
%22%20transform%3D%22translate(1.9%201.9)%20scale(3.76563)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.42264%20-41.67795%20210.87719%20-7.19811%2097.5%20244.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2383420c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(42.73661%2067.57673%20-178.33073%20112.77922%2078.5%2048.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22145%22%20cy%3D%22249%22%20rx%3D%22170%22%20ry%3D%2233%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23244c50%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(18.12122%2029.68732%20-44.09582%2026.9162%2016.5%20138.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
উপরোক্ত টাইটেল দেখেই ঘাবড়ে যাবার কিছুই নেই। স্বভাবতই প্রথমে অনেকেরই মনে হবে, কি উদ্ভট কথাবার্তা। একটা হচ্ছে গণিত (নন-বায়োলজি) সম্পর্কিত আরেকটি হচ্ছে বায়োলজি। আমি করোনা (কিংবা যে সকল অণুজীব) যা কিনা ব্যক্তির সংস্পর্শে ছড়ায় তার সঙ্গে একটু দাবা আবিষ্কারকের ঘটনার সম্পৃক্ত করতে চাই। এর জন্যে প্রথমে আমাদের “দাবা-আবিষ্কারের” মজার ঘটানাটি জানা দরকার। দাবা আবিষ্কারের গল্পটা সম্পর্কে প্রথমে আমি আমাদের অণুজীব বিজ্ঞানের স্যার থেকে শুনেছিলাম। তো হঠাৎ করেই মনে হলো বিষয়টা হয়ত মহামারীকে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হবে। এরপর, Googling করে কিছু তথ্য বের করলাম। তো, এখন দাবার গল্পটা সম্পর্কে আসা যাক। এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে যতগুলো দাবা খেলা…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bd4c73%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(26.9986%201.79135%20-2.33653%2035.2155%2078.7%2041)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001009%22%20cx%3D%22140%22%20cy%3D%2238%22%20rx%3D%2221%22%20ry%3D%22149%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300130c%22%20cx%3D%227%22%20cy%3D%2243%22%20rx%3D%2225%22%20ry%3D%22149%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2399536b%22%20cx%3D%2279%22%20cy%3D%2239%22%20rx%3D%2224%22%20ry%3D%2224%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আপনার যা কিছু জানা উচিত
Also called: 2019 Novel Coronavirus, COVID-19, SARS-CoV-2, 2019-nCov ২০২০ সালের গোড়ার দিকে, এক নতুন ধরণের ভাইরাস সংক্রমণের অভূতপূর্ব গতির কারণে সারা বিশ্বজুড়ে শিরোনাম তৈরি করতে শুরু করে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানের একটি খাদ্য বাজারে থেকে এটা চিহ্নিত করা হয় আর সেখান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইনের মতো সুদূর প্রান্তের দেশগুলিতেও ভাইরাসটি (অফিশিয়ালি SARS-CoV-2 নামে পরিচিত) ছড়িয়ে পড়েছে । বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত (১৯ মার্চ, ২০২০), ১৫৩ টি দেশে কমপক্ষে ২৪৬,৫২২ (±) মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে । আর মৃত্যুর সংখ্যা এপর্যন্ত ১০, ০৫৯ (±) [*]। তথ্য মোতাবেক বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ জন যার প্রায় সবাই প্রবাসি বা…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fdd5e7%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-29.29238%20-42.6704%2026.23597%20-18.01047%2049.9%2074)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230d3515%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(50.47568%203.4576%20-1.6054%2023.43652%2050.3%20149.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23103b1b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(94.8%2023.3%2021.9)%20scale(21.40319%2051.54369)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b26620%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(14.06612%205.35526%20-8.58506%2022.5495%2096.5%2070.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ২; রোগ জীবাণুর গল্প
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের রোগ জীবাণুর গল্প শিরোনামে যে বইটি বেরিয়েছে সেটার পর্যালোচনা করছি আজকে। বইটি এবারের বইমেলায় বেরোল অনেকটা তার প্রথম বইয়ের দ্বিতীয় খন্ড হিসেবে। প্রথম বইটি গত বইমেলাতে প্রকাশ হয়েছিলো, গল্পে গল্পে অণুজীব আবিষ্কার। নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জয় তার বিষয় নিয়েই চমৎকার সব চিন্তাভাবনা, আবিষ্কারের কাহিনী আর গবেষণার সম্ভাবনাগুলোকে গল্পে তুলে এনে বইটি রচনা করেছিলেন। নিজের পড়াশোনার বিষয়ের প্রতি গভীর ভালোবাসা আর আবেগের রূপায়ণ হলো তার লেখালেখি, বোঝা সম্ভব। তবে ঘটনাটা বিপরীতও হতে পারে, হয়তো জীবাণুদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই তার এই বিষয়ে পড়তে আসা। এই ধাঁধার উত্তর অবশ্য আমরা কেউ…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a7a7a7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.5342%20-31.64592%2013.42594%203.19642%2047.7%2072)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%225%22%20cy%3D%2259%22%20rx%3D%2212%22%20ry%3D%2274%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-136.1%2071%2037.1)%20scale(17.7339%2033.00516)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-22.65048%20-35.69145%2011.89997%20-7.55195%202.3%2094.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ১; বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা – ৩ এবং মেঘে ঢাকা তারা – ২
আজকে দুইটা বই নিয়ে পর্যালোচনা করছি একসাথে। দুইটা বই কারন এরা একই ঘরাণার এবং একইরকম বই। দুজন সম্পূর্ণ ভিন্ন পর্যায়ের এবং ভিন্ন ধরনের লেখকের যদিও। সেজন্য তুলনাটা এবং একসাথে পর্যালোচনাটা বেশ কৌতুহলি হওয়ার কথা। প্রথম বই হলো রাগিব হাসান লিখিত ‘বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা’, আর দ্বিতীয়টি হলো অতনু চক্রবর্ত্তী রচিত ‘মেঘে ঢাকা তারা’। দুটো বইই তাদের প্রথম পর্ব শেষ করেছে আগের বা আগের কয়েক বছরে। এই বইগুলি পরবর্তী পর্ব। বইদুটি বিভিন্ন প্রতিভাবান বিজ্ঞানীকে নিয়ে। রাগিব হাসানের বইটি মূলতঃ পৃথিবীর সকল ধরনের, সকল ভাষার, সকল জায়গার বিজ্ঞানীকে তুলে ধরেছে। আর অতনু চক্রবর্ত্তীর বইটা শুধুমাত্র বাঙালী বিজ্ঞানীর জীবনকল্পের বর্ণনা। রাগিব…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c0d360%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.25055%20-20.50708%2015.1432%20.18502%2074.3%2044.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-48.89074%2054.87071%20-13.95346%20-12.43277%20132.7%2051.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(49.11632%2052.20615%20-20.19719%2019.00181%208.9%2066.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-12.32919%20-10.86964%2039.50129%20-44.80542%20129.7%2054.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিউট্রিনো বনাম নিউট্রিনো সংঘর্ষ
দ্রষ্টব্যঃ লেখারটা সহজ করার জন্য কিছু স্থানে সংঘর্ষ (যাকে কোয়ান্টামে বলে মিথস্ক্রিয়া)-কে “যোগাযোগ” বলা হয়েছে । পাঠকদের মধ্যে যারা নিউট্রিনো সম্পর্কে জানেন তাদের হয়তো এই নিউট্রিনোর সম্পর্কে প্রাথমিক (যারা জানেন তাদের তো স্নাতকোত্তর লেভেলের) ধারণা পেয়েছেন । তো আজকে কথা বলা যাক এই ভূতুরে কণা যেটা সবকিছুর মধ্য দিয়ে অনায়াসে চলে যায় সেই কণার নিজেদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে কি হবে । নিউট্রিনোর মিথস্ক্রিয়া (যেটাকে সাধারণ ভাষায় সংঘর্ষ বলি) নির্ভর করে ঔ নিউট্রিনোদের পারস্পরিক ক্রিয়ার শক্তির ওপর । নিউট্রিনো প্রধানত দুর্বল মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করে । দুর্বল মিথস্ক্রিয়া, ভেক্টর বোসন (কণা পদার্থবিজ্ঞানে, ভেক্টর বোসন হলো একটি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23383838%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-94.7%2066.9%20-40.4)%20scale(34.70822%2025.21036)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fefefe%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(41.50206%20-9.96376%2034.78336%20144.88312%2032.7%2032.7)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%234b4b4b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M104.5.5h24v41h-24z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%238c8c8c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M132.5-2.5l23%2031-38%2040z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
“বোবায় ধরা” বা ঘুম-পক্ষাঘাত কেন হয়
বেশ কয়েক বছর আগের কথা। তখন আমি সপ্তাহদুয়েক ধরে অসুস্থ। ডাক্তারের সন্দেহ টাইফয়েড, পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চলছে। একদিন মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল। চারপাশ ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকার। টের পেলাম, বুকের উপরটায় যেন চেপে বসে আছে কেউ। হাত-পা-দেহ নাড়াতে পারছিনা একেবারেই। তখনই বুঝলাম আমাকে বোবায় ধরেছে। তবে একেবারেই ভয় পাই নি, কারণ আমি বোবায় ধরার বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা জানতাম। বোবায় ধরাকে বলে Sleep Paralysis। জানতাম, ঘুমের এই পক্ষাঘাত সাময়িক। একটু পরেই সেরে যাবে। ঠিক তাই হলো। কিছুক্ষণ পর আমার শরীর নড়াচড়া করার ক্ষমতা ফিরে এলো। আসলে ‘বোবায় ধরা’-য় কিছুই ধরে না। এটা বলতে গেলে ঘুমের সমস্যাও নয়। বরং আমাদের মস্তিষ্কে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23595f3d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-77.7%2079.1%20-54.1)%20scale(20.98234%2037.31326)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%238476cd%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M54.8-9.7l39.8%2094-76.4%2032.4-39.8-94z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23999e80%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(22.05318%20-32.45027%2015.63966%2010.6287%2098.3%20.5)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%238577ce%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M74.5%2063.5h91l-36%2036z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কোয়ান্টাম প্রযুক্তি
১৯৮১ সালের এক লেকচারে রিচার্ড ফাইনম্যান বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন- কেমন হয় যদি সম্পূর্ণ মহাবিশ্বকে কম্পিউটারে সিমুলেট করা যায়! এ কাজের জটিলতা হল খুব ক্ষুদ্র স্কেলে আমাদের মহাবিশ্ব অদ্ভুত নিয়মের অধীনে কাজ করে। একই সময়ে কণা থাকতে পারে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়; অনেক দূরে থেকেও পরস্পরের দ্বারা তাৎক্ষণিক ভাবেই প্রভাবিত হতে পারে; পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে পরিবর্তীত হয়ে যেতে পারে বাস্তবতার স্বরূপ। তাই সেই লেকচারে তিনি বলেছিলেন: প্রকৃতি ক্লাসিকাল নয়, তাই যদি প্রকৃতির সিমুলেশন বানাতে চাও, সেটাকে হতে হবে কোয়ান্টাম মেকানিকাল। কোয়ান্টাম কম্পিউটার ফাইনম্যান কল্পনা করে গেছেন এমন এক কম্পিউটারের যার বিটগুলো কোয়ান্টাম কণাদের মত আচরণ করে। আজ প্রায়…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.84375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235e5e5e%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%22125%22%20rx%3D%22158%22%20ry%3D%2259%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-22.5964%20-46.32949%2058.29944%20-28.43454%2024%2019)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.25176%2029.14473%20-66.79751%20-9.7447%20222.5%203.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23595959%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(22.42945%2023.73822%20-16.15504%2015.26435%20131.2%2049.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সাগর তলের আতঙ্ক
আপনি কি স্টার ওয়ার মুভি এর “রিটার্ন ওফ জেডি” সিকুয়াল টি দেখেছেন?যদি দেখে থাকেন তবে নিশ্চই মনে করতে পারছেন কিছু লম্বাটে পোকার মত প্রাণী যারা মানুষদের আক্রমণ করত। ধরুন আপনি সাগরের মেঝে তে হেঁটে যাচ্ছেন, ঠিক এমন সময় কিছু একটা এসে আপনার পা ধরে ফেললো আর আপনাকে টেনে নিয়ে গেলো ভেতরে। ভাবতেই আঁতকে উঠছেন না? প্রশান্ত মহসাগরের ট্রপিকাল অঞ্চলের উষ্ণ পানিতে এমন এক ধরনের ওয়ার্ম পাওয়া যায় যাদের নাম ববিট ওয়ার্ম। প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারা এ প্রাণীরা বিখ্যাত তাদের অতর্কিত আক্রমণের জন্যে। মারাত্মক ধারালো চোয়াল এর অধিকারী এই প্রাণীরা সাধারণত নিশাচর হয়। এদের…

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাবে প্রোবায়োটিক
আজকাল প্রোবায়োটিক সম্পর্কে এত বেশী প্রচার-প্রচারণা হয়, তাতে অনেকের মনেই এমন ধারণা হতে পারে যে এটা বুঝি ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম থেকে শুরু করে ক্যান্সার সব কিছুই নিরাময় করার যাদুকরী ওষুধ। প্রোবায়োটিক শব্দের অর্থ জীবনের জন্য। আমাদের শরীরের ভিতরে নানারকম জীবাণু বাস করে। এদের প্রোবায়োটিক বলা হয়। এরা ব্যাকটেরিয়া কিংবা ইস্ট। শরীরের ভিতরে যে সকল জীবাণু থাকে, তাদের সবাই কিন্তু আমাদের ক্ষতি করে না। কিছু জীবাণু আমাদের বন্ধু। সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের শরীরে এসব জীবাণুর উপস্থিতি বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। কিছু প্রোবায়োটিক ব্যাক্টেরিয়ার তালিকা Lactobacillus bulgaricus, Lactobacillus plantarum, Lactobacillus rhamnosus, Lactobacillus casei, Bifidobacterium, Bacillus infantis, Streptococcus thermophillus, Enterococcus faecium।…







