
%22%20transform%3D%22translate(3.9%203.9)%20scale(7.73047)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d5e872%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-19.72133%20-32.56966%2045.65987%20-27.64761%2087.7%2055)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(119.35444%20-225.3431%2063.51849%2033.64298%20210.3%2097.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000002%22%20cy%3D%2283%22%20rx%3D%2244%22%20ry%3D%22117%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23767e4e%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(32.80575%2038.49724%20-48.64272%2041.4513%2090.9%2052.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আমাদের দেহের গাঠনিক ও কার্যকরী একক হলো কোষ। এই কোষের মধ্যে রয়েছে নিউক্লিয়াস, নিউক্লিয়াসের মধ্যে রয়েছে ক্রোমোজোম। ধরা যাক আমাদের নিউক্লিয়াস হলো কোষের হেড অফিস। এখানে নানান তথ্য ফাইলের মধ্যে রাখা হয়েছে। ফাইলগুলো যদি জিন হয়, তাহলে কেবিনেটগুলো হলো ক্রোমোজোম। বিভিন্ন জীবের কোষীয় হেড অফিসে কেবিনেট অর্থাৎ ক্রোমোজোম সংখ্যা বিভিন্ন। গরুর ৬০, কুকুরের ৭৮ এবং মানুষের ৪৬ টা ক্রোমোজোম আছে। Ophiglossum নামের এক ফার্ন গাছের রয়েছে সবচেয়ে বেশি ক্রোমোজোম। কত ভাবেন তো? একশ? দেড়শ? জি না, ১২৬২! একটু আগেই যে বললাম মানুষের ৪৬ টা ক্রোমোজোম, এর মধ্যে ৪৪ টা হলো অটোজোম। এদের বহন করা তথ্যে জীবের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d3e769%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(312.14178%20-11.4041%207.57577%20207.3566%20479.5%20563.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23371e39%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-89%20293.8%20-52.8)%20scale(200.58134%20172.99197)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23be0259%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-33.13489%20-151.9825%20893.4276%20-194.78309%20402%2040)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2383ad77%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-265.35595%20116.51868%20-40.11958%20-91.36705%20441.3%20395.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মস্তিষ্কের কর্মকান্ডঃ অভ্যন্তরীণ বাচন
ধরুন, আপনি বাজার করতে গিয়েছেন, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা শেষে দাম মিটিয়ে দিয়ে চলে আসছেন। হঠাৎ আপনার মাথার ভেতর কেউ বলে উঠলো, “মরিচ তো কেনা হয়নি!!” পড়িমড়ি করে আবার বাজারে ছুটলেন মরিচ কিনতে। কেউ একজন আপনাকে মনে করিয়ে দিয়েছে মরিচ কেনার কথা। অথবা একটুপর বসের সাথে আপনার একটা জরুরী মিটিং আছে। আপাতদৃষ্টিতে দেখে শান্ত মনে হলে ও ভিতরে ভিতরে আপনি নিজেকে ঝালিয়ে নিচ্ছেন সেই মিটিং এর জন্য, নিঃশব্দে মাথার ভেতর একের পর এক প্রশ্ন আর উত্তর তৈরি করে। এরকম মগজ ঘরে কথা বলা, আওয়াজবিহীন শব্দ আর বাক্য তৈরির প্রক্রিয়ার অনেক উদাহরণ আমরা আমাদের চারপাশে পাই। রাশিয়ান মনস্তত্ত্ববিদ…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cf9762%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(21.1336%20-8.11846%2053.43142%20139.0902%20149.5%2051.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2355121f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-16.5779%2015.60073%20-40.70988%20-43.2598%2062%2025.2)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23c8905c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M23.5%2055.5h33v17h-33z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b234f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-28.0762%20-30.10804%2011.54482%20-10.76572%2057.3%2015.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পলায়নপর নিউট্রিনো এবং ২০১৫ সালের পদার্থের নোবেল-৩
[দ্বিতীয় খন্ডের পর] তৃতীয় পরিচ্ছেদ: নিউট্রিনোর স্পন্দন ১৯৩৬ সালে কার্ল ডেভিড এন্ডারসন পার্বত্যএলাকায় মহাজাগতিক রশ্মি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে নতুন একটি কণিকা পেলেন। মেঘ প্রকোষ্ঠে (cloud chamber) নতুন একধরনের গতিপথ দেখে বোঝা গেলো এই কণিকাটির উপস্থিতি এবং এই গতিপথ আগের কোনো কণিকার গতিপথের সাথে মেলানো যায় না। এর গতিপথ ইলেক্ট্রনের মতো একই দিকে বেঁকে যায় কিন্তু বক্রতার পরিমান বেশ খানিকটা কম যা দেখে বোঝা যায় এর চার্জ ইলেক্ট্রনের মতোই ঋনাত্মক তবে ইলেক্ট্রনের তুলনায় এটি বেশ ভারী। শুরুতে এন্ডারসন এই কণিকার নাম দিয়েছিলেন মেসট্রন (meostron) এবং সেখান থেকে কিছুটা সংক্ষেপিত হয়ে এর নাম হলো মেসন (meson)। পরবর্তীতে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23de93a8%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(167.71627%20-71.59006%2088.32473%20206.92111%20560%20386.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffd5e7%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(263.04172%2089.5467%20-215.049%20631.70228%20129%20194)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c7f3e0%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(80.71721%2019.97549%20-17.60449%2071.13644%2056.6%20473.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ffd1e7%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(375.66453%20601.18892%20-181.51876%20113.4255%20904.6%20182.7)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
গোল গোল গোলক: গোলকের ভুবন [১]
কিছু গল্প কিছু অনুধাবনঃ মানুষের চোখের যে অংশটা নড়াচড়া করে দেখতে সাহায্য করে সে অংশটাকে বাইরে থেকে দেখলে চ্যাপ্টা আকৃতির কিছু একটা বলে মনে হয়। আসলে এটি চ্যাপ্টা নয়, গোলক আকৃতির। এই অঙ্গটিকে বলা হয় অক্ষিগোলক, এটির বেশ খানিকটা অংশ ভেতরের দিকে গ্রোথিত থাকে বলে বাইরে থেকে দেখা যায় না। এই অক্ষিগোলক যদি গোল না হতো তাহলে আমাদেরকে দেখা সংক্রান্ত ব্যাপারে মারাত্মক সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। এটি গোলাকার বলেই চোখকে এপাশ-ওপাশ, উপর-নিচ করা যায়। অক্ষিগোলক যদি গোলাকার না হয়ে অন্য কোনো সরল আকৃতি যেমন ঘনক বা পিরামিডের মতো হতো তাহলে কী বিদঘুটে অবস্থার মাঝেই না পড়তে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a0e5cb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(87.3%20-139.1%201024.7)%20scale(254.52014%201561.54203)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300280e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.75348%20-465.41173%201379.60538%20188.98243%201263.5%2021.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001a05%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-75.63985%20152.46774%20-305.44095%20-151.53046%201717.8%2058.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232657bb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(225.46158%20-24.56072%2014.1388%20129.7908%20430%20506.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কৃত্রিম বৃষ্টি : প্রকৃতি যখন হাতের নাগালে [৩- শেষ পর্ব]
[২য় পর্বের পর থেকে] নানা কাজে নানা দিকে ব্যবহারঃ কোনো একটি এলাকায় কৃত্রিম বৃষ্টি সে এলাকার বার্ষিক বৃষ্টির ১০%-২০% বৃষ্টি বৃদ্ধি করতে পারে। ফসল নেই এমন সময়ে অধিক বৃষ্টি হলে ঐ দৃষ্টিকোণ থেকে খুব বেশি লাভ নেই। ফসলের প্রয়োজনে ৫% বৃষ্টিই পর্যাপ্ত! সময়মতো অল্প বৃষ্টিপাত দিয়েই ভাল ফসল ফলিয়ে নেয়া যায়। এই প্রক্রিয়ায় বন্ধ্যা জমি মানে যে সকল জমিতে পানির অভাবে কখনোই ফসল করা হয় না এমন জমিতেও ফসল ফলানো সম্ভব। আবার কিছু কিছু এলাকায় এটি ভাল ফলাফল নাও বয়ে আনতে পারে। মানুষ এখনো পরিপূর্ণভাবে প্রকৃতিকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা শিখে নিতে পারে নি। দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a0e5cb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(87.3%20-139.1%201024.7)%20scale(254.52014%201561.54203)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300280e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.75348%20-465.41173%201379.60538%20188.98243%201263.5%2021.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001a05%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-75.63985%20152.46774%20-305.44095%20-151.53046%201717.8%2058.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232657bb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(225.46158%20-24.56072%2014.1388%20129.7908%20430%20506.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কৃত্রিম বৃষ্টি : প্রকৃতি যখন হাতের নাগালে [২]
[১ম পর্বের পর থেকে] কৃত্রিম বৃষ্টি তৈরিঃ কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি নামানোর ক্ষেত্রে প্রধানত দুইটি উপায় দেখা যায়। একটি হচ্ছে ভূমি হতে কামান বা কোনো নিক্ষেপকের মাধ্যমে বায়ুমন্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার এলাকা বা মেঘের দেশে ঘনীভবনকারী পদার্থ ছুড়ে দেয়া। কিংবা ভূমি হতে এমন কোনো ব্যবস্থা তৈরি করা, অনেকটা ধোঁয়া যেমন ধীরে ধীরে উপরে ওঠে যায় তেমন করে এই রাসায়নিক পদার্থগুলোও যেন উপরে ওঠে যায়। এই পদ্ধতিতে প্রথমে বাহকের মাঝে রাসায়নিক ভরা হয়। যেহেতু এটি রকেটের মতো করে ছুড়ে মারা হবে তাই উড়ার জন্য বাহককেও রকেটের মতো করে বানানো হয়। সেই রকেট একটি কামানের মতো নিক্ষেপক যন্ত্রের মাঝে রাখা হয়। পরে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a0e5cb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(87.3%20-139.1%201024.7)%20scale(254.52014%201561.54203)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2300280e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.75348%20-465.41173%201379.60538%20188.98243%201263.5%2021.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23001a05%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-75.63985%20152.46774%20-305.44095%20-151.53046%201717.8%2058.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232657bb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(225.46158%20-24.56072%2014.1388%20129.7908%20430%20506.9)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কৃত্রিম বৃষ্টি : প্রকৃতি যখন হাতের নাগালে [১]
মানুষের প্রয়োজন ও সক্ষমতাঃ খ্রিস্টের জন্মের ২১৫০ বছর আগে চীনের ইতিহাসের দিকে একটু ফিরে তাকালে দেখা যাবে সেখানকার সম্রাট ইয়ু তার রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা তৈরি করার মাধ্যমে কৃষকের ফসল রক্ষা করে বিখ্যাত হয়ে আছেন। কিন্তু আজকের দিনের সেই চিত্র একদমই ভিন্ন। একসময় যে চীনের এক স্থানে নদীর পানি আটকে রাখা শক্ত ছিল আজ এত বছর পরে সেই চীনেই একফোঁটা পানির জন্য নানা কসরত করতে হয়। পানি মানুষের জন্য আশীর্বাদ। একসময় বৃষ্টি হবে, এই আশা করে এখনো অনেক এলাকায় ধান লাগানো হয়। যদি উপযুক্ত সময়ে বৃষ্টি না হয় তাহলে ধানের জমি কৃষকের মন খুশি করতে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cf9762%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(21.1336%20-8.11846%2053.43142%20139.0902%20149.5%2051.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2355121f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-16.5779%2015.60073%20-40.70988%20-43.2598%2062%2025.2)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23c8905c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M23.5%2055.5h33v17h-33z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236b234f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-28.0762%20-30.10804%2011.54482%20-10.76572%2057.3%2015.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পলায়নপর নিউট্রিনো এবং ২০১৫ সালের পদার্থের নোবেল-২
(প্রথম খন্ডের পর)দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ (নিউট্রিনো সনাক্তকরণ) নিউক্লীয় বলের প্রতি সাড়া দেওয়ার ভিত্তিতে কণিকাগুলো দুই প্রকার, হেড্রন এবং লেপটন। নিউক্লীয় বল দুই প্রকার, সবল এবং দুর্বল (strong and weak nuclear forces) এটি আমরা অনেকেই জানি। যেসব কণিকা সবল বলটির প্রতি সাড়া দেয় তাদের বলা হয় হেড্রন আর যারা দুর্বল বলটির প্রতি সাড়া দেয় তাদের বলা হয় লেপটন। হেড্রন আবার দুই প্রকার: মেসন এবং ব্যরিয়ন। মেসনগুলো দুটি কোয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত আর ব্যরিয়ন গঠিত হয় তিনটি করে কোয়ার্ক দিয়ে। এই অর্থে প্রোটন, নিউট্রন এগুলো হচ্ছে ব্যরিয়ন। অপরদিকে ইলেক্ট্রন হলো লেপটন। ব্যারিয়ন এবং লেপটনের আবার তাদের বৈশিষ্ট্যসূচক ব্যারিয়ন ও লেপটন…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.20313)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ac7437%22%20cx%3D%22120%22%20cy%3D%2275%22%20rx%3D%2247%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-57.46852%20-17.78948%2075.18382%20-242.87968%20233.7%2083)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20cx%3D%2220%22%20cy%3D%2292%22%20rx%3D%2245%22%20ry%3D%22255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bccad6%22%20cx%3D%2277%22%20cy%3D%2284%22%20rx%3D%2222%22%20ry%3D%2260%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
পলায়নপর নিউট্রিনো এবং ২০১৫ সালের পদার্থের নোবেল-১
প্রথম পরিচ্ছেদ (পূর্ব কথা) পদার্থ বিজ্ঞানে বিভিন্ন ধরনের সংরক্ষণশীলতা সূত্র বজায় আছে যার মধ্যে দু-একটি সবারই মোটামুটি জানা আছে। যেমন: শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র। এর উপরেই তাপগতিবিদ্যার প্রথমসূত্র টিকে আছে। এই সূত্রটি বিবৃত করে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না এবং মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমান সুনির্দিষ্ট। এছাড়া আমরা অনেকে চার্জের সংরক্ষণশীলতার বিষয়টিও জানি। এই সূত্রের ভাষ্যমতে চার্জেরও সৃষ্টি নেই বা ধ্বংস নেই। জগতে ধ্বনাত্মক ও ঋনাত্মক চার্জের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট। চার্জকে শূন্য থেকে উৎপন্ন করা যায় না এবং চার্জকে শূন্যে বিলীনও করা যায় না। একটি ধনাত্মক ও একটি ঋনাত্মক চার্জ মিলে শূন্য চার্জ প্রদর্শন করতে পারে বটে…




