
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2379d924%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(155.5%2031.4%2038)%20scale(32.37393%2058.31457)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23004000%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-36.52676%2011.86826%20-46.04353%20-141.70742%20149.4%2016.7)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23003700%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M23.4-24.8L28.6%20124l-51%201.7L-27.6-23z%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%2388dc61%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M48.5%2024.5h31v35h-31z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কখনো ভেবে দেখেছো কি তোমার চেহারা কেনো তোমার বাবা মায়ের সাথে মিলে? যমজ বাচ্চা দেখতে কতো কিউট ই না লাগে; যমজ হওয়ার পেছনে রহস্য টা কি? মানুষের ক্যান্সার হয় কেনো? কিছু কিছু মানুষের চুল লাল হয় কেনো? এই সব কিছুর পেছনে আছে জিনের প্রভাব। না, কোন জিন-ভুত না। ‘GENE’ হলো জীবন্ত প্রাণের বংশগতির আণবিক একক। আমাদের দেহ কোষ দিয়ে গঠিত। কোষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু ক্রোমোজোম, যা DNA দিয়ে গঠিত। এই DNA এর নির্দিষ্ট অংশ ই হলো GENE। DNA এর নির্দিষ্ট অংশ নির্দিষ্ট সব বৈশিষ্ট নিয়ন্ত্রণ করে। মূলত এর কারণেই আমাদের বাহ্যিক রকমফের হয়। আর এর সম্পর্কিত বিষয়াদি…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d6d6d6%22%20cx%3D%2268%22%20cy%3D%2241%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2261%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2249%22%20cy%3D%22127%22%20rx%3D%22149%22%20ry%3D%2224%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(11.7982%20-123.6435%2021.65358%202.0662%20149%2080.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(22.64788%20133.29225%20-15.27264%202.595%200%2060.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ ও আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা
আমাদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অন্তর্নিহিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা। বিবর্তনীয় সময়রেখায় আগে আসা অন্তর্নিহিত প্রতিরোধের ব্যাপ্তি গায়ের চামড়া, চোখের পানি, পেটের এসিড, নাকের মিউকাস এবং নানান রকম শ্বেতরক্তকণিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ অ্যান্টিজেন, অ্যান্টিবডি, টি কোষ, বি কোষ সহ আরো সূক্ষ্ণ জিনিসপাতি। যদিও মানুষের মত বড়সর একটি প্রাণি যার আবার বংশবৃদ্ধির হার অতটা দ্রুত নয়, তাকে রক্ষা করার জন্য শুধু অন্তর্নিহিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট না হলেও যেকোন সংক্রমনে টি কোষ, অ্যান্টিবডি এদের কসরত শুরু হবার আগ পর্যন্ত অন্তর্নিহিত প্রতিরোধই আমাদের ভরসা। ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমনে অন্তর্নিহিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23490000%22%20cx%3D%2219%22%20cy%3D%2265%22%20rx%3D%2263%22%20ry%3D%2241%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c0afbe%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(28.5%20-131.6%20261.2)%20scale(28.18577%2034.35833)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aad3d0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.06438%2012.29601%20-148.59706%20.77806%2096.4%204.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2357131b%22%20cx%3D%22121%22%20cy%3D%2241%22%20rx%3D%22148%22%20ry%3D%2217%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ক্রিসপার-শিশুর জন্ম-বিতর্ক : পৃথিবী কি জিনোম-সম্পাদিত শিশুদের স্বাগত জানাবে?
তাদের নাম লুলু ও নানা। প্রকৃত নয়, ছদ্মনাম। ছদ্মনাম দেয়ার উদ্দেশ্য হলো এ দুই নবজাতকের প্রকৃত পরিচয় যাতে গোপন থাকে। কারণ তাদের জন্ম কোন সাধারণ জন্ম নয়, প্রকৃতির উপর বাড়াবাড়ি যেন, বিশ্ববাসীর কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত । লুলু ও নানা পৃথিবীতে জন্ম নেয়া প্রথম শিশু যাদের জিনোম প্রকৃতির হাত থেকে ছিনিয়ে গবেষণাগারে সম্পাদিত করা হয়েছে। হে জিয়ানকুই নামক বিজ্ঞানী এ ঘোষণা দেয়ার পর সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানী-মহল তো বটেই, সাধারণ মানুষের মাঝেও হুলস্থুল ও নাটকীয় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তাই বোঝা কঠিন নয় কেন এই দুই শিশুর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। চিনের সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনলজি এর…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-136.9%2065.1%20-15.1)%20scale(45.4086%2040.22008)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d2d2d2%22%20cx%3D%2238%22%20cy%3D%2242%22%20rx%3D%2258%22%20ry%3D%2230%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(15.62706%2010.063%20-76.47075%20118.75324%20118%2043.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d2d2d2%22%20cx%3D%22142%22%20cy%3D%2277%22%20rx%3D%2223%22%20ry%3D%2222%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
X ক্রোমোসোম এর রহস্য উন্মোচন
ধরুন দুটি আইডেন্টিক্যাল জমজ বোন আছে। আইডেন্টিক্যাল জমজ মানে এরা দুইজন একটিমাত্র জাইগোট থেকে বৃদ্ধি লাভ করেছে। যেহেতু তারা সম্পূর্ণ একই রকম ডিএনএ বিশিষ্ট্য তাই তাদের চুলের রঙ, নাক, হাত, চোখের রঙ সহ প্রায় সব কিছুই হুবুহু একই রকম। কিন্তু আশ্চর্য করা বিষয় হল এদের মাঝে একজন সবুজ আলোর জন্য বর্ণান্ধ কিন্তু অন্যজন স্বাভাবিক। প্রশ্ন হলো ,একই রকম জিনোম বিশিষ্ট্য হলে দুই বোনের মাঝে এই ভিন্নতা কিভাবে সম্ভব হলো ? উত্তর লোকানো আছে তাদের জিনে এবং X ক্রোমোসোম এর বিশেষ রহস্যে। মানব দেহে ২৩ জোড়া ক্রোমোসোম আছে। আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্যট নিয়ন্ত্রনকারী সকল উপাদান ২৩ জোড়া ক্রোমোসোম…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22122%22%20cy%3D%2287%22%20rx%3D%2259%22%20ry%3D%2216%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23c0ce79%22%20d%3D%22M32%200h40v81H32z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ddd7fa%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-8.05422%2064.3023%20-34.59372%20-4.33306%205%2079.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b3c266%22%20cx%3D%2271%22%20rx%3D%22133%22%20ry%3D%228%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গ্রীনহাউজ গ্যাস যেভাবে তাপ ধরে রাখে
গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূ্-পৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমন্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়। এই বিকীর্ণ তাপ বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূ-পৃষ্ঠের তথা বায়ুমন্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত সৌর বিকিরণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বায়ুমন্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভূ-পৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূ-পৃষ্ঠ পরবর্তীকালে এই শক্তি নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অবলোহিত রশ্মি আকারে নির্গত করে। এই অবলোহিত রশ্মি বায়ুমন্ডলস্ত গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে অনেক বেশি শক্তি আকারে ভূ-পৃষ্ঠে ও বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে পুনঃবিকিরিত হয়। শীত প্রধান দেশগুলোতে সাধারণত কাচ নির্মিত গ্রীনহাউজ তৈরি করে উদ্ভিদ উৎপাদন করার পদ্ধতি অনুসরণ…
%22%20transform%3D%22translate(1.4%201.4)%20scale(2.85938)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffd456%22%20cx%3D%2286%22%20cy%3D%22169%22%20rx%3D%2293%22%20ry%3D%2256%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000006%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-6.6%201509.5%20-2052.5)%20scale(50.84967%2072.1085)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2339a9a0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-74.61713%20-50.14063%2027.65138%20-41.1496%2085.7%2031.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230c4f45%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(30.13026%2016.36935%20-26.31058%2048.4286%2023.4%2029.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি
কোন দম্পতির ক্ষেত্রে যখন স্ত্রী গর্ভবতী হয় তখন ঐ দম্পতিকে দেখলে সকলের একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো “ছেলে হবে নাকি মেয়ে?”। এই প্রশ্নের কারণ হলো, সামাজিক জীবনের অভিজ্ঞতায় আমরা বলতে পারি যে ছেলে বা মেয়ে হওয়ার সম্ভাবনা ৫০/৫০। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে মেয়ে বা ছেলে হওয়ার সম্ভাবনা কেনই বা ৫০/৫০ হলো? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে আমাদের লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতিতে। আমাদের এই প্রাণিজগতে নানা বৈচিত্রের জনন প্রক্রিয়া ও জীবনচক্র লক্ষ করা যায়। কোন প্রাণী অযৌন জনন, কোনটা যৌন জনন, কোনটা আবার যৌন অযৌন উভয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে । যৌন জননের ক্ষেত্রে মাইয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড (2n)…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23de7998%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(49.465%20-3.13503%201.54842%2024.43117%2078%2039.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(87.6%2027.8%20113.9)%20scale(126.04805%2019.49015)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23feffff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-90.9%2065.3%2053.8)%20scale(149%2019.16597)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23dc8da3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M33.5%207.5h23v56h-23z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আমার অভিজ্ঞতা কিডনি রোগের জন্য দায়ী অনিয়মসমূহ এবং আপনার করণীয়
আমার কিডনি রোগ ধরা পড়ে ২০১৫ সালে। এর আগে আমি বুঝতেই পারিনি এত বড় একটি রোগ আমার শরীরে বাসা করেছে। কিডনি বিকল হওয়ার জন্য আমাদের কিছু অনিয়ম দায়ী। তাই এই অনিয়মগুলো জানা জুরুরী। কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম: ১. প্রস্রাব আটকে ২. পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া ৩. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া ৪. যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা ৫. মাংস বেশি খাওয়া ৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া ৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন ৮, ওষুধ সেবনে অনিয়ম ৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া ১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া এই অনিয়মগুলো না করার মাধ্যমে অধিকাংশ কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা যায়। আমি আমার…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bebebe%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-6.7904%20106.8956%20-23.82432%20-1.51341%2072.6%2076.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(13.54073%20-63.16187%2029.1892%206.25762%2016.8%2034.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(3.6778%2066.88138%20-30.95068%201.70198%20136.4%2026.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-87.7%2015.9%203.9)%20scale(73.7915%2029.2614)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
একটি মানুষ আর একটি বাহিনী (আবদুল্লাহ আল-মুতী)
একটি মানুষ। তাও তার বয়স হয়েছে সত্তুর বছরের ওপরে। কতটুকুই-বা শক্তি তার গায়ে। তবু এই মানুষটি লড়ছে এক বিরাট সৈন্যবাহিনীর বিরুদ্ধে। নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে বিশাল বাহিনীকে। যে-সে বাহিনী নয়। সেকালের দুনিয়ার সবচেয়ে দুর্ধর্ষ রোমের সৈন্য তারা। আরও আশ্চর্য, এই মানুষটি কিন্তু সেনাপতি নয়। যুদ্ধবিদ্যাই শেখেনি সে কোনোদিন। তবু তিন বছর ধরে লড়াই করে ঠেকিয়ে রেখেছে প্রবল পরাক্রমশালী রোমান বাহিনীকে। বুদ্ধির জোরে রক্ষা করেছে তার দেশের আজাদি। এই লোকটির নাম আর্কিমিডিস। পুরনো দিনের দুনিয়ার সবচেয়ে নামজাদা বিজ্ঞানী। আজ থেকে সোয়া দু’হাজার বছর আগে বিজ্ঞানকে তিনি কাজে লাগিয়েছিলেন মানুষের, দেশের নানা সমস্যার সমাধানের জন্যে। সেকালে পণ্ডিত আর বিজ্ঞানী…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235f1f74%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(6.94645%2015.93339%20-26.13884%2011.3957%20127.3%20111.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001747%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-12.769%203.75876%20-9.25267%20-31.43256%20110.8%2073.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23002753%22%20cx%3D%22106%22%20cy%3D%2259%22%20rx%3D%2217%22%20ry%3D%2217%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%2346357a%22%20d%3D%22M101%20133l3-39%2040%2034z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কোয়াটারনিয়ন: সংখ্যার এক অন্যভুবন
ঘড়ির ঘণ্টার কাটা ঘুরানোর কথা চিন্তা করুন। গণিতবিদেরা অনেক আগে থেকেই জানেন কিভাবে এধরনের ঘূর্ণনকে সাধারণ গুণন দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। খুব সহজ, যে সংখ্যা দিয়ে কাটার অবস্থান প্রকাশ করা হল, সেটাকে আরেকটা ধ্রুবক সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে ঘুরে যাবে অবস্থান। এ ঘুর্ণন তো ছিল একটা তলে, মানে দ্বিমাত্রিক ঘুর্ণন। তাহলে এরকম সহজ উপায় দিয়ে কি ত্রিমাত্রিক ঘুর্ণনকেও ব্যাখ্যা করা যায়? এই সমস্যাটাই এক দশকের বেশি ভাবিয়েছে উইলিয়াম হ্যামিল্টনকে। তিনি ছিলেন ১৯ শতকের অন্যতম এক গণিতবিদ। সমাধান করতে গিয়ে তিনি পেলেন চার মাত্রিক এক নতুন সংখ্যা পদ্ধতি, যা সূচনা করেছে আধুনিক বীজগণিতের।







