
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237f7f7f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-112.22463%20415.75473%20-323.50573%20-87.32387%20712.4%20724.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(109.19755%20-1490.145%20196.09817%2014.37004%201469.6%20530)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.4491%20140.35002%20-1479.99783%20205.09173%20634%2020)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-97.3%20180.4%20202)%20scale(1494.14062%20154.17178)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পৃথিবীতে প্রাণ বিকাশের বিজ্ঞান অনেকদূর এগিয়ে গেছে। কিন্তু প্রথম প্রাণ কিভাবে প্রায় সাড়ে তিনশো কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুকে গড়ে উঠলো এই বিষয়টি এখনো কুয়াশাময় রহস্যে ঘেরা। প্রাণের উদ্ভব সম্পর্কিত একটি গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব এখনো উপস্থাপন সম্ভব হয় নি। একগুচ্ছ নিষ্প্রাণ যৌগ থেকে কীভাবে প্রাণের উৎপত্তি হয় সেটা এখনো রহস্যময়। শতকোটি বছর পরে এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়াটা খুব সহজও নয়। প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগের পৃথিবী কেমন কিছু সেটা অনুধাবন করাটাও বেশ কষ্টসাধ্য। বর্তমানে পৃথিবীতে যেসব জৈব অণুসমূহ পাওয়া যায় সেগুলোর দিয়েই আমরা প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে প্রাণের উদ্ভবের একটা ধারনা পেতে চেষ্টা করছি। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23726b6d%22%20cx%3D%22127%22%20cy%3D%22112%22%20rx%3D%2296%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.88123%20-42.91833%2057.76985%20-37.52929%20211.8%2019.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000101%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-61.03817%20-22.09551%2030.80947%20-85.1102%2040.8%200)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23070808%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(170%20108%2092.7)%20scale(91.5272%2027.64262)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পৃথিবীর সবচেয়ে গোলাকার বস্তু এবং ভরের নতুন আদর্শ
উপরের ছবিতে যেই গোলকটি দেখা যাচ্ছে এটা পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত গোলাকার বস্তু। সম্প্রতি প্রায় ১ মিলিয়ন ইউরো এবং হাজার হাজার কর্মঘন্টা খরচ করে এটা তৈরি করা হয়েছে। এই গোলকটির পুরোটাই সিলিকন-২৮ পরমানুর একটি মাত্র কৃষ্টাল থেকে তৈরি করা হয়েছে। এবং এর ভর পুরোপুরি ১ কেজি। ভরের নতুন স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ব্যবহারের জন্য এটাকে তৈরি করা হয়েছে। এর আগে প্যারিসে অবস্থিত International Bureau of weigh and measure এর বিশেষ ভল্টে সংরক্ষিত একটি প্লাটিনাম ইরিডিয়ামের সংকর ধাতুর তৈরি সিলিন্ডারকে ভর পরিমাপের standard হিসেবে ধরা হত এবং এর মাধ্যমেই ভর পরিমাপের একক কিলোগ্রামের সংজ্ঞা দেওয়া হতো। কিন্তু যেহেতু ইতিমধ্যেই একটা…
%22%20transform%3D%22translate(2.5%202.5)%20scale(5.07813)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231b352c%22%20cx%3D%2288%22%20cy%3D%22171%22%20rx%3D%2256%22%20ry%3D%2280%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fffbfe%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-179.8%2043.8%2021)%20scale(170%2056.59257)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23969193%22%20cx%3D%2286%22%20cy%3D%2279%22%20rx%3D%2240%22%20ry%3D%2246%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23158c6b%22%20cx%3D%2282%22%20cy%3D%22232%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2239%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ক্যান্সারের বিবর্তন রহস্য উন্মোচন
ক্যান্সারের বিবর্তন ও ক্যান্সার চিকিৎসায় পদার্থবিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে ফিজিক্স ওয়ার্ল্ডে প্রকাশিত পল ডেভিসের লেখনীর বাংলা বঙ্গানুবাদ। অনুবাদঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম পল ডেভিসের মতে ক্যান্সার একটি প্রাচীন ব্যাধি যা সর্বপ্রথম বিলিয়ন বছর পূর্বে বহুকোষী জীবে দেখা যায়। একজন পদার্থবিদের কাছে জীবন অনেকটা জাদুবিদ্যার মত। জীবিত কোষের জটিল সব কার্যপদ্ধতি দেখে একজন পদার্থবিদ স্বভাবতই অবাক হন। যদিও কিছু জৈবিক পদ্ধতি গণনানির্ভর। এর মধ্যে অন্যতম ডিম্বকের বৃদ্ধি। ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই ঘটে। ক্যান্সারের উৎপত্তি ও বৃদ্ধির ধরণ সকল রোগীর ক্ষেত্রে এক নয় অর্থাৎ একজনের ক্ষেত্রে যেমনটা ঘটবে অন্যদের ক্ষেত্রে তা নাও ঘটতে পারে। পদার্থবিজ্ঞানের কোন একটি ঘটনা যখন একটি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fafeff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(8.07408%20-98.2069%20715.76857%2058.84689%20288.8%201.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23624500%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(124.4%20141.9%20358)%20scale(244.26023%20193.91829)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23abb1ca%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-174.554%20166.22553%20-103.40635%20-108.58737%2026.3%20520.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a88832%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(16.86803%20127.30265%20-90.98171%2012.05538%20325.3%20172.1)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এন্ডোসিম্বায়োসিস
ধরা যাক, আপনার একটি সুপারপাওয়ার আছে। আর পাওয়ারটি হল সময়কে স্থির করে দেয়া। পরিস্থিতি অনুযায়ী এই পাওয়ার ব্যাবহার এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন, এসব করে সুখেই আছে। “Great power comes with great responsibility” এই ধরনের কোন ফিলোসফি এখনো আপনাকে আক্রান্ত করেনি। তবে কেউ না জানলেও আপনার এই ক্ষমতার সর্বোৎকৃষ্ট ব্যাবহার ঘটে পরীক্ষার হলে। কোন কিছু না পারলে প্রায়ই টাইম ফ্রিজ করে দিয়ে হল থেকে বের হয়ে বই-খাতা খুলে দেখে আসেন ব্যাপারটা কি। আজও আপনি পরীক্ষার হলে, প্রশ্ন এসেছে এন্ডোসিম্বায়োটিক থিওরীর উপর। কিছুই পারছেননা। তবে আপনার এই অশুভ শক্তি কিছুক্ষনের জন্য একটু শুভকাজে ব্যায় করুন। আপনাকে বায়োটিক রিলেশনশিপ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3d3d3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-139.3%2048.8%207.8)%20scale(52.9296%2040.0082)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-30.23816%207.12057%20-33.48383%20-142.19213%20.5%2018.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(20.08827%20132.5464%20-15.41348%202.33601%20139.6%2034.3)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23a6a6a6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M95.5%2066.7l-14.4%207-2.6%2021.8h19.6z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
“মগজ-ঘরে বসত করে কয়জনা?”
কুসংস্কার জিনিসটা থেকে দুরে থাকার চেষ্টা করলেও চিন্তা-ভাবনায় আধুনিক, বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহী অনেকের মাঝে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের ভুল ব্যাখ্যা কিংবা ধারণা সহজেই বাসা বাঁধে। ‘সহজেই’ বাসা বাঁধা সম্ভব হওয়ার কারণ হলো এই কুসংস্কারেরা বিজ্ঞানের ছদ্মবেশ ধরে সামনে আসে। এসব কুসংস্কার অনেক সময সত্যের অপলাপ; প্রকৃত-তথ্য বিকৃত করে তৈরি। অনেকক্ষেত্রে এরা গঠিত হয় বৈজ্ঞানিক গবেষণা-ফলাফলের অপব্যাখ্যা ও ভুল বিশ্লেষণ থেকে। তাই দেখতে-শুনতে আধুনিক বলে বেশিরভাগ সময় কোন প্রশ্ন ছাড়াই এদেরকে মেনে নেওয়া হয়। মস্তিষ্ক নিয়ে এমন বেশ কিছু ‘বৈজ্ঞানিক’ কুসংস্কার প্রচলিত আছে আমাদের মধ্যে। এর মধ্যে একটা জনপ্রিয় কুসংস্কার হলো বেশির ভাগ মানুষ মস্তিষ্কের মাত্র ৫ থেকে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2390a430%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-34.93113%20-28.80013%2086.6136%20-105.052%2012%2052.8)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%230a0913%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M120%20186l85-121.5%2045.7%2032-85%20121.5z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237c7682%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-62.3%20142.2%20-208.5)%20scale(22.93707%2037.5836)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23939e56%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(23.21729%208.24366%20-17.5163%2049.33259%206%2036.1)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মাইক্রোস্কোপের নিচের দুনিয়া (মাইক্রোফটোগ্রাফি)
অনেকদিন আগে মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে অ্যামেচার হাতে নিন্মমানের ক্যামেরা দিয়ে কিছু জিনিসের ছবি তুলেছিলাম। বিজ্ঞান ব্লগ হাতড়িয়ে দেখছি সেগুলো আপলোড করা হয় নি। কিংবা বিজ্ঞান ব্লগ যখন ওয়ার্ডপ্রেসের সাবডোমেইন ছিলো তখন আপলোড করা হয়েছিলো, পরে বাদ পড়েছে। আজ সেগুলো নিয়ে এই পোস্ট। আশা করি ছবিগুলো আপনাদের খারাপ লাগবে না। ১. Microchip: CDROM Drive থেকে খুলে নেয়া। এটি স্বচ্ছ চিপ হওয়ায় উপর থেকে ভিতরের কলকব্জা দেখা যাচ্ছে। চিপ সাধারণত অস্বচ্ছ এবং কালো রংএর হয়ে থাকে। সেই ক্ষেত্রে বিশেষ রাসায়নিক ট্রিটমেন্ট করে উপরের কালো অংশটুকু দ্রবীভূত করে ছবি নেওয়া যায়। যে কোন মাইক্রচিপের ভিতরে আসলে অনেক জটিল একটি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b03442%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-145%20602.4%20252.8)%20scale(445.54127%20308.28241)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23004f91%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.43626%20169.4139%20-1725.63886%20-45.18744%201036.3%20137.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23050000%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-140.7%20585%20485)%20scale(376.55069%20197.04384)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237b706e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1014.35951%20-123.85934%2023.47286%20192.23352%20210%20569.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সেন্টমার্টিন: বিপন্ন পরিবেশ, হুমকির মুখে জীববৈচিত্র্য
এক অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সেন্টমার্টিন দ্বীপ। এই দ্বীপটিকে বলা হয় বাংলাদেশের স্বর্গ । এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ। উপমহাদেশে সেন্টমার্টিন ছাড়া একমাত্র ভারতের দক্ষিণে রামেশ্বরে আরেকটি প্রবালদ্বীপ রয়েছে। বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত ভূমি সেন্টমার্টিন । টেকনাফ উপজেলার বদরমোকাম হতে ১০ কি:মি দক্ষিণ-পশ্চিমে মাত্র ৫৯০ হেক্টর আয়তনের ৭.৮ কি:মি: দীর্ঘ এ দ্বীপটি অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে দ্বীপটি নারিকেল জিনজিরা বা জিনজিরা নামে পরিচিত। সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর সংলগ্ন জলভাগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। উপকূলীয় জলরাশিতে রয়েছে প্রবাল ও শৈবালের সুন্দর সমন্বয় যা দেশের অন্য কোথাও দেখা যায় না। দ্বীপটিতে ১৫৪ প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবাল, ১৫৭ প্রজাতির স্থলজ গুপ্তজীবী উদ্ভিদ, ৬৮ প্রজাতির প্রবাল…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d1d1d1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-76.8%20103.3%20-37.6)%20scale(45.7324%20118.68817)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(164.2%20130%2064.8)%20scale(51.31104%20263.10683)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(80.16862%2015.5832%20-10.56607%2054.35771%2060.5%20151.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.23614%20-25.86857%20218.4408%2035.77105%20155.5%209.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এপিজেনেটিক্স: কিছু সংক্ষিপ্ত ধারনা
ধরা যাক আপনার জন্ম মোটেই স্বাভাবিক জন্ম নয়। আপনার জন্ম হয়েছে কোন এক গোপন ল্যাবরেটরিতে, আপনার এবং আপনার ক্লোনের একসাথে। তারপর এক্সপেরিমেন্টের উদ্দেশ্যে আপনাকে পাঠিয়ে দেয়া হল নানান সমস্যায় জর্জরিত এই বাংলাদেশে, অপরদিকে আপনার ক্লোনকে কোন উন্নত দেশে। আপনি এখানে খাচ্ছেন বিষাক্ত সবজি, ফরমালিন দেয়া মাছ, পানি মেশানো দুধ। অপরদিকে আপনার ক্লোন খাচ্ছে শুধুই অর্গানিক খাবার। আপনি স্কুলে বেত্রাঘাত সহ্য করে বড় হয়েছেন, অপরদিকে আপনার ক্লোন পেয়েছে ওয়ার্ল্ড ক্লাস এডুকেশন। এই অবস্থায় আজ থেকে ১০ বছর পরে দেখা যাবে আপনি কোন এক দেশীয় প্রতিষ্ঠানে ৯টা-৫টা জব করেন, খুবই স্ট্রেসফুল জব। প্রায়ই বাইরে বাইরে থাকতে হয়, নিজের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2350514b%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(5.5%20-4182.7%2011338.5)%20scale(521.98995%20841.62834)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230d0d0f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(60.96211%20968.965%20-206.17888%2012.97168%20164.4%20755.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230b0b0d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-239.7227%20-57.99502%20122.56574%20-506.62604%201709%20981.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23778144%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-108.02232%20239.52139%20-138.36648%20-62.40223%201077.7%20577.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভুল সবই ভুল: বৈজ্ঞানিক অপব্যাখ্যা এবং সেগুলোর খন্ডন-৫
আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে হাজার রকমের মিথ (myth) এবং এগুলোর একটি বিশাল অংশ বৈজ্ঞানিক তথ্য সম্বলিত। এগুলোর কিছু কিছু এতোটাই প্রচালিত যে এমনকি বৈজ্ঞানিক কমিউনিটিতেও সেগুলো ছড়িয়ে আছে সমান ভাবে। সেই মিথগুলোর যুক্তিখন্ডন এবং ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্যই এই সিরিজটির অবতারণা করা হয়েছে। এখানে ক্রমান্বয়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক মিথ বা অপব্যাখ্যার প্রকৃত বাস্তবতা তুলে ধরার প্রয়াস থাকবে। (চতুর্থ পর্বের লিংক ) ২১. উটপাখি বিপদ দেখলে বালিতে মাথা গুঁজে ফেলে বিপদে পড়ুক আর যাই ঘটুক উটপাখি কখনোই বালিতে মাথা গোঁজে না। যেকোন বিপদ বা ভয়ে উটপাখির প্রথম প্রতিক্রিয়া হচ্ছে ঝেড়ে দৌড় দেওয়া। এর দুটি উদ্দেশ্য। প্রথমত, দৌড়ে নিরাপদ স্থানে…







