• দুপুরে ভাত খেতে গিয়ে আপনি হঠাৎ খেয়াল করলেন একটা পোকা আপনার প্লেটের চারপাশে ভনভন করছে। পোকাটির গায়ের রঙ এবং গতি উভয়ই আপনার প্রতিক্রিয়া নির্ধারন করতে পারে, পোকাটিকে আপনি মারবেন নাকি প্লেট ছেড়ে লাফ দিয়ে উঠে পরবেন! এখন যদি পোকাটি কালো আর হলুদ রংয়ের হয় আপনি বুঝে নিবেন যে এটা একটা মৌমাছি হতে পারে। মৌমাছি যেহেতু কামড় দিতে পারে আপনি প্রতিবর্তী ক্রিয়ার কারণে তাই হয়তো লাফ দিয়ে সরে দাঁড়াবেন অথবা হয়তো আপনি পোকার ভনভনানিতে বিরক্ত হয়ে ফু দিয়ে কিংবা কিছু দিয়ে বাড়ি দিয়ে পোকাটি দূরে সরাবেন। আপনি রঙ এবং গতি উভয় সম্পর্কেই সঠিক এবং একই ধারনা পাওয়া…

  • অসম্ভব কে সম্ভব করাই নাকি অনন্ত জলিলের কাজ। কিন্তু এইবার সেই অসম্ভব কেই সম্ভব করে দিলেন দুই বিজ্ঞানি Tippett (astrophysicist) এবং Tsang (Theoretical physicist)। Doctor Who প্রোগ্রাম টি যারা দেখেছে তারা হয়্ত জানেন যে প্রোগ্রামটি তে একটা টাইম মেশিন তৈরি করে Doctor যিনি কিনা আসলে অন্য এক গ্রহ Gallifreyan এর বাসিন্দা, Gallifreyander কে সময়ের প্রভু বলা যায়. তাদের technology আমাদের চাইতে অনেক এগিয়ে থাকে। Doctor TARDIS নামের একটা টাইম মেশিনে করে সময়ের মাঝে ছুটে বেড়াতেন. কেউ যদি এখন Britain এ গিয়ে খোঁজ করে Doctorএর টাইম মেশিন দেখতে পাবেন যা কিনা একটা পুলিশ বক্স এর আদলে এখনো…

  • একটা গাছের পাতা দেখেই কি বলে দেয়া যায় পাতার কোষে কি হচ্ছে? উদ্ভিদের কোষের ভিতরের প্রোটিন কি দেখা যায়? এই প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া গিয়েছে আলোক নিঃসরণকারী এক ধরণের জেলিফিশ থেকে। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে এই জেলিফিসের সাথে উদ্ভিদ কোষের কার্যকলাপ দেখতে পাওয়ার সম্পর্ক কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে চলুন একটু জানার চেষ্টা করি কেন ও কিভাবে এই জেলিফিশ আলো নিঃসৃত করে! এ থেকে হয়তো আমরা আমাদের কাঙ্খিত উত্তরের কাছে পৌঁছে যাব। শুরু করি একটুখানি ইতিহাস দিয়ে। ১৯৬০ সালে Osamu Shimomura প্রাকৃতিকভাবে আলোক নিঃসরণকারী জেলিফিশ নিয়ে গবেষণা করার জন্যে জাপান থেকে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে চলে আসেন। Shimomura…

  • রক্ষক কোষ তৈরিতে ক্লোনিং বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এই ক্লোনিং মানব ক্লোনিং না হলেও অনেকটা কাছাকাছি। এটি ক্লোনিং প্রাণী ডলি তৈরির সাথে সম্পরক্রিত। কোন দৈহিক কোষ গ্রহণ করে তার ডি.এন.এর পরিবর্তন ঘটিয়ে এটি সম্ভব হয়েছিল। আর এই পদ্ধতির নাম সোমাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্র্যান্সফার। এ বছর অক্টোবর মাসে নিউইয়র্ক স্তেম(stem) ফাউনডেশনের  বিজ্ঞানীরা এমন একটি মানব ক্লোন মডেল উন্মোচন করেছেন। যা মূলত স্তেম(stem) সেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এটি দাতার সাথে সম্পর্ক না রেখেও স্কাইনকর্ড ও পেশির চিকিৎসায় সফলতা আনবে। ম্যালেরিয়া রোগের টিকা এডিস মশার কামড়ে সৃষ্ট ম্যালেরিয়া একটি মারাত্মক রোগ। প্রতি বছর এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। আশার বানী হচ্ছে…

  • পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে বহির্জগতে প্রাণের অনুসন্ধান করা বর্তমান কালের জ্যোতির্বিদদের একটা বড় ধরনের এজেন্ডা। পৃথিবীর বাইরে মানুষের মত বুদ্ধিমান প্রাণের বিকাশ হওয়াটা অনেক বড়সড় ব্যাপার, প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হলেও অনুপ্রাণ বা ব্যাকটেরিয়া ভাইরাসের বিকাশ হওয়াটা তেমন শক্ত কিছু নয় বলেই বিজ্ঞানীদের ধারণা। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন পৃথিবীতে আদি প্রাণ সৃষ্টির সময় যেরকম তাপমাত্রা, চাপ, আর্দ্রতা ছিল সেরকম আর্দ্রতায় যদি প্রাণের সৃষ্টির প্রাথমিক উপাদান গুলো নির্দিষ্ট অনুপাতে বেশ কদিন রেখে দেয়া হয় তবে তা প্রাণের আদি রূপের কাছাকাছি চলে যায়। যেমন সেটা হয়ে যায় এমাইনো এসিড। আর এমাইনো এসিডকেই ধরা হয় প্রাণের সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়। এই এমাইনো এসিড থেকেই…

  • নতুন নতুন জ্ঞান লাভ, বিশ্লেষণ এবং তা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। আর একারণেই মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নত প্রজাতির প্রাণী। অন্য প্রাণী থেকে মানুষের পার্থক্য এখানেই যে এদের রয়েছে উন্নত মস্তিষ্ক। ফলে মানুষ সৃষ্টিলগ্ন থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা করেছে, নিজেদের জন্য সুবিধাজনক বিষয় গ্রহণ করেছে। আফ্রিকা থেকে মানুষের আজকের এই সমাজে আবির্ভাব কোন অলৌকিক ঘটনা নয়। এটাও মানুষের উন্নত মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার ফসল। প্রাচীনকাল থেকে মানুষের বিভিন্ন বিষয় জানার আগ্রহ ছিল। প্রথম দিকে প্রতিদিনের নিত্যপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর প্রতি তাদের সর্বাধিক দৃষ্টি ছিল। মানুষ প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত যে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে গিয়ে মস্কিষ্ককে অধিক…

  • পৃথিবীতে প্রাণ বিকাশের বিজ্ঞান অনেকদূর এগিয়ে গেছে। কিন্তু প্রথম প্রাণ কিভাবে প্রায় সাড়ে তিনশো কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুকে গড়ে উঠলো এই বিষয়টি এখনো কুয়াশাময় রহস্যে ঘেরা।  প্রাণের উদ্ভব সম্পর্কিত একটি গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব এখনো উপস্থাপন সম্ভব হয় নি। একগুচ্ছ নিষ্প্রাণ যৌগ থেকে কীভাবে প্রাণের উৎপত্তি হয় সেটা এখনো রহস্যময়। শতকোটি বছর পরে এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়াটা খুব সহজও নয়। প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগের পৃথিবী কেমন কিছু সেটা অনুধাবন করাটাও বেশ কষ্টসাধ্য। বর্তমানে পৃথিবীতে যেসব জৈব অণুসমূহ পাওয়া যায় সেগুলোর দিয়েই আমরা প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে প্রাণের উদ্ভবের একটা ধারনা পেতে চেষ্টা করছি। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা…

  • উপরের ছবিতে যেই গোলকটি দেখা যাচ্ছে এটা পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত গোলাকার বস্তু। সম্প্রতি প্রায় ১ মিলিয়ন ইউরো এবং হাজার হাজার কর্মঘন্টা খরচ করে এটা তৈরি করা হয়েছে। এই গোলকটির পুরোটাই সিলিকন-২৮ পরমানুর একটি মাত্র কৃষ্টাল থেকে তৈরি করা হয়েছে। এবং এর ভর পুরোপুরি ১ কেজি। ভরের নতুন স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ব্যবহারের জন্য এটাকে তৈরি করা হয়েছে। এর আগে প্যারিসে অবস্থিত International Bureau of weigh and measure এর বিশেষ ভল্টে সংরক্ষিত একটি প্লাটিনাম ইরিডিয়ামের সংকর ধাতুর তৈরি সিলিন্ডারকে ভর পরিমাপের standard হিসেবে ধরা হত এবং এর মাধ্যমেই ভর পরিমাপের একক কিলোগ্রামের সংজ্ঞা দেওয়া হতো। কিন্তু যেহেতু ইতিমধ্যেই একটা…

  • ক্যান্সারের বিবর্তন ও ক্যান্সার চিকিৎসায় পদার্থবিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে ফিজিক্স ওয়ার্ল্ডে প্রকাশিত পল ডেভিসের লেখনীর বাংলা বঙ্গানুবাদ। অনুবাদঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম পল ডেভিসের মতে ক্যান্সার একটি প্রাচীন ব্যাধি যা সর্বপ্রথম  বিলিয়ন বছর পূর্বে বহুকোষী জীবে দেখা যায়। একজন পদার্থবিদের কাছে জীবন অনেকটা জাদুবিদ্যার মত। জীবিত কোষের জটিল সব কার্যপদ্ধতি দেখে একজন পদার্থবিদ স্বভাবতই অবাক হন। যদিও কিছু জৈবিক পদ্ধতি গণনানির্ভর। এর মধ্যে অন্যতম ডিম্বকের বৃদ্ধি। ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই ঘটে। ক্যান্সারের উৎপত্তি ও বৃদ্ধির ধরণ সকল রোগীর ক্ষেত্রে এক নয় অর্থাৎ একজনের ক্ষেত্রে যেমনটা ঘটবে অন্যদের ক্ষেত্রে তা নাও ঘটতে পারে। পদার্থবিজ্ঞানের কোন একটি ঘটনা যখন একটি…