
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a7a7a7%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.5342%20-31.64592%2013.42594%203.19642%2047.7%2072)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%225%22%20cy%3D%2259%22%20rx%3D%2212%22%20ry%3D%2274%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-136.1%2071%2037.1)%20scale(17.7339%2033.00516)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-22.65048%20-35.69145%2011.89997%20-7.55195%202.3%2094.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আজকে দুইটা বই নিয়ে পর্যালোচনা করছি একসাথে। দুইটা বই কারন এরা একই ঘরাণার এবং একইরকম বই। দুজন সম্পূর্ণ ভিন্ন পর্যায়ের এবং ভিন্ন ধরনের লেখকের যদিও। সেজন্য তুলনাটা এবং একসাথে পর্যালোচনাটা বেশ কৌতুহলি হওয়ার কথা। প্রথম বই হলো রাগিব হাসান লিখিত ‘বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা’, আর দ্বিতীয়টি হলো অতনু চক্রবর্ত্তী রচিত ‘মেঘে ঢাকা তারা’। দুটো বইই তাদের প্রথম পর্ব শেষ করেছে আগের বা আগের কয়েক বছরে। এই বইগুলি পরবর্তী পর্ব। বইদুটি বিভিন্ন প্রতিভাবান বিজ্ঞানীকে নিয়ে। রাগিব হাসানের বইটি মূলতঃ পৃথিবীর সকল ধরনের, সকল ভাষার, সকল জায়গার বিজ্ঞানীকে তুলে ধরেছে। আর অতনু চক্রবর্ত্তীর বইটা শুধুমাত্র বাঙালী বিজ্ঞানীর জীবনকল্পের বর্ণনা। রাগিব…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c0d360%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.25055%20-20.50708%2015.1432%20.18502%2074.3%2044.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-48.89074%2054.87071%20-13.95346%20-12.43277%20132.7%2051.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(49.11632%2052.20615%20-20.19719%2019.00181%208.9%2066.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-12.32919%20-10.86964%2039.50129%20-44.80542%20129.7%2054.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিউট্রিনো বনাম নিউট্রিনো সংঘর্ষ
দ্রষ্টব্যঃ লেখারটা সহজ করার জন্য কিছু স্থানে সংঘর্ষ (যাকে কোয়ান্টামে বলে মিথস্ক্রিয়া)-কে “যোগাযোগ” বলা হয়েছে । পাঠকদের মধ্যে যারা নিউট্রিনো সম্পর্কে জানেন তাদের হয়তো এই নিউট্রিনোর সম্পর্কে প্রাথমিক (যারা জানেন তাদের তো স্নাতকোত্তর লেভেলের) ধারণা পেয়েছেন । তো আজকে কথা বলা যাক এই ভূতুরে কণা যেটা সবকিছুর মধ্য দিয়ে অনায়াসে চলে যায় সেই কণার নিজেদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে কি হবে । নিউট্রিনোর মিথস্ক্রিয়া (যেটাকে সাধারণ ভাষায় সংঘর্ষ বলি) নির্ভর করে ঔ নিউট্রিনোদের পারস্পরিক ক্রিয়ার শক্তির ওপর । নিউট্রিনো প্রধানত দুর্বল মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করে । দুর্বল মিথস্ক্রিয়া, ভেক্টর বোসন (কণা পদার্থবিজ্ঞানে, ভেক্টর বোসন হলো একটি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23383838%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-94.7%2066.9%20-40.4)%20scale(34.70822%2025.21036)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fefefe%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(41.50206%20-9.96376%2034.78336%20144.88312%2032.7%2032.7)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%234b4b4b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M104.5.5h24v41h-24z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%238c8c8c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M132.5-2.5l23%2031-38%2040z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
“বোবায় ধরা” বা ঘুম-পক্ষাঘাত কেন হয়
বেশ কয়েক বছর আগের কথা। তখন আমি সপ্তাহদুয়েক ধরে অসুস্থ। ডাক্তারের সন্দেহ টাইফয়েড, পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা চলছে। একদিন মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল। চারপাশ ঘুঁটঘুঁটে অন্ধকার। টের পেলাম, বুকের উপরটায় যেন চেপে বসে আছে কেউ। হাত-পা-দেহ নাড়াতে পারছিনা একেবারেই। তখনই বুঝলাম আমাকে বোবায় ধরেছে। তবে একেবারেই ভয় পাই নি, কারণ আমি বোবায় ধরার বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা জানতাম। বোবায় ধরাকে বলে Sleep Paralysis। জানতাম, ঘুমের এই পক্ষাঘাত সাময়িক। একটু পরেই সেরে যাবে। ঠিক তাই হলো। কিছুক্ষণ পর আমার শরীর নড়াচড়া করার ক্ষমতা ফিরে এলো। আসলে ‘বোবায় ধরা’-য় কিছুই ধরে না। এটা বলতে গেলে ঘুমের সমস্যাও নয়। বরং আমাদের মস্তিষ্কে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23595f3d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-77.7%2079.1%20-54.1)%20scale(20.98234%2037.31326)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%238476cd%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M54.8-9.7l39.8%2094-76.4%2032.4-39.8-94z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23999e80%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(22.05318%20-32.45027%2015.63966%2010.6287%2098.3%20.5)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%238577ce%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M74.5%2063.5h91l-36%2036z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কোয়ান্টাম প্রযুক্তি
১৯৮১ সালের এক লেকচারে রিচার্ড ফাইনম্যান বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন- কেমন হয় যদি সম্পূর্ণ মহাবিশ্বকে কম্পিউটারে সিমুলেট করা যায়! এ কাজের জটিলতা হল খুব ক্ষুদ্র স্কেলে আমাদের মহাবিশ্ব অদ্ভুত নিয়মের অধীনে কাজ করে। একই সময়ে কণা থাকতে পারে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়; অনেক দূরে থেকেও পরস্পরের দ্বারা তাৎক্ষণিক ভাবেই প্রভাবিত হতে পারে; পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে পরিবর্তীত হয়ে যেতে পারে বাস্তবতার স্বরূপ। তাই সেই লেকচারে তিনি বলেছিলেন: প্রকৃতি ক্লাসিকাল নয়, তাই যদি প্রকৃতির সিমুলেশন বানাতে চাও, সেটাকে হতে হবে কোয়ান্টাম মেকানিকাল। কোয়ান্টাম কম্পিউটার ফাইনম্যান কল্পনা করে গেছেন এমন এক কম্পিউটারের যার বিটগুলো কোয়ান্টাম কণাদের মত আচরণ করে। আজ প্রায়…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.84375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235e5e5e%22%20cx%3D%22255%22%20cy%3D%22125%22%20rx%3D%22158%22%20ry%3D%2259%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-22.5964%20-46.32949%2058.29944%20-28.43454%2024%2019)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.25176%2029.14473%20-66.79751%20-9.7447%20222.5%203.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23595959%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(22.42945%2023.73822%20-16.15504%2015.26435%20131.2%2049.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সাগর তলের আতঙ্ক
আপনি কি স্টার ওয়ার মুভি এর “রিটার্ন ওফ জেডি” সিকুয়াল টি দেখেছেন?যদি দেখে থাকেন তবে নিশ্চই মনে করতে পারছেন কিছু লম্বাটে পোকার মত প্রাণী যারা মানুষদের আক্রমণ করত। ধরুন আপনি সাগরের মেঝে তে হেঁটে যাচ্ছেন, ঠিক এমন সময় কিছু একটা এসে আপনার পা ধরে ফেললো আর আপনাকে টেনে নিয়ে গেলো ভেতরে। ভাবতেই আঁতকে উঠছেন না? প্রশান্ত মহসাগরের ট্রপিকাল অঞ্চলের উষ্ণ পানিতে এমন এক ধরনের ওয়ার্ম পাওয়া যায় যাদের নাম ববিট ওয়ার্ম। প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারা এ প্রাণীরা বিখ্যাত তাদের অতর্কিত আক্রমণের জন্যে। মারাত্মক ধারালো চোয়াল এর অধিকারী এই প্রাণীরা সাধারণত নিশাচর হয়। এদের…

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাবে প্রোবায়োটিক
আজকাল প্রোবায়োটিক সম্পর্কে এত বেশী প্রচার-প্রচারণা হয়, তাতে অনেকের মনেই এমন ধারণা হতে পারে যে এটা বুঝি ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম থেকে শুরু করে ক্যান্সার সব কিছুই নিরাময় করার যাদুকরী ওষুধ। প্রোবায়োটিক শব্দের অর্থ জীবনের জন্য। আমাদের শরীরের ভিতরে নানারকম জীবাণু বাস করে। এদের প্রোবায়োটিক বলা হয়। এরা ব্যাকটেরিয়া কিংবা ইস্ট। শরীরের ভিতরে যে সকল জীবাণু থাকে, তাদের সবাই কিন্তু আমাদের ক্ষতি করে না। কিছু জীবাণু আমাদের বন্ধু। সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের শরীরে এসব জীবাণুর উপস্থিতি বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। কিছু প্রোবায়োটিক ব্যাক্টেরিয়ার তালিকা Lactobacillus bulgaricus, Lactobacillus plantarum, Lactobacillus rhamnosus, Lactobacillus casei, Bifidobacterium, Bacillus infantis, Streptococcus thermophillus, Enterococcus faecium।…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f5a756%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-24.46574%204.97761%20-7.35218%20-36.1371%2049%2052)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c3236%22%20cx%3D%22107%22%20cy%3D%2238%22%20rx%3D%2228%22%20ry%3D%22123%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23934d0b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(18.23686%203.51315%20-9.21444%2047.83238%2067%2085)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300121f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-14.71936%20-6.9578%2051.89411%20-109.78284%200%2034)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
একজন হোমো স্যাপিয়েন্স
ছেলেটাকে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল এই জন্য যে, তার স্মৃতি শক্তি অত্যধিক দুর্বল। এই ছেলেকে দিয়ে জীববিজ্ঞানের মতো ভাইটাল সাবজেক্ট পড়া সম্ভব না। তাকে অন্য বিষয় পড়তে দেয়া হোক যেটা তার জন্য সোজা। পরবর্তীকালে ইনিই হয়েছিলেন দ্বিপদ নামকরনের জনক। বিশ্ব তাকে চেনে বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস নামে। লিনিয়াসের জন্ম দক্ষিণ সুইডেনের সামালান্দের এক গ্রামে। তার পূর্বপুরুষ কেউই শেষ নাম ব্যবহার করতেন না। তাদের নাম রাখা হতো স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশের প্যাট্রোনিমিক (পিতার নামের সাথে সংযুক্ত) নিয়মে। তার বাবাই প্রথম শেষ নামের প্রচলন করেন। বাড়ির সামনের এক বিশাল লিন্ডেন গাছের নামানুসারে লিনিয়াস নামটিই বেছে নেন। ক্যারোলাস লিনিয়াসের জন্ম…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c56119%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-26.10442%2010.66042%20-19.26299%20-47.16974%2064.6%2087.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233747a4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-15.9%20251.5%20-479)%20scale(33.97114%20149.00002)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ba896f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(8.5051%2015.64565%20-31.23811%2016.9813%2048.5%2057.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235753b5%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-9.30367%20-37.36863%2092.77639%20-23.09855%2018.3%20.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সিকাডা মাশরুম – ডায়াবেটিস চিকিৎসার বিকল্প সমাধান
একবিংশ শতাব্দীতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় ডায়াবেটিস একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেন্জ হিসেবে দাড়িয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফাউন্ডেশনের হিসেব অনুযায়ী বর্তমানে ৩৭১ মিলিয়ন লোক ডায়াবেটিসে ভুগছে আর এই রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে আরো ২৮০ মিলিয়ন লোক। ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধ মিলিয়ন লোক এই রোগে আক্রান্ত হবে। বাংলাদেশে এখন ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লক্ষ। বিশেষত নিম্ন আয়ের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এর প্রভাব বেশীমাএায় পরিলক্ষিত হয়। এই রোগটি বর্তমানে বাংলাদেশর জন্যও একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা দাড়িয়েছে এবং এর প্রকোপ দিন দিন দ্রুত হারে বেড়ে চলছে। মূল কারণ হল, শারীরিক পরিশ্রম আর স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অনুপস্থিতি। ডায়াবেটিস মেলাইটাস বা বহুমূত্র একটি ক্রনিক রোগ যা নিরাময়যোগ্য না…

ব্যাক্টেরিয়ার রাজত্বে বসবাস
সাধারণভাবে, রাজত্ব দ্বারা বোঝায় কোন রাজ্যের রাজা কিংবা সম্রাটের দ্বারা রাজ্য পরিচালনা করা । যেখানে রাজা হবে একজন আর তার থাকবে বিশাল জনসংখ্যার প্রজা। তবে ‘ব্যাক্টেরিয়ার-রাজত্বের’ সাথে মানুষের রাজত্বের কিছুটা অবশ্যি পার্থক্য রয়েছে। যেমনঃ ব্যাকটেরিয়ার রাজত্বে রাজা হলো একক কোন ব্যাক্টেরিয়া নয় বরং পুরা প্রজাতির সকল ব্যাক্টেরিয়া। যেন আমরা সবাই রাজা মেনে চলে। আর সেখানে রাজত্বের বিস্তৃতি হলো মানুষ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রাণী, মাটি, পানি, বায়ু অর্থাৎ চারপাশের পুরা পরিবেশ টাই। সে এক ভিন্ন ধরণের রাজ্য। যেখানে রাজ্য পরিচালনা করেন সম্রাট “ব্যাকটেরিয়া” । কেননা পরিবেশের সকল জায়গাতেই তার উপস্থিতি মিলে। সামান্য এক গ্রাম মাটির কথায়…







