
%22%20transform%3D%22matrix(2.5%200%200%202.5%201.3%201.3)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23abab88%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-25.1%20237%20-228)%20scale(46.40436%2031.48746)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2393ffe6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-1.22831%20-23.4376%2035.07631%20-1.83827%20178.9%20158)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bcce62%22%20cx%3D%22117%22%20cy%3D%2291%22%20rx%3D%2220%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239effe6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(167.4%209.9%2061.3)%20scale(17.66513%2022.27753)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
একটি বোতাম চাপার মাধ্যমে হার্ড ডিস্ক এবং অপটিক্যাল ড্রাইভ এ গিগাবাইট পরিমাণ তথ্য জমা করে রাখা যায়। কিন্তু ফ্লপি ড্রাইভ এবং চৌম্বকীয় টেপস এর মতো প্রযুক্তি গুলোর পুরোনো হয়ে যাবার সময় এসে গেছে। কারণ বর্তমানে গবেষকরা ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ তে বৈদ্যুতিকভাবে ডিজিটাল ডাটা সংরক্ষণ এর পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী ভাবে ডাটা জমা করে রাখা যাবে। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং গ্ল্যান্ডস্টোন ইন্সটিটিউট এর জৈব প্রকৌশলী শেঠ শিপম্যান বলছেন এটি সত্যিকার অর্থেই একটি দারুণ পদক্ষেপ যা কিনা বাণিজ্যিক বিকাশের ক্ষেত্রে বিপ্লব আনবে। ডিএনএ কে ডাটা সংরক্ষণের জন্যে বাছাই করার পেছনে বিভিন্ন কারণ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল এর বিশাল…

মহাবিশ্বের চতুর্থ মাত্রা
আমাদের মহাবিশ্বে কোনো বস্তুর অবস্থান সঠিকভাবে নির্ণয় করার জন্য চারটি মাত্রা বা রাশির প্রয়োজন।কোনো বস্তুর অবস্থান বোঝার জন্য অন্তত সেগুলোর মান জানা থাকা দরকার। এই চারটি মাত্রা স্থান ও কালের সমন্বয়ে গঠিত। আমাদের পরিচিত স্থানের রয়েছে তিনটি মাত্রা। যথা দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা। স্থানের এই তিনটি মাত্রাকে আমরা স্থানাঙ্কের সাহায্যে চিন্তা করতে পারি। কোনো বস্তুর স্থানাঙ্ক বলতে সেটির অবস্থানকে বোঝায়। কোনো বস্তুর অবস্থান বোঝার জন্যে আমাদের একটা প্রসঙ্গ কাঠামো দরকার। পরস্পরকে সমকোণে ছেদ করা এমন দুইটি সরলরেখা নিয়ে একটা প্রসঙ্গ কাঠামো ভাবা যেতে পারে। এই কাঠামোতে একটি রেখাকে আনুভূমিক এবং এর সাথে উলম্ব রেখাটিকে উলম্ব অক্ষ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23730000%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(91.39763%20161.03535%20-196.71207%20111.6464%20147.7%20316)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f8ffff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(133.73965%20624.33235%20-177.74656%2038.0755%20490%20102)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(518.22884%2012.66524%20-1.62761%2066.5977%20226.6%2039.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239f0c00%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-38.674%20-134.8723%20211.05882%20-60.52014%20185%20283.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
টমেটোতে তৈরি হবে পারকিন্সন রোগের ঔষধ
শিরোনাম দেখে চোখ ছানাবড়া হলেও একদল গবেষক টমেটোতে একটি চমৎকার গবেষণা করেছেন! যা Elsevier পাব্লিশার্স এর মেটাবলিক ইঞ্জিয়ারিং জার্নালে প্রকাশিত হয় । যেখানে একদল গবেষক জিএমও টমেটোতে পার্কিন্সন রোগের ঔষধ এলডিওপিএ প্রবেশ করিয়েছেন। জিএমও হলো এমন কোনও জীব যা জিন প্রকৌশল ব্যবহার করে জিনগত উপাদানকে পরিবর্তন করে করা হয়। জিএমওগুলি জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়, প্রাকৃতিক নির্বাচন বা প্রথাগত প্রজনন পদ্ধতির মাধ্যমে নয়। ঐ গবেষণার বিষয়বস্তু নিয়ে বায়োফার্মা নিউজ প্রতিবেদন করেছে। প্রতিবেদনের ভাবার্থটি নিচে দেয়া হলো: বিজ্ঞানীরা পারকিন্সন এর ঔষধ এল- ডিওপিএ সমৃদ্ধ টমেটো উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন । এল-ডিওপিএ বমি ভাব কিংবা আচরণগত সমস্যায় ভুক্তভোগী রোগীদের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.09425%20-109.57171%20230.93974%20132.98112%20927.9%2079)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23888%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(12.80194%20143.73769%20-315.74025%2028.12128%20289%20476.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23848484%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-74.30519%20-56.79687%2048.3156%20-63.20948%20986%20476.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c4c4c4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(260.70653%20-67.4233%2020.83551%2080.56494%20119.4%20305.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিশেষ আপেক্ষিকতার বিশেষ ভর: আপেক্ষিক ভর কি সত্যি?
বস্তুর বেগ কখনোই আলোর বেগের সমান হতে পারে না – এ কথাটা আমরা সবাই কম বেশি জানি। স্পেশাল রিলেটিভিটির (বিশেষ আপেক্ষিকতা) জ্ঞান না থাকলেও জনপ্রিয়ধারার বিজ্ঞান কন্টেন্টের প্রভাবে কৌতূহলী পাঠকদের কাছে এটা আর অজানা নয়। স্বাভাবিক ভাবেই তাদের অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে কেন বস্তুর বেগ আলোর বেগের সমান হতে পারে না? আর একটু ঘাটতেই তারা চট করে পেয়ে যায় একটা প্রচলিত ব্যাখ্যা এবং তাতে সন্তুষ্ট হয়ে যায়। সেই ব্যাখ্যাটা সহজ কথায় এরকমঃ “বস্তুর ভর আপেক্ষিক। বেগ বাড়ার সাথে সাথে তার ভরেরও পরিবর্তন হয়। তাই কেউ যদি বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করে করে বেগ বাড়াতে বাড়াতে আলোর…
%22%20transform%3D%22matrix(5%200%200%205%202.5%202.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237c7c7c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.20656%2022.7279%20-28.79125%2024.3305%20130.2%2040)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22251%22%20cy%3D%2294%22%20rx%3D%2235%22%20ry%3D%2227%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23040404%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.32145%2034.84434%20-13.03256%20-10.21884%206.1%2015)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%237c7c7c%22%20d%3D%22M128%200h23v8h-23z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জিন সম্পাদনায় মিলবে প্রোজেরিয়ার সমাধান
২০০৯ সালে ভারতীয় জনপ্রিয় চলচিত্র পরিচালক আর.বালকি কর্তৃক পরিচালিত ‘পা’ সিনেমাটি দিয়ে শুরু করা যাক। ছবিটিতে দেখা যায় ১২ বছরের একটি ছেলে অরো খুবই বুদ্ধিমান এবং মানসিক ভাবেও স্বাভাবিক। কিন্তু শারীরিক ভাবে সে দেখতে তার বয়সের ৫ গুণ বেশি বয়স্ক বলে মনে হয়। যেন এই বয়সেই বুড়িয়ে যাচ্ছে। ছবিটিতে অরো চরিত্রে অভিনয় করেন জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী অমিতাভ বচ্চন। আসলে ছবিটিতে অরো একটি অটোসোমাল জিনগত রোগ ‘প্রোজেরিয়ায়‘ আক্রান্ত। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি ‘হাচিনসন-গিলফোর্ড ‘ নামেও পরিচিত। ১৮৮৬ সালে জনাথন হাচিনসন এবং ১৮৯৭ সালে হাসটিং গিলফোর্ড পৃথক পৃথক ভাবে এই রোগ শনাক্ত করেন। তাই রোগটির এরকম নামকরন করা হয়েছে। প্রোজেরিয়া একটি…
%22%20transform%3D%22translate(1.8%201.8)%20scale(3.61719)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b827a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(94.7%2018%20104.2)%20scale(103.81902%2070.49927)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22242%22%20cy%3D%2277%22%20rx%3D%2240%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(39.96657%20-1.84682%2011.77076%20254.72819%204.6%2045.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23107452%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(2.1771%2038.94028%20-49.95337%202.79283%20120.3%20163.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পারকিন্সন রোগের উপসর্গ ও কারণ
আমরা যদি একটু খেয়াল করি আমাদের পরিচিত বয়োবৃদ্ধদের দিকে একটা অদ্ভুত ব্যাপার দেখতে পাবো। তাদের মধ্যে অনেকের হাত পা ঠকঠক করে কাঁপতে থাকে, হাতটা মুঠোবন্দি করতে পারেনা! কেন এমন হয়! এটা কি অসুখ? বিজ্ঞানমহলে এই রোগটি পার্কিন্সন নামেই পরিচিত। পারকিন্সন রোগ কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যা মূলত মোটর সিস্টেমকে প্রভাবিত করে। একথাও প্রচলিত নির্দিষ্ট কীটনাশক এর সংস্পর্শে আসলে পূর্ব থেকেই মস্তিষ্ক আঘাতপ্রাপ্তদের এ রোগের আক্রান্ত হবার প্রকোপ বেশি। পারকিন্সন রোগ মূলত ৬০ বছরের বেশি বয়সী মানুষের ১ শতাংশের ক্ষেত্রে ঘটে। বাংলাদেশে যেহেতু বৃহৎ আকারে এই নিয়ে গবেষণা খুব বেশি হয়নি তাই আমাদের দেশের সঠিক পরিসংখ্যানটা…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2349b691%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(77.46933%20-5.3867%202.35691%2033.89617%20142.1%2067.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2245%22%20cy%3D%22155%22%20rx%3D%22134%22%20ry%3D%2239%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-13.06367%20-38.59495%20144.32614%20-48.8517%2043.2%200)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ca94a6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(26.2749%203.25104%20-9.5415%2077.11439%20205.3%20131.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জৈব কাঁচি: জীবনের ভাষা নতুন করে লেখার প্রযুক্তি
প্রকৃতি জীবনের গল্প লিখেছে কতগুলো নিউক্লিওটাইড বেস দিয়ে। সেই গল্পের ভাষা হল জিন। আর কোডন হচ্ছে এর অক্ষরস্বরুপ। কিন্তু ইচ্ছে হলেই সেই ভাষার কোন রকম পরিবর্তন এর কথা আমরা ভাবতে পারতাম না। তাই যেভাবেই জীবন নামক উপন্যাস রচিত হয় সেভাবেই উপভোগ করতে হয় আমাদের। সে দুঃখ কিংবা সুখকর। কিন্তু অণুজীববিদ এমানুয়েল শারপেনটিয়ার, প্রাণরসায়নবিদ জেনিফার ডাওডনা নামের দুই মহারথী এ অসম্ভব কে সম্ভব করেছেন। কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ গতবছর রসায়নবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। তারা ক্রিসপার/ক্যাস ৯ নামক এক ধরনের জেনেটিক সিসর বা জৈবিক কাঁচি উদ্ভাবন করেন যা দিয়ে জীবের জিনোমে ইচ্ছেমত পরিবর্তন করা যায়। কোন জীবের ক্রোমোজোমে থাকা…
%22%20transform%3D%22translate(2%202)%20scale(3.8125)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d26756%22%20cx%3D%22181%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2247%22%20ry%3D%2245%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237b79eb%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1.90668%20-38.08275%2059.60605%202.98428%2025.1%20121.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234a3c67%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-137.3%2017.9%206.3)%20scale(40.54194%20108.71335)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b6c9b8%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(174.7%20112.8%205.2)%20scale(41.07401%2028.22451)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অনকোলাইটিক ভাইরাস থেরাপি
শিরোনামটা একটু কঠিন মনে হতে পারে, তাই শুরুতে কয়েকটা সংজ্ঞা পরিষ্কার করে নিলে সম্পুর্ণ ব্যাপারটাবুঝতে সুবিধা হবে। অনকো (onco) শব্দের অর্থ টিউমার (tumor), আর লাইটিক (lytic) মানে ধ্বংস বা বিনাশ করা (destruction)। অতএব, অনকো লাইটিক মানে হলো টিউমারকে ধ্বংস করা বা বিনাশ করা। এখন, যদি বলি অনকো লাইটিক ভাইরাস, তার মানে দাঁড়ায়, যে ভাইরাস টিউমারকে ধ্বংস করে। তাহলে সহজেই বোঝা যাচ্ছে, অনকো লাইটিক ভাইরাস থেরাপি হলো ভাইরাস দিয়ে টিউমার চিকিৎসা করা। ব্যাপারটা খুবই ইন্টারিস্টং তাই তো! কিন্তু মনে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়? ভাইরাস টিউমার কে বিনাশ করবে কিভাবে? ভাইরাস তো নিজেই ক্যান্সার বা টিউমার হতে সাহায্য…
%22%20transform%3D%22matrix(4%200%200%204%202%202)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234b4b4b%22%20cx%3D%22194%22%20cy%3D%2295%22%20rx%3D%2224%22%20ry%3D%2266%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234c4c4c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.82597%2045.8873%20-30.89193%203.2489%2063.7%20110.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23878784%22%20cx%3D%22120%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2233%22%20ry%3D%22192%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235a5a5a%22%20cx%3D%22188%22%20cy%3D%22130%22%20rx%3D%2230%22%20ry%3D%2227%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সৈনিকের রোগ: লিজিওনেলা নিউমাফিলার আবিষ্কারের কথা
১৯৭৬ সালের গ্রীষ্মে ফিলাডেলফিয়া শহরে প্রতিবছরের মতোই আমেরিকার সৈন্যদের সম্মেলন হলো। ইংরেজিতে বলে লিজিওনারি কনভেনশান। সেই সম্মেলনে সাড়ে ৪ হাজার সৈন্য অংশগ্রহন করেন, সৈন্যরা যেহেতু বেশিরভাগই প্রথম বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক সেহেতু তাদের গড় বয়স বেশিই ছিলো। সম্মেলনের প্রধান কার্যক্রম হয় শহরের সবচেয়ে বড় হোটেলগুলির একটিতে, বেলভেউ স্ট্র্যাটফোর্ড। আশ্চর্যজনক ঘটনা পরবর্তীতে ঘটে। এই সম্মেলনে অংশ নেয়া বহু মানুষ রোগাত্রান্ত হয়ে পড়েন। পরবর্তী বেশ কয়েকদিনে মোট ৩৪ জন সৈন্য যারা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন তারা মারা যান, কোন এক দূরারোগ্য রোগে। সৈন্যদের বিশেষভাবে আক্রমণ করেছে বলে এই রোগটাকে ‘লিজিওনেয়ার্স ডিজিজ’ বা সৈন্যদের রোগ হিসেবে ডাকা শুরু করে লোকে।…







