
%22%20transform%3D%22translate(3.8%203.8)%20scale(7.5039)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001000%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(136.1157%20-81.65468%2020.28112%2033.80797%2046.4%207.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231d0000%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-10.99254%20-19.20352%2045.43982%20-26.01081%2020.1%2010.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2317558a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(75.4%2019.2%20146.7)%20scale(75.15543%20116.42767)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300174a%22%20cx%3D%2217%22%20cy%3D%22119%22%20rx%3D%2225%22%20ry%3D%2256%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
থিওরি অফ রিলেটিভিটি সম্ভবত বিংশ শতকে পদার্থবিজ্ঞানের সবচেয়ে জনপ্রিয় আবিষ্কার। যারা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের তেমন কিছুই জানেন না তারাও হালকা গোঁফ, উঁচু কপাল, এলোমেলো চুলের একজন বিজ্ঞানীকে খুব ভালমত চেনেন যিনি ১৯০৫ সালে “থিওরি অফ রিলেটিভিটি” আবিষ্কার করেছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানের জগতেও থিওরি অফ রিলেটিভিটি’র গুরুত্ব একটু অন্যরকম। এই একটিমাত্র থিওরি প্রায় ১০০ বছর আগে পদার্থবিজ্ঞানের জগতে যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল তা এখনও শেষ হয় নি। আইনস্টাইন রিলেটিভিটিকে বর্ণনা করেছেন দুইভাগে। একবার ১৯০৫ সালে “স্পেশাল থিওরি অফ রিলেটিভিটি”, পরেরবার ১৯১৫ সালে “জেনারেল থিওরি অফ রিলেটিভিটি”। নাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে স্পেশাল থিওরি নিশ্চয়ই বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে কাজ করবে, আর জেনারেল…
%22%20transform%3D%22translate(2.5%202.5)%20scale(5.07813)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23888%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-169.99974%20-.2967%20.055%20-31.5133%20123.8%20255.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e5e5e5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(153.16603%20-66.8523%2048.93306%20112.11106%2095.8%20108.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23909090%22%20cx%3D%22135%22%20cy%3D%22255%22%20rx%3D%22109%22%20ry%3D%2219%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bfbfbf%22%20cx%3D%2276%22%20cy%3D%22231%22%20rx%3D%22107%22%20ry%3D%228%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
প্রিয়নের গল্প
ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের একটি দ্বীপরাষ্ট্র স্যান লরেঞ্জোর শাসক ‘পাপা মনজানো’র বাবা ছিলেন একজন নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী। তার একটি আবিষ্কার হল রহস্যময় আইস-নাইন। যার সংস্পর্শে এলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিও জমে গিয়ে আইস-নাইনে পরিণত হয়। বহুকাল সেই আইস নাইন ছিল লোকচক্ষুর আড়ালে। একসময় পাপা মনজানো ক্যান্সারের যন্ত্রণা সইতে না পেরে আইস-নাইন খেয়ে আত্নহত্যা করেন। তার জমে যাওয়া দেহের স্পর্শে এসে তার ডাক্তারও জমে গিয়ে মারা যান। এ যেন ছোটবেলায় খেলা বরফ-পানির বাস্তব এবং ট্র্যাজিক সংস্করণ। এতটুকুই নয়, ঘটনাক্রমে পাপার দেহ গিয়ে পড়ে সমুদ্রে এবং সারা পৃথিবীর পৃষ্টে ও পেটে যত পানি আছে সব জমে গিয়ে বিশাল দূর্যোগ সৃষ্টি করে।…
%22%20transform%3D%22translate(.7%20.7)%20scale(1.34766)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23366455%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(42.24833%20-39.3972%2046.88919%2050.2825%2074.8%20123.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23171013%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%22113%22%20ry%3D%22113%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23006340%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-2.17723%2045.29894%20-30.78334%20-1.47956%2063.9%20132.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(140.3%2093%20128.3)%20scale(30.50358%2023.21046)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নক্ষত্রের তিন ধরনের মৃত্যু (জামাল নজরুল ইসলাম)
নক্ষত্র কীভাবে সৃষ্টি হয় তা সঠিকভাবে এখনো জানা যায়নি। মহাকাশে বিভিন্ন নক্ষত্রের মাঝে যে জায়গা তা শূন্য মনে হলেও আসলে তা শূন্য নয়। বরং সেখানে পাতলা এবং হালকা বাষ্পীয় মেঘ থাকে যা বেশিরভাগ হাউড্রোজেন দিয়ে তৈরি। এই বাষ্পীয় পদার্থ সব জায়গায় একই পরিমাণে থাকে না। কোথাও এই ঘনত্ব কম কোথাও বেশি। অধিকাংশ জায়গায় তার ঘনত্ব খুব কম, প্রতি ঘনমিটারে প্রায় ১০^-১৯ কিলোগ্রাম। এক ঘনমিটারে পানির ওজন প্রায় ১০^৩ বা ১০০০ হাজার কিলোগ্রাম। অন্যভাবে বলা যায় যে, মহাকাশে এক ঘনমিটারে প্রায় ১০ কোটি পরমাণু থাকে। আমরা জানি যে, দুটি বস্তুর মধ্যে আকর্ষণ বল নির্ভর করে দূরত্বের ব্যস্তবর্গের…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e5be64%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(9.9435%2062.03162%20-42.00556%206.73338%2077.5%20104.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22212%22%20cy%3D%22148%22%20rx%3D%2287%22%20ry%3D%2287%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cdd0d6%22%20cx%3D%22131%22%20cy%3D%2269%22%20rx%3D%2221%22%20ry%3D%2245%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(49.51585%2013.2786%20-58.01977%20216.3555%20192.5%20101.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মেঘনাদ সাহা- একজন বিজ্ঞানী ও বিপ্লবী
বৃটিশ শাসনামলে মেঘনাদ সাহা ভারতবর্ষ তথা সারা বিশ্বে একজন খ্যাতিমান পদার্থবিদ হিসেবে সমাদৃত হয়েছিলেন। ১৯২০ এর দশকে তিনি নক্ষত্রের বর্ণালী বিশ্লেষনে তাপীয় আয়নীকরণ তত্ত্বে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। ভারতের স্বাধীনতার পূর্বে ও পরে আমৃত্যু তিনি বিজ্ঞানের জন্য এবং বিজ্ঞানমনষ্কতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিরন্তর কাজ করে গেছেন। তাঁর জীবনী আমাদের উৎসাহীত করবে নানা ভাবে। প্রথমতঃ তিনি বাংলাদেশের এক অজপাঁড়া-গাঁ এর দরিদ্র ও নিন্মবর্ণের হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহন করেও নানা প্রতিকূলতার বাধা পেরিয়ে বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছিলেন। দ্বিতীয়তঃ তিনি কেবল একজন বিনম্র পড়ুয়া লোকই ছিলেন না, তিনি ভারতের স্বাধীনতার জন্য বৃটিশ বিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবে জড়িয়ে ছিলেন যে আন্দলনের ফসল হিসেবে…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(245.95825%2011.1689%20-1.4719%2032.41376%20127.9%2013.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23141414%22%20cx%3D%2265%22%20cy%3D%22135%22%20rx%3D%2290%22%20ry%3D%2284%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231b1b1b%22%20cx%3D%22247%22%20cy%3D%22162%22%20rx%3D%2230%22%20ry%3D%2288%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22164%22%20cy%3D%2210%22%20rx%3D%22254%22%20ry%3D%2216%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বোর মডেলের অন্তরালে
বোরের পরমাণু মডেলে পরমাণুতে ইলেক্ট্রন কিছু নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে। বোর জানতেন যে রাদারফোর্ডের তত্ত্ব ব্যার্থ হয় ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎ চুম্বক তত্ত্বের আঘাতে। বোর নিজেও এর সমাধানের পথ খুঁজে পান নি। তখন তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন ইলেক্ট্রন ঐসকল কক্ষপথে থাকার সময় শক্তি শোষণ বা বর্জন করে না। কেনো করে না? তার উত্তর ছিল – পরমাণু জগতে নাকি তড়িৎচুম্বক তত্ত্ব খাটবেই না! ব্যাপারটা জোর করে চাপিয়ে দেয়ার মতো হলেও এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিলো। তিনি নিজে প্রথম দিকে প্লাঙ্কের তত্ত্বে আস্থাশীল ছিলেন না। কিন্তু তিনি তার মডেলে বললেন যে ইলেক্ট্রন কিছু নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো শোষণ করে বেশি শক্তিসম্পন্ন কক্ষে যেতে…
%22%20transform%3D%22translate(.7%20.7)%20scale(1.48438)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d7d46f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-20.7014%20122.0238%20-61.71338%20-10.46971%2065%20177.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22215%22%20cy%3D%22230%22%20rx%3D%2287%22%20ry%3D%2287%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(3.53863%20-38.69167%2084.32512%207.71213%20214%2023)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236261e6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(41.17405%2030.25818%20-27.588%2037.54059%20211.2%2099.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ত্রিমাত্রিক জ্যামিতির কিছু প্রাথমিক আলোচনা
জ্যামিতি গণিতের অত্যন্ত পুরোনো একটি শাখা। খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০০ এর আগেও জ্যামিতির ব্যবহার ছিল। প্রথমদিকে জ্যামিতির ব্যবহার ছিল মূলত ভূমি পরিমাপে। কিন্তু আস্তে আস্তে এর বিকাশ ঘটে। প্রথমেই এক্ষেত্রে চলে আসে ইউক্লিডের নাম, যদিও ইউক্লিড একা এই জ্যামিতির প্রণেতা নন, পিথাগোরাস,আর্কিমিদিস, ব্রহ্মগুপ্ত, টলেমি প্রমুখের নামও জড়িয়ে আছে এতে। তবে ইউক্লিডই সর্বপ্রথম The elements এ এসব লিপিবদ্ধ করেন। আর আইজ্যাক নিউটন থেকে আলবার্ট আইনস্টাইন সকলেই The elements এর প্রশংসা করেছেন। যাহোক, এই ইউক্লিডিয়ান জ্যামিতি আসলে বক্রতলে খাটানো যায় না। তাছাড়া ইউক্লিডের পঞ্চম স্বতঃসিদ্ধ বেশ বিতর্কিত ছিল। যাহোক, সপ্তদশ শতাব্দিতে ডেকার্তে স্থানাঙ্ক জ্যামিতির সূচনা ঘটান। অতঃপর আরও অনেক প্রকার…
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.4414)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dcf4ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.18359%20-32.48318%20136.41153%20-.77098%20108.3%2080.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23da926c%22%20cx%3D%2241%22%20cy%3D%22236%22%20rx%3D%22110%22%20ry%3D%22110%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aedff0%22%20cx%3D%2274%22%20cy%3D%22180%22%20rx%3D%2218%22%20ry%3D%2218%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a58d38%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-26.96695%2012.62864%20-8.30168%20-17.72724%20151.6%2013.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পদার্থবিদ্যার কিছু তথ্য এবং তত্ত্ব (জামাল নজরুল ইসলাম)
পদার্থ কী দিয়ে তৈরী এই সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান আজও হয়নি। মৌলিক বস্তুকণা কাকে বলে তা এখনও স্থির করা সম্ভব হয়নি। সাধারণত একটি পরমাণু একটি নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রন দিয়ে গঠিত। নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রীণের মধ্যে আছে প্রোটন ও নিউট্রন নামক বস্তুকণা। তাই পরমাণুকে আমরা মৌলিক বস্তুকণা বলতে পারি না। আবার প্রোটন বা নিউট্রনকেও মৌলিক কণা বলা যায় না। কেননা গত কয়েক বছরের গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে একটি প্রোটন বা নিউট্রন অন্য আরেক ধরনের বস্তুকণা দিয়ে গঠিত যাদেরকে বলা হয় কোয়ার্ক বস্তুকণা। কোয়ার্ক এখনো দেখা যায়নি। কিন্তু তত্ত্বের দাবী অনুসারে প্রোটন বা নিউট্রন তিনটি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরী। অবশ্য…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23747474%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.13862%20-39.71066%2061.59896%20-.21502%2094%20125)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23737373%22%20cx%3D%2283%22%20cy%3D%2275%22%20rx%3D%2220%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23393939%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-10.99431%20-35.96077%20142.48942%20-43.56339%2065.3%2024.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23393939%22%20cx%3D%22132%22%20cy%3D%2262%22%20rx%3D%2229%22%20ry%3D%2235%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অণুজীব পরিচিতিঃ ই. কোলাই
ইশেরশিয়া কোলাই বা ই. কোলাই হলো অণুজীব জগতের সেলিব্রেটি। যারা অন্তত একটা অণুজীবের নাম জানেন তাদের ক্ষেত্রে এ অণুজীবটির নাম হয় ই কোলাই। ১৮৮৫ সালে জার্মান-অস্ট্রিয়ান শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ থিওডোর ইশেরিখ মানুষের মলে ই. কোলাই আবিষ্কার করেন। তিনি দেখেন অনেক শিশু ডায়েরিয়ায় মারা যাচ্ছে। জার্ম থিওরি তখনও প্রতিষ্ঠিত হয় নি। কিন্তু এশেরিখ ধারণা করলেন জার্ম থিওরির মাধ্যমেই এই রোগের কারণ বের করা যাবে। জার্ম থিওরিই প্রথম বলেছিলো যে অণুজীবের কারণের রোগের সৃষ্টি হয়। তিনি শিশুদের মল সংগ্রহ করে তা কালচার করলেন এবং তাতে রড আকারের এক ধরণের অণুজীব দেখলেন। তিনি তার নাম দিলেন Bacillus communis coli. এশেরিখের মৃত্যুর…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e2e2e2%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.43542%2025.39405%20-93.3361%20-5.2759%2063.4%206.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234e4e4e%22%20cx%3D%2260%22%20cy%3D%22119%22%20rx%3D%2274%22%20ry%3D%2272%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23909090%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.168%20-16.04137%20116.99355%201.2252%2078.3%2031.7)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23989898%22%20d%3D%22M133%20121l-38.2-1%202.8-16.2L133%2070.3z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সমুদ্রের ঘ্রাণ
মেঘমালা আপনাকে সমুদ্রের কথা মনে করিয়ে দেবে এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ। কিন্তু সমুদ্র না থাকলে মাথার উপরে খুব কম সংখ্যক মেঘই ভেসে বেড়াতো। কারণ সুবিশাল সমুদ্র জুড়ে অজস্র ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র জীব রয়েছে যারা ডাই-মিথাইল সালফাইড (বা ডিএমএস) নামক গ্যাস তৈরি করে। কিছু সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ডিএমএস মেঘ গঠন আরম্ভ করতে পারে। এ ক্ষুদ্র জীবদের মধ্যে আছে শৈবাল ও অণুজীব। এরা অবশ্য মেঘ নির্মাণের জন্য ডিএমএস তেরি করে না। ডিএমএস আসলে ডাই-মিথাইল-সালফনিও-প্রপিওনেট (বা ডিএমএসপি) নামক বিপাকীয় অণুর উপজাত। সম্ভবত ভেসে বেড়ানো কিংবা প্রতিরক্ষা কিংবা উভয় কাজেই ফাইটোপ্লাঙ্কটনের ডিএমএসপি দরকার। সমুদ্রের একটি নিজস্ব ঘ্রাণ আছে। এ ঘ্রাণ কখনো কখনো অপ্রীতিকর…







