
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f7a761%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-171.8%20133%20156.2)%20scale(190.00079%2078.62032)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000614%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(84.5%2045.5%20142.9)%20scale(117.62367%20351.5625)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e3b790%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-89.81897%20-47.12007%2021.39547%20-40.78344%20295.5%20347.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23834304%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-110.48978%2013.8581%20-9.05015%20-72.15629%20105.7%20305)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অনুসন্ধানী মানুষ বোধ-বুদ্ধিপ্রাপ্তির শুরু থেকেই তার চারপাশের বৈচিত্র্যময় জীবজগতকে নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে। কেমন করে এলো আকারে-প্রকারে-স্বভাবে-বর্ণে এতসব বৈচিত্র্যময় প্রাণী? ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় জুড়েই এই প্রশ্ন মানুষকে গোলকধাঁধায় আচ্ছন্ন করে রেখেছিলো। একটা সময় পর্যন্ত মানুষের ধারণা ছিলো এই সব প্রাণী সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র,এদের মধ্যে দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই,নিজেদের রূপেই এরা সকলে সৃষ্টির আদি থেকে রয়েছে,এবং সেই রূপের কোনো বদলও ঘটে নি। সে যুগের জ্ঞানে আপাতদৃষ্টিতে এই ব্যাখ্যাকেই সবচেয়ে সহজ এবং গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়েছিলো। উনিশ শতকে এসে এই প্রশ্নের সম্পূর্ণ ভিন্ন উত্তর হাজির করলেন এক বিজ্ঞানী। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে গবেষণা-সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পর তিনি যখন তার…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237c4a85%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(91.6%2031.3%20112.5)%20scale(21.85074%20178.50509)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2395c48e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-10.4436%20-45.59915%2053.8867%20-12.3417%20215%20125.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c38400%22%20cx%3D%22127%22%20cy%3D%2217%22%20rx%3D%22253%22%20ry%3D%2224%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2370a054%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.91075%20-31.66416%20116.55982%20-7.03373%2062.8%20126.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সংকেত ভাঙার পর (গেম অব জিনোমস)
[আগের অধ্যায় | সূচীপত্র | পরের অধ্যায়] খন্ড-১, অধ্যায়-২ নিজের জিনোম সিকোয়েন্স করবো। এ সিদ্ধান্ত নেয়ার কিছুদিন পর আমি বোস্টনের এক হাসপাতালে আবিষ্কার করি। একজন বংশগতি-বিশেষজ্ঞ আমার মুখে আকুপাকু করে কিছু খুঁজছিলেন। ড. রবার্ট গ্রিন বললেন, “আমি আসলে তোমার চেহারায় কোন বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে কি না সেটা খুঁজছি, যা থেকে তোমার বংশগতির রোগ থাকলে তার ইঙ্গিত দেবে। যেমন ধরো চোখের আকৃতি, তোমার কান নিম্নমুখি কি না, কানের গঠনের জটিলতা ইত্যাদি।” ড. গ্রিন তারপর আমাকে তার ব্রিগহাম ও মহিলা হাসপাতালের অফিসে এদিক-ওদিক হাঁটতে বললেন। ওয়েস্টমিনিস্টারে প্রতিবছর একটি বিখ্যাত কুকুর-প্রদর্শনী হয়। সেখানে নানা জাতের শৌখিন কুকুর নিয়ে বিভিন্ন…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231d6aa4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-167.5%20272%20131)%20scale(218.97777%20305.66141)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23191d09%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(763.4804%20231.6195%20-107.73698%20355.13017%20337.1%201146.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23286032%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(14.13993%20193.72441%20-173.58263%2012.66978%20436.5%20609.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23002474%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(108.90362%20-11.83072%2022.42059%20206.38501%20745%20612.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আকাশজোড়া গল্পগাথা: জ্যোতির্বিদ্যার হাতেখড়ি
জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে বাংলায় লেখালেখির পরিমাণ বেশ অল্প। যেগুলো আছে অনেকক্ষেত্রেই আপডেটেড না, পুরোনো তথ্যে ভরপুর। বইটা এবছর প্রকাশিত হয়েছে তারা, গ্রহাণু, উল্কা, ছায়াপথ ইত্যাদি নিয়ে আগ্রহ থাকলে বইটা অবশ্যই পড়া উচিত। প্রথম অধ্যায়টা শুরু হয়েছে “জ্যোতিবিহীন জ্যোতিষশাস্ত্র” শিরোনামে। জ্যোতির্বিজ্ঞান (astronomy) , জ্যোতিষশাস্ত্র (astrology) দুইটা খুবই কাছাকাছি শব্দ কিন্তু অর্থের মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক। • জ্যোতির্বিজ্ঞান ফিজিক্স কেমিস্ট্রির মতোই ন্যাচারাল সায়েন্সের একটা ফিল্ড যা গ্রহ, গ্রহাণু, নক্ষত্র, নেবুলা ছায়াপথ, ইউনিভার্স ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে। এর বিভিন্ন শাখাও রয়েছে Astrophysics, Astrobiology, Cosmology ইত্যাদি। • জ্যোতিষশাস্ত্র পুরোপুরি ভাঁওতাবাজির ফ্যাক্টরি। রাশিফল, হাতের রেখা, আকাশে তারার অবস্থান দিয়ে ভাগ্যনির্ধারণ করে। এগুলোর…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d9dfe2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(90.6594%2098.05316%20-108.54366%20100.35886%20340.8%20307.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(25.8%20-277.4%20211.3)%20scale(131.10274%20344.60176)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b85e38%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-36.6521%20-50.44729%20102.544%20-74.50257%20532.8%20156.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-66.64632%20-23.8511%20170.76914%20-477.1743%2025.8%20156.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
“সুন্দর” এর কাটাকুটি: নন্দন স্নায়ু-বিজ্ঞান
উপরের ছবি দুইটির মধ্যে মিল কোথায় বলুন তো ? দুইটা ছবি দুই ধরনের, প্রথমটি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির আঁকা খুব বিখ্যাত পোর্ট্রেট মোনালিসা আর দ্বিতীয়টি জোসেফ ডন্ডেলিঞ্জা এর ক্যামেরা দিয়ে তোলা পুরষ্কার প্রাপ্ত একটা ল্যান্ডস্কেপ । দৃশ্যত কোন মিল না থাকলেও এদের মধ্যে একটা বড় মিল হল, দুইটা ছবিই বেশ সুন্দর । আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন সুন্দর এগুলো? আপনি উত্তরে হয়ত বলবেন নিখুঁত আকুনি, রং, আকর্ষনীয়তা বা অন্যকিছু । কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয় “সৌন্দর্য” কি ? একটু বিষম হয়ত খেয়েই বসবেন তখন । খুবই সহজ একটা প্রশ্ন, আবার কিন্তু খুব জটিলও । তবে, নিশ্চিন্ত …
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.30469)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300bee5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.25903%2023.55044%20-246.82937%202.71488%20157.4%20130.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffefe5%22%20cx%3D%22109%22%20cy%3D%2232%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2244%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(162.7%20120%2026.6)%20scale(23.88047%2066.70901)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237dd2ff%22%20cx%3D%22134%22%20cy%3D%22104%22%20rx%3D%22242%22%20ry%3D%2217%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিশুদ্ধ জল-সংকটে বিশ্ব: সম্ভাবনায় Desalination
নির্লবণীকরণ কী? কেন প্রয়োজন? ছোটবেলা থেকেই আমরা আমাদের বিজ্ঞান বইয়ে পড়ে আসছি পৃথিবীর চারভাগের তিনভাগ জল আর এক ভাগ মাটি। তাই আপাত-দৃষ্টিতে আমাদের মনে হতে পারে আমাদের বুঝি কোনো কালে পানির ঘাটতি হবে-ই না।কিন্তু এ ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। আনুমানিকভাবে আমাদের পৃথিবীর মোট পরিমাণের ৭০ ভাগ পানি এবং ৩০ ভাগ মাটি বা স্থলভূমি। পৃথিবীর পানির এই মোট পরিমাণের ৯৭ ভাগই লবণাক্ত যা আমাদের ব্যবহার উপযোগী নয়। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, বাকী যে ৩ ভাগ বিশুদ্ধ পানি রয়েছে তার অধিকাংশই হিমবাহরুপে (বরফ হিসেবে) থাকে। ফলে গড় হিসেবে পৃথিবীর মোট পানির পরিমাণে আমাদের ব্যবহারযোগ্য পানির পরিমাণ এক শতাংশেরও কম।…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23565f5c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-90.4%2073.8%20-8)%20scale(45.86239%20112.88843)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23050203%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-11.34478%20-231.96092%2056.56505%20-2.7665%20255%2062.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23568978%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-3.2%201189.8%20-697.3)%20scale(50.83419%2018.28661)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e0c0c%22%20cx%3D%22169%22%20cy%3D%22131%22%20rx%3D%22241%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
হার্ডড্রাইভের মধ্যে মানুষটি (গেম অব জিনোমস)
[বিজ্ঞান লেখক কার্ল জিমার নিজের জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছিলেন। শুধু তাই না, বিভিন্ন বিজ্ঞানীর সাথে মিলে নিজের জিনোমের ব্যবচ্ছেদও করেছিলেন। বায়োইনফরমেটিক্স, জেনোমিক্স, সিকোয়েন্স এনালাইসিসের প্রতিটি ধাপে খুঁটিয়ে বুঝেছিলেন। এই অভিজ্ঞতা নিয়ে তার একটা বিশাল ধারাবাহিক আছে, Game of Genomes। প্রায় দুই বছর আগে লস এঞ্জেলসে একটা বিজ্ঞান বক্তৃতায় কার্ল জিমারের সাথে আমার দেখা হয়। এই সিরিজটা বাংলাতে অনুবাদের জন্য অনুমতি পাই তার কাছ থেকে (এবং মূল প্রকাশক ওয়েব-ম্যাগাজিনের কাছ থেকে)। এটা আমার জন্য একটা বিশাল ব্যপার কারণ এই লেখককে আমি বহুদিন ধরে অনুসরণ করে আসছি। তিনিও কোন দ্বিধা ছাড়াই অনুবাদের অনুমতি দেন। অনুবাদটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে বিজ্ঞান…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23422b1d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(102.5%20-54.8%20116.1)%20scale(340.66446%20114.69185)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2388d5e3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(72.3339%20340.30425%20-78.5396%2016.6941%20405%20366)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23572d00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(177%20319.1%20190.2)%20scale(110.93349%20138.39578)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300cac7%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(48.60668%20-144.98814%20106.63969%2035.75052%20626.6%202.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ইকো’র বেঁচে থাকার গল্প (বিজ্ঞান-গল্প)
লেখাটি কল্পবিজ্ঞান, অণুজীববিজ্ঞান, চিকিৎসা-বিজ্ঞান, জিনতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল, বংশগতি, বায়োইনফরমেটিক্স, বিজ্ঞান বিনোদন বিভাগে প্রকাশিতএলিয়েন সম্পর্কে কোন একটা তথ্য দেখলেই আমরা খুব আগ্রহ নিয়ে তা জানতে চাই৷ “এলিয়েন কোন গ্রহে আছে?” কিংবা, “কোথায় তার বসবাস?” “কি তাদের জীবনপ্রণালী?” এসবে বিজ্ঞানীদের আগ্রহের যেমন কমতি নেই, আমাদেরও। কিন্তু, এখন আমি যদি বলি আপনি নিজেই এলিয়েন ! কথা না বাড়িয়ে আসুন তবে জেনে আসা যাক সেই “জীবের” সম্পর্কে। হতে পারে কারো দৃষ্টিকোণে “আমরাই” এলিয়েন৷ তার নাম ইকো। ভারী পোশাকের বদলে পাতলা পোশাক পড়তে পছন্দ করে (Gram-negative), অক্সিজেন-সমৃদ্ধ বাতাস তার ভালো লাগে কিন্তু এর বিপরীত পরিবেশেও বেঁচে থাকতে পারে (facultative anaerobic), লম্বা-চওড়া গড়নের (rod-shaped), নিজে সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত হলেও অনেক নোংরা রাঘব বোয়ালদের সাথে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23006000%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(77.2%20-13.2%20592.5)%20scale(209.99726%20196.09742)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(685.65503%20-17.9104%203.83448%20146.79354%20284.9%2078)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(270.90737%20226.65784%20-83.4537%2099.74603%20118.3%20509.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2313750a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-84.65983%20-37.33943%2052.63435%20-119.33805%20555.2%20469)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সংবেদনশীল চুলের কোষের প্রতিবিম্ব বিন্যাসকরণ কীভাবে অন্তকর্ণে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে?
লেখাটি জীববিজ্ঞান, অনুবাদ, চিকিৎসা-বিজ্ঞান, বিজ্ঞানীদের কথা, বিবিধ, সাম্প্রতিক, স্নায়ুবিজ্ঞান বিভাগে প্রকাশিতজ্যাকসন ল্যাবরেটরির একদল গবেষক সংবেদনশীল চুলের ত্বকের কোষ কীভাবে অন্তকর্ণে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা নিয়ে গবেষণা করেন । মার্ক ওয়ানার একটা চমকপ্রদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন এ বিষয় নিয়ে। শব্দ সংবেদনশীল চুলের কোষগুলো বিশেষায়িত মাধ্যমিক সংবেদনশীল যা শ্রবণশক্তি, ভারসাম্য, রৈখিক ত্বরণ এবং কৌণিক ত্বরণ (মাথা ঘোরানো) আমাদের ইন্দ্রিয়ের ভারসম্য রক্ষা করে। শব্দ এক কথায় বলতে গেলে একটা সিরিজ। আমরা জন্মের পর থেকে শোনা শব্দ পরে বলতে শিখি। গান কবিতা বেশিরভাগ মানুষই শুনতে ভালোবাসেন। রবী ঠাকুরের একটি গান প্রায়ই গুনগুন করি। গানটি হলো তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী? আমি অবাক হয়ে শুনি! শোনা ছাড়া বলতে পারা অসম্ভব…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-208.70536%20-12.39938%2054.89979%20-924.06854%201177.4%20444.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a6847f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(360.15636%20-221.56967%20289.97319%20471.34469%20426%20239.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(26.07398%20-785.99032%20175.26603%205.81417%201249.7%20410.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23faa266%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-130.0517%20-36.80092%20112.63436%20-398.0414%20144%20182.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অন্ত্রে মাইক্রোবায়োম নেই এমন প্রাণীর সন্ধানে
শরীর বা শরীরের কোন নির্দিষ্ট অংশে স্বভাবতই বিপুল সংখ্যক অণুজীব বসবাস করে যারা খাদ্য হজমে, শক্তি উৎপাদনে, ভিটামিন তৈরিতে এমনকি ক্ষতিকর জীবাণু থেকে আমাদের রক্ষা করতে সাহায্য করে। এসব অণুজীবদের এক কথায় আমরা মাইক্রোবায়োম বা শরীরের অণুজীব বলে থাকি যারা প্রাকৃতিক ভাবেই মানুষ বা অন্য প্রাণীর দেহে থাকে। কিন্তু সিমন্স ফাউন্ডেশনের “Quanta Magazine’’ অনলাইন প্রকাশনার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমনও প্রাণী আছে যাদের অন্ত্রে মাইক্রোবায়োম নেই বা থাকলেও তা খুবই নগন্য। প্রতিবেদনটির মূলভাব এখানে তুলে ধরা হলোঃ সুস্থ থাকার জন্য মানুষ এবং অন্যান্য কিছু প্রাণী তাদের অন্ত্রের জটিল ব্যাকটেরিয়া সম্প্রদায়ের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু গবেষণায় দেখা…







