Search results for: “জীববিজ্ঞান”

  • অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-২

    অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-২


    লিখেছেন

    লেখাটি বিভাগে প্রকাশিত

    পাস্তুরের পর থেকে … সময়কাল ১৮৬৭।জীবাণুমুক্ত  শল্যচিকিৎসার যুগ শুরু হয় যোসেফ লিস্টার  এর হাত ধরে। পাস্তুরের কাজের দিকে নজর রাখছিলেন লিস্টার আর সেই সূত্রেই শল্যচিকিৎসার পূর্বে যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে তা জীবাণুমুক্ত করার লক্ষ্যে ফেনলে চুবিয়ে নেন। তাঁর এই চিন্তাশীলতা শল্যচিকিৎসা পরবর্তি সংক্রমণ এর হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে দেয় এবং শল্যচিকিৎসা আরো বেশি রোগী-বান্ধব…

  • অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-১

    অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-১


    লিখেছেন

    লেখাটি বিভাগে প্রকাশিত

    অ্যান্টনি ফন লিউয়েনহুক, প্রকৃতিবিজ্ঞানের ছাত্র আর সেই সাথে বস্ত্র ব্যবসায়ী। কাপড় পরীক্ষার সূত্রেই অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাথে পরিচয় ২১ বছর বয়সী তরুণের। আর সেই পরিচয় ভালবাসায় পরিণত হতে সময় নিয়েছে খুব কমই । একটা সময় এই অনুবীক্ষণ যন্ত্র তৈরিই তাঁর নেশা হয়ে পড়ল। তাঁর তৈরি এই অনুবীক্ষণ যন্ত্রগুলো আগের যে কোন যন্ত্রের চেয়ে ২০০ থেকে ৫০০…

  • কাকতালীয় নাকি বিবর্তনীয় বাস্তবতা?

    কাকতালীয় নাকি বিবর্তনীয় বাস্তবতা?


    লিখেছেন

    লেখাটি , , , , বিভাগে প্রকাশিত

    “There is grandeur in this view of life, with its several powers, having been originally breathed into a few forms or into one; and that, whilst this planet has gone cycling on according to the fixed law of gravity, from so simple a beginning endless forms most beautiful and most wonderful have been, and are…

  • প্রোটিন সিকোয়েন্সিং: ফ্রেডরিক স্যাঙ্গারের হাত ধরে যেভাবে জীবনের ভাষা পড়া শুরু হল

    প্রোটিন সিকোয়েন্সিং: ফ্রেডরিক স্যাঙ্গারের হাত ধরে যেভাবে জীবনের ভাষা পড়া শুরু হল


    লিখেছেন

    লেখাটি বিভাগে প্রকাশিত

    জীববিজ্ঞানের পাঠ্যবই খুললেই আমরা খুব পরিচিত একটি ধারণার মুখোমুখি হই: ডিএনএ (DNA) থেকে এম আরএনএ (mRNA), আর এম আরএনএ থেকে প্রোটিন। এটিই সেন্ট্রাল ডগমা, জীবনের তথ্যপ্রবাহের মূল সূত্র। আজ আমরা জানি, ডিএনএ-তে লেখা থাকে নির্দেশনা, আরএনএ সেই নির্দেশনার বার্তা বহন করে, আর প্রোটিন সেই নির্দেশনাকে বাস্তবিক রূপ দেয়। কিন্তু জীবনের এই ভাষা পড়ার ইতিহাস এত…

  • “একশ বছর পরে, মানুষ ঐ ডাবল হেলিক্সকেই মনে রাখবে।”

    “একশ বছর পরে, মানুষ ঐ ডাবল হেলিক্সকেই মনে রাখবে।”


    লিখেছেন

    লেখাটি বিভাগে প্রকাশিত

    ছিলেন ডিএনএ-র অন্যতম রহস্যভেদকারী, মানব জিনোম প্রজেক্টের স্বপ্নদ্রষ্টা; সাহায্য করেছেন একটি মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে, লিখেছেন একটি ক্লাসিক পাঠ্যপুস্তক; আবার কুখ্যাত হয়েছেন বর্ণবাদী এবং লিঙ্গবাদী মন্তব্যের জন্যও। ডিএনএ-র দ্বি-সূত্রক মডেলের অন্যতম আবিষ্কর্তা এবং শারীরতত্ত্বে নোবেলজয়ী কিংবদন্তি বিজ্ঞানী জেমস ডি ওয়াটসন চলতি মাসের ৬ তারিখে ৯৭ বছর বয়সে মারা গেছেন। মানব জিনোম প্রজেক্ট শুরু করতে…

  • জীবপ্রযুক্তি গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    জীবপ্রযুক্তি গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা


    লিখেছেন

    লেখাটি , , বিভাগে প্রকাশিত

                                        জীবপ্রযুক্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ভূমিকা সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত গুরুত্ব পাচ্ছে। ওষুধশিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, পশুপালন কিংবা কৃষি, সবখানেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জীবপ্রযুক্তি একসাথে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। দ্রুত এবং অধিকতর নির্ভুল ফলাফল অর্জনের জন্য এখন বায়োটেক খাত নিজ কার্যপদ্ধতি পুনর্নির্মাণ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের সাহায্যে। জীবপ্রযুক্তি মূলত জীববিজ্ঞানে প্রযুক্তির প্রয়োগ। ওষুধশিল্প এই খাতের সবচেয়ে…

  • নিয়ান্ডারথালদের প্রাচীন ডিএনএ আমাদের কী জানায়?

    নিয়ান্ডারথালদের প্রাচীন ডিএনএ আমাদের কী জানায়?


    লিখেছেন

    লেখাটি বিভাগে প্রকাশিত

    জীবন্ত জীবসত্তার খুঁটিনাটি বুঝতে পারার সবচেয়ে মোক্ষম হাতিয়ার হলো ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড)। আমাদের জেনেটিক কোড আমাদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা দেয়। যেমন — আমরা কী, কোথা থেকে এসেছি, কারা আমাদের নিকটাত্মীয়, ইত্যাদি। জীববিজ্ঞানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায় বিবর্তন সম্পর্কিত গবেষণায়, ডিএনএ’র ভূমিকা সবচেয়ে তাৎপর্যবহ। কিন্তু সমস্যার ব্যাপার, ডিএনএ ভঙ্গুর অণু, যা সময় গড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষয়প্রাপ্ত…

  • মানবদেহে বসবাসকারী যত অদৃশ্য প্রাণ!

    মানবদেহে বসবাসকারী যত অদৃশ্য প্রাণ!


    লিখেছেন

    লেখাটি , , বিভাগে প্রকাশিত

    মানবদেহ; পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল, সবচেয়ে রহস্যময় এক জৈবিক সংগঠন। মাথার ত্বক থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত, প্রতিটি কোষে লুকিয়ে আছে অসংখ্য রহস্য। আছে নানাবিধ প্রাণের মনোরম জীবনযাপন। আমরা প্রতিনিয়ত বহন করছি কোটি কোটি “অতিথি”–এরা খায়, ঘুমায়, প্রজনন করে। এরা কখনো আমাদের বন্ধু, কখনো আবার শত্রুও বটে! এই “অতিথি” আসলে কারা? এরা হলো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, আর্কিয়া এবং…

  • দ্য মাঙ্গা গাইড টু মলিকিউলার বায়োলজি

    দ্য মাঙ্গা গাইড টু মলিকিউলার বায়োলজি


    লিখেছেন

    লেখাটি বিভাগে প্রকাশিত

    বিজ্ঞানের কাজ হচ্ছে সবকিছুর গভীরে যাওয়া। এরই ধারাবাহিকতায় জন্ম নিয়েছে ‘মলিকিউলার বায়োলজি’ তথা আণবিক জীববিজ্ঞান নামের এই শাখাটি। বিজ্ঞানের এই শাখা জীবনকে ব্যাখ্যা করে একেবারে আণবিক পর্যায়ে। এখানে জীবনকে ভাবা হয় নান রাসায়নিক অণুর মিথস্ক্রিয়ার ফল হিসেবে। শাখাটি এখনও বিকাশমান পর্যায়ে আছে। তার ওপর এর কারবার এমনকিছু নিয়ে যা খালি চোখে দেখা যায় না। তাই…