
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a0e5cb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(87.3%20-139.1%201024.7)%20scale(254.52014%201561.54203)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300280e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.75348%20-465.41173%201379.60538%20188.98243%201263.5%2021.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001a05%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-75.63985%20152.46774%20-305.44095%20-151.53046%201717.8%2058.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232657bb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(225.46158%20-24.56072%2014.1388%20129.7908%20430%20506.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মানুষের প্রয়োজন ও সক্ষমতাঃ খ্রিস্টের জন্মের ২১৫০ বছর আগে চীনের ইতিহাসের দিকে একটু ফিরে তাকালে দেখা যাবে সেখানকার সম্রাট ইয়ু তার রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা তৈরি করার মাধ্যমে কৃষকের ফসল রক্ষা করে বিখ্যাত হয়ে আছেন। কিন্তু আজকের দিনের সেই চিত্র একদমই ভিন্ন। একসময় যে চীনের এক স্থানে নদীর পানি আটকে রাখা শক্ত ছিল আজ এত বছর পরে সেই চীনেই একফোঁটা পানির জন্য নানা কসরত করতে হয়। পানি মানুষের জন্য আশীর্বাদ। একসময় বৃষ্টি হবে, এই আশা করে এখনো অনেক এলাকায় ধান লাগানো হয়। যদি উপযুক্ত সময়ে বৃষ্টি না হয় তাহলে ধানের জমি কৃষকের মন খুশি করতে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cf9762%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(21.1336%20-8.11846%2053.43142%20139.0902%20149.5%2051.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2355121f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-16.5779%2015.60073%20-40.70988%20-43.2598%2062%2025.2)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23c8905c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M23.5%2055.5h33v17h-33z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b234f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-28.0762%20-30.10804%2011.54482%20-10.76572%2057.3%2015.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পলায়নপর নিউট্রিনো এবং ২০১৫ সালের পদার্থের নোবেল-২
(প্রথম খন্ডের পর)দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ (নিউট্রিনো সনাক্তকরণ) নিউক্লীয় বলের প্রতি সাড়া দেওয়ার ভিত্তিতে কণিকাগুলো দুই প্রকার, হেড্রন এবং লেপটন। নিউক্লীয় বল দুই প্রকার, সবল এবং দুর্বল (strong and weak nuclear forces) এটি আমরা অনেকেই জানি। যেসব কণিকা সবল বলটির প্রতি সাড়া দেয় তাদের বলা হয় হেড্রন আর যারা দুর্বল বলটির প্রতি সাড়া দেয় তাদের বলা হয় লেপটন। হেড্রন আবার দুই প্রকার: মেসন এবং ব্যরিয়ন। মেসনগুলো দুটি কোয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত আর ব্যরিয়ন গঠিত হয় তিনটি করে কোয়ার্ক দিয়ে। এই অর্থে প্রোটন, নিউট্রন এগুলো হচ্ছে ব্যরিয়ন। অপরদিকে ইলেক্ট্রন হলো লেপটন। ব্যারিয়ন এবং লেপটনের আবার তাদের বৈশিষ্ট্যসূচক ব্যারিয়ন ও লেপটন…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.20313)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ac7437%22%20cx%3D%22120%22%20cy%3D%2275%22%20rx%3D%2247%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-57.46852%20-17.78948%2075.18382%20-242.87968%20233.7%2083)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2220%22%20cy%3D%2292%22%20rx%3D%2245%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bccad6%22%20cx%3D%2277%22%20cy%3D%2284%22%20rx%3D%2222%22%20ry%3D%2260%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পলায়নপর নিউট্রিনো এবং ২০১৫ সালের পদার্থের নোবেল-১
প্রথম পরিচ্ছেদ (পূর্ব কথা) পদার্থ বিজ্ঞানে বিভিন্ন ধরনের সংরক্ষণশীলতা সূত্র বজায় আছে যার মধ্যে দু-একটি সবারই মোটামুটি জানা আছে। যেমন: শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র। এর উপরেই তাপগতিবিদ্যার প্রথমসূত্র টিকে আছে। এই সূত্রটি বিবৃত করে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না এবং মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমান সুনির্দিষ্ট। এছাড়া আমরা অনেকে চার্জের সংরক্ষণশীলতার বিষয়টিও জানি। এই সূত্রের ভাষ্যমতে চার্জেরও সৃষ্টি নেই বা ধ্বংস নেই। জগতে ধ্বনাত্মক ও ঋনাত্মক চার্জের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট। চার্জকে শূন্য থেকে উৎপন্ন করা যায় না এবং চার্জকে শূন্যে বিলীনও করা যায় না। একটি ধনাত্মক ও একটি ঋনাত্মক চার্জ মিলে শূন্য চার্জ প্রদর্শন করতে পারে বটে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-15.82572%20-389.7558%20948.34338%20-38.50672%20659.8%20174.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23181818%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(150.14673%20-549.21884%20746.97049%20204.20854%201715%201129.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235f5f5f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-153.39573%20347.5725%20-393.0669%20-173.47398%2088.5%201053.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f4f4f4%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1004.10398%20-27.97489%207.6625%20275.03027%20432.6%2047.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সংঘাতের বিবর্তন
পর্বঃ১ শূন্য কি? যদি এই প্রশ্ন কাউকে করা হয় তাহলে যে কেউ সাথে সাথে বলবে শূন্য মানে ফাঁকা বা যার কোন অস্থিত্ব নেই । কিন্তু শূন্য বলে তাকে অবজ্ঞা করাটা ঠিক হবে না। কারণ এ শূন্য থেকেই বহু কোটি বছর আগে এ মহাবিশ্বের জন্ম। সাধারণভাবে শূন্য থেকে কোন কিছুরি সৃষ্টি হয় না। কিন্তু কোয়াণ্টাম মেকানিক্স বলে শূন্য থেকেই অনেক কিছুর সৃষ্টি. তখন থেকেই বিবর্তনের শুরু। শূন্য থেকে মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এ মহাবিশ্বের জন্ম। তার প্রায় বহু কোটি বছর পর জীবের আবির্ভাব। মহা বিস্ফোরণের পর থেকেই বস্তুর সাথে বস্তুর সংঘর্ষ ঘটতে শুরু করেছে। জীবের জন্মলগ্ন থেকে তা…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.66406)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23776cb4%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(148.7%2052%2025.8)%20scale(36.2101%2036.94764)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23eff0ec%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-38.07402%20-62.13116%20217.42326%20-133.23714%20197.4%20107.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b3b4b0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-162.1%207.5%2048)%20scale(41.3389%20254.99998)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23afafb3%22%20cx%3D%22105%22%20cy%3D%2255%22%20rx%3D%2243%22%20ry%3D%2220%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
টিকা কিভাবে কাজ করে
বর্তমান সময়ের বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিস্কার হলো টিকা বা vaccine. টিকা আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক রোগ-প্রতিরোধ (immune system) ব্যবস্থার সাথে একসাথে কাজ করে অনেক ভয়ঙ্কর ও জীবনঘাতী রোগ-সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমাদেরকে সয়হাতা করেছে এবং করছে। এ লেখায় ব্যাখ্যা করা হবে কিভাবে আমাদের দেহ বিভিন্ন রোগ সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং কিভাবে টিকা এ লড়াইয়ে আমাদেরকে শক্তিশালী ও কার্যকরী নিরাপত্তা প্রদান করে। আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা— টিকার কার্যপদ্ধতি বোঝার জন্য আমাদেরকে আগে জানতে হবে কিভাবে আমাদের শরীর বিভিন্ন অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করে। যখন কোনো জীবাণু যেমন ব্যাকটেরিয়া অথবা ভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করে, তখন সেই জীবাণু আমাদের দেহের স্বাভাবিক…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bccf62%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(37.1972%20-15.4837%2023.35155%2056.0985%20104.6%2054)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(44.07421%20-179.43805%2053.37059%2013.10907%20215.3%2075.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cy%3D%2270%22%20rx%3D%2271%22%20ry%3D%2271%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23adb86f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-29.8%20157%20-167.4)%20scale(22.51653%2029.72035)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বিস্মৃত একজন গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য
বেশ কিছু কাল আগের কথা বলছি। তখন রাজশার্দূল এর শাসনামল বিরাজমান। শরীয়তপুরের লোনসিং নামের একটি গ্রামে বাস করতেন এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ। নাম অম্বিকাচরণ ভট্টাচার্য। পেশা যজমানি। অর্থাৎ পুজোর দক্ষিণার দাক্ষিণ্যই তাঁর সংসারযন্ত্রকে সচল রাখতে সাহায্য করত।তবে মধ্যে কাজ করতেন স্থানীয় জমিদারের কাছারিতেও । তাঁর পরিবারেই ১৮৯৫ সালের পহেলা আগস্ট গৃহিণী শশিমুখী দেবী জন্ম দেন এক পুত্র সন্তানের। দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম নেওয়া পিতামাতার জ্যেষ্ঠ সন্তানটির কথাই আজকে বলতে বসেছি। তাঁর নাম গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য। ভারতীয় উপমহাদেশে তিনিই সম্ভবত কীট আচরণ বিদ্যার পথিকৃৎ। পাঁচ বছর বয়সে অম্বিকাচরণ পরলোক গমন করেন। বাড়ে দারিদ্র্যের মাত্রা। দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্যের এই কষাঘাত…
%22%20transform%3D%22translate(.8%20.8)%20scale(1.65625)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20d%3D%22M-16%200l287-1-108%2079z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23848484%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(92.9%2034.3%20187.1)%20scale(107.20753%2057.27937)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-20.3377%2071.39602%20-27.45556%20-7.82092%20.1%2042.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23696768%22%20cx%3D%2273%22%20cy%3D%2269%22%20rx%3D%2231%22%20ry%3D%2253%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
চাঁদে মানুষ যাওয়া নিয়ে নির্মিত ষড়যন্ত্রতত্ত্বগুলোর জবাবে
মানুষ ফ্যান্টাসী পছন্দ করে। বস্তবতার কাটখোট্টা জগৎ তাকে যথাযথভাবে বিনোদিত বা আকৃষ্ট করে না। ফলে একশ্রেনীর মানুষ বিভিন্ন ধরনের ঘটনা, তত্ত্ব এসবের বিকল্প ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করে বা এধরনের কর্মকান্ডে সমর্থন ও আস্থা স্থাপন করে আনন্দ লাভ করে। এভাবেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব প্রচলিত হয়। এগুলোর প্রতিষ্ঠার পেছনে সামাজিক বা রাজনৈতিক কারণও জড়িত থাকে। গতশতাব্দীর সবচেয়ে বহুল প্রচলিত ষড়যন্ত্রতত্ত্বগুলো নির্মিত হয়েছে চাঁদে মানুষ অবতরণ নিয়ে। একশ্রেনীর মানুষের কাছে মানুষ্যবাহী চন্দ্রাভিযান পুরোপুরি ধাপ্পাবাজি হিসেবে পরিগণিত এবং এটি যে শুধু তাঁরা বিশ্বাস করেন তাই নয় এর স্বপক্ষে প্রচুর যুক্তি-প্রমাণ হাজির করেন। তবে বলাই বাহুল্য সেসব যুক্তি-প্রমাণে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d7d5e1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-168%20117.3%20-11.8)%20scale(192.72378%20104.08249)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236f7e21%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(54.14967%20-18.41668%2050.73216%20149.16529%20544.7%20259.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23656467%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.99265%20232.32386%20-89.72001%2024.713%201%20219.4)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23aea7d0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M628.2%20104.8L476.2%2094l8.9-126%20152%2010.6z%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জীববিজ্ঞানের জন্যে ভালবাসা ( বিবর্তনের ডানায় উড্ডয়নের ইতিকথা)
আমরা আসলে এমন একটা পৃথিবীতে বাস করি যেখানে বিস্ময়ের উপকরণের কমতি নেই। অসম্ভব বৈচিত্র্যের আধার সমুদ্রের তলদেশে কি অসাধারণ প্রাণিবৈচিত্র্য। অমেরুদন্ডী থেকে মেরুদন্ডী- বিচিত্রতার কমতি নেই একটুও। কিন্তু এই অসম্ভব বিস্ময়কর প্রাণস্পন্দনের কতগুলিই বা আমরা নিজের চোখে দেখেছি! কখনও দেখেছি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে কিংবা কখনও বা ডিসকভারির পাতায়। কিন্তু আমরা যেমন বায়ুসমুদ্রে ডুবে থেকেও ভুলে যাই বায়ুর সমুদ্রের কথা, তেমনিই আমাদের প্রতিদিনের বিস্ময়কর প্রাণচাঞ্চল্য, প্রাণস্পন্দন – সবকিছুই বিস্ময়ের উপকরণ। নিজের দেহের দিকে তাকালেই আমরা সেটি উপলব্ধি করতে পারব । আর এসকল বৈচিত্র্যের পেছনে ব্যখ্যা আর যুক্তি খুঁজতে আমরা যখন যাই, তখন আমাদের শরণাপন্ন হতে হয় বিবর্তনমূলক জীবনবিজ্ঞানের।…
%22%20transform%3D%22translate(.7%20.7)%20scale(1.3164)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%231f1b3c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(187.99657%20-25.1027%206.07976%2045.53193%2061%20164.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b56b25%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1.6812%2045.95244%20-160.98694%205.88983%20112.4%2042.8)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23020907%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(5.7%20-1716.6%20431.4)%20scale(52.28427%2028.08577)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a3865a%22%20cx%3D%2247%22%20cy%3D%2268%22%20rx%3D%2268%22%20ry%3D%2238%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণের উৎস – ১
আলো সৃষ্টি হয় কিভাবে? আলোকে ফোটন কণা হিসেবে যেমন বর্ণনা করা যায়, আবার তরঙ্গ দিয়েও করা যায়। যে কোন তড়িৎ-আধানসম্পন্ন কণাকে ত্বরাণ্বিত করলে তার থেকে তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ নির্গত হবে। তড়িৎ-আধান বা চার্জসম্পন্ন কণা কোনগুলি? যেমন ইলেকট্রনকে আমরা ধরি ঋণাত্মক আধান হিসেবে, আধান বা চার্জের পরিমাণ -১। আবার একটি প্রোটনের চার্জ হল +১। অর্থাৎ ইলেকট্রন বা প্রোটন দুটিরই চার্জের পরিমাণ এক, কিন্তু তাদের বৈশিষ্ট্য বিপরীত। স্থিত তড়িৎক্ষেত্র: ইলেকট্রন বা প্রোটন স্থির থাকলে তার চারপাশে একটি তড়িৎ বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়, একে আমরা $\vec E$ ক্ষেত্র বলব। এই ক্ষেত্রের রেখাগুলি হয় ঐ কণা থেকে উৎপন্ন হয় নয়…







