
%22%20transform%3D%22translate(.9%20.9)%20scale(1.75781)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cd610c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(178.4%2072.1%2095.6)%20scale(42.63566%2053.82053)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2238%22%20cy%3D%2239%22%20rx%3D%2265%22%20ry%3D%2265%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238f979e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-45.91118%20-20.24924%2014.09986%20-31.96865%20163.8%2048.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(16.09118%20113.99065%20-51.90478%207.327%2040.4%20217.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ক্যামেরা ও চোখ দুইই লেন্সের মাধ্যমে আলোক প্রক্ষেপন করে পেছনের পর্দায়। তাই ক্যামেরাকে অনেকবারই চোখের সাথে তুলনা করা হয়েছে তাদের গাঠনিক মিলের জন্যে। যদি বলি যে চোখ আসলে একটা এন্টেনা, তাহলে কি সেই রূপক মেনে নিতে কষ্ট হবে? এন্টেনা সাধারণত রেডিও কিংবা মোবাইল ফোনের যান্ত্রিক অনুষঙ্গ যা বেতার তরঙ্গ ধরার কাজে ব্যবহৃত হয়। চোখের কাজ তো সেরকম কিছু না, আমরা তো চোখ দিয়ে বেতার তরঙ্গ নয়, আলো ধরি। কিন্তু অন্যদিক দিয়ে যদি দেখি যে বেতার তরঙ্গ হোক, আলো হোক কিংবা রঞ্জন-রশ্মিই হোক – এরা সবাই আসলে তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ, এদের মাঝে পার্থক্য কেবল তরঙ্গদৈর্ঘ্যে। সেক্ষেত্রে এন্টেনা…
%22%20transform%3D%22translate(3.7%203.7)%20scale(7.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230085ad%22%20cx%3D%22209%22%20cy%3D%2212%22%20rx%3D%22145%22%20ry%3D%2263%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237b6658%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(21.6521%20-74.6428%2063.2893%2018.35873%20120.6%20110.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23004020%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(44.29992%209.78328%20-9.29662%2042.09627%2010.8%2025.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300451b%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(23.11895%20-42.17334%2018.74987%2010.27847%2018.2%20167.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অক্টোপাসের স্পর্শানুভূতি
পলের কথা মনে পড়ে? ঐযে অক্টোপাসটা, ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপে আগে থেকে ম্যাচের ফলাফল ভবিষ্যদ্বাণী করে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল।পলের সামনে দুই দেশের পতাকাসম্বলিত দুইটা বাক্সে খাবার রাখা হত, ও যে বাক্সের খাবার খেত ধরে নেয়া হত সে দল জিতবে। কিন্তু সমুদ্রে অক্টোপাস তো এমন বাক্সভর্তি খাবার পায় না। তোমরা হয়তো জানো সমুদ্রে শিকারকে কাবু করতে অক্টোপাস তার শুঁড় ব্যবহার করে। আচ্ছা অক্টোপাস কিভাবে বুঝে কোনটা তার শিকার? কেন, চোখে দেখে। কিন্তু, শিকার ধরা বা চলাচলে অক্টোপাসের শুঁড়ের কি কোনই অবদান নেই? আছে। সত্যি বলতে কি, শুধু অক্টোপাস না, প্রানিজগতের সকল প্রানিরই জীবনধারণে স্পর্শানুভূতির (touch or tactile perception)…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d6f7ff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(403.30648%20-230.7421%20114.17714%20199.56644%20129.4%202.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b5214%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-404.19952%20366.85222%20-117.13435%20-129.05918%2082%20648.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b3d2ee%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-26.54174%201169.59123%20-134.30257%20-3.04775%201134.2%20356.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a75e20%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-90.1%20668.3%20-133)%20scale(334.54927%20144.62498)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভ্যাক্সিন, এক স্বর্গীয় আশীর্বাদ
এ বছরে ‘The Croods’ নামে একটা অ্যানিমেটেড মুভি বের হয়েছিল। মুভিটা অনেকেই দেখেছেন। Croods রা মূলত গুহামানব। সারা পৃথিবী থেকে তারা বিচ্ছিন্ন। গুহাতেই তারা তাদের জীবনের প্রায় পুরোটাই কাটিয়ে দেয়। প্রকৃতির নানা প্রতিকূলতার সাথে তারা দিন রাত যুদ্ধ করে টিকে থাকার জন্যে। প্রকৃতির ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা তারা জানে না। তাই তারা ঘটনাগুলোকে নিজের মত করে ব্যাখ্যা করে। আর তৈরি হয় নান মিথ। মানুষের ইতিহাসও অনেকটা Croods দের মত। মানুষের কাছে যখন জ্ঞান-বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগে নি। তখন তারা প্রকৃতির কাছে এমনটাই অসহায় ছিল। আর মানুষের চরম শত্রু ছিল নানা প্রাণঘাতী রোগ। এমন একটি রোগ হলো গুটি বসন্ত বা…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bbb475%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-10.02571%2053.35894%20-59.09809%20-11.10405%20351.1%20329.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23419235%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-141.16351%20-65.2267%2037.00712%20-80.09074%20255.3%20194.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23075800%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(137.49035%20474.62837%20-86.40608%2025.03011%2073.9%20265)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23045500%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(29.55106%20180.8563%20-59.88618%209.78512%20469.8%20138)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অ্যাপোমিক্সিস
এক দেশে এক এক কৃষক বাস করত, নানান ধরনের শস্য চাষ করে সুখে শান্তিতে দিন কাটাতো। ধীরে ধীরে দিন বদলে গেল, জমিজমা কমে গেল। দেশী জাতে আর পোষায়না, দুম করে কোথা থেকে চলে আসল ‘হাইব্রীড’। তার ঝলকানিতে সম্মোহিত হয়ে অনেকেই হাইব্রীড চাষ শুরু করল। আমাদের কৃষকও তার ব্যাতিক্রম নয়। কিন্তু, হাইব্রীডের সমস্যা একটাই…প্রতিবারই নতুন করে বীজ কেনা লাগে। কারন, হাইব্রীড গাছের থেকে যে বীজ পাওয়া যায়, সেই বীজে আর আগের মত ক্ষমতা থাকেনা। ব্যাপারটা খুব একটা ঝামেলার না হলেও, কৃষক মনে মনে অন্যের কাছে জিম্মি ভাবে নিজেকে। সে স্বপ্ন দেখে, এমন যদি হতো… হাইব্রীডের বীজ থেকেই…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill%3D%22%23201558%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20cx%3D%22123%22%20cy%3D%22108%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%2224%22%2F%3E%3Cpath%20d%3D%22M160%20140h7v3h-7z%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(6.3195%20-32.3109%206.6234%201.29543%20131%2064.9)%22%2F%3E%3Cpath%20d%3D%22M217.5%20128.8l-15.8%205.3-.1-9.7%2019%209z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জ্যোতির্বিজ্ঞান এর কিছু অভিজ্ঞতা
একদিন এক বন্ধুর কাছে থেকে জ্যোতির বিজ্ঞানের খোশ খবর বই টি নিয়ে পড়তে শুরু করলাম । কতটুকু পড়ার পর মাথা আর কাজ করছিল না, তখন ১০ম শ্রেণিতে পড়ি, এবং মডেল স্কুল এর বিজ্ঞান ক্লাব টাকে গড়ার কাজ করছিলাম । তখন বিজ্ঞান নিয়ে মাথা ঘামাতাম শুধু পুরষ্কার পাওয়ার জন্য। তারপর একদিন কাকতালীয় ভাবে সেলিম ভাই এর সাথে দেখা ও কথা হল এবং আমি “অচ” তে নিজেকে যুক্ত করি। শুরু হয় বিজ্ঞান নিয়ে আলাদা করে পথ চলা। জ্যোতির বিজ্ঞান বিভাগে কাজ করা শুরু হয় স্পেস টেকনোলজি নিয়ে। আমি সর্বোপরি স্বল্প জ্ঞান এর মানুষ হওয়ায় একদম গোঁড়া থেকে শিখতে…
%22%20transform%3D%22translate(1.7%201.7)%20scale(3.32031)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%22125%22%20cy%3D%22151%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2235%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23949494%22%20cx%3D%22153%22%20cy%3D%226%22%20rx%3D%22154%22%20ry%3D%2278%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cecece%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-101.1%20122.3%20-40.4)%20scale(22.58496%2044.69195)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23949494%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(32.444%207.5286%20-8.41492%2036.26357%20117.8%2058.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
শীতের দেশে পেঙ্গুইনের বিজ্ঞানময় চলাফেরা
পেঙ্গুইনের বসবাস মূলত বরফের দেশে, এন্টার্কটিকায়। সেখানে পরিবেশের তাপমাত্রা সবসময়ই হিমাঙ্কের নিচে থাকে। বছরের একটা সময় সে তাপমাত্রা আরও কমে যায়। একসময় দেখা যায় তাপমাত্রা কমতে কমতে মাইনাস ৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস(৫৮ ডিগ্রী ফারেনহাইট) হয়ে গেছে। এমন অবস্থায় মরার উপর খাড়ার ঘায়ের মত করে আসে ঠাণ্ডা বাতাস। দুয়ে মিলে পেঙ্গুইনের জন্য ভালই অসুবিধার সৃষ্টি করে। এমন অবস্থায় যেন বাঁচাই দায়! নবজাতক কিংবা ডিমের জন্য আরও অসুবিধার সৃষ্টি করে। সবচে বেশি অসুবিধার কারণটা হয় ডিমের তা দেয়া নিয়ে। বাচ্চা ফোটাতে ডিমে তা দিতে হলে কিছু তাপের দরকার। কিছুটা তাপ ছাড়া তো আর তা দেয়া হয় না। পেঙ্গুইনেরা এমন…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2258%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%22149%22%20ry%3D%2219%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23332b43%22%20cx%3D%2278%22%20cy%3D%228%22%20rx%3D%22111%22%20ry%3D%2240%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(140.45358%2049.73722%20-8.44643%2023.85198%2032.2%2082.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2309005e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-67.7%2012.2%20-8.8)%20scale(25.28523%2033.97056)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মস্তিষ্কের কোথায় থাকো, সৃজনশীলতা?
[আগের লেখা: ‘মগজ-ঘরে বসত করে কয়জনা?’] ফেব্রয়ারির বিকেলে একুশের বইমেলায় বাংলাএকাডেমি রাস্তার পাশে একদল আঁকিয়ে চেয়ার নিয়ে বসে থাকেন; তাদের সামনে গিয়ে বসলে আঁকিয়েরা আগ্রহীদের মুখায়ব চটপট এঁকে ফেলেন। আঁকিয়েদের মতোই যারা বাদ্যযন্ত্রে অচিন সুর তুলে ফেলেন কিংবা ঝরঝরে শব্দে নিটোল কবিতা লিখে ফেলেন – তাঁদের সৃজনের রহস্যময় ক্ষমতাকে মুগ্ধ আমজনতা সাধারণত খানিকটা সম্ভ্রমের দৃষ্টিতেই দেখি। এই সৃজনশীলতা নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই আমাদের। সৃজনশীল মানুষদের অন্যরকম বলেই মনে হয়। সৃজনশীলতা যেন ভোজবাজী, জাদুকর তার টুপি থেকে বের করে আনলেন একটা ধবধবে সাদা খরগোশ। এটা কি কোন জন্মগত ক্ষমতা যেটা সবার থাকে না? সৃজনশীল মানুষদের মস্তিষ্ক কি…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%238fd4ff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-699.6574%20-52.37937%209.4475%20-126.19488%20489.5%2013.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233e0000%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-108.22109%20177.40165%20-118.65021%20-72.3807%20863%20502.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23535422%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(122.4%2023.7%20296.8)%20scale(218.72788%20332.4629)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b2347%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-9.23916%2084.79862%20-127.28637%20-13.86837%20696.1%20499)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
হাজারীবাগ ট্যানারী শিল্পের ভয়াবহতা
শীত আসছে। তাই বাজার থেকে কিনে এনেছেন চামড়ার জ্যাকেট, পায়ে দিয়েছেন চামড়ার জুতো আর হাতে চামড়ার তৈরী ব্যাগ। কি একটিবারের জন্যও কি ভেবে দেখেছেন এর পেছনের গল্পটি কেমন? কি ভয়াবহ স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিধ্বংসী প্রক্রিয়ায় এগুলো আপনার হাতে এসে পৌঁছেছে? পৃথিবীর অর্ধেকের বেশী ট্যানারী শিল্প গড়ে উঠেছে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে। উচ্চ লাভ, নি¤œ মজুরি এবং পরিবেশ সম্পর্কে অনীহা ও অসচেতনতাই এর প্রধান কারণ। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের হাজারীবাগে ১৯৬০ সালে পাঞ্জাবী ট্রেডার্স নামে ট্যানারী শিল্পের সূচনা হয়।পরবর্তীতে স্বাধীনতার পরে এটি ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে। বাংলাদেশের ৯০% ট্যানারী হাজারীবাগে অবস্থিত। বর্তমানে এখানে প্রায় ২০০ টির বেশি…
টিউটোরিয়াল: কিভাবে প্রোটিনের ত্রিমাত্রিক গঠনের ছবি তৈরি করবেন
মাঝেমধ্যেই হয়তো ভাবেন কি করে দারুন সব রেজোলুশন এর প্রোটিনের গঠনের অসাধারণ সব ছবি তৈরি করেন বিজ্ঞান লেখকেরা। এমন সব ছবি যেগুলির মান এতই উচ্চ যে অনায়াসে বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ বা বিজ্ঞান ম্যাগজিনের প্রচ্ছদে ছাপিয়ে দেয়া যায়। আবার অনেকে বই লেখার সময় ছবি তৈরি করতে চান বা প্রেজেন্টেশানের জন্য নিজের মত করে প্রোটিন বা ডিএনএ’র ছবি বানাতে চান। আমাকে প্রায়ই মানুষ জিজ্ঞেস করেন কিভাবে এমন ছবি তৈরি করা যায়। আসলে এমন জিনিস শিখতে হয়েছে নিজের গবেষণা কাজের জন্য। তবে যখন শিখেছি তখন কোন ভিডিও ছিলনা কোথাও, ল্যাবের মানুষজনকে জিজ্ঞেস করে এবং ম্যানুয়াল দেখে শিখেছি। এখন কিছু ইংরেজী ভিডিও…






