
%22%20transform%3D%22translate(.7%20.7)%20scale(1.48438)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d7d46f%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-20.7014%20122.0238%20-61.71338%20-10.46971%2065%20177.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20cx%3D%22215%22%20cy%3D%22230%22%20rx%3D%2287%22%20ry%3D%2287%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(3.53863%20-38.69167%2084.32512%207.71213%20214%2023)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%236261e6%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(41.17405%2030.25818%20-27.588%2037.54059%20211.2%2099.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
বাস্তব জগতে আমরা যত ধরনের জ্যামিতিক বস্তুর সম্মুখীন হই তার সবগুলোই ত্রিমাত্রিক জ্যামিতিক বস্তু বা থ্রিডি জ্যামিতিক ফিগার। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে যে জ্যামিতিগুলো করানো হয় তার প্রায় সবই দ্বিমাত্রিক জ্যামিতি। দ্বিমাত্রিক জ্যামিতিকে বলা হয় ইউক্লিডীয় জ্যামিতি। এই দ্বিমাত্রিক জ্যামিতির ভীত ইউক্লিড নামের একজন গণিতবিদ তৈরি করেছেন বলে এই জ্যামিতিকে ইউক্লিডীয় জ্যামিতি বলা হয়। ইউক্লিড হচ্ছেন একজন ইতিহাসবিখ্যাত গ্রীক গণিতবিদ। স্কুল কলেজে পঠিত জ্যামিতির প্রায় সবই ইউক্লিড রচিত ‘এলিমেন্টস’[1] নামের ১৩ খণ্ডের বই থেকে উৎসারিত। ইউক্লিডের এই বইটি একটা বিশেষ দিক থেকে সেরা। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত সবচে নির্ভুল বই।[2] ইউক্লিডীয় জ্যামিতির নিয়ম-নীতি শুধু দুই…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23929292%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-292.70912%20263.55647%20-273.60425%20-303.8683%20670.3%20491.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23939393%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(804.05839%20255.75573%20-109.67258%20344.79444%202275.5%201319.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-756.7343%20-77.18214%2042.26074%20-414.34653%201923.8%20197.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230a0a0a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-2198.94827%20-937.93092%2097.13553%20-227.73107%20271.5%201199.5)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
সূর্য ছুটি পেলে…
আজ থেকে অনেক বছর পর। আপনি একজন মহাকাশচারী, ক্রায়োজেনিক চেম্বার থেকে বের হলেন লম্বা একটা ঘুমের পর। স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনাকে জাগিয়ে তোলার অর্থ বসবাসযোগ্য একটি গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে। গ্রহটি অন্ধকার, এতই অন্ধকার যে আপনি এর পৃষ্ঠে কি আছে না আছে কিছুই বুঝতে পারছেন না। শুধু দেখছেন আকাশের তারাদের ঢেকে রাখা গাঢ় অন্ধকার এক গোলক। ধীরে ধীরে এর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে মেঘের স্তর ভেদ করে নামা শুরু করলেন। আপনার মহাকাশযানের বাহিরে কোন নেই কোন আলো। এতদিন ধরে দেখে আসা বিশ্বস্ত তারাগুলোও হঠাৎ গায়েব। তথ্যগুলো নাড়াচাড়া করে আপনার বুকটা ছাৎ করে উঠলো। তখনই আপনি কনসোলে ফিরে গিয়ে কমান্ডারের…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a5ac7f%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(67.7%20228.9%201084.5)%20scale(511.4901%20377.47543)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2307060e%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(211.8757%20402.27842%20-164.81921%2086.8085%20194.4%201296.4)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%231c1b23%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M44-105l507.7%20521.3-656.6-27z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2315141c%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(507.54926%20-604.10951%20184.00632%20154.59494%201696.8%201199.8)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মহাশক্তিশালী থরের সেই হাতুড়ি!
মার্ভেল ইউনিভার্সের মুভিগুলো কে কে দেখেন? এই কথা জিজ্ঞেস করলে সম্ভবত কেউ আর ‘না’ শব্দটি উচ্চারণ করবে না। অনেকেই আছেন আবার মার্ভেল ইউনিভার্সের কথা বললে একেবারেই পাগল! আর হবেনই না বা কেন? দারুণ দারুণ সব সুপার হিরো আর বিজ্ঞানের চমৎকার ব্যাবহার ছবিগুলোকে যেন আরো বেশি জনপ্রিয়তা পাইয়ে দিয়েছে। তো যাই হোক, আজ আমরা মার্ভেল ইউনিভার্সের এক সুপার হিরোর কথা বলব। যার কথা বলব সে আমার সবথেকে প্রিয়। অনেকেই হয়ত আয়রন ম্যান বা হাল্কের কথা মনে করবেন। আসলে সেটা না। আজ আমরা মহাশক্তিশালী (কমিকস অনুযায়ী) থরের গুণগান গাইব। আসলে মূলত থর না, আমরা কথা বলব থরের সেই…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23cbcbcb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-27.45104%2059.87056%20-54.71107%20-25.08538%20130.7%20153.2)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-110.2904%20114.20906%20-33.08537%20-31.95017%20194.2%20269.1)%22%2F%3E%3Cpath%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M17.6%2063.2L45.4%20194l-42.9%209.1-27.8-130.8z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-30.62256%2019.2491%20-37.26073%20-59.27649%20204.2%2019.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
হাইপেশিয়া
আলেকজান্দ্রিয়ার সর্বশেষ নামকরা যে গণিতবিদ ছিলেন তিনি একজন নারী! বেশ একটা অবাক করা তথ্য! কারণ যে সময়টার কথা বলছি তখন নারী শিক্ষার কল্পনা করার ব্যাপারটা সমাজ আর শাসনতন্ত্রের সাথে যায় না। নাম হাইপেশিয়া। জন্ম আনুমানিক ৩৭০খ্রিস্টাব্দ। বাবার নাম থিওন। হাইপেশিয়ার মায়ের কথা জানা যায় না। ইতিহাস হাইপেশিয়াকে হাইপেশিয়া হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁর বাবার অবদানের জন্য থিওনকে ধরে রাখতে পেরেছে। হাইপেশিয়াকে বলা হয় প্রথম নারী গণিতবিদ যার ব্যাপারে ইতিহাসবিদগণ গভীরভাবে জানতে পেরেছেন। হাইপেশিয়ার বাবা ছিলেন আলেকজান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক এবং অবশ্যই একজন মুক্তমনা ব্যক্তিত্ব। পরবর্তীতে তিনি আলেকজান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে আসীন হন। হাইপেশিয়া তাঁর বাবার ছায়ায় বেড়ে উঠেছিলেন একটা শিক্ষাসুলভ, প্রশ্নাতুর, কৌতূহলউদ্দীপক আর…
শুরুর কথাঃ বড় বিষয় ছোট গল্প
গল্প বলতে আর শুনতে কার না ভাল লাগে। আর সে গল্প যদি হয় নিজেদের তাহলে তো কোন কথাই নেই। তাহলে চলুন শোনা যাক আমাদের নিজেদের গল্প। একটা বিখ্যাত উক্তি আছে যে, “আমরা সবাই নক্ষত্রের সন্তান”। তাহলে বলা চলে যে আমাদের গল্প মানেই হল নক্ষত্রের গল্প, আমাদের মহাবিশ্বের গল্প। আজ গল্প বলব আমাদের চারপাশের, গল্প বলব আমাদের আবির্ভাব আর সৃষ্টি নিয়ে; আমাদের উদ্ভব নিয়ে। কেমন ছিল শুরুটা? কি ছিল সেখানে? এর আগেই বা কি ছিল আর কিই বা থাকবে এর পরে? এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার একটা ক্ষুদ্র প্রয়াস; যদিও বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর এখনো আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানের কাছে…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.19531)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23ce6488%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(1.4%20-406.4%205054.3)%20scale(33.10226%2076.46408)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000800%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(89.3%20-.7%2011.9)%20scale(57.91226%2019.44341)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000600%22%20cx%3D%22246%22%20cy%3D%2212%22%20rx%3D%2214%22%20ry%3D%2255%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232b463d%22%20cx%3D%22195%22%20cy%3D%2224%22%20rx%3D%2238%22%20ry%3D%22127%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ছেলেদের কেন স্তন আছে?
সকল পুরুষেরই স্তন-গ্রন্থি আছে। মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থিতে টিউমার সহ অন্য কোনো সমস্যা না হলে কোনো পুরুষই সাধারণত সে স্তন থেকে দুধ উৎপন্ন করতে পারে না। যদি সন্তান সন্ততিদের দুধ খাইয়ে সাহায্য নাই করতে পারে তাহলে কোন লাভের জন্য এই অপ্রয়োজনীয় জিনিষ সারাজীবন ধরে থেকে যায় প্রত্যেকটি পুরুষের মাঝে? উত্তরটা লুকিয়ে আছে মানুষের ভ্রূণ দশার মাঝে। ভাল করে বললে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণে লাগা সময়কালের মাঝে। মানুষ স্তন্যপায়ী প্রাণী, আর প্রত্যেক স্তন্যপায়ী প্রাণীই হয়ে থাকে উষ্ণ রক্ত বিশিষ্ট, লোমশ, মেরুদণ্ডী, নিঃশ্বাস হিসেবে বায়ু গ্রহণ করে এবং অবধারিতভাবে সকল শিশুই স্তন পান করে বড় হয়। যেমন মানুষ, কুকুর, গরু…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23e4dcff%22%20d%3D%22M72.1%20149.5l31.6-103.3L144%2058.5l-31.6%20103.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%232a1d6d%22%20cx%3D%2240%22%20cy%3D%22105%22%20rx%3D%2225%22%20ry%3D%2239%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dde2c0%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-5.32344%20-.0404%20.81944%20-107.9969%203.3%2067.7)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%234c4089%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(5.3%20-519.8%20615.3)%20scale(39.29169%2083.48905)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
যে রাজপুত্র নন রাজার ছেলে
পুরো নাম ইয়োহান কার্ল ফ্রিডরিখ গাউস । জন্ম : ৩০ এপ্রিল ১৭৭৭, জার্মানির ব্রাউনশভিগে । সাধারণ এক পরিবারেই জন্ম হয় এই অসামান্য প্রতিভাবানের। অনেকের বিচারে সর্বকালের সেরা গনিতবিদও। গণিতে তাঁর প্রতিভা আর অবদানই তাঁকে করেছে ‘Prince of Mathematics’ … গাউসের প্রতিভা বেশ ছোটবেলাতেই আঁচ করা গিয়েছিল। মাত্র তিন বছর বয়সে ছোট্ট গাউস তাঁর বাবার হিসাবের খাতার ভুল ধরে ফেলেন! প্রখর বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন শিশুব্যক্তিত্বকে ইংরেজিতে বলে prodigy. গাউসও ছোটবেলায় দেখিয়ে দিয়েছিলেন তিনি কী জিনিস! গাউসের সম্পর্কে সর্বাধিক প্রচলিত গল্পটি এরকম : একদা তাঁর শিক্ষক গাউসকে ব্যস্ত রাখতে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো যোগ করে ফল বের করতে…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23afffeb%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-147.05177%20-128.47058%20329.59166%20-377.26174%2067.7%20192.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23006b62%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(105.1%20336.5%20621.4)%20scale(647.86823%20147.79678)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23c26013%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(101.04222%2071.45736%20-258.70444%20365.81359%20217.1%20707.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b6aeb6%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(178.67577%20172.67689%20-114.92362%20118.91613%20662.3%2052.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
কিছু অদ্ভুত প্রাণীর কথা
আমাদের চারপাশে রয়েছে অনেক প্রাণী। তাদের মাঝে কিছু কিছু প্রাণীর আছে যাদের স্বভাব ভিন্ন রকমের। যার কারণে এদের নামের মাঝেও আছে এমন ভিন্নতা। এদের ভিন্নতার কারণেই এত বিচিত্র আমাদের এই প্রাণী জগত। এমন কিছু অদ্ভুত প্রাণীদের সম্পর্কে আজকে তাহলে কিছু জেনে নেয়া যাক। বেলুন মাছ (Puffer fish)এরা ডায়োডোনটিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। দেহের মধ্যে পানি ঢুকিয়ে দেহকে বেলুনের মতো ফুলিয়ে ফেলতে পারে বলেই এদের “বেলুন মাছ” নামে ডাকা করা হয়।বসবাসঃসর্বাধিক বেলুন মাছ ক্রান্তীয় এবং এর আশেপাশের সমুদ্রের পানিতে পাওয়া যায়। সমুদ্রের লোনা পানির পাশাপাশি কিছু প্রজাতি স্বাদু পানিতেও বাস করতে পারে। সামুদ্রিক মাছ হওয়া সত্ত্বেও এদের মাঝে যারা…
%22%20transform%3D%22translate(1%201)%20scale(1.91406)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2382724a%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(63.8272%205.91188%20-3.5624%2038.46116%20162.2%20105.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fcfdff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-9.1%20113%20-758.5)%20scale(172.63422%2047.82992)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23918687%22%20cx%3D%22187%22%20cy%3D%22113%22%20rx%3D%2238%22%20ry%3D%2293%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f9fafd%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(60.9%2085.7%20241.6)%20scale(31.74291%2027.37936)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ছারপোকা নিয়ে যতকথা
ছারপোকাকে তো আমরা সবাই চিনি। তাই না? ছারপোকাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মুখখিস্তি (গালমন্দ) পাওয়া পোকা হিসেবেই চেনা হয়। একে কিন্তু সর্বত্রই পাওয়া যায়। আবাসন, হোটেল-রেস্তোরা; এমনকি বিভিন্ন রিচ হোটেলেও পাওয়া যায়। একে একপ্রকার রক্তচোষক পতঙ্গও বলা যায়। এদেরকে আবার পর্যটকদের লাগেজ, ব্যাকপ্যাকে পাওয়া যায়। আরেকটা মজার ব্যাপার হলো, তারা শোভাবর্ধক জিনিসের আশেপাশে ঘুরঘুর করে। এছাড়া দোয়াতকালিতে লিপিবদ্ধ কোন লেখা যদি অনেকদিন পরে থাকে, তবে দেখা যায় এদের উপর ছারপোকার আক্রমণ। এদের অনুভূতির ব্যাপারটা মারাত্মক। তাইতো! পোকামাকড়ে ইতিহাস কিংবা জীবন বৃত্তান্তের যেটাতেই হাত দিব না কেন; বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এদের সংক্রমণের ব্যাপারটিই মূখ্য। করণ, স্বাভাবিকভাবেই…






