
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.4414)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dcf4ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.18359%20-32.48318%20136.41153%20-.77098%20108.3%2080.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23da926c%22%20cx%3D%2241%22%20cy%3D%22236%22%20rx%3D%22110%22%20ry%3D%22110%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23aedff0%22%20cx%3D%2274%22%20cy%3D%22180%22%20rx%3D%2218%22%20ry%3D%2218%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a58d38%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-26.96695%2012.62864%20-8.30168%20-17.72724%20151.6%2013.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পদার্থ কী দিয়ে তৈরী এই সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান আজও হয়নি। মৌলিক বস্তুকণা কাকে বলে তা এখনও স্থির করা সম্ভব হয়নি। সাধারণত একটি পরমাণু একটি নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রন দিয়ে গঠিত। নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রীণের মধ্যে আছে প্রোটন ও নিউট্রন নামক বস্তুকণা। তাই পরমাণুকে আমরা মৌলিক বস্তুকণা বলতে পারি না। আবার প্রোটন বা নিউট্রনকেও মৌলিক কণা বলা যায় না। কেননা গত কয়েক বছরের গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে যে একটি প্রোটন বা নিউট্রন অন্য আরেক ধরনের বস্তুকণা দিয়ে গঠিত যাদেরকে বলা হয় কোয়ার্ক বস্তুকণা। কোয়ার্ক এখনো দেখা যায়নি। কিন্তু তত্ত্বের দাবী অনুসারে প্রোটন বা নিউট্রন তিনটি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরী। অবশ্য…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23747474%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.13862%20-39.71066%2061.59896%20-.21502%2094%20125)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23737373%22%20cx%3D%2283%22%20cy%3D%2275%22%20rx%3D%2220%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23393939%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-10.99431%20-35.96077%20142.48942%20-43.56339%2065.3%2024.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23393939%22%20cx%3D%22132%22%20cy%3D%2262%22%20rx%3D%2229%22%20ry%3D%2235%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অণুজীব পরিচিতিঃ ই. কোলাই
ইশেরশিয়া কোলাই বা ই. কোলাই হলো অণুজীব জগতের সেলিব্রেটি। যারা অন্তত একটা অণুজীবের নাম জানেন তাদের ক্ষেত্রে এ অণুজীবটির নাম হয় ই কোলাই। ১৮৮৫ সালে জার্মান-অস্ট্রিয়ান শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ থিওডোর ইশেরিখ মানুষের মলে ই. কোলাই আবিষ্কার করেন। তিনি দেখেন অনেক শিশু ডায়েরিয়ায় মারা যাচ্ছে। জার্ম থিওরি তখনও প্রতিষ্ঠিত হয় নি। কিন্তু এশেরিখ ধারণা করলেন জার্ম থিওরির মাধ্যমেই এই রোগের কারণ বের করা যাবে। জার্ম থিওরিই প্রথম বলেছিলো যে অণুজীবের কারণের রোগের সৃষ্টি হয়। তিনি শিশুদের মল সংগ্রহ করে তা কালচার করলেন এবং তাতে রড আকারের এক ধরণের অণুজীব দেখলেন। তিনি তার নাম দিলেন Bacillus communis coli. এশেরিখের মৃত্যুর…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e2e2e2%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.43542%2025.39405%20-93.3361%20-5.2759%2063.4%206.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234e4e4e%22%20cx%3D%2260%22%20cy%3D%22119%22%20rx%3D%2274%22%20ry%3D%2272%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23909090%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.168%20-16.04137%20116.99355%201.2252%2078.3%2031.7)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23989898%22%20d%3D%22M133%20121l-38.2-1%202.8-16.2L133%2070.3z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সমুদ্রের ঘ্রাণ
মেঘমালা আপনাকে সমুদ্রের কথা মনে করিয়ে দেবে এমন সম্ভাবনা ক্ষীণ। কিন্তু সমুদ্র না থাকলে মাথার উপরে খুব কম সংখ্যক মেঘই ভেসে বেড়াতো। কারণ সুবিশাল সমুদ্র জুড়ে অজস্র ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র জীব রয়েছে যারা ডাই-মিথাইল সালফাইড (বা ডিএমএস) নামক গ্যাস তৈরি করে। কিছু সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ডিএমএস মেঘ গঠন আরম্ভ করতে পারে। এ ক্ষুদ্র জীবদের মধ্যে আছে শৈবাল ও অণুজীব। এরা অবশ্য মেঘ নির্মাণের জন্য ডিএমএস তেরি করে না। ডিএমএস আসলে ডাই-মিথাইল-সালফনিও-প্রপিওনেট (বা ডিএমএসপি) নামক বিপাকীয় অণুর উপজাত। সম্ভবত ভেসে বেড়ানো কিংবা প্রতিরক্ষা কিংবা উভয় কাজেই ফাইটোপ্লাঙ্কটনের ডিএমএসপি দরকার। সমুদ্রের একটি নিজস্ব ঘ্রাণ আছে। এ ঘ্রাণ কখনো কখনো অপ্রীতিকর…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d2783f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-165.4%2021.3%204.7)%20scale(23.72743%2018.34448)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23878b8e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-73.3%2084.8%2024.9)%20scale(27.19696%2020.18153)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-14.59755%20-18.28603%2035.86791%20-28.63298%20133%2089.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22143%22%20cy%3D%223%22%20rx%3D%2237%22%20ry%3D%2237%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ম্যালেরিয়ার ঔষধ পার্কিনসন চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত
বর্তমান বিশ্বে প্রায় ১০ মিলিয়ন মানুষ পারকিনসন নামক একটি ভয়ানক স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত। এই রোগের সঠিক চিকিৎসা কি সেটা এখনো অজানা। আমাদের মস্তিষ্কের কিছু কোষ আছে যারা ডোপামিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক পদার্থ ( নিউরোট্রান্সমিটার) ক্ষরণ করে, যেটা কিনা মানবদেহে বিভিন্ন আনন্দদায়ক অনুভূতির সৃষ্টি করে এবং পেশী সঞ্চালনে সহায়তা করে চলাচলে সাহায্য করে। কিন্তু, এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির স্নায়ুকোষগুলো ডোপামিন ক্ষরণে অক্ষম হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে এদের মৃত্যু ঘটে। আর ডোপামিনের অভাবে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে কাঁপুনি শুরু হয়, চলাফেরায় কষ্ট হয় এমনকি দৈনন্দিন জীবনের কিছু ছোটখাটো কিন্তু গুরুত্বপূর্ন কাজ যেমন দাঁত ব্রাশ করা,…
%22%20transform%3D%22translate(2.5%202.5)%20scale(5.07813)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f5bed3%22%20cx%3D%2228%22%20cy%3D%2279%22%20rx%3D%22123%22%20ry%3D%2249%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233b3347%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-166.94054%20.8741%20-.353%20-67.41839%2095.1%20208.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235b94de%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(20.95793%20-53.7543%20158.3875%2061.7527%20122.8%2017.5)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23a86666%22%20d%3D%22M128.5%20179.3L59%20189l-9.6-68.3L119%20111z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অনুজীবের সুলতানি আমল (পর্ব এক)
সে অনেকদিন আগের কথা। আমাদের পৃথিবী নামের গ্রহটি তখনও টগবগে তরুণ। ক্যালেন্ডারের পাতা ধরে পিছিয়ে গেলে আমরা আজ সাড়ে চার বিলিয়ন বছর আগের গল্প বলছি। সাড়ে চার বিলিয়ন মানে ৪,৫০০,০০০,০০০ বছর ! সবচেয়ে পুরানো যে ক্রিস্টালটি পাওয়া গিয়েছে অদ্যবধি তার বয়স কম করে হলেও ৪.৩ বিলিয়ন বছর যা হচ্ছে আসলে এক ধরনের জিরকন ক্রিস্টাল (ZrSiO4 )। শুরুর সময়টায় পৃথিবী অত্যন্ত উত্তপ্ত ছিল আর প্রায়শই নানা গ্রহানু এসে আঘাত করত একে। ধীরে ধীরে এক সময় পৃথিবী ঠান্ডা আর সুস্থির হতে থাকে, আর প্রাণ সঞ্চারের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী হতে থাকে। আজ হতে প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে প্রথম…
%22%20transform%3D%22translate(.8%20.8)%20scale(1.5625)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-162.10724%208.49568%20-2.05518%20-39.2151%20153.9%20164.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23797979%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-191.41985%20-3.54029%201.21876%20-65.89731%2030.5%2025)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23696969%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-12.50354%2052.081%20-38.75968%20-9.30537%20179.8%2091)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22242%22%20cy%3D%22179%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2222%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গণিতের সৌন্দর্য: তিন-কয়েদি সমস্যা
সম্ভাব্যতার সমস্যাগুলো মাঝে মাঝে আমাদের হতবিহ্বল করে দেয়। এর আগে গণিতের সৌন্দর্য বইতে আমি জন্মদিনের সমস্যা বা মন্টিহল সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম সেইসব সমস্যার ফলাফল বা সেই ফলাফলের প্রমানগুলো ছিলো বেশ চমকপ্রদ। আজ তিন-বন্দী সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব। এই সমস্যাটিও অনেকটা মন্টিহল সমস্যার মতোই তবে এই ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো বেশি চমকপ্রদ মনে হতে পারে।ধরা যাক, একটি কারাগারে তিনজন বন্দী আছে যথাক্রমে রহিম, করিম ও সলিম নামে। এই তিনজন বন্দীর মধ্যে দুইজনকে পরদিন সকালে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হবে। কিন্তু বন্দীদের কারো কোনো ধারনা নেই ঠিক কোন দুইজনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হবে। এখন এদের মধ্যে রহিম অন্যদের চেয়ে একটু বেশি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23c70a1c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M818.8%20495.7l-932.6-213%20139.5%20741.8z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c9e3dc%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(376.7895%20-217.17598%20599.78735%201040.60116%201422.2%20191.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23807d9b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-170.78524%20-339.56866%20441.68551%20-222.14467%20713.8%20771.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23efe8ec%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(3.89983%20223.421%20-484.65217%208.45964%20358.4%2056.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জেনেটিক সুপারহিরো
অনেক বছর আগে প্রথম যখন মিউট্যান্ট কথাটা প্রথম শুনি তখন… আমার মনেও নেই যে কোন ক্লাসে পড়ি। এক্স-ম্যান সিরিজের শুরুর দিকের কোন একটা সিনেমাতে শুনেছিলাম। এক্স ম্যান ছাড়াও অনেক গল্প সিনেমাতে সুপার হিরো তৈরির অন্যতম সরঞ্জাম এই মিউটেশন। তবে এখন পর্যন্ত আমরা বাস্তবে যতধরনের মিউটেশন সম্পর্কে জানি তার বেশিরভাগের ফলাফলই ক্ষতিকর। এখন যদি, কোন মানুষের মধ্যে এমন কিছু ক্ষতিকর মিউটেশন থাকা সত্বেও তিনি দিব্যি সুস্থ স্বাভাবিক দিন কাটাতে পারেন, তাহলে কি তাকে একজন সুপারহিরো বলা যায়? প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষের জিন গবেষণা করে খুব অল্প সংখ্যক ব্যাক্তিকে পাওয়া গেছে যারা মারাত্নক রোগ সৃষ্টিকারী মিউটেশন ধারণকারী মিউট্যান্ট,…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23303030%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-43.0521%20-9.7812%2021.56428%20-94.91553%2079.9%2056.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-36.58865%20-5.38493%2021.69536%20-147.41205%20.5%2030.8)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23545454%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M56.5%2040.5h32v31h-32z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-21.17568%2084.931%20-13.82396%20-3.4467%20146.3%2033.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং
মানুষের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর জন্ম দিয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞান। মহাবিশ্ব কী দিয়ে গঠিত, কীভাবে গঠিত হয়েছিল, এর সত্যিকার বয়স কত, এর ভবিষ্যৎ কী, কেনইবা মহাবিশ্ব দেখতে এরকম ইত্যাদি দার্শনিকসুলভ প্রশ্নগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানের চর্চার ফলেই জন্ম নিয়েছে এবং উত্তর পেয়েছে। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ এই ধরনের প্রশ্ন করে আসছে কিন্তু কেবলমাত্র গত শতকে আমাদের শক্তিশালী টেলিস্কোপ, কম্পিউটিং দক্ষতা ও নিরলস গবেষণা এই প্রশ্নগুলোর গ্রহণযোগ্য উত্তরের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের বর্তমান উপলব্ধি নিচের পাই-চার্টটির মাধ্যমে প্রকাশ করা যেতে পারে। এই চার্টটি সমগ্র মহাবিশ্বের সম্পূর্ণ ভর-শক্তিকে প্রকাশ করছে। আইনস্টাইনের ভর-শক্তি উপপাদ্য থেকে জানা যায়, ভর ও শক্তি উভয়ে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bababa%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-164.28586%2045.25186%20-75.06965%20-272.53864%20912.5%20724.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23424242%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-58.25003%20128.29689%20-249.634%20-113.34014%2073.8%201181.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23434343%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-90.9%20250.7%20251.2)%20scale(199.07107%20113.85161)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23434343%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(101.46196%2078.70197%20-103.68334%20133.66776%201760%203)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী বিলুপ্ত!
আমি আর আমার এক বন্ধু গল্প করছিলাম কি যেন এক বিষয় নিয়ে। হঠাৎ বন্ধুটি বলল ‘মানুষ সবচেয়ে খারাপ জাতি। নিজের ক্ষতি নিজে আর কোন প্রাণী করে না’। মনে মনে ভাবলাম মানুষ সবচেয়ে খারাপ জাতি হতে পারে তবে সবচেয়ে যে ব্যাপারটি ভয়ঙ্কর তা হলো মানুষ সবচেয়ে ক্ষমতাধর জাতি। মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষমতা তাকে সবার উপরে এনে দাঁড় করিয়েছে। ফলে সে যে শুধু নিজের ক্ষতি করে তা না সে পুরো পৃথিবীর ক্ষতি করতে সমর্থ। এজন্যেই হয়তো Friedrich Nietzsche বলে গিয়েছেন “Man is the cruelest animal.” এর প্রমাণ সম্প্রতি বিলুপ্ত হওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণী Bramble Cay melomys। যা একধরণের ইঁদুর। অস্ট্রেলিয়ার…







