
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(3.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b1c152%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(85%205%20162.3)%20scale(52.67159%20108.9341)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23162836%22%20cx%3D%22207%22%20cy%3D%2219%22%20rx%3D%22111%22%20ry%3D%2246%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232b253e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(22.7871%20-35.76857%2055.82566%2035.56487%2010%2055.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b9c480%22%20cx%3D%22174%22%20cy%3D%22136%22%20rx%3D%2241%22%20ry%3D%2218%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বর্ষা মৌসুমে (জুন-সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলিতে (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দারবান, রাঙামাটি, এবং খাগড়াছড়ি) পর্যায়ক্রমে পাহাড়ধস ঘটে থাকে। যেসব এলাকায় এধরণের পাহাড়ধস ঘটে, সেখানে প্রধানত তিনটি পৃথক গোষ্ঠী বসবাস করেন। এদের মধ্যে আছেন নগরায়িত পাহাড়ি বাঙালি, আদিবাসী এবং রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গা শরণার্থী। পাহাড়ধসের ফলে এসকল সম্প্রদায় নানা ধরণের জটিল আর্থসামাজিক ও পরিবেশগত সমস্যার মুখে পড়েন। এই বিষয়টি অধ্যয়নের জন্য ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (UCL) ‘ইনস্টিটিউট ফর রিস্ক এন্ড ডিজাস্টার রিডাকশন‘ বিভাগের প্রভাষক ডঃ বায়েস আহমেদ গবেষণা করে আসছেন ২০১২ সাল থেকে। সম্প্রতি তাঁর বিজ্ঞান গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বনামধন্য “ল্যান্ডস্লাইডস” জার্নালে, যার শিরোনাম: The root causes of landslide vulnerability in…
%22%20transform%3D%22translate(1%201)%20scale(2.14844)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22silver%22%20cx%3D%22170%22%20cy%3D%2215%22%20rx%3D%22105%22%20ry%3D%2246%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23141414%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(87.1%207.7%20144.8)%20scale(40.91831%20250.55067)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230c0c0c%22%20cx%3D%22201%22%20cy%3D%22146%22%20rx%3D%2297%22%20ry%3D%2232%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233e3e3e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(25.72394%20-22.47088%2076.18043%2087.20891%2024.4%2083.6)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জীবাশ্ম-জ্বালানী ছাড়া কি সভ্যতার পুনঃনির্মাণ সম্ভব?
ধরা যাক আমরা পৃথিবীটাকে যেভাবে চিনি তা আগামীকালই ধ্বংস হয়ে যাবে। ধরা যাক, ভয়াবহ ভাইরাসের আক্রমণে বিশ্ব-মহামারী ঘটে, কিংবা মহাকাশ থেকে গ্রহাণুর আঘাতে, অথবা নিউক্লিয়ার গণহত্যা দিয়ে বিশ্ববিপর্যয় ঘটবে। অধিকাংশ মানুষই হারিয়ে যাবে। ধ্বসে পড়বে আমাদের সভ্যতা। ধ্বংসযজ্ঞ থেকে যারা বেঁচে যাবেন, তারা নিজেদের আবিষ্কার করবেন ক্ষতবিক্ষত একটি পৃথিবীতে, পরিত্যক্ত নগরে, যেখানে ইতস্তত ঘুরে বেড়ানো দস্যুরা জোড়জবরদস্তি-লুটপাট করছে দুর্বলদের। শুনতে খারাপ শোনালেও এটাই কিন্তু মানবতার সমাপ্তি নয়। আমরা ঘুরে দাঁড়াবো। আগে বা পড়ে হোক, ইতিহাসে পুনরাবৃত্তি হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা ফেরত আসবেই। বিভিন্ন জনগোষ্ঠী স্থিতিশীল আকার ধারণ করবে। তারা তখন আবার গোড়া থেকে প্রযুক্তির ভিত্তি তৈরি করার যন্ত্রণাদায়ক…

মস্তিষ্কের চেতনা রহস্য
মানবদেহের সবচেয়ে জটিল, রহস্যময় ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে মস্তিষ্ক। এটি স্নায়ুতন্ত্রের কেন্দ্রীয় অঙ্গ যা সুষুম্নাকাণ্ডের সাথে মিলে মানবদেহের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র গঠন করেছে। মানব অস্তিত্বের অনেক কিছুই মস্তিষ্ক দ্বারা পরিচালিত হয়। মস্তিষ্ক এমন একটি বিস্ময়কর সত্তা যার বিষয়ে যত জানা যায় ততই অবাক হতে হয়। উদাহরণস্বরুপ,মানুষের এই মস্তিষ্ককে যদি অর্ধেক কেটে ফেলা হয় তাহলেও বাকি অংশটুকু কেটে ফেলা অংশের কাজ করার সামর্থ রাখে। এখন প্রশ্ন হতে পারে, ধরুন আপনার মস্তিষ্ক অর্ধেক কেটে ফেলা হলো এবং সেই অংশটুকু যদি অন্যকোন জায়গায় স্থাপন করা হয় তাহলে কোন অংশটুকুকে আপনি নিজেকে ধরবেন? আবার ধরুন,আপনি কোন ঘটনা দেখে কোন কিছু চিন্তা…
%22%20transform%3D%22matrix(2.5%200%200%202.5%201.3%201.3)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23abab88%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-25.1%20237%20-228)%20scale(46.40436%2031.48746)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2393ffe6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.22831%20-23.4376%2035.07631%20-1.83827%20178.9%20158)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bcce62%22%20cx%3D%22117%22%20cy%3D%2291%22%20rx%3D%2220%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239effe6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(167.4%209.9%2061.3)%20scale(17.66513%2022.27753)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ডিজিটাল ডাটা সংরক্ষণ করা যাবে ডিএনএ অণুতে
একটি বোতাম চাপার মাধ্যমে হার্ড ডিস্ক এবং অপটিক্যাল ড্রাইভ এ গিগাবাইট পরিমাণ তথ্য জমা করে রাখা যায়। কিন্তু ফ্লপি ড্রাইভ এবং চৌম্বকীয় টেপস এর মতো প্রযুক্তি গুলোর পুরোনো হয়ে যাবার সময় এসে গেছে। কারণ বর্তমানে গবেষকরা ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ তে বৈদ্যুতিকভাবে ডিজিটাল ডাটা সংরক্ষণ এর পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী ভাবে ডাটা জমা করে রাখা যাবে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং গ্ল্যান্ডস্টোন ইন্সটিটিউট এর জৈব প্রকৌশলী শেঠ শিপম্যান বলছেন এটি সত্যিকার অর্থেই একটি দারুণ পদক্ষেপ যা কিনা বাণিজ্যিক বিকাশের ক্ষেত্রে বিপ্লব আনবে। ডিএনএ কে ডাটা সংরক্ষণের জন্যে বাছাই করার পেছনে বিভিন্ন কারণ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল এর বিশাল…

মহাবিশ্বের চতুর্থ মাত্রা
আমাদের মহাবিশ্বে কোনো বস্তুর অবস্থান সঠিকভাবে নির্ণয় করার জন্য চারটি মাত্রা বা রাশির প্রয়োজন।কোনো বস্তুর অবস্থান বোঝার জন্য অন্তত সেগুলোর মান জানা থাকা দরকার। এই চারটি মাত্রা স্থান ও কালের সমন্বয়ে গঠিত। আমাদের পরিচিত স্থানের রয়েছে তিনটি মাত্রা। যথা দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা। স্থানের এই তিনটি মাত্রাকে আমরা স্থানাঙ্কের সাহায্যে চিন্তা করতে পারি। কোনো বস্তুর স্থানাঙ্ক বলতে সেটির অবস্থানকে বোঝায়। কোনো বস্তুর অবস্থান বোঝার জন্যে আমাদের একটা প্রসঙ্গ কাঠামো দরকার। পরস্পরকে সমকোণে ছেদ করা এমন দুইটি সরলরেখা নিয়ে একটা প্রসঙ্গ কাঠামো ভাবা যেতে পারে। এই কাঠামোতে একটি রেখাকে আনুভূমিক এবং এর সাথে উলম্ব রেখাটিকে উলম্ব অক্ষ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23730000%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(91.39763%20161.03535%20-196.71207%20111.6464%20147.7%20316)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f8ffff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(133.73965%20624.33235%20-177.74656%2038.0755%20490%20102)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(518.22884%2012.66524%20-1.62761%2066.5977%20226.6%2039.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239f0c00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-38.674%20-134.8723%20211.05882%20-60.52014%20185%20283.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
টমেটোতে তৈরি হবে পারকিন্সন রোগের ঔষধ
শিরোনাম দেখে চোখ ছানাবড়া হলেও একদল গবেষক টমেটোতে একটি চমৎকার গবেষণা করেছেন! যা Elsevier পাব্লিশার্স এর মেটাবলিক ইঞ্জিয়ারিং জার্নালে প্রকাশিত হয় । যেখানে একদল গবেষক জিএমও টমেটোতে পার্কিন্সন রোগের ঔষধ এলডিওপিএ প্রবেশ করিয়েছেন। জিএমও হলো এমন কোনও জীব যা জিন প্রকৌশল ব্যবহার করে জিনগত উপাদানকে পরিবর্তন করে করা হয়। জিএমওগুলি জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়, প্রাকৃতিক নির্বাচন বা প্রথাগত প্রজনন পদ্ধতির মাধ্যমে নয়। ঐ গবেষণার বিষয়বস্তু নিয়ে বায়োফার্মা নিউজ প্রতিবেদন করেছে। প্রতিবেদনের ভাবার্থটি নিচে দেয়া হলো: বিজ্ঞানীরা পারকিন্সন এর ঔষধ এল- ডিওপিএ সমৃদ্ধ টমেটো উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন । এল-ডিওপিএ বমি ভাব কিংবা আচরণগত সমস্যায় ভুক্তভোগী রোগীদের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.09425%20-109.57171%20230.93974%20132.98112%20927.9%2079)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23888%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(12.80194%20143.73769%20-315.74025%2028.12128%20289%20476.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23848484%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-74.30519%20-56.79687%2048.3156%20-63.20948%20986%20476.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c4c4c4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(260.70653%20-67.4233%2020.83551%2080.56494%20119.4%20305.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিশেষ আপেক্ষিকতার বিশেষ ভর: আপেক্ষিক ভর কি সত্যি?
বস্তুর বেগ কখনোই আলোর বেগের সমান হতে পারে না – এ কথাটা আমরা সবাই কম বেশি জানি। স্পেশাল রিলেটিভিটির (বিশেষ আপেক্ষিকতা) জ্ঞান না থাকলেও জনপ্রিয়ধারার বিজ্ঞান কন্টেন্টের প্রভাবে কৌতূহলী পাঠকদের কাছে এটা আর অজানা নয়। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে কেন বস্তুর বেগ আলোর বেগের সমান হতে পারে না? আর একটু ঘাটতেই তারা চট করে পেয়ে যায় একটা প্রচলিত ব্যাখ্যা এবং তাতে সন্তুষ্ট হয়ে যায়। সেই ব্যাখ্যাটা সহজ কথায় এরকমঃ “বস্তুর ভর আপেক্ষিক। বেগ বাড়ার সাথে সাথে তার ভরেরও পরিবর্তন হয়। তাই কেউ যদি বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করে করে বেগ বাড়াতে বাড়াতে আলোর…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237c7c7c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.20656%2022.7279%20-28.79125%2024.3305%20130.2%2040)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22251%22%20cy%3D%2294%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2227%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23040404%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.32145%2034.84434%20-13.03256%20-10.21884%206.1%2015)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%237c7c7c%22%20d%3D%22M128%200h23v8h-23z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জিন সম্পাদনায় মিলবে প্রোজেরিয়ার সমাধান
২০০৯ সালে ভারতীয় জনপ্রিয় চলচিত্র পরিচালক আর.বালকি কর্তৃক পরিচালিত ‘পা’ সিনেমাটি দিয়ে শুরু করা যাক। ছবিটিতে দেখা যায় ১২ বছরের একটি ছেলে অরো খুবই বুদ্ধিমান এবং মানসিক ভাবেও স্বাভাবিক। কিন্তু শারীরিক ভাবে সে দেখতে তার বয়সের ৫ গুণ বেশি বয়স্ক বলে মনে হয়। যেন এই বয়সেই বুড়িয়ে যাচ্ছে। ছবিটিতে অরো চরিত্রে অভিনয় করেন জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী অমিতাভ বচ্চন। আসলে ছবিটিতে অরো একটি অটোসোমাল জিনগত রোগ ‘প্রোজেরিয়ায়‘ আক্রান্ত। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি ‘হাচিনসন-গিলফোর্ড ‘ নামেও পরিচিত। ১৮৮৬ সালে জনাথন হাচিনসন এবং ১৮৯৭ সালে হাসটিং গিলফোর্ড পৃথক পৃথক ভাবে এই রোগ শনাক্ত করেন। তাই রোগটির এরকম নামকরন করা হয়েছে। প্রোজেরিয়া একটি…
%22%20transform%3D%22translate(1.8%201.8)%20scale(3.61719)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b827a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(94.7%2018%20104.2)%20scale(103.81902%2070.49927)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22242%22%20cy%3D%2277%22%20rx%3D%2240%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(39.96657%20-1.84682%2011.77076%20254.72819%204.6%2045.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23107452%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(2.1771%2038.94028%20-49.95337%202.79283%20120.3%20163.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পারকিন্সন রোগের উপসর্গ ও কারণ
আমরা যদি একটু খেয়াল করি আমাদের পরিচিত বয়োবৃদ্ধদের দিকে একটা অদ্ভুত ব্যাপার দেখতে পাবো। তাদের মধ্যে অনেকের হাত পা ঠকঠক করে কাঁপতে থাকে, হাতটা মুঠোবন্দি করতে পারেনা! কেন এমন হয়! এটা কি অসুখ? বিজ্ঞানমহলে এই রোগটি পার্কিন্সন নামেই পরিচিত। পারকিন্সন রোগ কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যা মূলত মোটর সিস্টেমকে প্রভাবিত করে। একথাও প্রচলিত নির্দিষ্ট কীটনাশক এর সংস্পর্শে আসলে পূর্ব থেকেই মস্তিষ্ক আঘাতপ্রাপ্তদের এ রোগের আক্রান্ত হবার প্রকোপ বেশি। পারকিন্সন রোগ মূলত ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের ১ শতাংশের ক্ষেত্রে ঘটে। বাংলাদেশে যেহেতু বৃহৎ আকারে এই নিয়ে গবেষণা খুব বেশি হয়নি তাই আমাদের দেশের সঠিক পরিসংখ্যানটা…







