
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23646464%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(327.30306%20-313.15443%20294.29148%20307.58786%201298.8%20651)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(417.20104%2040.90692%20-248.8364%202537.82987%202306.8%20831.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(369.80372%20-102.55565%20343.24529%201237.70253%20262%20803.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-371.6001%20138.93559%20-630.65867%20-1686.77323%202363.1%20474)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (১ , ২ , ৩ , ৪) গত পোষ্টে আমরা বোসন কণাদের সাথে প্রাথমিক পরিচয় পর্ব শুরু করেছিলাম এবং মৌলিক বোসনগুলোর পরিচয়ের সাথে সাথে এর দ্বারা সৃষ্ট মৌলিক বলগুলো ও এর কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্বের সাথেও পরিচয় হব বলে ঠিক করেছিলাম । আমাদের সবচেয়ে পরিচিত বোসন কণা ফোটন আর এর দ্বারা সৃষ্ট তড়িচচুম্বিকীয় বলের সাথে প্রাথমিক পরিচয়টি আমরা ইতিমধ্যেই ছেড়ে ফেলেছি । তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা গেজ বোসন কণা গ্লুয়ন এবং এর দ্বারা সৃষ্ট সবল নিউক্লিয় বল ও এর কোয়ান্টাম ক্ষেত্র (QCD) তত্ত্বের সাথে পরিচয় হব । আজকের পোষ্টে কোয়ার্ক (নিশ্চয়ই অনেকেই…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ead7d4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-106.6%20521%20-352.8)%20scale(194.9509%20284.02382)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231a5d3d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-217.3548%2041.6402%20-130.27976%20-680.03838%20469.7%20337.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2320abf0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(52.24716%20-391.57422%20143.25934%2019.11488%2056.4%20277.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23226847%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(51.885%20-125.63617%20220.5508%2091.08268%201197.7%20514.1)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কণাতত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার গপ্পো
[পূর্বের পোস্ট: তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান কি?] আঠারো আর উনিশ শতাব্দীতে নিউটনের ক্যালকুলাস, গতিবিদ্যা আর মহাকর্ষ তত্ত্ব নিয়ে অনেক গবেষণা শুরু হয়। এই গবেষণাগুলো খুব সাফল্যের সাথে বিজ্ঞান আর প্রযুক্তিকে তাড়িৎ-চৌম্বক বিদ্যার দিকে নিয়ে যায়। ক্যালকুলাসের বিবর্তন হয় ধ্রুপদী ক্ষেত্র তত্ত্ব বা ক্লাসিক ফিল্ড থিউরীর মধ্যে। মজা হলো, যখন তাড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্রকে যখন গণিতের সাহায্যে খুব ভালো ভাবে ব্যাখ্যা করা গেল, অনেক পদার্থবিজ্ঞনী ভাবা শুরু করলেন যে প্রকৃতিতে ব্যাখ্যা করার মতো আর কিছুই বোধহয় বাকি নেই! পদার্থবিজ্ঞানীরা যখন নিশ্চিত সময় কাটাচ্ছেন, তখনই আবিষ্কার হলো ইলেক্ট্রন। আর এর সাথে সাথে জন্ম হলো কণাতত্ত্ব। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গণিত জন্ম নিলো এই কণাদের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236c6c6c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-238.9668%20-15.40795%2012.19983%20-189.21105%20491.2%20224.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-39.53385%20595.21073%20-123.13054%20-8.17832%2068.2%20223.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-95.7%20499.2%20-327.7)%20scale(728.47431%20120.72597)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23737373%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-15.96237%20-98.4136%20119.32487%20-19.35411%20468.2%20228)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান কি?
স্যার আইজ্যাক নিউটনকে মনে আছে? তাঁর সময়ে ইউরোপের বড় বড় গির্জার মতো অসাধারণ স্থাপত্য নির্মাণের জন্য মানুষ বীজগণিত এবং জ্যামিতির ব্যবহার জানতো। গতিহীন-বেগহীন নড়াচড়া করে না এমন বস্তুদের নিয়ে কাজ করার জন্য বীজগণিত আর জ্যামিতি ভালো। কিন্তু যখন কোন গতিশীল, পড়ন্ত বস্তু (গ্রহ, চন্দ্র কিংবা কামানের গোলা) নিয়ে কাজ করতে হলে দরকার অন্য কিছুর। তখন নিউটন (এবং লাইবনিজ) আবিষ্কার করলেন ক্যালকুলাস। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীরা প্রকৃতির বিভিন্ন বিষয়কে ব্যাখ্যা করার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন গণিতকে। নিউটনকে বলা হয় বিশ্বের প্রথমন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তাঁর সময়ে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানকে বলা হতো “প্রাকৃতিক দর্শন”। সবসময়েই সূর্য, গ্রহ, চাঁদ আর তারারা মানুষের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23646464%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(327.30306%20-313.15443%20294.29148%20307.58786%201298.8%20651)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(417.20104%2040.90692%20-248.8364%202537.82987%202306.8%20831.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(369.80372%20-102.55565%20343.24529%201237.70253%20262%20803.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-371.6001%20138.93559%20-630.65867%20-1686.77323%202363.1%20474)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জাড্য ভর ও হিগস ক্ষেত্র
১. হিগস কণা নিয়ে সংবাদ মহলে যে উৎসাহ তা হয়তো চাঁদে মানুষের পদার্পণে যে উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছিল তার সঙ্গে তুলনা করা যাতে পারে। অথচ ১৯৯৫ সনে টপ কোয়ার্ক বা ২০০০ সালে টাউ নিউট্রিনোর আবিষ্কার জনমাধ্যমে সামান্য কৌতূহলের তরঙ্গও সৃষ্টি করতে পারে নি। ঐ দুটি কণার আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে সমস্ত দৃশ্যমান পদার্থের মূল উপাদান ১/২ স্পিন সম্বলিত ১২টি ফের্মিয়ন মৌলিক কণার সন্ধান সম্পূর্ণ হয়। ততদিনে বিজ্ঞানীরা তিনটি মৌলিক শক্তির মধ্যস্থ কণা স্পিন ১ সম্বলিত বোজন কণিকাগুলিকেও সনাক্ত করতে পেরেছেন – ফোটন (তড়িৎ-চুম্বকীয়), ৮ ধরণের গ্লুয়ন (সবল), এবং W+, W- ও Z বোজন (দুর্বল)। বাকি রইল হয়ত মহাকর্ষের…
এক ঘন্টায় ইলেক্ট্রনিক বর্ণালিবীক্ষণ যন্ত্র বানাও
যা যা লাগবেঃ ১. একটি ডিভিডি ক্যাসেট ২. বড় সিডি বক্স অথবা মোটামুটি ২০সে.মি দৈর্ঘ্যের যেকোন বাক্স ৩.লেন্স খোলা যায় এমন ওয়েবক্যাম ৪.কম্পিউটার ৫.কাঁচি ৬.কিছু কালো কাগজ ৭.এন্টি কাটার ৮.আঠা ৯.স্কেল ১০. জ্যামিতির চাঁদা ১১.পেন্সিল ১২.কালো টেপ ইত্যাদি বানানো শুরু করঃ ১. প্রথমে ওয়েবক্যামটা নিয়ে ওটার লেন্সটা খুলে ফেল। দেখ লেন্সের ভিতরের অংশে একটা রঙ্গিন ছোট্ট কাঁচের টুকরা লাগানো আছে। এটা হল ইনফ্রারেড ফিল্টার। এটাকে এন্টি কাটারের চোখা অংশটা দিয়ে খোচা মেরে খুলে ফেল। লেন্সটা আগে যেমন ছিল তেমনি করে লাগিয়ে দাও। ২. এবার ডিভিডি ক্যাসেটটা নাও। ওটার একটা অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff8414%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-172.72023%20-463.67697%20508.03882%20-189.24507%20662.5%20637.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23000003%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M1417.9%20534.7L742.2%201370l702.3%2010.6z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000003%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(3.5269%20121.303%20-1356.10648%2039.42904%20865.2%2074.7)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23000005%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M833.2%201345l-221.8%20400-1130.7-626.7%20221.8-400.2z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মহাবিশ্বের প্রভাত – পুণঃআয়নন
সমসাময়িক বিশ্বসৃস্টিতত্বের প্রধান দুটো প্রশ্নের একটি হল মহাবিশ্বের প্রভাত লগ্ন। আরও ভাল ভাবে বললে কখন ও কিভাবে প্রথম তারা ও গ্যালাক্সী সমুহ সৃস্টি হয়েছিল এবং মহাবিশ্বকে সর্বপ্রথম আলোকিত করেছিল। এসকল তারা-সৃস্টিশীল গ্যালাক্সী নিরপেক্ষ হাইড্রোজেন মেঘমালাকেও আয়নিত করতে শুরু করে আর এরই ফলে আজকের মহাবিশ্ব সম্পূর্ণ আয়নিত। আজ থেকে প্রায় ১৪ কোটি বছর আগে এক মহাবিস্ফোরণের ফলে এই মহাবিশ্বের যাত্রা শুরু। জ্যোতির্বিজ্ঞানে আমরা যত দুরের বস্তু দেখি সেটা সময়ের নিরিখে ততটা প্রাচীন। আমাদের মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন যে নিদর্শন পাওয়া যায় তা হল ২.৭ ডিগ্রী তাপমাত্রার পটভূমি বিকিরণ। সে সময় মহাবিশ্বের বয়স ছিল তিন লক্ষ বছর। এই…
%22%20transform%3D%22matrix(3.75%200%200%203.75%201.9%201.9)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffc336%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-57.5715%203.4217%20-3.67863%20-61.89436%20124.9%2065.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(41.73535%201.27121%20-6.6751%20219.15089%20226.4%2093.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(39.0754%20-4.1069%2026.65422%20253.60314%2019.1%2038.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffbf47%22%20cx%3D%22123%22%20cy%3D%2264%22%20rx%3D%2236%22%20ry%3D%2236%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
শুক্রের ট্রানজিট – আমাদের যা যা জানা দরকার
এমন ঘটনা বার বার আসে না। গত আটবছর আগে সে এসেছিলো। আবার আসবে শতাধিক বছর পর। আগামী ৫/৬ জুনে পৃথিবী সেই জায়গাতে অবস্থান নেবে ওই ঘটনা দেখার জন্য। কোন ঘটনা? শুক্র গ্রহের ট্রানজিট। জ্যোতির্বিজ্ঞানের এই দুর্লভ ঘটনা ২১১৭ সালে আবার দেখা যাবে — তার মানে পর্যবেক্ষণের জন্য এইবারই শেষ সুযোগ আমাদের। চলুন জেনে নেয়া যাক বিরল ট্রানজিট সম্পর্কে। ট্রানজিট কি? শুক্রের কক্ষপথ পৃথিবীর চাইতে ছোট – কারণ সে সূর্যের অনেক কাছে। তার ২২৫ দিনে একবছর। তারমানে ২২৫ দিনে সে সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসে। সে হিসেবে বছরে অন্তত একবার শুক্রগ্রহ সূর্য আর পৃথিবীর ঠিক…
%22%20transform%3D%22translate(1.3%201.3)%20scale(2.52734)%22%20fill%3D%22%23202020%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20d%3D%22M85.4%2022.3l-20-15%2019.2-25.6%2020%2015zM119%20120l-13%2031%2026-29z%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%2274%22%20cy%3D%2244%22%20rx%3D%2220%22%20ry%3D%2226%22%2F%3E%3Cpath%20d%3D%22M165%2024h2v8h-2z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-৪
এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (১ , ২ , ৩) মূল : মিশিও কাকু Naturally Occurring Antimatter আমাদের বর্তমান প্রযুক্তি দিয়ে প্রতিপরমাণু তৈরি করা একটি ব্যয়বহূল কাজ । যদি এমন হত পৃথিবীর বাইরে অর্থাৎ মহাশূণ্যে খূব সহজেই প্রতিপরমাণু পাওয়া যেত ? অনুসন্ধানকারী দল জানিয়েছেন যে ব্যাপারটা দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য পৃথিবীর বাইরে প্রতিপরমাণুর পরিমাণ (পরমাণুর তুলনায়) খুবই নগণ্য , যা পদার্থবিদদের একটু অবাকই করেছে । আমাদের এই বিশ্বজগতে প্রতিপরমাণু হতে পরমাণুর পরিমাণ বেশি যা ব্যাখ্যা করা একটু কঠিন। বিজ্ঞানীরা মনে করেন বিশ্বজগতের সৃষ্টির শুরুতে পরমাণু এবং প্রতিপরমাণুর পরিমাণ ছিল সমান । আর এখন প্রতিপরমাণুর পরিমাণ কেন কম…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23646464%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(327.30306%20-313.15443%20294.29148%20307.58786%201298.8%20651)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(417.20104%2040.90692%20-248.8364%202537.82987%202306.8%20831.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(369.80372%20-102.55565%20343.24529%201237.70253%20262%20803.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-371.6001%20138.93559%20-630.65867%20-1686.77323%202363.1%20474)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার কথা-৪
এই সিরিজের অন্য পোস্ট গুলো পড়তে চাইলে [১ ,২ ,৩ ] ফার্মিয়ান কণাদের সাথে মনে হয় প্রাথমিক পরিচয়টা আমাদের হয়েছে , আপনারা কি বলেন ? তবে এটা সত্যি যে যৌগিক ফার্মিয়ান কণাদের( বেরিয়নদের ) সম্পর্কে খূব বেশি কিছু বলা হয়নি , পরে বলার ইচ্ছা আছে । তার আগে বোসনদের সাথে প্রাথমিক পরিচয়ের পালাটা শেষ করি । আচ্ছা আপনাদের অবশ্যই মনে মনে প্রশ্ন আসছে এদের বোসন বলা হয় কেন ? উত্তর তো আপনারা জানেন (বোস-আইনস্টাইন সংখ্যায়ন মেনে চলে) । তবে কি এটা জানেন এই বোস যে একজন বাঙালী বিজ্ঞানী ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সত্যেন্দ্রনাথ বসু…




