
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.34375)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23979797%22%20cx%3D%22232%22%20cy%3D%2291%22%20rx%3D%2242%22%20ry%3D%2242%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23989898%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.22488%20-29.6123%2061.60178%20-2.5481%2087.9%20153.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23222%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-172.7%20103%2073.4)%20scale(26.2059%2020.24936)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%231c1c1c%22%20d%3D%22M9%20129.1l8.7%2070.5-26.8%203.3-8.6-70.5z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সময় জানা এখন খুব মামুলি একটি বিষয় হলেও যখন ঘড়ি ছিল না তখন সঠিক সময় জানা ছিল অসাধ্য একটি কাজ। প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মিশরীয়রা প্রথম সূর্যঘড়ি বা ছায়াঘড়ি নামে এক ধরণের ঘড়ি আবিষ্কার করেছিল। এর আগে মানুষ সময় বুঝতো দিনের আলো বা রাতের তারা দেখে। মিশরীয়রা সময় নির্ণয় করতে খোলা জায়গায় একটি লাঠি পুতে রাখতো। সেই লাঠিকে ঘিরে ছোটো বড় কিছু চক্র এঁকে সময়ের সংকেত লিখে রাখতো। লাঠির ওপর সূর্যের আলো পড়লে তার ছায়া পড়তো মাটিতে, তা থেকেই সময় বোঝা যেত। এটাই ছিল সূর্যঘড়ি। এমন একটি ঘড়ি আজো রক্ষিত আছে বার্লিন মিউজিয়ামে। বাইবেলের ওল্ড…

নিয়ানডার্থাল জিন প্রকারণ কোভিড-১৯ ঝুঁকি বাড়ায়
এ বছরের শুরুতে চীনের উহাং প্রদেশে প্রথম আবির্ভাব ঘটে করোনা ভাইরাসের। সেই থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসটি কেড়ে নিয়েছে ১,৭৭৮,৩২১ জনের প্রাণ। বছরের শেষ হতে চলল কিন্তু করোনা ভাইরাস আমাদের ছেড়ে যেতে চাচ্ছে না। সেই সাথে প্রতিনিয়তই এ নিয়ে চলছে গবেষকদের নানা গবেষণা আর বেড়িয়ে আসছে নানান তথ্য। বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন ডেভেলাপের আশায় করে যাচ্ছেন অক্লান্ত পরিশ্রম। গত সপ্তাহে বায়োআর্কাইভ প্রিপ্রিন্টে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র জানান দিচ্ছে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে নিয়ানডার্থাল জিন প্রকরণের প্রভাব সম্পর্কে। আপনি যদি করোনায় আক্রান্ত হন তাহলে আপনার পূর্বপুরুষ নিয়ানডার্থাল ছিল কিনা তা বোঝার সুযোগ আছে। কিছু সংখ্যক মানুষের ক্রোমোজোমে নিয়ানডার্থাল মানুষের জিনপ্রকরণ এর সন্ধান…

কেন ক্ষুধা এবং একাকীত্ব মস্তিষ্কের একই অংশকে সক্রিয় করে তোলে?
(লেখাটি Smithsonian magazine এ প্রকাশিত Rasha Aridi লিখার ভাবানুবাদ) কোভিড -১৯ প্যান্ডেমিক বিশ্বকে একাকী করে তুলছে, যেহেতু মানুষ ঘরে আবদ্ধ আছে। মানুষ চাইছে তাদের প্রিয়জনদের সাথে মিলিত হতে। একাকীত্ব কে এড়ানোর প্রবৃত্তি আমাদের মস্তিষ্কে সব সময় অন্তর্নিহিত আছে। সম্প্রতি Nature Neuroscience এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে, সামাজিক মেলামেশার জন্য আকাঙ্ক্ষা ঠিক একই ভাবে মস্তিষ্কে ক্রিয়া দেখায় যেমনটা একজন ক্ষুধার্ত মানুষ খাবারের জন্য করে । Massachusetts Institute of Technology (MIT) এর একজন স্নায়ুবিজ্ঞানী লিভিয়া তমোভা ( Livia Tomova) এবং তার সহযোগীরা মিলে ১০ঘন্টা ব্যাপী ক্ষুধার্ত থাকা ৪০ জন মানুষের উপর একটি গবেষনা করেছেন। দিনশেষে তাদের…
%22%20transform%3D%22matrix(8%200%200%208%204%204)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f6a011%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.26133%20-54.50875%2051.83513%20.2485%20121.6%2079.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(11.9%20-110%201243.6)%20scale(65.72093%20249.89893)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(41.49524%20-3.1131%2019.07728%20254.28539%2024.7%20107.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ca9d12%22%20cx%3D%22121%22%20cy%3D%2279%22%20rx%3D%2232%22%20ry%3D%2232%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
নিউয়র্কের করোনা ভাইরাসের উৎস ছিলো ইউরোপ
(লেখাটি নিউইয়র্ক টাইমসে কার্ল জিমারের লেখা Most New York Coronavirus Cases Came From Europe, Genomes Show এর ভাবানুবাদ। লেখাটি এই বছর এপ্রিলের ৮ তারিখে লেখা।) নতুন একটি গবেষণার মতে নিউয়র্কে আক্রান্ত রোগী শনাঙ্ক হওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগে ফেব্রুয়ারী মাঝামাঝি সময়েই করোনাভাইরাস নিউইয়র্কে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি ইউরোপের ভ্রমণকারীদের কাজ থেকে ছড়ায়, এশিয়ার কারো থেকে নয়। হার্ম ভেন বেকেল এর মতে বেশীরভাগ করোনা ভাইরাস ইউরোপিয়ানদের থেকে এসেছে। তিনি মাউন্ট সিনাই-এর ইকান স্কুল অফ মেডিসিনের জিনতত্ত্ববিদ এবং একটি গবেষণাপত্র লিখেছেন যেটা রিভিউয়ের জন্য অপেক্ষা করছে। (অনুবাদক: গবেষণাটি সায়েন্স জার্নালে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে) এন ওয়াই ইউ গ্রসম্যান স্কুল অফ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23914940%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-73.80999%20-236.26029%20167.21784%20-52.24046%20326.4%20434.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(623.49084%20-8.9144%201.57285%20110.00797%20333%2090.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-115.73241%2053.23037%20-230.12975%20-500.34354%20561%20162.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ff5d3d%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-61.8%20469%2057.5)%20scale(120.53061%2086.16481)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মানসিক চাপে দেহের তাপমাত্রা বাড়ে কেন?
(লেখাটি Nature এ প্রকাশিত আর্টিকেল “How stress can cause a fever” এর ভাবানুবাদ) স্টেজে দর্শকের সামনে কথা বলতে গেলে আমাদের সকলেরই হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, রক্তচাপ বাড়ে, আমরা ঘামতে থাকি। পাশাপাশি আমাদের দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এই উদ্দীপনার মূলে রয়েছে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া যা আমাদের দেহকে আসন্ন বিপদের মুখোমুখি হতে তৈরি করে। এই মনস্তাত্ত্বিক চাপ হতে মানুষসহ অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের জ্বর হতে পারে। কিন্তু আমরা কি জানি এই ঘটনার পেছনে কোন স্নায়বিক প্রক্রিয়া কাজ করছে? আমাদের দেহের সকল অনুভূতি কোনো না কোনো স্নায়বিক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। কিন্তু মানসিক চাপে পড়লে বা ভয় পেলে কেন আমাদের দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি…
%22%20transform%3D%22translate(1%201)%20scale(1.89844)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ade6ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-67.9233%2013.88865%20-10.04926%20-49.14654%2021%2013.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23002857%22%20cx%3D%22218%22%20cy%3D%22135%22%20rx%3D%2261%22%20ry%3D%2261%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23054b2a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-41.65873%20-35.25286%2023.26792%20-27.49598%20121.3%20135)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23669fd0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(67.0503%20.11143%20-.09214%2055.44423%20167.3%200)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সমস্যা যখন প্রযুক্তি-আসক্তি
তথ্যপ্রযুক্তি যখন আরাধ্য হয়ে ওঠে, তখন মনে হতেই পারে আলাউদ্দীনের আশ্চর্য প্রদীপটি পাওয়া গেছে। ঠিকমতো ‘ঘষতে’ পারলে (পড়ুন সঠিক ‘App’-এ ‘swap’ করতে পারলে) দারিদ্র্য থেকে এইডস পর্যন্ত সকল সমস্যার সমাধান করা যাবে। এটা একটুকুও বাড়িয়ে বলা নয়। সিলিকন ভ্যালিতে এরকম ধারণা প্রচলিত আছে যে ‘সঠিক’ প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে জটিল সামাজিক সমস্যার সমাধান করা যাবে। যেমন ‘একটি শিশুর জন্য একটি ল্যাপটপ‘-প্রচারণার উদ্যোক্তা নিকোলাস নেগ্রোপন্টে মনে করেন কমদামী ল্যাপটপ দিয়ে উন্নয়নশীল বিশ্বের সকল পীড়া সারিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু আসলেই কি তাই? এ মতবাদের দুইটি বড় সমস্যা রয়েছে। প্রথমত, সকল সামাজিক-অর্থনৈতিক-মানবিক সমস্যাকে প্রযুক্তিগত দিকটা বড় করে অন্যান্য জটিল মাত্রা…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.16406)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234e4e4e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-.3583%2034.21417%20-254.98602%20-2.6703%2086%203.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d0d0d0%22%20cx%3D%22135%22%20cy%3D%22119%22%20rx%3D%22106%22%20ry%3D%22106%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234a4a4a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(54.8%20-18.4%2029.9)%20scale(28.71036%2074.3128)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23484848%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-38.29977%2016.11135%20-12.04395%20-28.63078%20243.3%2023.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
টেস্টিং সল্ট নিয়ে কথা
টেস্টিং সল্ট, যেটাকে MSG (Monosodium Glutamate) বলে আর এর ই-নাম্বার হলো E621 । তো, আসা যাক মূল কথায়। MSG নিয়ে কন্ট্রোভার্সি আছে বেশ বহু বছর ধরেই যে, এটা asthma, headaches এমনকি brain damage করতে পারে বলে ধারণ করা হয়। যদিও কিডনি ড্যামেজের কথা কোথাও উল্লেখ করা হয় না, তবে বাংলাদেশে তো গুজব ছড়ায় দ্রুত, তাই বাংলাদেশের সোশাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্টে সেই সাথে কিডনি ড্যামেজও সংযুক্ত করে দিয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ অফিসিয়াল সোর্স বলে, পরিমাণমতো MSG নিরাপদ। কিন্তু সেটার দিকে না চোখ না দিয়ে চলুন আমরা দেখি MSG এর কার্যকলাপ। MSG কী? MSG বা Monosodium Glutamate বা E621,…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cc702e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-42.91405%20-79.41896%20166.06193%20-89.7316%20141.3%20193)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c6cbe4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-521.85257%2052.9692%20-10.24606%20-100.94424%20421.7%20347.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffae6e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-102.73037%20-54.22013%2079.2138%20-150.08564%20594.5%2092.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237595a5%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(69.4%20-8.8%2060)%20scale(60.01309%20459.93931)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মস্তিষ্কে কি ব্যাকটেরিয়া আছে?
(লেখাটি Nautilus এর Neuroscience পেইজে প্রকাশিত Michael Segal র লেখা Are there bacteria in your brain এর ভাবানুবাদ) মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক আকৃতি দেখা অভ্যাসে হয়ে উঠেছিল রোজালিন্ডা রবার্টস ‘র। প্রায় তিন যুগ ধরে ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপে মস্তিষ্কের কোষ দেখেন। প্রায় প্রতিসময় কিছু “অচেনা বস্তু”- ডট এবং প্যাটার্ন দেখতেন ছবিতে, যেগুলো সেখানে থাকার কথা ছিল না। তাছাড়া তিনি কোন ভাবেই সেগুলোকে মিলাতে পারছিলেন না সিন্যাপ্সিসের সাথে এবং যে টপিক নিয়ে তিনি পড়ছিলেন তার সাথেও! তিনি ব্যাখ্যা করে বলেনঃ আমি তখন বলে উঠতাম, “নাহ, এদের প্রতি আর মনোযোগ দেবো না!” তারপরের ঘটনা এখনকার আলোচ্য। মস্তিষ্কে ব্যাকটেরিয়া খুঁজে পাওয়া সুখবর নয়…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23202020%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(.35618%20-17.27398%20239.68527%204.94216%2086.6%205.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236f6f6f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(113.12213%20.82913%20-.22144%2030.21282%20126%2061.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232b2b2b%22%20cx%3D%22248%22%20cy%3D%2244%22%20rx%3D%2216%22%20ry%3D%22198%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236d6d6d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(7.409%20-50.1332%2020.90558%203.08955%20204.5%2069.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মহাকাশে আবর্জনা: ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ
মহাকাশের প্রতি মানুষের কৌতুহল সেই প্রাচীনকাল থেকে। রাতের আকাশে উজ্জ্বল তারা দেখে দেখে পৃথিবী নামক গ্রহের অধিবাসীদের মহাকাশের প্রতি ভালবাসা, আবেগ ও অনুভূতি জন্মায়। মহাকাশের সৌন্দর্য মানুষের মনে জিজ্ঞাসার জন্ম দেয়। নানা সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে মানুষের মাথায় মহাকাশ ভ্রমণের ভূত মাথায় চেপে বসে। নানা চড়াই উৎড়াই পেড়িয়ে উনবিংশ শতকের পঞ্চাশের দশক থেকে মানুষের কাঙ্খিত মহাকাশ যাত্রা সফলতার মুখ দেখে। পৃথিবীর বাইরের জগৎ অন্বেষণের জন্য মহাকাশযুগের সূচনার পর থেকে আমরা প্রতিনিয়ত পৃথিবীর কক্ষপথে মহাকাশ অভিযান পরিচালনা করছি। বিভিন্ন কক্ষপথের উদ্দেশ্য হাজার হাজার রকেট, কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করছি। কিন্তু নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য এসব মহাকাশযান ও…







