
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e6dac9%22%20cx%3D%22113%22%20cy%3D%2257%22%20rx%3D%2265%22%20ry%3D%2265%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23423d45%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-50.06706%2037.57364%20-18.20315%20-24.2558%20225.6%2089.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232d90b6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-47.42878%20-50.14384%2039.29068%20-37.16327%2024.3%20113.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231c76c1%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(47%2089.3%20264)%20scale(61.83076%2040.53413)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
রোগ বালাই তো মানুষের লেগেই থাকে। তখন আমরা দৌড়াতে থাকি ডাক্তার কবিরাজের কাছে। অবশেষে পথ্য নিয়ে সুস্থ হই। কিন্তু আমরা কিভাবে রোগে আক্রান্ত হলাম তা কিন্তু চিন্তার বিষয়! আমরা এখন জানি রোগ সৃষ্টির সাথে অণুজীবের গভীর সম্পর্ক আছে। আমাদের সবার কাছে পরিচিত ও ভয়াবহ একটি রোগ হল এইডস। আর যে কারণে এইডস হয় তা হল HIV ভাইরাস। একইভাবে আমাদের অনেকেরই জলবসন্ত হয়। এটার কারণও অণুজীব। কোথাও ব্যথা পেয়ে কেটে ছিঁড়ে গেলে অনেক সময় ইনফেকশন হয়। এটাও কিন্তু অণুজীবের কারণে। এভাবে চোখের সামনে নানা ভাবে আমরা অণুজীবের কারণে রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। তবে সৌভাগ্যের ব্যাপার হলো এখন আমরা…

ইগ-নোবেল পুরষ্কার
সবাই হয়তো জানেন- অদ্ভুত ধরনের আবিষ্কার বা কীর্তির জন্য প্রতিবছর ইগ-নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয় ১০ টি ক্যাটাগরিতে। এটা আসলে চালু হয়েছিল আমেরিকাতে, আসল নোবেল পুরষ্কারকে ব্যাঙ্গ করে। Annals of Improbable Research নামের রসাত্মক ম্যাগাজিন প্রতিবছর আয়োজন এবং বিতরণ করে এই পুরষ্কার। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যান্ডার্স থিয়েটারে এই পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। মজার বিষয় হল আমি মাত্র গতকাল (১২ সেপ্টেম্বর) এই থিয়েটারের আশেপাশে দিয়ে ঘুরে এসেছি। কিন্তু তখন জানতাম না এই তথ্যটার কথা। আর ১২ তারিখ রাতেই এখানে ২০১৩ সালের পুরষ্কার বিতরণ করা হয়! পুরষ্কারের পরে এমআইটি তে পুরষ্কার বিজয়ীদের বক্তৃতার ব্যবস্থা করা হয়। আসুন জেনে নেই কি…
%22%20transform%3D%22translate(2.8%202.8)%20scale(5.625)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2391b9ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(91.5%2068.6%2077.9)%20scale(26.37707%20227.23029)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23160f00%22%20cx%3D%2220%22%20cy%3D%22112%22%20rx%3D%2255%22%20ry%3D%2255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23332c1d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-2.5045%20-53.74883%2087.33585%20-4.06953%20192%20119)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b3b4ff%22%20cx%3D%22231%22%20rx%3D%2280%22%20ry%3D%2229%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আগুনখাকি দানবের সঙ্গে ১৭০ বছর
(বলা হয় বিজ্ঞানকে তাড়া দেয়া যায়না। যদিও নিবন্ধ প্রকাশের প্রতিযোগিতা বা ফান্ডিং এর সুযোগ এই ব্যাপারটাকে ঠিক সাহায্য করেনা। কিন্তু কিছু কিছু বিজ্ঞানের পরীক্ষাকে চাইলেও তাড়া দেয়া যায়না। যেমন মানুষের জীবন-দৈর্ঘ্য নিয়ে গবেষণা বা মহাজাগতিক পরীক্ষা। এদের জন্য সময় দিতে হয়। এমনই দীর্ঘ সময় ধরে চলা কিছু পরীক্ষা নিয়ে এই সিরিজ। তৃতীয় পর্ব) সর্বদাই সক্রিয় হলেও প্রতি কয়েক হাজার বছরে প্রচন্ড অগ্নুৎপাতে ফেটে পরে ভিসুভিয়াস পর্বত। ৭৯ খ্রীষ্টপূর্বে শেষবার যখন এটা ঘটেছিল তখন পম্পেই নগরীকে ঝলসে দিয়েছিল আগুনে; আর তারও আগে, ৩৮০০ বছর আগে এটা বর্তমান নেপলস শহরকে ধোঁয়া এবং গলিত পাথরে ঢেকে ফেলেছিল (সূত্র ২)। অগ্নুৎপাতের…
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.47656)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232f1900%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-34.83257%20-3.45864%2014.94303%20-150.4941%202%2027.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23021300%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.25708%20-55.75417%2012.72894%201.65682%208%2015.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fbd75e%22%20cx%3D%22209%22%20rx%3D%2279%22%20ry%3D%2279%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff7122%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-50.97278%20-59.47097%2021.65764%20-18.56285%20155.3%2094)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কলঙ্ক গুণছি ৪০০ বছর ধরে
(বলা হয় বিজ্ঞানকে তাড়া দেয়া যায়না। যদিও নিবন্ধ প্রকাশের প্রতিযোগিতা বা ফান্ডিং এর সুযোগ এই ব্যাপারটাকে ঠিক সাহায্য করেনা। কিন্তু কিছু কিছু বিজ্ঞানের পরীক্ষাকে চাইলেও তাড়া দেয়া যায়না। যেমন মানুষের জীবন-দৈর্ঘ্য নিয়ে গবেষণা বা মহাজাগতিক পরীক্ষা। এদের জন্য সময় দিতে হয়। এমনই দীর্ঘ সময় ধরে চলা কিছু পরীক্ষা নিয়ে এই সিরিজ। দ্বিতীয় পর্ব) গত ৪০০ বছর ধরে বিজ্ঞানীরা সূর্যের পৃষ্ঠদেশে দাগ, মানে সৌর-কলঙ্ক গুণছেন! অর্থাৎ যখন প্রথম গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন তখন থেকেই। গ্যালিলিও এমনকি সূর্যের গায়ের দাগগুলি ছবি এঁকে লিপিবদ্ধ করে রেখে গেছেন। নিচের ছবিতে দেখুন গ্যালিলিওর নিজের হাতে আঁকা সৌর-কলঙ্ক। গ্যালিলিও থেকে নাসা- সূর্যের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23040706%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(15.54821%20-45.95023%20143.70388%2048.62518%2068.7%20200)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-130.7%2099%20-14.9)%20scale(219%2068.87663)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-4.1505%2031.11706%20-217.0775%20-28.9545%20173%2025.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23887d80%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-65.49556%2023.77286%20-22.1477%20-61.01817%2086.1%20119)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
৮৫ বছর, ড্রপগুলির অপেক্ষায়!
(বলা হয় বিজ্ঞানকে তাড়া দেয়া যায়না। যদিও নিবন্ধ প্রকাশের প্রতিযোগিতা বা ফান্ডিং এর সুযোগ এই ব্যাপারটাকে ঠিক সাহায্য করেনা। কিন্তু কিছু কিছু বিজ্ঞানের পরীক্ষাকে চাইলেও তাড়া দেয়া যায়না। যেমন মানুষের জীবন-দৈর্ঘ্য নিয়ে গবেষণা বা মহাজাগতিক পরীক্ষা। এদের জন্য সময় দিতে হয়। এমনই দীর্ঘ সময় ধরে চলা কিছু পরীক্ষা নিয়ে এই সিরিজ। প্রথম পর্ব) গত ২৩ আগষ্ট হ্রদযন্ত্র বন্ধ হয়ে মারা গেলেন অষ্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন মেইনস্টোন। এই বিজ্ঞানী বিখ্যাত কিন্তু অতি ধীরগতির এক পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিলেন গত ৫০ বছর ধরে। ১৯৬১ সালে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার ২য় দিনে একটি ক্ষুদ্রাকার পরীক্ষার সংস্পর্শে আসলেন যেটা একটি শেলফের ভেতরে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(47.51432%2011.12806%20-37.8192%20161.47943%20209%20162)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d4d4d4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-59.84383%20112.4306%20-68.33566%20-36.37326%2076.5%20167.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-166.194%20-34.18834%205.02228%20-24.41395%20130.6%2034.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(46.39926%208.93509%20-20.32466%20105.54448%20204.5%20168.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
স্পেস এলিভেটর: বাস্তবতা থেকে কতদূর?
এলিভেটরে চড়ে মহাশুণ্যে যাওয়ার স্বপ্ন মানুষের অনেকদিনের। মূলত মহাশুন্যে প্রথম নভোঃযানটি পাঠানোর আগে থেকেই মানুষ এলিভেটরের চিন্তা করে বসে আছে। নাভোঃযানের বাস্তবায়ন যদিও অনেক আগেই হয়ে গেছে এমনকি এই বিষয়ে প্রযুক্তি দিন দিন উন্নততর হচ্ছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত স্পেস এলিভেটরের স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। স্পেস এলিভেটর হচ্ছে একটি অনুভূমিক টাওয়ার সদৃশ স্থাপনা যা পৃথিবীর ভূমির সাথে সংযুক্ত থেকে মহাশুন্য পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।এই টাওয়ার বরাবর ভুমি থেকে মহাশুন্যে পরিবহন করা যাবে। এর ফলে প্রচলিত পরিবহন পদ্ধতির রকেটের প্রয়োজন হবে না বরং এলিভেটরের মত পুলির ব্যাবস্থা থাকবে যার সাহায্যে ওঠা-নামার কাজটি সম্পন্ন হবে।এই ধরনের স্থাপনা বাস্তবায়ন করা গেলে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-150.8465%20185.76839%20-181.6241%20-147.48128%20785.3%201126.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23020202%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-463.95174%2023.77581%20-6.19565%20-120.89938%20260.6%20853.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-420.46215%2086.30849%20-33.2651%20-162.0549%20526.1%2021.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3d3d4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-571.82595%20-89.32166%2020.33542%20-130.18475%20307%20510)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-৫ (শেষ পর্ব)
সময়কাল ১৯৭৭। ডিএনএ এর সিকোয়েন্স বের করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন ডব্লিউ গিলবার্ট ও এফ স্যাঙ্গার। সময়কাল ১৯৮৩। ক্যারি মালাস পলিমারেজ চেইন রি-অ্যাকশান আবিষ্কার করেন যার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ডিএনএ এর সংখ্যাবৃদ্ধি করে তা পরবর্তিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা যায়। সন্দেহভাজন অপরাধীর ডিএনএ এর নমুনাকে বর্ধিত করে অপরাধী সনাক্তকরণে দারুণ কাজ করে এই পদ্ধতি। এছাড়াও অণুজীব সনাক্তকরণে এবং সিঙ্গল জীন ডিজর্ডারের কারণে যে সব রোগ হতে পারে তা সনাক্তকরণেও এই পদ্ধতি অনেক ভাল ফলাফল দেয়। ১৯৮৩ সালেই লুক মন্টেইগনার ও রবার্ট গ্যালো এইডস এর জীবাণু হিউম্যান ইম্যুনোডিফিসেন্সি ভাইরাস বা এইচ. আই. ভি. আবিষ্কার করেন। সময়কাল ১৯৯৫।…
%22%20transform%3D%22translate(3.7%203.7)%20scale(7.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c0a8ac%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-10.48336%2051.13077%20-97.10962%20-19.91042%2075.7%208.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23004e39%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-59.5023%2074.0417%20-39.25205%20-31.54422%20228.9%2052.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23413014%22%20cx%3D%2298%22%20cy%3D%22145%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2261%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ae4e00%22%20cx%3D%2266%22%20cy%3D%2276%22%20rx%3D%2230%22%20ry%3D%2236%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অণুলেখা ৩: বিয়ারের গল্প এবং প্রাচীন এন্টিবায়োটিক
পানি এবং চায়ের পর বিয়ার হল পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয়। কিন্তু বিয়ারের কিছু প্রাচীন বিষয় খুব মজার। বলি। বহু বছর আগে থেকেই বিয়ার মানুষের পছন্দের পানীয় হিসেবে চলে এসেছে। যেমন, প্রাচীন মিশরে ফারাওগণ (সাম্রাজ্যের সম্রাট) প্রতিদিন নিয়মিত বিয়ার খেত বলে জানা যায়। সেইসময়ের সাধারন খেটেখাওয়া মানুষদের মধ্যেও আদরনীয় ছিল বিয়ার। এমনকি বাচ্চারাও খেত। প্রাচীন মিশরিয় বিয়ার ছিল মিষ্টি এবং পুষ্টিকর। শোনা যায় পিরামিড শ্রমিকদের পারিশ্রমিক দেয়া হত বিয়ারের মাধ্যমে। প্রচুর শর্করা থাকায় বিয়ার দিত কাজ করার শক্তি। বার্লির তৈরি রুটি থেকে সাধারনত বিয়ার তৈরি হত এবং এই শিল্পে কাজ করতো মূলতঃ মেয়েরা। তাতে মেয়েদের কিছু আয়-রোজগার হত।…
রহস্যময় ব্ল্যাক হোল
কেউ যদি বিজ্ঞানের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি শব্দ বলতে বলে তবে তাদের একটি হল ব্ল্যাক হোল। আরেকটি সম্ভবত বিগব্যাঙ। আজ আমরা কথা বলব ব্ল্যাক হোল নিয়ে। Hole শব্দটির অর্থ গর্ত । কিন্তু ব্ল্যাক হোল শব্দটি দ্বারা কোন গর্ত বোঝায় না। ব্ল্যাক হোল এমন একটি জায়গা যেখানে খুবই অল্প জায়গায় অনেক অনেক ভর ঘনীভূত হয়ে রয়েছে। এই অতি বিশাল ভরের কারণে ব্ল্যাক হোলের আকর্ষণ বলও অত্যন্ত বেশী। এতই বেশী যে কোন কিছুই এর কাছ থেকে রক্ষা পায় না এমনকি সর্বোচ্চ গতি সম্পন্ন আলোও নয়! আচ্ছা আপনি যদি ব্ল্যাক হোলের কাছে যান কি হতে পারে! প্রত্যেকটি ব্ল্যাক হোলেরঘটনা…






