এইডস একটি প্রাণঘাতী মরণব্যাধি এ কথা কম বেশি সবার জানা। এর প্রতিষেধক আজও বিজ্ঞানীদের অজানা। প্রতিষেধক না থাকার কারণে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তিলাভ আপাতদৃষ্টিতে সম্ভব নয়। তবে পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়ে টিমোথি ব্রাউন নামের এইচআইভি আক্রান্ত এক ব্যক্তি সম্পূর্ণরূপে রোগমুক্ত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের কাছে তিনি “বার্লিন রোগী” নামে পরিচিত। দীর্ঘ ১১ বছর এইচআইভি নিয়ে বসবাস করার পর ব্রাউন জানতে পারেন তিনি অ্যাকিউট মায়োলয়েড লিউকেমিয়ায় (অস্থিমজ্জার ক্যান্সার)আক্রান্ত (উল্লেখ্য এইচ আইভির সাথে লিউকেমিয়ার কোন যোগসূত্র নেই)। লিউকেমিয়ার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি যখন ব্যর্থ হল তখন ব্রাউনের দেহে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করা হল। এ অবস্থায় চিকিৎসকেরা ব্রাউনকে অ্যান্টিরেট্রোভিয়াল ড্রাগ (এইডসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.89453)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b1b1b1%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(45.96815%20-3.45636%203.99195%2053.09125%2091%20123.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a5a5a5%22%20cx%3D%2288%22%20cy%3D%22121%22%20rx%3D%2228%22%20ry%3D%2230%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3d3d3%22%20cx%3D%22120%22%20cy%3D%2263%22%20rx%3D%2222%22%20ry%3D%2240%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(54.92291%2016.29176%20-58.5827%20197.49447%20155.3%20189.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্মৃতি কিভাবে তৈরি হয়?
পড়া কেন মনে থাকে না? স্মরণশক্তিটা যদি আরেকটু ভালো হতো? আহা লোকটার নাম ভুলে গেলাম? বাড়ির ঠিকানাটা যেন কি ছিলো? স্মৃতি নিয়ে আমাদের অভিযোগের শেষ নেই। তবে বিভিন্ন তথ্য মনে রাখতে পারি জন্যেই আমরা দৈনন্দিন কাজ করতে পারি। নাইলে কবেই সব ভেস্তে যেত। তথ্য মনে রাখার প্রক্রিয়াটা কি ধরণের? আমরা কি মাথার কোটরের মধ্যে একেকটা তথ্য গুঁজে রাখি? মস্তিষ্ক কি একটা ফাইল কেবিনেটের মতো যার একেকটা ড্রয়ারে একেকটা তথ্য স্মৃতি হিসেবে জমা হয়? স্নায়ুবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে মস্তিষ্কে স্মৃতি জমা রাখার প্রক্রিয়াটা ভিন্ন ধরনের। আসলে জীবনের ঘটনাবহুল স্মৃতিগুলোর টুকরো টুকরো অংশ মস্তিষ্কের একেক জায়গার স্নায়ুসংযোগে জমা…
%22%20transform%3D%22translate(1.1%201.1)%20scale(2.2461)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22224%22%20cy%3D%22189%22%20rx%3D%2272%22%20ry%3D%2272%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-138.7%2066.7%20109.5)%20scale(186.99326%2046.48866)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.65894%2025.45835%20-27.88778%2021.53495%20220.8%2031.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d8d8d8%22%20cx%3D%2287%22%20cy%3D%2269%22%20rx%3D%22106%22%20ry%3D%22106%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সমত্বরণে চলমান বস্তুর t তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্বের মাত্রা সমীকরণের রহস্য
এটা কোনো পাঠ্যবই নয়। তাই মাত্রা সমীকরণ কাকে বলে, এর তাৎপর্য কী এসব আলোচনা না করে মূল জায়গায় আসি। সম ত্বরণে চলমান বস্তুর $t$ তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব নির্ণয়ের সূত্র হচ্ছেঃ $S_{\rm th} = U + \frac{1}{2}a(2t – 1)$ এখানে $S_{\rm th}$ দ্বারা $t$তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব (সরণ), $U$ দ্বারা আদিবেগ, $a$ দ্বারা সমত্বরণ আর $t$ দ্বারা অতিক্রান্ত সময় বোঝাচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। গতি বিদ্যায় বহুল প্রচলিত এই সূত্রের মাত্রা সমীকরণ মেলানোর চেষ্টা করেছেন কখনো? না করে থাকলে এখুনি করুন। আপনি যদি ঠিকঠাক ভাবে (আপাত দৃষ্টিতে ঠিকঠাক) করে থাকেন তাহলে আপনার বাম পক্ষে…
%22%20transform%3D%22translate(2.5%202.5)%20scale(5.07813)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dedad7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.03038%2026.9929%20-53.26423%20-2.03322%20107.4%2079.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23239ea0%22%20cx%3D%229%22%20cy%3D%2216%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2261%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c66783%22%20cx%3D%2289%22%20cy%3D%22160%22%20rx%3D%2255%22%20ry%3D%2255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23138d99%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.76012%2023.65234%20-60.3237%20-70.80032%2015.8%20245.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভাইরাসও কিন্তু ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে
ভাইরাস শব্দটা শুনলেই আমাদের রোগের কথা মনে পড়ে। ভাইরাস আমাদের রোগ সৃষ্টি করে। ভাইরাস আমাদের কোষকে আক্রান্ত করে আবার কোন কোন ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকেও আক্রান্ত করে। তবে আরও বিস্ময়কর ব্যাপার হল ভাইরাসও ভাইরাসকে আক্রান্ত করে ; অর্থাৎ ভাইরাসও ভাইরাসের রোগ সৃষ্টির কারণ হতে পারে । এই ভাইরাসের ভাইরাসকে আবিষ্কার করেন Bernard La Scola এবং Christelle Desnues. তারা এর নামকরণ করেন সেই চিরচেনা স্যাটেলাইট স্পুটনিক এর নামে। ব্যাকটেরিওফেজের নামের সাথে মিল রেখে এদের অনন্যতার কারণে তাদের অন্য গোত্র (Family) ‘ভাইরোফেজ’ এর অন্তর্ভুক্ত করেন। এই স্পুটনিক এর গল্প আসলে শুরু হয় ১৯৯২ সালে ইংল্যান্ডে। একদল গবেষক অ্যামিবা নিয়ে গবেষণার…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bc0d07%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(164.30311%2035.80872%20-29.38877%20134.84608%20543%20278.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2368246d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(74.78036%2025.02093%20-15.00067%2044.8327%20616%202)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23370800%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M953.2-30.7l120-10.5%209.5%20108-120%2010.5z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23683807%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(79.7495%20605.75756%20-247.0367%2032.523%20141.6%20334.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অ্যান্টিবডি যেভাবে কাজ করে
আমাদের দেহে যখন বাইরে থেকে কিছু প্রবেশ করে, এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা যদি তাকে ক্ষতিকর সন্দেহ করে তখন অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং কাজ করে শুধু বিভিন্ন জীবাণু, কিংবা জীবাণুর তৈরি করা বিষ এধরনের জৈব বা জৈবিক উৎসের পদার্থের বিরুদ্ধে। আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা অজৈব বস্তুর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করে সময় ও শক্তি নষ্ট করেনা কেননা সেগুলো কদাচিৎ ক্ষতিকর। তাছাড়া সেসব থেকে পরিত্রাণ পেতে তো যকৃত বৃক্কের সমন্বয়ে আরেক ব্যবস্থা রয়েছে। যেসব জীবাণু আমাদের দেহে বসবাস ও বংশবৃদ্ধি করে এবং নানা রকম আবজাব পদার্থ দেহে ছড়িয়ে দেয়, সেসব আবজাব পদার্থ এবং তাদের উৎস জীবানুর বিভিন্ন অংশ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffcd64%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(89.04262%20-22.4071%2040.37281%20160.43581%20330.1%20207.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234039a6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(88.1%20-55.2%20105)%20scale(549.79563%20104.3834)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23433caa%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(84.6817%20-7.11092%2037.552%20447.19487%20565.7%2088)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffc08f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(32.48596%2069.03618%20-53.52282%2025.18593%20323.5%20176.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বুদ্ধিমত্তার সীমানা
আমরা যখন স্কুলে ভর্তি হই, অঙ্ক করা শিখি, ছোট ছোট যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগে অভ্যস্ত হই, তখন শিক্ষকেরা বড় বড় সংখ্যার যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ করা শেখান। এরপর আসে সরল। সরল সমাধানে অভ্যস্ত হতে না হতেই আসে ঐকিক নিয়ম। এভাবে গণিত কঠিন থেকে ক্রমে কঠিনতর হতেই থাকে। গণিতের নতুন পদ্ধতি আয়ত্ত করার সময় দেখা যায় কেউ কেউ খুব সহজেই নিয়ম শিখে ফেলেছে। অন্য অনেকে যখন বারবার একই ভুল করছে, তখন তারা অনায়সেই নতুন পদ্ধতি আয়ত্ত করে ফেলেছে। শুধু স্কুলে অঙ্ক করার সময় নয়, যে কোন কিছু শেখার ক্ষেত্রে শিক্ষানবিশের তুলনামূলক দ্রুতি বা ধীরগতি চোখে পড়ে। দেখা যায় ক্রিকেট খেলার সময় কেউ সহজেই…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a0ae35%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.26697%20-19.18572%2025.09515%20-1.65721%20138.6%2074)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236a7063%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(18.58708%20-2.73168%206.49293%2044.17974%2051%2030.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23498174%22%20cx%3D%22129%22%20cy%3D%225%22%20rx%3D%2286%22%20ry%3D%2211%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23362f37%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-112.1%2065.5%20-15.6)%20scale(21.58668%2035.84287)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভাইরাসই হবে ক্যানসারের প্রতিষেধক
ভাইরাস বললেই আমাদের মনে একধরণের ভয় সৃষ্টি হয়। ভাইরাস শব্দটিই যেন নেতিবাচক। আমরা জানি ভাইরাস নানা ধরণের রোগ সৃষ্টি করে। আমরা মাঝে মাঝে ভাইরাল জ্বরের মাধ্যমে যে কষ্ট পাই তার পেছনেও কিন্তু ভাইরাস দায়ী। কিন্তু আমি যদি বলি ভাইরাসরা ভালো কাজ করতে পারে তাহলে চমকাবার কিছু নেই। কিছুদিন আগে ইউটিউবে একটি Ted Talk দেখছিলাম। বক্তা Dalhousie University এর মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনলজি ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক Patrick Lee. তিনি যা বললেন তা আমরা সচরাচর যা ভাবি ঠিক তার বিপরীত। তিনি বলছেন ভাইরাসের মাধ্যমে ক্যানসারের চিকিৎসা সম্ভব। কিন্তু আমরা এতদিন জেনে এসেছি ভাইরাস দিয়ে ক্যানসার হয়। এখন এই ভাইরাস দিয়েই…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-254.02965%20-22.22471%202.21915%20-25.36505%20150.4%2014.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d7d7d7%22%20cx%3D%22133%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%2256%22%20ry%3D%2256%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-18.94668%20-20.06451%2065.03097%20-61.40797%2047.3%200)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-21.98897%2024.68376%20-103.62839%20-92.31498%20241.6%2040)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অসীম ধারার গল্প
নবম দশম শ্রেণীতে আমাদের অসীম ধারার সাথে পরিচয় ঘটে। বিশেষ করে গুণোত্তর ধারার সাথে পরিচয় হওয়ার দিন কয়েক পরেই আমরা শিখি যে ,$$ \frac{1}{2} + \frac{1}{4} + \frac{1}{8} + \cdots \cdots = 1$$ সাধারণভাবে এটা আমরা গাণিতিকভাবে মেনে নেই, কিন্তু কেনো অসীম পর্যন্ত নিয়ে সমষ্টি $1$ পাওয়া যায়, তা বোঝার চেষ্টাও করি না।দেখা যাক আমরা কী শিখি,আমরা শিখি যে, $$ s = \frac{1}{2} + \frac{1}{4} + \frac{1}{8} + \cdots \cdots $$ উভয়পক্ষে $\frac{1}{2}$ গুণ দিয়ে পাই,$$ \frac{1}{2}s = \frac{1}{4} + \frac{1}{8} + \cdots \cdots $$যেহেতু অসীম ধারা, বিয়োগ দিলে পাই,$\frac{1}{2}s = \frac{1}{2}$ বা, $s=1$ আর এখানে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(133.8025%20-86.89237%2020.58381%2031.69629%20251.5%20226.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(26.42471%20-33.83335%20152.21995%20118.88768%2042%20236.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(16.2088%20-28.41704%20153.90647%2087.7867%20274%2020.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23777%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-146.38567%20.51098%20-.2917%20-83.56551%20156.4%20114.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বুলিয়ান বীজগণিতের গোড়ার কথা
অনেকেরই বুলিয়ান অ্যালজেব্রা নিয়ে বুঝতে সমস্যা হয়। বুলিয়ান অ্যালজেব্রায় এক আর একে কিভাবে এক হয় সে রহস্যের পর্দা উন্মোচন করতে হলে আমাদেরকে বুলিয়ান অ্যালজেব্রার একেবারে গোড়ায় যেতে হবে।প্রথমে নিচের কয়েকটা উদাহরণ দেখা যাকঃউদাহরণ-১আগামীকাল হয় বৃষ্টি হবে অথবা তুষারপাত হবে।এখন এত গরম যে আগামীকাল তুষারপাত হবে না।সুতরাং, আগামীকাল বৃষ্টি হবে।উদাহরণ-২যদি আজকে শুক্রবার হয় তবে আমাকে স্কুল যেতে হবে না।আজ শুক্রবার।সুতরাং, আমাকে স্কুল যেতে হবে না।উদাহরণ-৩আমি হয় আজকে অথবা কালকে কাজে যাব।আমি আজকে বাসায় থাকব।সুতরাং, আমি কালকে কাজে যাব।প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমরা প্রথম দুইটা বাক্যের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্তে ( তৃতীয় বাক্য ) পৌঁছেছি। এই প্রথম দুইটা বাক্যকে বলে…







