
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-15.82572%20-389.7558%20948.34338%20-38.50672%20659.8%20174.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23181818%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(150.14673%20-549.21884%20746.97049%20204.20854%201715%201129.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235f5f5f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-153.39573%20347.5725%20-393.0669%20-173.47398%2088.5%201053.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f4f4f4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1004.10398%20-27.97489%207.6625%20275.03027%20432.6%2047.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পর্বঃ১ শূন্য কি? যদি এই প্রশ্ন কাউকে করা হয় তাহলে যে কেউ সাথে সাথে বলবে শূন্য মানে ফাঁকা বা যার কোন অস্থিত্ব নেই । কিন্তু শূন্য বলে তাকে অবজ্ঞা করাটা ঠিক হবে না। কারণ এ শূন্য থেকেই বহু কোটি বছর আগে এ মহাবিশ্বের জন্ম। সাধারণভাবে শূন্য থেকে কোন কিছুরি সৃষ্টি হয় না। কিন্তু কোয়াণ্টাম মেকানিক্স বলে শূন্য থেকেই অনেক কিছুর সৃষ্টি. তখন থেকেই বিবর্তনের শুরু। শূন্য থেকে মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এ মহাবিশ্বের জন্ম। তার প্রায় বহু কোটি বছর পর জীবের আবির্ভাব। মহা বিস্ফোরণের পর থেকেই বস্তুর সাথে বস্তুর সংঘর্ষ ঘটতে শুরু করেছে। জীবের জন্মলগ্ন থেকে তা…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.66406)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23776cb4%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(148.7%2052%2025.8)%20scale(36.2101%2036.94764)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23eff0ec%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-38.07402%20-62.13116%20217.42326%20-133.23714%20197.4%20107.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b3b4b0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-162.1%207.5%2048)%20scale(41.3389%20254.99998)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23afafb3%22%20cx%3D%22105%22%20cy%3D%2255%22%20rx%3D%2243%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
টিকা কিভাবে কাজ করে
বর্তমান সময়ের বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিস্কার হলো টিকা বা vaccine. টিকা আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক রোগ-প্রতিরোধ (immune system) ব্যবস্থার সাথে একসাথে কাজ করে অনেক ভয়ঙ্কর ও জীবনঘাতী রোগ-সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমাদেরকে সয়হাতা করেছে এবং করছে। এ লেখায় ব্যাখ্যা করা হবে কিভাবে আমাদের দেহ বিভিন্ন রোগ সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং কিভাবে টিকা এ লড়াইয়ে আমাদেরকে শক্তিশালী ও কার্যকরী নিরাপত্তা প্রদান করে। আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা— টিকার কার্যপদ্ধতি বোঝার জন্য আমাদেরকে আগে জানতে হবে কিভাবে আমাদের শরীর বিভিন্ন অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করে। যখন কোনো জীবাণু যেমন ব্যাকটেরিয়া অথবা ভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করে, তখন সেই জীবাণু আমাদের দেহের স্বাভাবিক…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bccf62%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(37.1972%20-15.4837%2023.35155%2056.0985%20104.6%2054)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(44.07421%20-179.43805%2053.37059%2013.10907%20215.3%2075.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cy%3D%2270%22%20rx%3D%2271%22%20ry%3D%2271%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23adb86f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-29.8%20157%20-167.4)%20scale(22.51653%2029.72035)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিস্মৃত একজন গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য
বেশ কিছু কাল আগের কথা বলছি। তখন রাজশার্দূল এর শাসনামল বিরাজমান। শরীয়তপুরের লোনসিং নামের একটি গ্রামে বাস করতেন এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ। নাম অম্বিকাচরণ ভট্টাচার্য। পেশা যজমানি। অর্থাৎ পুজোর দক্ষিণার দাক্ষিণ্যই তাঁর সংসারযন্ত্রকে সচল রাখতে সাহায্য করত।তবে মধ্যে কাজ করতেন স্থানীয় জমিদারের কাছারিতেও । তাঁর পরিবারেই ১৮৯৫ সালের পহেলা আগস্ট গৃহিণী শশিমুখী দেবী জন্ম দেন এক পুত্র সন্তানের। দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম নেওয়া পিতামাতার জ্যেষ্ঠ সন্তানটির কথাই আজকে বলতে বসেছি। তাঁর নাম গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য। ভারতীয় উপমহাদেশে তিনিই সম্ভবত কীট আচরণ বিদ্যার পথিকৃৎ। পাঁচ বছর বয়সে অম্বিকাচরণ পরলোক গমন করেন। বাড়ে দারিদ্র্যের মাত্রা। দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্যের এই কষাঘাত…
%22%20transform%3D%22translate(.8%20.8)%20scale(1.65625)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20d%3D%22M-16%200l287-1-108%2079z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23848484%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(92.9%2034.3%20187.1)%20scale(107.20753%2057.27937)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-20.3377%2071.39602%20-27.45556%20-7.82092%20.1%2042.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23696768%22%20cx%3D%2273%22%20cy%3D%2269%22%20rx%3D%2231%22%20ry%3D%2253%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
চাঁদে মানুষ যাওয়া নিয়ে নির্মিত ষড়যন্ত্রতত্ত্বগুলোর জবাবে
মানুষ ফ্যান্টাসী পছন্দ করে। বস্তবতার কাটখোট্টা জগৎ তাকে যথাযথভাবে বিনোদিত বা আকৃষ্ট করে না। ফলে একশ্রেনীর মানুষ বিভিন্ন ধরনের ঘটনা, তত্ত্ব এসবের বিকল্প ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করে বা এধরনের কর্মকান্ডে সমর্থন ও আস্থা স্থাপন করে আনন্দ লাভ করে। এভাবেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব প্রচলিত হয়। এগুলোর প্রতিষ্ঠার পেছনে সামাজিক বা রাজনৈতিক কারণও জড়িত থাকে। গতশতাব্দীর সবচেয়ে বহুল প্রচলিত ষড়যন্ত্রতত্ত্বগুলো নির্মিত হয়েছে চাঁদে মানুষ অবতরণ নিয়ে। একশ্রেনীর মানুষের কাছে মানুষ্যবাহী চন্দ্রাভিযান পুরোপুরি ধাপ্পাবাজি হিসেবে পরিগণিত এবং এটি যে শুধু তাঁরা বিশ্বাস করেন তাই নয় এর স্বপক্ষে প্রচুর যুক্তি-প্রমাণ হাজির করেন। তবে বলাই বাহুল্য সেসব যুক্তি-প্রমাণে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d7d5e1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-168%20117.3%20-11.8)%20scale(192.72378%20104.08249)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236f7e21%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(54.14967%20-18.41668%2050.73216%20149.16529%20544.7%20259.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23656467%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.99265%20232.32386%20-89.72001%2024.713%201%20219.4)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23aea7d0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M628.2%20104.8L476.2%2094l8.9-126%20152%2010.6z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জীববিজ্ঞানের জন্যে ভালবাসা ( বিবর্তনের ডানায় উড্ডয়নের ইতিকথা)
আমরা আসলে এমন একটা পৃথিবীতে বাস করি যেখানে বিস্ময়ের উপকরণের কমতি নেই। অসম্ভব বৈচিত্র্যের আধার সমুদ্রের তলদেশে কি অসাধারণ প্রাণিবৈচিত্র্য। অমেরুদন্ডী থেকে মেরুদন্ডী- বিচিত্রতার কমতি নেই একটুও। কিন্তু এই অসম্ভব বিস্ময়কর প্রাণস্পন্দনের কতগুলিই বা আমরা নিজের চোখে দেখেছি! কখনও দেখেছি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে কিংবা কখনও বা ডিসকভারির পাতায়। কিন্তু আমরা যেমন বায়ুসমুদ্রে ডুবে থেকেও ভুলে যাই বায়ুর সমুদ্রের কথা, তেমনিই আমাদের প্রতিদিনের বিস্ময়কর প্রাণচাঞ্চল্য, প্রাণস্পন্দন – সবকিছুই বিস্ময়ের উপকরণ। নিজের দেহের দিকে তাকালেই আমরা সেটি উপলব্ধি করতে পারব । আর এসকল বৈচিত্র্যের পেছনে ব্যখ্যা আর যুক্তি খুঁজতে আমরা যখন যাই, তখন আমাদের শরণাপন্ন হতে হয় বিবর্তনমূলক জীবনবিজ্ঞানের।…
%22%20transform%3D%22translate(.7%20.7)%20scale(1.3164)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231f1b3c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(187.99657%20-25.1027%206.07976%2045.53193%2061%20164.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b56b25%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1.6812%2045.95244%20-160.98694%205.88983%20112.4%2042.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23020907%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(5.7%20-1716.6%20431.4)%20scale(52.28427%2028.08577)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a3865a%22%20cx%3D%2247%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2268%22%20ry%3D%2238%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের উৎস – ১
আলো সৃষ্টি হয় কিভাবে? আলোকে ফোটন কণা হিসেবে যেমন বর্ণনা করা যায়, আবার তরঙ্গ দিয়েও করা যায়। যে কোন তড়িৎ-আধানসম্পন্ন কণাকে ত্বরাণ্বিত করলে তার থেকে তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ নির্গত হবে। তড়িৎ-আধান বা চার্জসম্পন্ন কণা কোনগুলি? যেমন ইলেকট্রনকে আমরা ধরি ঋণাত্মক আধান হিসেবে, আধান বা চার্জের পরিমাণ -১। আবার একটি প্রোটনের চার্জ হল +১। অর্থাৎ ইলেকট্রন বা প্রোটন দুটিরই চার্জের পরিমাণ এক, কিন্তু তাদের বৈশিষ্ট্য বিপরীত। স্থিত তড়িৎক্ষেত্র: ইলেকট্রন বা প্রোটন স্থির থাকলে তার চারপাশে একটি তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়, একে আমরা $\vec E$ ক্ষেত্র বলব। এই ক্ষেত্রের রেখাগুলি হয় ঐ কণা থেকে উৎপন্ন হয় নয়…
%22%20transform%3D%22translate(.6%20.6)%20scale(1.1289)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cfd5b3%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-12.03395%20-30.83742%2076.20297%20-29.73734%20136.6%2065)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dff185%22%20cx%3D%22121%22%20cy%3D%2271%22%20rx%3D%2227%22%20ry%3D%2228%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-28.65603%20-46.39806%20216.95683%20-133.99527%20210.1%20119.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d6d5dd%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-166.1%2037.1%2046.8)%20scale(20.50583%2079.08403)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ফিউশন পারমাণবিক শক্তি (অণুপোষ্ট)
পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিয়ে নানারকম ঝক্কি-ঝামেলার কথা আমরা অহরহ শুনতে পাই। কয়েকবছর আগে জাপানের ফুকুশিমার পারমানবিক বিপর্যয় জাপানসহ সারা পৃথিবীতেই দুর্যোগ বয়ে এনেছিলো। তাছাড়া ইতিপূর্বে ইউক্রেইনের চেরোনোবিল বিপর্যয় এবং আরো কিছু বিপর্যয়ের বিষয়েও আমাদের জানা। পারমানবিক বিপর্যয়ের একটি বড় সমস্যা হলো এটি বিপর্যয় ঘটার পরে দীর্ঘ সময় ধরে তার প্রভাবে বিস্তার করে যেতে থাকে। এসব কারণে পৃথিবীর অনেক দেশই নতুন করে প্রচলিত ধারার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মানে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে এবং বিদ্যমান বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ করে দিচ্ছে। অথচ পারমাণবিক বিদ্যুৎ হতে পারতো শক্তি চাহিদা মেটানোর একটা নির্ভরযোগ্য উৎস। বাংলাদেশের মতো অতি ঘনবসতিপূর্ণ দেশ যেখানে বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর…
%22%20transform%3D%22matrix(6.25%200%200%206.25%203.1%203.1)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23070608%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(19.3866%2041.76484%20-58.66753%2027.23256%20106%20188)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f9f8fa%22%20cy%3D%2280%22%20rx%3D%2236%22%20ry%3D%22203%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23e8eada%22%20d%3D%22M-14.1%2046.3l5.5-105.9%20254.7%2013.3-5.5%20105.9z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dee1cf%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-8.14675%20-202.83646%2027.35735%20-1.09878%20202.9%20158)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জীববিজ্ঞানে গণিতঃ মেন্ডেল ও মটরশুটি
আমাদের নৈসর্গিক এই মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য কিছু মৌলিক সূত্র রয়েছে, এই ধারনার সাথে আমরা সবাই অভ্যস্ত। আমরা নিজেরাই এই সূত্রগুলোর গাণিতিক প্রকাশ থেকে বিভিন্ন ঘটনা বা প্রকৃয়া যেমন একটা ফুটবলের গতিপথ, পারমাণবিক চুল্লীর চেইন রিঅ্যাকশন কিংবা মোবাইল ফোন থেকে টাওয়ারের সংকেতের আদান প্রদানে সিস্টেমের আচরনকে অনুমান করতে পারি। তবে জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এমনটা বলা কঠিন। পদার্থবিজ্ঞানে F=ma এর মত সার্বজনীন সূত্র জীববিজ্ঞানেও আছে কিনা তা আমরা এখনো জোর দিয়ে বলতে পারিনা। তবে দিন দিন এমন নজিরের সংখ্যা বাড়ছে যা ঐক্যবদ্ধ গাণিতিক নীতির কথা বলে। জীবনের পেছনে কি আসলেই কোন সুন্দর গাণিতিক গল্প রয়েছে? এই লেখায় জিনতত্বের…
%22%20transform%3D%22translate(.8%20.8)%20scale(1.58984)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20cx%3D%2221%22%20cy%3D%22111%22%20rx%3D%2287%22%20ry%3D%22138%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232d2d2d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-91.6%20141%20-46.8)%20scale(239.08684%2080.5028)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(71.67292%20-43.22896%2063.75%20105.69649%2014.4%2065)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23272727%22%20d%3D%22M136.3%2052.7l-27.1%2012.7-35.5-76.1%2027.1-12.7z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
অপেক্ষার সমীকরণ! (অণুপোস্ট)
আমরা কি কখনো আমাদের সৌরজগৎ ছেড়ে অন্য কোনো নক্ষত্র ব্যবস্থায় পৌঁছাতে পারব? সূর্যের পরে আমাদের সবচেয়ে কাছের তারটিও আমাদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে চার আলোকবর্ষ দূরে। অর্থাৎ আলোর গতিতেও যদি আমরা রওনা দিই তাহলে সবচেয়ে কাছের তারাটির ব্যবস্থায় পৌঁছাতে আমাদের সময় লাগবে সাড়ে চার বছর। আবার আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা সূত্র অনুযায়ী ভরযুক্ত কোনো বস্তুই আলোর গতিতে যেতে পারবে না, তাহলে তার শক্তি হতে হবে অসীম (আপাতত ওয়ার্মহোল জাতীয় বিশুদ্ধ তাত্ত্বিক ব্যাপার-স্যাপার উপেক্ষা করছি)। আমাদের সবচেয়ে দ্রুতগামী মহাশূন্যযানটির বেগই আলোর বেগের মাত্র ০.০২ %। এমতাবস্থায় সবচেয়ে কাছের নক্ষত্রটিও এখনো সূদুর পরাহত। তাই এতদূর রাস্তা যদি পেরোতেই হয় তাহলে…







