
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fcd4ec%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-75.72313%20110.4232%20-81.62874%20-55.97721%20170.7%2077.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231458ad%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(128.3266%20-583.66285%20174.98714%2038.47342%20484.2%20189.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238b6387%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-44.4%20368.5%20-184.7)%20scale(131.04494%2079.47945)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23325bf1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(77.10898%2059.99714%20-184.33544%20236.9099%20507.4%20292.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ডপলার প্রভাব (Doppler Effect) আমাদের সবার কাছেই পরিচিত। একটা উদাহরণ দিলে এই ব্যাপারটিকে আপনারা চিনতে পারবেন। ধরুন আপনি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন, একটা মোটরসাইকেল দ্রুত গতিতে আপনার পাশ দিয়ে চলে গেল, আপনি শব্দের একটা ধারাবাহিক বৈচিত্র্য অনুভব করবেন–এটাই ডপলার প্রভাব। মোটরসাইকেল আপনার যত কাছে আসতে থাকবে, ততই নিম্ন স্বরের গুঞ্জন নাটকীয়ভাবে উচ্চ স্বরের গর্জনে পরিবর্তীত হতে থাকবে। আবার এর বিপরীত পরিবর্তনটা অনুভব করবেন যখনই মোটর পাশ কাটিয়ে দূরে যেতে শুরু করবে। মোটরসাইকেল যত কাছ দিয়ে যাবে, শব্দের পরিবর্তন হবে তত আকস্মিক; মোটরসাইকেলের গতি যত বেশি হবে, পরিবর্তন হবে তত বড় পরিসরে। শুধু মোটরসাইকেল না, শব্দ কম্পাঙ্কের…
%22%20transform%3D%22translate(3.2%203.2)%20scale(6.30078)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232f2f2f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-9.31827%20-88.00188%2069.72295%20-7.38277%20117.3%2041)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-21.74105%20206.52833%20-51.38098%20-5.40883%20235.2%2067.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(39.17133%20226.7778%20-31.20514%205.39006%2029.3%20117.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22221%22%20cy%3D%2262%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
0 এর 0 তম সূচক কত?
১৯ শতকের প্রথমদিকেও গণিতবিদদের মহলে শূন্যের শূন্যতম ঘাত বা সূচক $(0^0)$ এর ব্যাখ্যা একটি বিতর্কের বিষয় ছিল। সেসময়কার অধিকাংশ গণিতবিদেরা মেনে নিয়েছিলেন $0^0=1$। কিন্তু সমস্যা বেধেছিল, ১৮২১ সালে গণিতবিদ Cauchy $0^0$ কে $\frac{0}{0}$ এর মত অনির্ণেয় আকারগুলোর সাথে একই তালিকাভুক্ত করলেন। আবার ১৮৩০ এর দশকে গণিতবিদ Libri $0^0=1$ এর পক্ষে তার যুক্তি প্রকাশ করেছিলেন। সেটাও ছিল সংশয়পূর্ণ, কিন্তু আরেক গণিতবিদ Möbius তাঁকে সমর্থন দিয়েছিলেন এবং ভুলভাবে দাবি করেছিলেন যে, $\displaystyle\lim_{t \to 0^{+}} f(t) = \displaystyle\lim_{t \to 0^{+}} g(t) = 0$ হলেই $\displaystyle\lim_{t \to 0^{+}} {f(t)}^{g(t)} = 1$ হয়। একজন ব্যাখাকারী (যিনি শুধুমাত্র ‘S’ দিয়ে নাম স্বাক্ষর…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M390.5-14.7l6.9%20393.8L123%20384l-6.8-394z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.67883%20-385.3898%20103.76566%20-.18278%20527%20165)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-64.40652%20.10393%20-.61083%20-378.5424%2026.4%20181.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.93916%20-286.8325%2051.20048%20-.88166%20514.7%20191)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ইন্দ্রিয়ের এলোমেলো অবস্থান
আমাদের দেহে প্রতিটা অংগেরই নির্দিষ্ট কিছু কাজ আছে। পা দিয়ে হাটি, হাত দিয়ে লেখি, পেট দিয়ে খাবার হজম করি। যেসব অংগের মাধ্যমে পরিবেশ সম্পর্কে ধারনা নেই তাদের বলি ইন্দ্রিয়। আমরা চোখ দিয়ে দেখি, চোখ আমাদের দর্শনেন্দ্রিয়। কান দিয়ে শুনি, কান আমাদের শ্রবনেন্দ্রিয় ইত্যাদি। আমরা কিন্তু চামড়া দিয়ে ঘ্রাণ নেয়া, কিংবা পাকস্থলি দিয়ে স্বাদ নেয়ার কথা ভাবিনা। ভাবার দরকারও পড়েনা। তবে আশ্চর্যের বিষয় এটাই, এক ইন্দ্রিয়ের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় কোষ অন্য অংগেও থাকে। আমরা তাদের ইচ্ছা করলেই ব্যবহা করতে পারিনা, কিন্ত তারা কাজ করে যাচ্ছে আমাদের অজান্তেই। এইরকম কয়েকটি ব্যাপার নিয়েই এই লেখাটি। গন্ধ শুকে চলো… আমরা…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23848484%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(101.3482%20-10.71762%208.74098%2082.65665%20218.8%20466.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23828282%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.51454%2049.1328%20-169.23377%20-1.77228%20220.7%201)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23111%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-133.79127%2070.32175%20-128.20239%20-243.91257%20461%20322.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230b0b0b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-78.3%20197.9%20145.5)%20scale(248.4876%2086.13375)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
দেজাভূঁ: রহস্যময়তার আড়ালে
ধরুন,আপনি প্রথমবার জাফলং বেড়াতে গেছেন। জাফলংয়ের চোখজুড়ানো অপরূপ সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য অবলোকনে আপনি মগ্ন হয়ে আছেন,হঠাৎই ব্রেইনে ধরা পড়া একটা সিগন্যালে চমকে উঠলেন। আপনার মনে হতে লাগল, দৃশ্যগুলো আপনার অতি পরিচিত যেন আগেও কোথাও দেখেছেন। কিন্তু কোথায় দেখেছেন…কোথায়…নাহ, কিছুতেই মনে পড়ল না আপনার। অথবা এরকম মনে হতে পারে যে আপনি যেন আগেও জাফলং এসেছিলেন, এই দৃশ্যগুলো দেখেছিলেন। কিন্তু কবে এসেছিলেন মনে করতে পারলেনই না।জি,এই অভিজ্ঞতাকেই বলা হয় দেজাভূঁ। দেজাভূঁ ব্যাপকভাবে ঘটা একটি ঘটনা। বেশিরভাগ লোকজন জীবনে অন্তত একবার এই অভিজ্ঞতা লাভ করে। যাদের দেজাভূঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের কাছে ব্যাপারটা খুব অদ্ভুত মনে হয় এবং এই ঘটনার…
%22%20transform%3D%22translate(3.7%203.7)%20scale(7.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffe66b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(103.08258%20-50.72292%2016.355%2033.23774%2024.8%2030)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2310151c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-254.49457%20.90771%20-.15328%20-42.97457%20148.2%20135.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239291aa%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(8.68619%2047.17954%20-133.54121%2024.58617%20176.8%2032.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231150a5%22%20cx%3D%2294%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%2234%22%20ry%3D%2226%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে জ্বালানী
একবিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীর প্রধান কয়েকটি সংকটের একটা হল বৈশ্বিক উষ্ণতা। যার জন্য মূলত দায়ী করা হয় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসকে। নগরায়নের ফলে বিশ্বজুড়ে কলকারখানার সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে সেসব কারখানা থেকে বর্জ্য হিসেবে নির্গত গ্যাসের পরিমান ও বেড়ে চলেছে দিনে দিনে। গত বছরই তেল ও কয়লার মতন জ্বীবাশ্ম জ্বালানী পুড়িয়ে বিশ্বে ৩৮.২ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করা হয়েছে। এর পরিমান যে প্রতি বছর বছর বাড়বে তাতে কোন সন্দেহ নাই। চিত্র ১ : কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে ইথানল প্রস্তুত প্রণালী তাই অনেক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে একটা যুগোপযোগি…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b6a9ad%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(29.77286%2022.32714%20-44.10908%2058.8187%20148.7%2042)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22249%22%20cy%3D%22111%22%20rx%3D%2270%22%20ry%3D%2270%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232e3130%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(9.1%20-107.8%20207)%20scale(33.19997%20247.04507)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c0567a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.8771%2023.92%20-19.91656%20.7303%20181.6%2054.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আইনস্টাইনের ভুল
মহাজ্ঞানীর অক্ষমতা মানুষ মাত্রই ভুল করে। সেই ভুল করাদের মধ্যে আছে প্রাইমারী ক্লাসের লাস্ট বেঞ্চের অমনোযোগী ছাত্র থেকে সর্বকালের সেরা মেধাবী পর্যন্ত। ইতিহাসের অসীম মেধাবী বলতে আমরা এক একজন সফল বিজ্ঞানীকে বুঝে থাকলেও এই বিজ্ঞানীরাই তাদের এক একটা সূত্র আবিষ্কার করতে শুধু পরিশ্রমই করেন নি সেটা প্রমানের পথে করেছেন অসংখ্য ভুল। আবিষ্কারক হিসেবে টমাস আলভা এডিসন বানিয়েছেন অনেক অনেক যন্ত্র, কিন্তু বৈদ্যুতিক বাতির একটা কার্যকর সংস্করন বানাবার জন্য তিনি প্রায় এক হাজার বার চেষ্টা করে তবেই সফল হয়েছিলেন। সফল হওয়ার পর উনাকে যখন প্রশ্ন করা হয় এই হাজার বারের ব্যর্থতার জন্য, উনি অবাক হয়ে বলেছিলেন ,…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e8ffff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-64.72566%2019.33832%20-21.78258%20-72.90666%20247.9%2035.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ac3700%22%20cx%3D%22200%22%20cy%3D%22153%22%20rx%3D%2255%22%20ry%3D%2243%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b42100%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-24.21643%2020.7412%20-31.74795%20-37.06739%2063.6%20170.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c1e6e8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-18.22979%2021.39296%20-27.48219%20-23.41866%20105%2096.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মশলা ও রান্নাবান্না
মানুষের বাঁচার জন্য প্রয়োজন শক্তির। আর মানুষকে অবিরত শক্তির যোগান দেয় নানারকম খাদ্য। আমাদের নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে বিচিত্র ধরনের খাবার। বাঁচার জন্য খাওয়া বা খাওয়ার জন্য বাঁচা -খাবার উদ্দ্যেশ্য যাই হোক না কেন সুস্বাদু খাবার আমরা সকলেই পছন্দ করি। খাবারকে সুস্বাদু করতে মশলার ভূমিকা অনস্বীকার্য। শতাব্দিকাল ধরে মশলা হয়ে আছে খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। নানারকম মশলার কারণেই খাবার দেখতে ও খেতে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। মশলা হচ্ছে কোন গাছের বীজ,ফল, মূল,বাকল বা পাতা যা মূলত খাবারকে আকর্ষণীয় রং দিতে, খাবারে সুঘ্রাণ আনতে এবং খাবার সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। মশলা শুধু খাবারে অনন্য স্বাদ যুক্ত করতেই ব্যবহৃত হয় না, এর…
%22%20transform%3D%22translate(4%204)%20scale(7.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236f7990%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.3602%2042.94858%20-61.9661%206.29088%20174.3%2078)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234dd1ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(90.6216%20-17.2146%206.41293%2033.75912%2020.4%2061.6)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%231c94fd%22%20d%3D%22M206%20153L62%2059l-78%2092z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231898fe%22%20cx%3D%22134%22%20cy%3D%2216%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2228%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিমগ্নতা, কাজ ও খেলা
বিজ্ঞানী সত্যেনন্দ্রনাথ বসুর কথা বলা যাক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকার সময় তার মেয়ে একবার সিনেমা দেখার বায়না ধরেন। সে সময় তিনি জটিল একটি গাণিতিক সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। এদিকে মেয়ে নাছোড়বান্দা। শেষে মেয়ের জেদের কাছে হার মেনে ঘোড়ার গাড়িতে করে মেয়েকে নিয়ে গেলেন মুকুল সিনেমা হলে। সেখানে পৌঁছে দেখেন তিনি বাসায় টাকা ফেলে এসেছেন। মেয়েকে সেখানে রেখে গাড়োয়ানকে নিয়ে বাসায় ফিরলেন টাকা নিতে। বাসায় পৌঁছে টাকা নেয়ার সময় টেবিলে দেখেন অসমাপ্ত গাণিতিক সমস্যাটা পড়ে আছে। তখন তিনি মেয়ের কথা ভুলে সেখানেই বসে পড়েন সমস্যা সমাধানে। এদিকে গাড়োয়ান যখন দেখলেন অনেকক্ষণ সময় পার হয়েছে তখন আর অপেক্ষা না…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(94.2%2047.2%2083.8)%20scale(29.19333%2062.23519)%22%2F%3E%3Cpath%20d%3D%22M76.8%2055.5l6.4-45.6%20104%2014.6-6.4%2045.6z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23262626%22%20d%3D%22M227%2054l44%20103-287-72z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23242424%22%20cx%3D%2246%22%20cy%3D%2232%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এক চলকবিশিষ্ট বহুপদীর উৎপাদকে বিশ্লেষণ
এক চলক বিশিষ্ট বহুপদী হল বীজগাণিতিক রাশি, যার প্রতিটি পদ C.xⁿ আকারের। যেখানে , n∈ℤ+, আর C হল ধ্রুব। আমার আলোচনায় n≤4 থাকবে আর C পূর্ণসংখ্যা। বহুপদীতে সসীম সংখ্যক পদ থাকবে। একটি পদ থাকলেও বহুপদী হয়। উদাহরণস্বরূপ, 2x³-3 একটি বহুপদী, এর দুটি পদ 2x³ এবং -3 বহুপদীর উৎপাদকে বিশ্লেষণ হল বহুপদীকে একাধিক বহুপদীর গুণফল আকারে প্রকাশ। এখন, n=2 হলে বহুপদীর উৎপাদকে বিশ্লেষণ আমরা সবাই জানি। তবুও একটু দেখা যাক, ax²+bx+c এর উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে। a,b,c এখানে পূর্ণসংখ্যা ও সহমৌলিক। এবার ax²+bx+c=0 এর মূলগুলো যদি মূলদ হয়, তবে উৎপাদকে বিশ্লেষণ সম্ভব। আর এর শর্ত b²-4ac পূর্ণবর্গ…







