
%22%20transform%3D%22translate(.6%20.6)%20scale(1.13281)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d4cff2%22%20cx%3D%22207%22%20cy%3D%2253%22%20rx%3D%2259%22%20ry%3D%22146%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b2c163%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-62.30008%2045.70306%20-55.02882%20-75.01248%2071.5%2086.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238f9a54%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-34.5%20135.8%20-47.6)%20scale(69.49868%2020.72093)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f4f3f3%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-23.74234%208.76583%20-17.18862%20-46.55556%20182.3%2095.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বেশ তো আছেন! খেলাধুলা, লাফ-ঝাঁপ সব চলছে! কিন্তু, হঠাৎ একদিন দেখা গেল, গা গরম, মাথাটাও একটু ব্যাথা ব্যাথা করছে। সবাই বলল, আপনার জ্বর হয়েছে! অর্থাৎ, আপনার দেহের তাপমাত্রা যেখানে থাকা উচিত ৯৭ থেকে ৯৮.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট, তার থেকে বেড়ে গেছে। থার্মোমিটার ও একই কথা জানালো। বুঝলাম, আপনার দেহের তাপমাত্রা বেড়ে গেছে, আপনার জ্বর হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, এই জ্বর কেন হয়???জ্বর মানে হল, দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেরে যাওয়া। আর দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি মানে হল, দেহে পাইরোজেন(Pyrogens) উৎপন্ন হয়েছে। আবার প্রশ্ন, পাইরোজেন কি? পাইরোজেনকে বলা হয় Thermostavle Bacterial Toxin, মানে তাপজীবাণুঘটিত বিষ। এই বিষ শরীরের যেসব…

মনভূবনের দুই বাসিন্দা – প্রথম কিস্তি
উপরের ছবিটি দেখলে আপনার মনের নদীতে ভেসে যাবে স্বৈরতান্ত্রিক ভাবনার ভেলা। একে আমরা বলতে পারি দেখার সাথে সাথে যুগপৎ অবচেতন চিন্তা। ছবি দেখেই বুঝতে পেরেছেন যে উনি একজন মহিলা। তিনি যে খুবই রাগান্বিত অবস্থায় আছেন তাও বোঝা যাচ্ছে। আপনি ধারণা করছেন এই ছবি তোলার পরমুহূর্তেই মহিলা চড়াগলায় কোন কথা বলবেন। এই ভাবনাগুলো কিন্তু আপনি এমনি এমনিই ভেবেছেন। নিজে নিজেই এই ধারণাগুলো আপনার মাথায় খেলে গেছে। মহিলার মেজাজ এখন কি রকম ও তিনি নিকট–ভবিষ্যতে কি রকম আচরণ করবেন – এটা অনুধাবন করতে আপনাকে কোন বিশ্লেষণ করতে হয় নি। এবং চিন্তাগুলো খুব দ্রুত আপনার মাথায় এসেছে। এই…
%22%20transform%3D%22translate(3.4%203.4)%20scale(6.85156)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cbcbcb%22%20cx%3D%2283%22%20cy%3D%22128%22%20rx%3D%2273%22%20ry%3D%2282%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a5a5a5%22%20cx%3D%2252%22%20cy%3D%2292%22%20rx%3D%2229%22%20ry%3D%2229%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(11.6%20-26.1%20441.8)%20scale(180%2041.59968)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(167.4292%20-9.6551%201.46511%2025.40655%2095.3%20240.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্মরণ: অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির প্রয়োগেই একজন সাধারণ মানুষ তার দৈনন্দিন ভাবনায়, সামাজিক–রাজনৈতিক–অর্থনৈতিক চিন্তায়, বিশ্বাসে–অবিশ্বাসে, সঠিক ন্যায়সঙ্গত মানবিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, আত্ননির্ভরতা অর্জন করতে পারে, জীবনের সামগ্রিক মূল্যবোধকে উপলব্ধি করতে পারে। এহেন পরিশীলিত মন গড়ে উঠলেই আমরা তাকে বিজ্ঞান মনষ্ক বলতে পারি। –ড. অশোক বন্দ্যোপাধ্যায় সত্তরের দশকে সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানকে নিয়ে যাওয়ার এক আন্দোলনে মেতেছিলো কিছু তরুণ। পদার্থবিজ্ঞানের কৃতী ছাত্র অশোক বন্দ্যোপাধ্যায় (১৯৫০-২০০৮) ছিলেন তাঁদেরই মধ্যমণি। তাঁর সম্পাদনায় কলকাতা থেকে ১৯৮০ থেকে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সহজ করে বাংলাতে লক্ষ্যভেদী বিজ্ঞান আলোচনার এক নিজস্ব বলয় তৈরি করেছিলো ‘উৎস মানুষ’ পত্রিকা। যার মূলকথা-এলিট বিজ্ঞান নয়, চারধারে প্রতি দিনের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235e5e5e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-91.1%20847.3%20139.6)%20scale(112.72847%201213.60513)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-85.6169%20-317.31035%201250.21162%20-337.33299%20275.3%20268.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b1b1b1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-254.90694%20-315.90963%20159.97396%20-129.08271%20921.6%20603.4)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M1362.8%20588.6L782%2027.6%201029-228l580.8%20560.9z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বুদ্ধিদীপ্ত আচরণের মানে কি?
মাকড়শার জালের নির্দিষ্ট কারুকাজ। বাবুই পাখির শৈল্পিক বাসা। মৌচাকে মৌমাছির শৃঙ্খলিত জীবনযাপন। অবাক হয়ে যাই। এই জীবগুলো খুব পারদর্শী নিজেদের কাজে। কিন্তু, ওরা কি বুদ্ধিমান? বাবুই পাখি বছরের পর বছর ধরে একই ভাবে তার বাসাটা বানায়। বাবুই কি রাজী হবে চড়ুইয়ের মতো ভেন্টিলেটরের বাসা বানিয়ে থাকতে? অথবা মাকড়শা পারবে ভিন্ন কোন প্যাটার্নে জাল বুনতে? মৌমাছিরা কি কোনদিন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য মিছিল-মিটিঙ করবে? এখানে চলে আসে রিফ্লেক্সের প্রশ্ন। মাকড়শাকে শিখতে হয় না জাল বোনা – সে জন্মের সাথে সাথে এই গুণটি নিয়ে আসে। একই কথা বাবুইয়ের শৈল্পিক বাসার ক্ষেত্রেও। জন্মের সাথে সাথে নির্দিষ্ট হয়ে যায় একটি মৌমাছি…
%22%20transform%3D%22translate(.9%20.9)%20scale(1.75781)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23909f58%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-48.98483%20-22.27628%2016.04983%20-35.29305%20178%20162)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffffe0%22%20cx%3D%2215%22%20cy%3D%2235%22%20rx%3D%2263%22%20ry%3D%2263%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffffdf%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-45.42126%20-70.1776%2037.3841%20-24.19622%20241.6%2051)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffffde%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-34.3%20341.8%2083.5)%20scale(31.07743%20124.61836)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
একজন বেলায়েভ, কুকুরের উদ্ভব আর একদল ‘পোষা’ শেয়াল
কুকুরের সাথে মানব সহচর্যের একটি দীর্ঘ ইতিহাস আছে। এ ইতিহাস কৃত্রিম নির্বাচনের। আজ থেকে বহুশতাব্দী আগে কুকুর বলে কোন প্রাণী ছিলো না। আসলে বর্তমান কুকুরেরাএকটি আলাদা প্রজাতি হিসেবে অনেক আগে আদিম নেকড়ে থেকে বিবর্তিত হয়েছে। এই বিবর্তনের প্রক্রিয়াটা এরকম ধরা হয় – আদিম মানুষের শিকার স্থান আর বসতির আশেপাশে খাবার উচ্ছিষ্টের লোভে একদল নেকড়ে ঘোরাফেরা করতো। ওদের মধ্যে কেউ কেউ খানিকটা মানুষের সঙ্গলিপ্সু হয়ে ওঠে সহজ খাবার আর নিরাপত্তার লোভে। মানুষ দেখলো এদেরকে সাথে নিলে শিকারেও সুবিধা, আবার রাতে বিভিন্ন বিপদ সম্পর্কে ওরা সচেতনও করে দিতে পারে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের মানুষ ঠিক সেই সব নেকড়েদেরকেই নির্বাচিত…
%22%20transform%3D%22translate(.8%20.8)%20scale(1.50781)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cdcdcd%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-28%20279.3%20-187.6)%20scale(60.44671%20129.3923)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-41.93499%206.0174%20-17.83839%20-124.31498%2023%20153.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22255%22%20rx%3D%22106%22%20ry%3D%22106%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23a6a6a6%22%20d%3D%22M106%20102h35v62h-35z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মানবদেহে বিবর্তনের চিহ্ন
বিবর্তন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। আমাদের দৈনন্দিন পর্যবেক্ষণ থেকে এটুকু আমরা বুঝতে পারি, যেকোনো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াই কম-বেশী এলোমেলো (বিক্ষিপ্ত) এবং নিয়ন্ত্রনহীন। সেকারনে ঝড়ের গতিপথ কথনো সরলরৈখিক হয় না কিংবা নির্দিষ্ট্য জ্যামিতিক আকৃতির কোনো প্রাকৃতিক জলাভূমিও পাওয়া যাবে না। বিবর্তন যেহেতু একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া সেহেতু এই প্রক্রিয়াটিও এলোমেলোভাবে বা বিক্ষিপ্তভাবে হবে এটাই স্বাভাবিক এবং বাস্তবতাও সেটাই। বিবর্তন পুরোপুরিই একটি বিক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া। এখানে প্রশ্ন হতে পারে, বিবর্তন যদি বিক্ষিপ্ত বা এলোমেলো প্রক্রিয়া হয় তাহলে আমাদের শরীর এতো নিখুঁত, এতো সুগঠিত হলো কি করে?এর প্রথম উত্তর হল: প্রাকৃতিক নির্বাচন। প্রকৃতিতে কেবল যোগ্যরাই টিকে থাকে এবং অযোগ্যরা বিলুপ্ত হয়ে যায়। আদি…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.1289)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b0712a%22%20cx%3D%22230%22%20cy%3D%22118%22%20rx%3D%2249%22%20ry%3D%2249%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239d7d2b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(23.35835%20-54.2829%2039.4313%2016.96759%2021.2%20126.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f0f4ff%22%20cx%3D%22118%22%20cy%3D%229%22%20rx%3D%22190%22%20ry%3D%2242%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23efffb0%22%20d%3D%22M162.5%20168.5h-75v-129h75z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
প্রতিসাম্য এবং এর ভাঙ্গণ (প্রথম পর্ব)
প্রতিসাম্য (Symmetry) কি ? এই প্রশ্নটির যদি একটি সাধারণ উত্তর খুঁজি, তাহলে উত্তরটি হবে কিছুটা এই রকম – ‘প্রতিসাম্য দেখা যায় এমন কিছু বস্তুর মধ্যে যাদের কে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে সমান দুইটি অংশে ভাগ করলে ভাগ করা দুইটি অংশের পরস্পরের মধ্যে সদৃশ পাওয়া যায়’ । এই ধর্মটি দেখা যায় নির্দিষ্ট কিছু জ্যামিতিক কাঠামোতে । যেমন ঘনক, গোলক, বৃত্ত, সামন্তরিকের ইত্যাদি ক্ষেত্রে- চিত্রঃঘনকের প্রতিসাম্য আসলে প্রতিসাম্য দ্বারা আমরা বুঝতে পারি (প্রতিসাম্য নিয়ে এসেছে) বিজ্ঞানে সাম্যতা, অনুপাত, এবং একতান যা বিজ্ঞানকে করেছে আরো সুন্দর । শুধু বিজ্ঞানেই না এটা প্রায় দেখা যায় আর্টশিল্পে, আর্কিটেকচারে এবং সংগীতে । চিত্রঃ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d092fa%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1102.57857%20996.07046%20-271.62953%20300.6744%201567.3%20206.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230027ee%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-905.84866%20-452.36742%20202.19225%20-404.88234%20354%20915.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b6a0ff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-118.6%20846.2%20-499.8)%20scale(529.10016%20277.45711)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233063fe%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-213.86484%20181.86974%20-295.34059%20-347.29784%20426.8%20393.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সিলিকন ভিত্তিক জীবনঃ বাস্তবতা আর সম্ভাবনা
সিলিকন ভিত্তিক কাল্পনিক প্রাণ প্রাণ! এক অদ্ভুত বিস্ময় আমাদের পৃথিবীর জন্য। এই প্রাণ থাকাতেই আমরা মানুষ আমরা যর বস্তুর থেকে আলাদা। আমাদের হাসি-কান্না আনন্দ বিস্ময় সব কিছুই নিরধারন করে যেন এই প্রাণ আর সেটার স্পন্দন। এমনিতে প্রাণ বলতে আমরা মূলত বুঝি বাম হাতি অ্যামিনো এসিড আর প্রোটিন এর সমন্বয়ে গঠিত এক অজানা কুহেলিকা কে। যদিওবা এই প্রাণ এর রহস্য দিয়ে ঘেরা ডিএনএ আমরা বহন করে নিয়ে চলেছি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।চার ধরন এর ক্ষার আর এক ধরনের চিনি নিয়ে গঠিত এই ডিএনএ এর সবথেকে বড় অভিব্যাক্তি হচ্ছে বা এর সবথেকে বড় সত্য হচ্ছে এর মধ্যেকার কার্বন যৌগ।…
%22%20transform%3D%22translate(1%201)%20scale(1.95313)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b2d3c8%22%20cx%3D%2275%22%20cy%3D%22166%22%20rx%3D%2267%22%20ry%3D%2266%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%2300190e%22%20d%3D%22M61.5%20289.5L165%20182.3l39.5%2038.2L101%20327.7z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23680527%22%20cx%3D%2286%22%20cy%3D%2242%22%20rx%3D%22167%22%20ry%3D%2257%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23610726%22%20cy%3D%22255%22%20rx%3D%2260%22%20ry%3D%2234%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
দিতার ঘড়ি
দিতার ঘড়ি একটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি। এর লেখক ড. দীপেন ভট্টাচার্য । সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত এ কল্পকাহিনিটির অন্যতম উপজীব্য বিষয়বস্তু হচ্ছে সময়। সময় কি? এ প্রশ্ন তুললেই আমাদের মনে পড়ে ঘড়ির কথা। ঘড়ির কাঁটাটি নির্দিষ্ট গতিতে ঘুরছে আর কাঁটার অতিক্রান্ত দূরত্ব থেকে সময়কে মাপছি। সময় আমাদের জ্ঞান চর্চা, জীবন নির্বাহের সমগ্র স্তরে ও ক্রমবিকাশে বিশাল প্রভাব রেখেছে। আর সময় সম্পর্কে ধারণা লাভে ও আকর্ষণ সৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় প্রভাব রেখেছে পরিবর্তনশীল প্রকৃতি। ঘড়ি যদি বন্ধ হয়ে যায়? কেমন হবে যদি পৃথিবীকে সময়হীন করে রাখা যায়? সময়ের ধারায় বিঘ্ন হলে কি ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতার অবতারণা হতে পরে? সেই অবস্থায়…







