
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d9dfe2%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(90.6594%2098.05316%20-108.54366%20100.35886%20340.8%20307.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(25.8%20-277.4%20211.3)%20scale(131.10274%20344.60176)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b85e38%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-36.6521%20-50.44729%20102.544%20-74.50257%20532.8%20156.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-66.64632%20-23.8511%20170.76914%20-477.1743%2025.8%20156.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
উপরের ছবি দুইটির মধ্যে মিল কোথায় বলুন তো ? দুইটা ছবি দুই ধরনের, প্রথমটি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির আঁকা খুব বিখ্যাত পোর্ট্রেট মোনালিসা আর দ্বিতীয়টি জোসেফ ডন্ডেলিঞ্জা এর ক্যামেরা দিয়ে তোলা পুরষ্কার প্রাপ্ত একটা ল্যান্ডস্কেপ । দৃশ্যত কোন মিল না থাকলেও এদের মধ্যে একটা বড় মিল হল, দুইটা ছবিই বেশ সুন্দর । আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন সুন্দর এগুলো? আপনি উত্তরে হয়ত বলবেন নিখুঁত আকুনি, রং, আকর্ষনীয়তা বা অন্যকিছু । কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয় “সৌন্দর্য” কি ? একটু বিষম হয়ত খেয়েই বসবেন তখন । খুবই সহজ একটা প্রশ্ন, আবার কিন্তু খুব জটিলও । তবে, নিশ্চিন্ত …
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.30469)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300bee5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.25903%2023.55044%20-246.82937%202.71488%20157.4%20130.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffefe5%22%20cx%3D%22109%22%20cy%3D%2232%22%20rx%3D%22255%22%20ry%3D%2244%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(162.7%20120%2026.6)%20scale(23.88047%2066.70901)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237dd2ff%22%20cx%3D%22134%22%20cy%3D%22104%22%20rx%3D%22242%22%20ry%3D%2217%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিশুদ্ধ জল-সংকটে বিশ্ব: সম্ভাবনায় Desalination
নির্লবণীকরণ কী? কেন প্রয়োজন? ছোটবেলা থেকেই আমরা আমাদের বিজ্ঞান বইয়ে পড়ে আসছি পৃথিবীর চারভাগের তিনভাগ জল আর এক ভাগ মাটি। তাই আপাত-দৃষ্টিতে আমাদের মনে হতে পারে আমাদের বুঝি কোনো কালে পানির ঘাটতি হবে-ই না।কিন্তু এ ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। আনুমানিকভাবে আমাদের পৃথিবীর মোট পরিমাণের ৭০ ভাগ পানি এবং ৩০ ভাগ মাটি বা স্থলভূমি। পৃথিবীর পানির এই মোট পরিমাণের ৯৭ ভাগই লবণাক্ত যা আমাদের ব্যবহার উপযোগী নয়। দুঃখের বিষয় হচ্ছে, বাকী যে ৩ ভাগ বিশুদ্ধ পানি রয়েছে তার অধিকাংশই হিমবাহরুপে (বরফ হিসেবে) থাকে। ফলে গড় হিসেবে পৃথিবীর মোট পানির পরিমাণে আমাদের ব্যবহারযোগ্য পানির পরিমাণ এক শতাংশেরও কম।…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23565f5c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-90.4%2073.8%20-8)%20scale(45.86239%20112.88843)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23050203%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-11.34478%20-231.96092%2056.56505%20-2.7665%20255%2062.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23568978%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-3.2%201189.8%20-697.3)%20scale(50.83419%2018.28661)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230e0c0c%22%20cx%3D%22169%22%20cy%3D%22131%22%20rx%3D%22241%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
হার্ডড্রাইভের মধ্যে মানুষটি (গেম অব জিনোমস)
[বিজ্ঞান লেখক কার্ল জিমার নিজের জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছিলেন। শুধু তাই না, বিভিন্ন বিজ্ঞানীর সাথে মিলে নিজের জিনোমের ব্যবচ্ছেদও করেছিলেন। বায়োইনফরমেটিক্স, জেনোমিক্স, সিকোয়েন্স এনালাইসিসের প্রতিটি ধাপে খুঁটিয়ে বুঝেছিলেন। এই অভিজ্ঞতা নিয়ে তার একটা বিশাল ধারাবাহিক আছে, Game of Genomes। প্রায় দুই বছর আগে লস এঞ্জেলসে একটা বিজ্ঞান বক্তৃতায় কার্ল জিমারের সাথে আমার দেখা হয়। এই সিরিজটা বাংলাতে অনুবাদের জন্য অনুমতি পাই তার কাছ থেকে (এবং মূল প্রকাশক ওয়েব-ম্যাগাজিনের কাছ থেকে)। এটা আমার জন্য একটা বিশাল ব্যপার কারণ এই লেখককে আমি বহুদিন ধরে অনুসরণ করে আসছি। তিনিও কোন দ্বিধা ছাড়াই অনুবাদের অনুমতি দেন। অনুবাদটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে বিজ্ঞান…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23422b1d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(102.5%20-54.8%20116.1)%20scale(340.66446%20114.69185)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2388d5e3%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(72.3339%20340.30425%20-78.5396%2016.6941%20405%20366)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23572d00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(177%20319.1%20190.2)%20scale(110.93349%20138.39578)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300cac7%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(48.60668%20-144.98814%20106.63969%2035.75052%20626.6%202.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ইকো’র বেঁচে থাকার গল্প (বিজ্ঞান-গল্প)
লেখাটি কল্পবিজ্ঞান, অণুজীববিজ্ঞান, চিকিৎসা-বিজ্ঞান, জিনতত্ত্ব, জীববিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল, বংশগতি, বায়োইনফরমেটিক্স, বিজ্ঞান বিনোদন বিভাগে প্রকাশিতএলিয়েন সম্পর্কে কোন একটা তথ্য দেখলেই আমরা খুব আগ্রহ নিয়ে তা জানতে চাই৷ “এলিয়েন কোন গ্রহে আছে?” কিংবা, “কোথায় তার বসবাস?” “কি তাদের জীবনপ্রণালী?” এসবে বিজ্ঞানীদের আগ্রহের যেমন কমতি নেই, আমাদেরও। কিন্তু, এখন আমি যদি বলি আপনি নিজেই এলিয়েন ! কথা না বাড়িয়ে আসুন তবে জেনে আসা যাক সেই “জীবের” সম্পর্কে। হতে পারে কারো দৃষ্টিকোণে “আমরাই” এলিয়েন৷ তার নাম ইকো। ভারী পোশাকের বদলে পাতলা পোশাক পড়তে পছন্দ করে (Gram-negative), অক্সিজেন-সমৃদ্ধ বাতাস তার ভালো লাগে কিন্তু এর বিপরীত পরিবেশেও বেঁচে থাকতে পারে (facultative anaerobic), লম্বা-চওড়া গড়নের (rod-shaped), নিজে সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত হলেও অনেক নোংরা রাঘব বোয়ালদের সাথে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23006000%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(77.2%20-13.2%20592.5)%20scale(209.99726%20196.09742)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(685.65503%20-17.9104%203.83448%20146.79354%20284.9%2078)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(270.90737%20226.65784%20-83.4537%2099.74603%20118.3%20509.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2313750a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-84.65983%20-37.33943%2052.63435%20-119.33805%20555.2%20469)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সংবেদনশীল চুলের কোষের প্রতিবিম্ব বিন্যাসকরণ কীভাবে অন্তকর্ণে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে?
লেখাটি জীববিজ্ঞান, অনুবাদ, চিকিৎসা-বিজ্ঞান, বিজ্ঞানীদের কথা, বিবিধ, সাম্প্রতিক, স্নায়ুবিজ্ঞান বিভাগে প্রকাশিতজ্যাকসন ল্যাবরেটরির একদল গবেষক সংবেদনশীল চুলের ত্বকের কোষ কীভাবে অন্তকর্ণে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা নিয়ে গবেষণা করেন । মার্ক ওয়ানার একটা চমকপ্রদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন এ বিষয় নিয়ে। শব্দ সংবেদনশীল চুলের কোষগুলো বিশেষায়িত মাধ্যমিক সংবেদনশীল যা শ্রবণশক্তি, ভারসাম্য, রৈখিক ত্বরণ এবং কৌণিক ত্বরণ (মাথা ঘোরানো) আমাদের ইন্দ্রিয়ের ভারসম্য রক্ষা করে। শব্দ এক কথায় বলতে গেলে একটা সিরিজ। আমরা জন্মের পর থেকে শোনা শব্দ পরে বলতে শিখি। গান কবিতা বেশিরভাগ মানুষই শুনতে ভালোবাসেন। রবী ঠাকুরের একটি গান প্রায়ই গুনগুন করি। গানটি হলো তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী? আমি অবাক হয়ে শুনি! শোনা ছাড়া বলতে পারা অসম্ভব…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-208.70536%20-12.39938%2054.89979%20-924.06854%201177.4%20444.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a6847f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(360.15636%20-221.56967%20289.97319%20471.34469%20426%20239.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(26.07398%20-785.99032%20175.26603%205.81417%201249.7%20410.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23faa266%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-130.0517%20-36.80092%20112.63436%20-398.0414%20144%20182.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অন্ত্রে মাইক্রোবায়োম নেই এমন প্রাণীর সন্ধানে
শরীর বা শরীরের কোন নির্দিষ্ট অংশে স্বভাবতই বিপুল সংখ্যক অণুজীব বসবাস করে যারা খাদ্য হজমে, শক্তি উৎপাদনে, ভিটামিন তৈরিতে এমনকি ক্ষতিকর জীবাণু থেকে আমাদের রক্ষা করতে সাহায্য করে। এসব অণুজীবদের এক কথায় আমরা মাইক্রোবায়োম বা শরীরের অণুজীব বলে থাকি যারা প্রাকৃতিক ভাবেই মানুষ বা অন্য প্রাণীর দেহে থাকে। কিন্তু সিমন্স ফাউন্ডেশনের “Quanta Magazine’’ অনলাইন প্রকাশনার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমনও প্রাণী আছে যাদের অন্ত্রে মাইক্রোবায়োম নেই বা থাকলেও তা খুবই নগন্য। প্রতিবেদনটির মূলভাব এখানে তুলে ধরা হলোঃ সুস্থ থাকার জন্য মানুষ এবং অন্যান্য কিছু প্রাণী তাদের অন্ত্রের জটিল ব্যাকটেরিয়া সম্প্রদায়ের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু গবেষণায় দেখা…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%20scale(1.03516)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239e9ea0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(117.7%2099.7%20123)%20scale(31.74853%2061.34218)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23242426%22%20d%3D%22M-25.2%20172l22-47.1%2092.4%2043-22%2047.2z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23252527%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(9.58972%2017.30031%20-39.50007%2021.89525%2032.6%200)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23242426%22%20cx%3D%22250%22%20cy%3D%22172%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2219%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
প্রথম বানর-মানুষ সংকর ভ্রুণ তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
গ্রিক মিথোলজিতে কাইমেরা নামক এক দৈত্যের কথা উল্লেখ আছে যার শরীর ছিলো তিনটি প্রাণীর সমন্বয়ে গঠিত। মাথাটা ছিল সিংহের, শরীরের মধ্যাংশে ছিল ছাগলের মাথা ঠিক সিংহের মুখের বিপরীতে এর মুখ ঘোরানো এবং লেজ হিসেবে ছিল একটি সাপ। ভয়ংকর এই দৈত্য ছিল টাইফন এবং একিডনা নামক দুই দৈত্যের সন্তান। আর সেরবেরাস এবং হাইড্রা ছিল এর ভাই বোন। গ্রিক পুরাণের সেই কাইমেরা নামটি এখন ব্যবহৃত হয় একাধিক প্রাণীর শরীর এর কোনো অংশ নিয়ে গঠিত কোনো প্রাণীকে বোঝাতে। সেটি হতে পারে একই দেহে দুই সেট ক্রোমোজোম যার এক সেট ক্রোমোজোম হবে অন্য কারো কিংবা সেই ব্যক্তি এখনো পৃথিবীতেই নেই।…
%22%20transform%3D%22translate(2.2%202.2)%20scale(4.48438)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a7a0d8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.77381%20-31.08461%2074.99603%201.86693%2065.9%2012.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23756934%22%20cx%3D%2243%22%20cy%3D%2284%22%20rx%3D%2252%22%20ry%3D%2252%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ddeca0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(33.40366%20-48.24044%2022.7144%2015.72839%20242%2010.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a4c700%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-81.1%20142.3%20-26.4)%20scale(22.95738%2047.53723)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিকোটিন এবং মারিজুয়ানা যেভাবে মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে
একটি প্রচলিত বাক্য আমরা সচরাচর দেখে থাকি। “ধূমপানে ক্যান্সার হয়, এমনকি মৃত্যু ও হতে পারে।” এই সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বার্তা যত্রতত্র দেখেছেন হয়তো। মুভির শুরুতে, বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপনে এমনকি খোদ সিগারেটের প্যাকেটে লিখা থাকে। এইসব দেখেও ,না দেখার ভান করে মানুষ দেদারসে বিড়ি ফুঁকছে, সিগারেটের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন রাখছে নিজেকে। ধূমপান বা মারিজুয়ানার প্রভাব ব্যক্তির ক্ষেত্রে ,মস্তিষ্কের ক্ষেত্রে ভয়ংকর। আসুন, সেসব নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা হয়ে যাক। কেন মানুষ নিকোটিনে আসক্ত হয়? একজন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের সিগারেটে আসক্ত হবার পেছনে বিভিন্ন কারণ কাজ করে। সব তো ব্যাখ্যা করা বা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। গবেষকরা প্রধানত যেসব কারণ চিহ্নিত করেছেন…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffb429%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(10.9%20-2574.6%205537.8)%20scale(519.46788%20181.9655)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23173d37%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-159.7%20380.8%20-.9)%20scale(228.65863%20187.27886)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23646dd0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-387.5274%20696.24934%20-205.85174%20-114.57561%202.3%20388)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23007098%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(84.5%20467.5%20745.5)%20scale(86.8296%20119.0799)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিষ থেকে প্রাণরক্ষার ওষুধ
রোগব্যাধী ও মৃত্যু থেকে দূরে থাকার জন্য বর্তমানে আমাদের আছে বৈচিত্র্যময় ও বিশাল পরিমাণ ঔষধের সরবরাহ। মজার ব্যাপার হলো জীবন রক্ষাকারী উল্লেখযোগ্য অনেক ঔষধ তৈরী করা হয়েছে প্রাণঘাতী বিভিন্ন বিষ থেকে। উপরের চিত্রটি মানুষের পরিচিত সবচেয়ে বিষাক্ত উপাদানের ত্রিমাত্রিক গঠন। এই বিষাক্ত যৌগটির মাত্র এক চা চামচ পরিমাণ, একটি দেশের সকল মানুষকে মারার জন্য যথেষ্ট। এক কেজি পরিমাণ এই বিষ সমগ্র পৃথিবীর সকল মানুষকে মারতে সক্ষম। এই বিষ এতটাই বিপদজনক যে সামরিক নিরাপত্তায় এটিকে উৎপাদন করা হয়। পাশাপাশি, এ বিষের প্রতি কেজির মূল্য ১০০ ট্রিলিয়ন ইউরো। যা পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত তৈরী হওয়া সবচেয়ে দামী ও ব্যয়বহুল…







