• পৃথিবী থেকে দশ হাজারের উপর বিভিন্ন সাইজের পৃথিবীর নিকটবর্তী বস্তু(Earth objects (NEOs)) আছে যাদের শনাক্ত করা হয়েছে গ্রহাণু এবং ধূমকেতু হিসেবে এবং যারা কিনা পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে ৪৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ১০ হাজার আবিষ্কারের মধ্যে শুধু ১০ পারসেণ্টের সাইজ হলো এক কিলোমিটারের ১০ ভাগের ৬ ভাগের সমান ,পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট করার যা কিনা যথেষ্ট বড়।১৯৫০ ডিএ হলো সেগুলোরে মধ্যে একটি। বিজ্ঞানীরা ১৯৫০ সালের ফেব্রুয়ারিতে এটি আবিষ্কার করেন। ১৯৫০ডিএ গ্রহাণু প্রশস্তে ১.১ কিলোমিটার এবং যেটি কিনা ১৭ দিন ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল এবং শেষে দৃষ্টি সীমার বাইরে চলে যায়। এটি আবার একবিংশ শতকের দ্বার প্রান্তে…

  • আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে হাজার রকমের মিথ (myth) এবং এগুলোর একটি বিশাল অংশ বৈজ্ঞানিক তথ্য সম্বলিত। এগুলোর কিছু কিছু এতোটাই প্রচালিত যে এমনকি বৈজ্ঞানিক কমিউনিটিতেও সেগুলো ছড়িয়ে আছে সমান ভাবে। সেই মিথগুলোর যুক্তিখন্ডন এবং ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্যই এই সিরিজটির অবতারণা করা হয়েছে। এখানে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মিথ বা অপব্যাখ্যার প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরার প্রয়াস থাকবে। (তৃতীয় পর্বের লিংক ) ১৬. হিগস বোসন আবিষ্কারের পিছনে সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অবদানকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় নি “হিগস বোসন” শব্দটির বোসন অংশটুকু বাঙ্গালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর নামে নামকরন করা হয়েছে। কিন্তু এই নামকরণের সাথে ‘হিগস’ কণাটির আসলে কোনো সম্পর্কই নেই। বিজ্ঞানী…

  • আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে হাজার রকমের মিথ (myth) এবং এগুলোর একটি বিশাল অংশ বৈজ্ঞানিক তথ্য সম্বলিত। এগুলোর কিছু কিছু এতোটাই প্রচালিত যে এমনকি বৈজ্ঞানিক কমিউনিটিতেও সেগুলো ছড়িয়ে আছে সমান ভাবে। সেই মিথগুলোর যুক্তিখন্ডন এবং ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্যই এই সিরিজটির অবতারণা করা হয়েছে। এখানে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মিথ বা অপব্যাখ্যার প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরার প্রয়াস থাকবে। (দ্বিতীয় পর্বের লিংক ) ১১. মার্কনি রেডিও উদ্ভাবন করেছেন / জগদীশ বসু রেডিও উদ্ভাবন করেছেন মার্কনি রেডিও উদ্ভাবন করেনি এবং ইতিহাসে তাঁকে রেডিওর উদ্ভাবক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াও হয় নি। প্রকৃতপক্ষে রেডিও কোনো ব্যক্তি এককভাবে উদ্ভাবন করেন নি। মার্কনির নাম এমন কি…

  • আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে হাজার রকমের মিথ (myth) এবং এগুলোর একটি বিশাল অংশ বৈজ্ঞানিক তথ্য সম্বলিত। এগুলোর কিছু কিছু এতোটাই প্রচালিত যে এমনকি বৈজ্ঞানিক কমিউনিটিতেও সেগুলো ছড়িয়ে আছে সমান ভাবে। সেই মিথগুলোর যুক্তিখন্ডন এবং ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্যই এই সিরিজটির অবতারণা করা হয়েছে। এখানে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মিথ বা অপব্যাখ্যার প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরার প্রয়াস থাকবে। (প্রথম পর্বের লিংক ) ৬. উল্কাপিন্ড পতনের সময় বায়ুমন্ডলের সাথে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে যায়। ভুল! উল্কাপিন্ডের তাপমাত্রার উপর বাতাসের সংঘর্ষের প্রভাব খুব সমান্যই। উল্কাপিন্ড যখন বাতাসের মধ্য দিয়ে যায় তখন তার গতিবেগ থাকে ঘন্টায় কয়েকহাজার কিলোমিটার। উল্কাপিন্ড যখন দ্রুতবেগে এগিয়ে যায়…

  •   দর্শনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: অধ‍্যায় ১ ২৪০০ বছর আগের কথা । বেশি বেশি প্রশ্ন করার জন্য এথেন্সে একজনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল । তাঁর আগে অনেক দার্শনিক ছিলেন, সবাই প্রশ্নও করতেন কিন্তু সক্রেটিসের বেলায়ই সেটা চরম আকার ধারণ করেছিল । তবে এটাও ঠিক যে, দর্শনের যদি বিশেষ কোন সেবক থেকে থাকেন, সেটা হলেন সক্রেটিস । চ্যাপ্টা নাক, মোটা ও বেঁটে, মলিনবেশ এবং কিছুটা উদভ্রান্ত এবং আগ্রহী দৃষ্টি, তাঁকে আসলে সক্রেটিস বলে মানানসই মনে হতো না । যদিও শারীরিকভাবে কুৎসিত এবং কখনো নোংরা, তাঁর ছিল প্রচন্ড মানসিক শক্তি ও মেধাবী একটি মন । এথেন্সের সবাই এটা স্বীকার করে নিয়েছিল…

  • তখন অনুসন্ধিৎসু চক্রের আজীবন সদস্য মোস্তাক ভাইয়ের বাসা ছিলো ঢাকার দক্ষিণ মুগদাপাড়ায়। সেসময় তিনি বিড়ালছানা আর একটি কালনাগিনী সাপ পুষতেন। সাপটি থাকতো একুইরিয়ামে। সাপ কখনো দুধ-কলা খায় না। ওকে মাঝে মাঝে টিকটিকি খাওয়ানো হতো। আমি স্কুলে পড়তাম। ঐ বিড়ালছানা-র সাথে খেলা ও সাপ ধরার আকর্ষণে কোন কোন বিকালে চলে যেতাম মোস্তাক ভাইয়ের বাসায়। সাপটা ধরতাম লেজের দিক দিয়ে। ছোট সাপটি ধরলেই সে হাতকে পেঁচিয়ে ফেলতো। ওর সামনে আরেকটি হাত দিলে সে ছোবল মারার চেষ্টা করতো। বেশিরভাগ সাপের মতোই এটি ছিলো নির্বিষ। নির্বিষ হলেও ছোবল দেয়াটা ছিলো তার বিপদ-সময়ে প্রতিরক্ষা-ব্যবস্থার অংশ। মোস্তাক ভাই বলতেন, বিড়াল পোষ মানলেও…

  • আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে হাজার রকমের মিথ (myth) এবং এগুলোর একটি বিশাল অংশ বৈজ্ঞানিক তথ্য সম্বলিত। এগুলোর কিছু কিছু এতোটাই প্রচালিত যে এমনকি বৈজ্ঞানিক কমিউনিটিতেও সেগুলো ছড়িয়ে আছে সমান ভাবে। সেই মিথগুলোর যুক্তিখন্ডন এবং ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্যই এই সিরিজটির অবতারণা করা হয়েছে। এখানে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মিথ বা অপব্যাখ্যার প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরার প্রয়াস থাকবে। ১: মানুষ মস্তিষ্কের ৫ থেকে ১০% ব্যবহার করে, কেউ কেউ এর চেয়ে কিছুটা বেশি করে। ব্যাখ্যা: মানুষ সম্পূর্ণ মস্তিষ্কই ব্যবহার করে। মস্তিষ্কের যেকোন প্রসেস আসলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের একযোগে ক্রিয়াকান্ডের ফসল। ১০% মিথের উৎপত্তি হয় বিংশ শতাব্দীর শুরুতে। ১৯০৮ সালে উইলিয়াম…

  • আমাদের নিত্যব্যবহার্য দ্রব্যাদি যেগুলো আবর্জনা হিসেবে সমুদ্রে কিংবা বিশাল জলাশয়ে আশ্রয় করে নেয় সেগুলোই সামুদ্রিক আবর্জনা নামে পরিচিত। বিভিন্ন ভাবে মানব সৃষ্ট এই জঞ্জালগুলো জলাশয়ে যেতে পারে। সমুদ্রসৈকতে কিংবা নৌকা থেকে ছুড়ে দেয়া আবর্জনার মাধ্যমে, সামুদ্রিক স্থাপনা থেকে, ঘুর্ণঝড়ের তান্ডব থেকে সৃষ্ট ধ্বংসস্তুপের মাধ্যমে, নদী বা খালের মাধ্যমে বাহিত হয়েও জঞ্জাল জমতে পারে। মাঝে মাঝে বাতাসের মাধ্যমেও হালকা ও অপচনশীল বস্তু উড়ে গিয়ে জলাশয়ে পড়তে পারে। সামুদ্রিক জঞ্জালের একটা বিরাট অংশ প্লাস্টিকের আবর্জনা। এছাড়া আছে কাচের তৈরি বোতল ও অন্যান্য সরঞ্জাম, অ্যালুমিনিয়াম ও ধাতব কৌটা প্রভৃতি। প্লাস্টিকের আবর্জনা সামুদ্রিক পরিবেশের নানা ভাবে ক্ষতি করে থাকে। এই…

  • একধিক রাশির মধ্যে গড় নির্ণয়ের সবচেয়ে সহজ এবং বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতিটি হলো মোট রাশির যোগফলকে মোট রাশির সংখ্যা দিয়ে ভাগ দেয়া। যেমন: পাঁচ জন ছাত্র যদি গণিতের একটি পরিক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে যথাক্রমে ৬৮, ৮২, ৭৫, ৯৩ এবং ৭৮ পেয়ে থাকে, তাহলে তাদের গণিতে প্রাপ্ত গড় নম্বর হবে ৭৯.২। ছাত্রদের মোট নম্বর ৩৯৬ কে মোট ছাত্র সংখ্যা ৫ দিয়ে ভাগ করে এই গড় পাওয়া গেলো। এবার আরেকটি উদাহরনে আসি। মনে করি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দুরত্ব ৩০০ কি.মি.। এক ব্যাক্তি ঢাকা থেকে ঘন্টায় ৩০ কিমি বেগে গাড়ি চালিয়ে চট্টগ্রামে গেলেন এবং ফিরে এলেন ঘন্টায় ৬০ কিমি বেগে।…