%20-29.6139%2010.8791%2021.7866%20125%2027.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23baaf99%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-7.48818%2040.01714%20-31.28375%20-5.85395%2034.3%2075.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23442f54%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(18.72569%2019.8543%20-26.17935%2024.69119%20.5%2015.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239a8b89%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-10.83792%20-26.8248%2062.83663%20-25.38765%20107%2093.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বর্তমান থেকে অতীত ও ভবিষ্যতে চলে যাওয়া মন
পার্কিং জোনে গাড়ি পার্ক করতে গিয়ে আপনি বুঝতে পারলেন আপনি কোথা থেকে এসেছেন তা আপনি মনে করতে পারছেন না। বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় এসে আপনি এতক্ষণ ধরে কী পড়ছেন তা হয়তো ভুলে গেলেন। একজন মানুষের সাথে কথা বলতে বলতে একসময় আপনি খেয়াল করলেন এতক্ষন ধরে আপনি কী বলছিলেন তা সব ভুলে গিয়েছেন। এসবই বিক্ষিপ্ত মনের লক্ষণ! কোন কিছু পড়ার সময় আপনি হয়তো ভাবছেন পরবর্তী ছুটির কথা। কারো সাথে কথা বলার সময় হয়তো ভাবছেন গতরাতে বান্ধবীর সাথে যে ঝগড়া হয়েছিলো সে ব্যাপারে। আপনার মন হয়তো কখনও ভবিষ্যতে আবার কখনও অতীতে ঘোরাফেরা করে। আপনার সে চিন্তা সুখের হোক কিংবা…
এইডস থেকে মুক্তি
এইডস একটি প্রাণঘাতী মরণব্যাধি এ কথা কম বেশি সবার জানা। এর প্রতিষেধক আজও বিজ্ঞানীদের অজানা। প্রতিষেধক না থাকার কারণে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তিলাভ আপাতদৃষ্টিতে সম্ভব নয়। তবে পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়ে টিমোথি ব্রাউন নামের এইচআইভি আক্রান্ত এক ব্যক্তি সম্পূর্ণরূপে রোগমুক্ত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের কাছে তিনি “বার্লিন রোগী” নামে পরিচিত। দীর্ঘ ১১ বছর এইচআইভি নিয়ে বসবাস করার পর ব্রাউন জানতে পারেন তিনি অ্যাকিউট মায়োলয়েড লিউকেমিয়ায় (অস্থিমজ্জার ক্যান্সার)আক্রান্ত (উল্লেখ্য এইচ আইভির সাথে লিউকেমিয়ার কোন যোগসূত্র নেই)। লিউকেমিয়ার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি যখন ব্যর্থ হল তখন ব্রাউনের দেহে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করা হল। এ অবস্থায় চিকিৎসকেরা ব্রাউনকে অ্যান্টিরেট্রোভিয়াল ড্রাগ (এইডসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.89453)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b1b1b1%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(45.96815%20-3.45636%203.99195%2053.09125%2091%20123.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a5a5a5%22%20cx%3D%2288%22%20cy%3D%22121%22%20rx%3D%2228%22%20ry%3D%2230%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3d3d3%22%20cx%3D%22120%22%20cy%3D%2263%22%20rx%3D%2222%22%20ry%3D%2240%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(54.92291%2016.29176%20-58.5827%20197.49447%20155.3%20189.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্মৃতি কিভাবে তৈরি হয়?
পড়া কেন মনে থাকে না? স্মরণশক্তিটা যদি আরেকটু ভালো হতো? আহা লোকটার নাম ভুলে গেলাম? বাড়ির ঠিকানাটা যেন কি ছিলো? স্মৃতি নিয়ে আমাদের অভিযোগের শেষ নেই। তবে বিভিন্ন তথ্য মনে রাখতে পারি জন্যেই আমরা দৈনন্দিন কাজ করতে পারি। নাইলে কবেই সব ভেস্তে যেত। তথ্য মনে রাখার প্রক্রিয়াটা কি ধরণের? আমরা কি মাথার কোটরের মধ্যে একেকটা তথ্য গুঁজে রাখি? মস্তিষ্ক কি একটা ফাইল কেবিনেটের মতো যার একেকটা ড্রয়ারে একেকটা তথ্য স্মৃতি হিসেবে জমা হয়? স্নায়ুবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে মস্তিষ্কে স্মৃতি জমা রাখার প্রক্রিয়াটা ভিন্ন ধরনের। আসলে জীবনের ঘটনাবহুল স্মৃতিগুলোর টুকরো টুকরো অংশ মস্তিষ্কের একেক জায়গার স্নায়ুসংযোগে জমা…
%22%20transform%3D%22translate(1.1%201.1)%20scale(2.2461)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22224%22%20cy%3D%22189%22%20rx%3D%2272%22%20ry%3D%2272%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-138.7%2066.7%20109.5)%20scale(186.99326%2046.48866)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.65894%2025.45835%20-27.88778%2021.53495%20220.8%2031.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d8d8d8%22%20cx%3D%2287%22%20cy%3D%2269%22%20rx%3D%22106%22%20ry%3D%22106%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সমত্বরণে চলমান বস্তুর t তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্বের মাত্রা সমীকরণের রহস্য
এটা কোনো পাঠ্যবই নয়। তাই মাত্রা সমীকরণ কাকে বলে, এর তাৎপর্য কী এসব আলোচনা না করে মূল জায়গায় আসি। সম ত্বরণে চলমান বস্তুর $t$ তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব নির্ণয়ের সূত্র হচ্ছেঃ $S_{\rm th} = U + \frac{1}{2}a(2t – 1)$ এখানে $S_{\rm th}$ দ্বারা $t$তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব (সরণ), $U$ দ্বারা আদিবেগ, $a$ দ্বারা সমত্বরণ আর $t$ দ্বারা অতিক্রান্ত সময় বোঝাচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। গতি বিদ্যায় বহুল প্রচলিত এই সূত্রের মাত্রা সমীকরণ মেলানোর চেষ্টা করেছেন কখনো? না করে থাকলে এখুনি করুন। আপনি যদি ঠিকঠাক ভাবে (আপাত দৃষ্টিতে ঠিকঠাক) করে থাকেন তাহলে আপনার বাম পক্ষে…
%22%20transform%3D%22translate(2.5%202.5)%20scale(5.07813)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dedad7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.03038%2026.9929%20-53.26423%20-2.03322%20107.4%2079.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23239ea0%22%20cx%3D%229%22%20cy%3D%2216%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2261%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c66783%22%20cx%3D%2289%22%20cy%3D%22160%22%20rx%3D%2255%22%20ry%3D%2255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23138d99%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.76012%2023.65234%20-60.3237%20-70.80032%2015.8%20245.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভাইরাসও কিন্তু ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে
ভাইরাস শব্দটা শুনলেই আমাদের রোগের কথা মনে পড়ে। ভাইরাস আমাদের রোগ সৃষ্টি করে। ভাইরাস আমাদের কোষকে আক্রান্ত করে আবার কোন কোন ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকেও আক্রান্ত করে। তবে আরও বিস্ময়কর ব্যাপার হল ভাইরাসও ভাইরাসকে আক্রান্ত করে ; অর্থাৎ ভাইরাসও ভাইরাসের রোগ সৃষ্টির কারণ হতে পারে । এই ভাইরাসের ভাইরাসকে আবিষ্কার করেন Bernard La Scola এবং Christelle Desnues. তারা এর নামকরণ করেন সেই চিরচেনা স্যাটেলাইট স্পুটনিক এর নামে। ব্যাকটেরিওফেজের নামের সাথে মিল রেখে এদের অনন্যতার কারণে তাদের অন্য গোত্র (Family) ‘ভাইরোফেজ’ এর অন্তর্ভুক্ত করেন। এই স্পুটনিক এর গল্প আসলে শুরু হয় ১৯৯২ সালে ইংল্যান্ডে। একদল গবেষক অ্যামিবা নিয়ে গবেষণার…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bc0d07%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(164.30311%2035.80872%20-29.38877%20134.84608%20543%20278.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2368246d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(74.78036%2025.02093%20-15.00067%2044.8327%20616%202)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23370800%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M953.2-30.7l120-10.5%209.5%20108-120%2010.5z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23683807%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(79.7495%20605.75756%20-247.0367%2032.523%20141.6%20334.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অ্যান্টিবডি যেভাবে কাজ করে
আমাদের দেহে যখন বাইরে থেকে কিছু প্রবেশ করে, এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা যদি তাকে ক্ষতিকর সন্দেহ করে তখন অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং কাজ করে শুধু বিভিন্ন জীবাণু, কিংবা জীবাণুর তৈরি করা বিষ এধরনের জৈব বা জৈবিক উৎসের পদার্থের বিরুদ্ধে। আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা অজৈব বস্তুর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে সময় ও শক্তি নষ্ট করেনা কেননা সেগুলো কদাচিৎ ক্ষতিকর। তাছাড়া সেসব থেকে পরিত্রাণ পেতে তো যকৃত বৃক্কের সমন্বয়ে আরেক ব্যবস্থা রয়েছে। যেসব জীবাণু আমাদের দেহে বসবাস ও বংশবৃদ্ধি করে এবং নানা রকম আবজাব পদার্থ দেহে ছড়িয়ে দেয়, সেসব আবজাব পদার্থ এবং তাদের উৎস জীবানুর বিভিন্ন অংশ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffcd64%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(89.04262%20-22.4071%2040.37281%20160.43581%20330.1%20207.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234039a6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(88.1%20-55.2%20105)%20scale(549.79563%20104.3834)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23433caa%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(84.6817%20-7.11092%2037.552%20447.19487%20565.7%2088)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffc08f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(32.48596%2069.03618%20-53.52282%2025.18593%20323.5%20176.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বুদ্ধিমত্তার সীমানা
আমরা যখন স্কুলে ভর্তি হই, অঙ্ক করা শিখি, ছোট ছোট যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগে অভ্যস্ত হই, তখন শিক্ষকেরা বড় বড় সংখ্যার যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ করা শেখান। এরপর আসে সরল। সরল সমাধানে অভ্যস্ত হতে না হতেই আসে ঐকিক নিয়ম। এভাবে গণিত কঠিন থেকে ক্রমে কঠিনতর হতেই থাকে। গণিতের নতুন পদ্ধতি আয়ত্ত করার সময় দেখা যায় কেউ কেউ খুব সহজেই নিয়ম শিখে ফেলেছে। অন্য অনেকে যখন বারবার একই ভুল করছে, তখন তারা অনায়সেই নতুন পদ্ধতি আয়ত্ত করে ফেলেছে। শুধু স্কুলে অঙ্ক করার সময় নয়, যে কোন কিছু শেখার ক্ষেত্রে শিক্ষানবিশের তুলনামূলক দ্রুতি বা ধীরগতি চোখে পড়ে। দেখা যায় ক্রিকেট খেলার সময় কেউ সহজেই…






