
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23646464%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(327.30306%20-313.15443%20294.29148%20307.58786%201298.8%20651)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(417.20104%2040.90692%20-248.8364%202537.82987%202306.8%20831.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(369.80372%20-102.55565%20343.24529%201237.70253%20262%20803.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-371.6001%20138.93559%20-630.65867%20-1686.77323%202363.1%20474)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
১. হিগস কণা নিয়ে সংবাদ মহলে যে উৎসাহ তা হয়তো চাঁদে মানুষের পদার্পণে যে উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছিল তার সঙ্গে তুলনা করা যাতে পারে। অথচ ১৯৯৫ সনে টপ কোয়ার্ক বা ২০০০ সালে টাউ নিউট্রিনোর আবিষ্কার জনমাধ্যমে সামান্য কৌতূহলের তরঙ্গও সৃষ্টি করতে পারে নি। ঐ দুটি কণার আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে সমস্ত দৃশ্যমান পদার্থের মূল উপাদান ১/২ স্পিন সম্বলিত ১২টি ফের্মিয়ন মৌলিক কণার সন্ধান সম্পূর্ণ হয়। ততদিনে বিজ্ঞানীরা তিনটি মৌলিক শক্তির মধ্যস্থ কণা স্পিন ১ সম্বলিত বোজন কণিকাগুলিকেও সনাক্ত করতে পেরেছেন – ফোটন (তড়িৎ-চুম্বকীয়), ৮ ধরণের গ্লুয়ন (সবল), এবং W+, W- ও Z বোজন (দুর্বল)। বাকি রইল হয়ত মহাকর্ষের…
এক ঘন্টায় ইলেক্ট্রনিক বর্ণালিবীক্ষণ যন্ত্র বানাও
যা যা লাগবেঃ ১. একটি ডিভিডি ক্যাসেট ২. বড় সিডি বক্স অথবা মোটামুটি ২০সে.মি দৈর্ঘ্যের যেকোন বাক্স ৩.লেন্স খোলা যায় এমন ওয়েবক্যাম ৪.কম্পিউটার ৫.কাঁচি ৬.কিছু কালো কাগজ ৭.এন্টি কাটার ৮.আঠা ৯.স্কেল ১০. জ্যামিতির চাঁদা ১১.পেন্সিল ১২.কালো টেপ ইত্যাদি বানানো শুরু করঃ ১. প্রথমে ওয়েবক্যামটা নিয়ে ওটার লেন্সটা খুলে ফেল। দেখ লেন্সের ভিতরের অংশে একটা রঙ্গিন ছোট্ট কাঁচের টুকরা লাগানো আছে। এটা হল ইনফ্রারেড ফিল্টার। এটাকে এন্টি কাটারের চোখা অংশটা দিয়ে খোচা মেরে খুলে ফেল। লেন্সটা আগে যেমন ছিল তেমনি করে লাগিয়ে দাও। ২. এবার ডিভিডি ক্যাসেটটা নাও। ওটার একটা অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff8414%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-172.72023%20-463.67697%20508.03882%20-189.24507%20662.5%20637.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23000003%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M1417.9%20534.7L742.2%201370l702.3%2010.6z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000003%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(3.5269%20121.303%20-1356.10648%2039.42904%20865.2%2074.7)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23000005%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M833.2%201345l-221.8%20400-1130.7-626.7%20221.8-400.2z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মহাবিশ্বের প্রভাত – পুণঃআয়নন
সমসাময়িক বিশ্বসৃস্টিতত্বের প্রধান দুটো প্রশ্নের একটি হল মহাবিশ্বের প্রভাত লগ্ন। আরও ভাল ভাবে বললে কখন ও কিভাবে প্রথম তারা ও গ্যালাক্সী সমুহ সৃস্টি হয়েছিল এবং মহাবিশ্বকে সর্বপ্রথম আলোকিত করেছিল। এসকল তারা-সৃস্টিশীল গ্যালাক্সী নিরপেক্ষ হাইড্রোজেন মেঘমালাকেও আয়নিত করতে শুরু করে আর এরই ফলে আজকের মহাবিশ্ব সম্পূর্ণ আয়নিত। আজ থেকে প্রায় ১৪ কোটি বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণের ফলে এই মহাবিশ্বের যাত্রা শুরু। জ্যোতির্বিজ্ঞানে আমরা যত দুরের বস্তু দেখি সেটা সময়ের নিরিখে ততটা প্রাচীন। আমাদের মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন যে নিদর্শন পাওয়া যায় তা হল ২.৭ ডিগ্রী তাপমাত্রার পটভূমি বিকিরণ। সে সময় মহাবিশ্বের বয়স ছিল তিন লক্ষ বছর। এই…
%22%20transform%3D%22matrix(3.75%200%200%203.75%201.9%201.9)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffc336%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-57.5715%203.4217%20-3.67863%20-61.89436%20124.9%2065.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(41.73535%201.27121%20-6.6751%20219.15089%20226.4%2093.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(39.0754%20-4.1069%2026.65422%20253.60314%2019.1%2038.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffbf47%22%20cx%3D%22123%22%20cy%3D%2264%22%20rx%3D%2236%22%20ry%3D%2236%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
শুক্রের ট্রানজিট – আমাদের যা যা জানা দরকার
এমন ঘটনা বার বার আসে না। গত আটবছর আগে সে এসেছিলো। আবার আসবে শতাধিক বছর পর। আগামী ৫/৬ জুনে পৃথিবী সেই জায়গাতে অবস্থান নেবে ওই ঘটনা দেখার জন্য। কোন ঘটনা? শুক্র গ্রহের ট্রানজিট। জ্যোতির্বিজ্ঞানের এই দুর্লভ ঘটনা ২১১৭ সালে আবার দেখা যাবে — তার মানে পর্যবেক্ষণের জন্য এইবারই শেষ সুযোগ আমাদের। চলুন জেনে নেয়া যাক বিরল ট্রানজিট সম্পর্কে। ট্রানজিট কি? শুক্রের কক্ষপথ পৃথিবীর চাইতে ছোট – কারণ সে সূর্যের অনেক কাছে। তার ২২৫ দিনে একবছর। তারমানে ২২৫ দিনে সে সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসে। সে হিসেবে বছরে অন্তত একবার শুক্রগ্রহ সূর্য আর পৃথিবীর ঠিক…
%22%20transform%3D%22translate(1.3%201.3)%20scale(2.52734)%22%20fill%3D%22%23202020%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20d%3D%22M85.4%2022.3l-20-15%2019.2-25.6%2020%2015zM119%20120l-13%2031%2026-29z%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%2274%22%20cy%3D%2244%22%20rx%3D%2220%22%20ry%3D%2226%22%2F%3E%3Cpath%20d%3D%22M165%2024h2v8h-2z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-৪
এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (১ , ২ , ৩) মূল : মিশিও কাকু Naturally Occurring Antimatter আমাদের বর্তমান প্রযুক্তি দিয়ে প্রতিপরমাণু তৈরি করা একটি ব্যয়বহূল কাজ । যদি এমন হত পৃথিবীর বাইরে অর্থাৎ মহাশূণ্যে খূব সহজেই প্রতিপরমাণু পাওয়া যেত ? অনুসন্ধানকারী দল জানিয়েছেন যে ব্যাপারটা দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য পৃথিবীর বাইরে প্রতিপরমাণুর পরিমাণ (পরমাণুর তুলনায়) খুবই নগণ্য , যা পদার্থবিদদের একটু অবাকই করেছে । আমাদের এই বিশ্বজগতে প্রতিপরমাণু হতে পরমাণুর পরিমাণ বেশি যা ব্যাখ্যা করা একটু কঠিন। বিজ্ঞানীরা মনে করেন বিশ্বজগতের সৃষ্টির শুরুতে পরমাণু এবং প্রতিপরমাণুর পরিমাণ ছিল সমান । আর এখন প্রতিপরমাণুর পরিমাণ কেন কম…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23646464%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(327.30306%20-313.15443%20294.29148%20307.58786%201298.8%20651)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(417.20104%2040.90692%20-248.8364%202537.82987%202306.8%20831.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(369.80372%20-102.55565%20343.24529%201237.70253%20262%20803.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-371.6001%20138.93559%20-630.65867%20-1686.77323%202363.1%20474)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার কথা-৪
এই সিরিজের অন্য পোস্ট গুলো পড়তে চাইলে [১ ,২ ,৩ ] ফার্মিয়ান কণাদের সাথে মনে হয় প্রাথমিক পরিচয়টা আমাদের হয়েছে , আপনারা কি বলেন ? তবে এটা সত্যি যে যৌগিক ফার্মিয়ান কণাদের( বেরিয়নদের ) সম্পর্কে খূব বেশি কিছু বলা হয়নি , পরে বলার ইচ্ছা আছে । তার আগে বোসনদের সাথে প্রাথমিক পরিচয়ের পালাটা শেষ করি । আচ্ছা আপনাদের অবশ্যই মনে মনে প্রশ্ন আসছে এদের বোসন বলা হয় কেন ? উত্তর তো আপনারা জানেন (বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন মেনে চলে) । তবে কি এটা জানেন এই বোস যে একজন বাঙালী বিজ্ঞানী ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সত্যেন্দ্রনাথ বসু…
%22%20transform%3D%22translate(3.7%203.7)%20scale(7.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23010737%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-63.3%2079.8%2017.9)%20scale(54.76465%2058.638)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23eae4dd%22%20cx%3D%22199%22%20rx%3D%22114%22%20ry%3D%22114%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d65a7b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-36.25236%20-29.52113%2022.98335%20-28.22387%20108.4%2088)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23312698%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(9.49873%20-24.83726%2041.62019%2015.91718%20230.7%20169)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কৃত্রিম ডিএনএতে বিবর্তন পর্যবেক্ষণ: বিবর্তন প্রতিষ্ঠায় আরো একধাপ
বিবর্তন প্রতিষ্ঠার পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো বিজ্ঞান। প্রথমবারের মত বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে বিবর্তনের রসায়ন পর্যায়ের পরীক্ষা চালিয়েছেন এবং আবিষ্কার করেছেন যে, রাসায়নিক ভাবেই বিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই গবেষণার মাধ্যমে বোঝা গেলো মহাবিশ্বের অন্যকোথায় প্রাণের বিকাশ ঘটলে সেখানেও স্বাভাবিক রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণের বংশবৃদ্ধি এবং বিবর্তন ঘটবে এবং তার জন্য পৃথিবীর অনুরূপ ডিএনএ বা আরএনএ-র দরকার হবে না। এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি অতিসম্প্রতি ‘সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যমব্রিজের MRC Laboratory of Molecular Biology এর গবেষক ফিলিপ হলিগার। DNA এবং RNA হচ্ছে পৃথিবীতে জীবের বংশবিস্তার এবং শারীরবৃত্তীয় কাজের মূল ভিত্তি। জীবের বংশগতীয় যাবতীয় বৈশিষ্ট্য DNA…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23393939%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-768.68289%20-1.53466%20.17496%20-87.63517%20480.3%20765.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f8f8f8%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(11.90836%20328.89048%20-995.44145%2036.04262%20458%20291.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23454545%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(5.62323%2056.33747%20-222.1033%2022.16886%20475.3%20815)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-51.75173%20-133.9208%20233.59591%20-90.26973%20680.2%202)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গণিতের সৌন্দর্য্য: পর্ব-৪ (সবচেয়ে বড় সংখ্যাগুলো)
আজ কিছু বড় বড় সংখ্যা নিয়ে আলোচনা করব। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সবচেয়ে বড় যে সংখ্যাটি ব্যবহৃত হয় সেটা হল বিলিয়ন। টাকা গণনার জন্য এই সংখ্যাটি ব্যবহৃত হয়। আমাদের দেশের দু-চারজন মানুষ এই সংখ্যাটি ব্যবহার করেন। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির হিসাবের ক্ষেত্রে আরেকটু বড় সংখ্যা ব্যবহৃত হয়, ট্রিলিয়ন। এই ক্ষেত্রটির বাইরে আমাদের গণনা মিলিয়ন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। ১ মিলিয়ন(Million) = ১০০০ হাজার = ১০০০০০০ = ১০^৬ ১ বিলিয়ন(Billion) = ১০০০ মিলিয়ন = ১০০০০০০০০০ = ১০^৯ ১ ট্রিলিয়ন(Trillion) = ১০০০ বিলিয়ন = ১০০০০০০০০০০০০ = ১০^১২ ট্রিলিয়নের বেশী যদিও হিসেব করতে হয়না এবং অদূর ভবিষ্যতে সেই সম্ভবনা অতি ক্ষীণ, তথাপি, যেহেতু…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bb9671%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(177.9%2031.4%2028.8)%20scale(67.6959%20257.7604)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M647%20277.6l-510%2071.5L287.1-37z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fca964%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-67.02065%2028.12696%20-56.40581%20-134.40323%2022.9%201.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c6d2da%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(123.6%20-35.3%20150.2)%20scale(208.74131%2074.63044)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
দ্বিপদী উপপাদ্য
আমার লেখার হাত অতটা ভালো না। তাই খুব একটা লিখি না। তবে এই বিষয়টা নিয়ে একটু লেখতে ইচ্ছা করল তাই শুরু করলাম। ঘটনার সুত্রপাত আমি যখন ইন্টারে উঠলাম তখন। আমাদের বইতে দ্বিপদী উপপাদ্য নামে একটা জিনিস(!!) পড়ানো হয় (কিংবা গলধকরন করানো হয়)। আগে সবাইকে মনে করিয়ে সেটা দেই। $$(a+b)^n=^{n}\textrm{C}_{0} a^n +^{n}\textrm{C}_{1}a^{n-1}b+\cdots \cdots+^{n}\textrm{C}_{r} a^n b^{n-r}+\cdots \cdots+^{n}\textrm{C}_{n}b^n$$ আচ্ছা মোটামুটি সবাই এটা জানে। কিন্তু এইখানে $^{n}\textrm{C}_{r}$ আকারের পদগুলো যে কারও ইচ্ছা অনুযায়ী আসে নি বরং এর পেছনে যে কিছু চমৎকার কারন আছে সেটা অনেকেই জানে না। আর অতি দুর্ভাগ্যর বিষয় আমাদের পাঠ্য বইতে এইসমস্ত বিষয় কখনই পড়ানো হয় না।এবার…





