
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23515111%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-128.4%20468.6%2086.5)%20scale(294.80955%20232.95182)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23dcf669%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-25.45024%20-159.3401%20415.17271%20-66.31252%20471.7%202.1)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e3ff66%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-39.5182%20104.51712%20-235.23942%20-88.94467%20167.5%20627.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23888d7a%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-36.80655%20-240.83425%20126.2459%20-19.29408%2046.2%20206.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
একটা গুবরেপোকাকে জিন্দালাশ হতে দেখা বিস্ময়ের, বেদনারও। গুবরেপোকা সুক্ষ্ম জীব, স্বভাবটাও খাইখাই ধরনের। গুবরেপোকা তার জীবনে কয়েক হাজার এফিডপোকা সাবাড় করে ফেলে। শিকার খোঁজার জন্য গুবরেপোকা ওর এন্টেনা নাড়াচাড়া করে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ সনাক্ত করার জন্য। গাছেরা এফিডের মতো তৃণভোজি পতঙ্গ দিয়ে আক্রান্ত হলে এই রাসায়নিকগুলো নিঃসৃত করে। একবার এই রাসায়নিকের সন্ধান পেলে গুবরেপোকা এমন সব অণু খুঁজতে থাকে যেগুলো শুধু এফিডরাই ছড়ায়। এসব অণু পেলেই গুবরেপোকা হামাগুড়ি দিয়ে এফিডদের আক্রমণ করে, খাঁজ কাটা চোয়াল দিয়ে চিরে ফেলে এফিডদের দেহ। গুবরেপোকারা তাদের প্রায় সব শত্রু থেকে সুরক্ষিত। ওদের দেহের লাল-কালো গম্বুজাকৃতির বহিরাবরণ আমাদের চোখে সুন্দর লাগলেও…
%22%20transform%3D%22translate(2.3%202.3)%20scale(4.6875)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23faf9ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-246.4069%2030.25496%20-5.6165%20-45.74266%2076.9%2027.3)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237e826c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(89.25392%2063.1953%20-46.4763%2065.64083%20171%20203)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23bdcf62%22%20cx%3D%22168%22%20cy%3D%2257%22%20rx%3D%2234%22%20ry%3D%2243%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a4b54d%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(52.71312%2082.29963%20-34.06647%2021.81966%20227.3%20187.3)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আমাদের সংস্কৃতির হাত ধরেই আমাদের বিবর্তন?
আমাদের সংস্কৃতির গুরুত্বটা কী আমাদের জীবনে? কিংবা বিজ্ঞানের ভাষায়, এর প্রযুক্ত বলই বা কতটুকু আমাদের উপর? কিংবা আমাদের বিবর্তনের পিছনে কি আমাদেরই সংস্কৃতি কোনো অংশে দায়ী? কাপড়, আশ্রয় থেকে শুরু করে বহিঃশক্তির হাত থেকে রেহাই দেওয়ার জন্য ঢাল হিসেবে কাজ করে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি। কতিপয় জীববিজ্ঞানীদের নিকট তাই মনে হয় মানব সংস্কৃতি আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা কিনা মানব জীবনে প্রযুক্তির ভূমিকার সাথে তুল্য। তবে মানব সংস্কৃতির প্রভাব ধীরে ধীরে উপলদ্ধির ব্যপার। তাই এর প্রভাবে সমাজে কখনও মনুষ্য জাতির আগমন বেশি ঘটেছে আবার কখনও কোনো সমাজ পঙ্গু হয়ে গিয়েছে। তবে জীব বিজ্ঞানীরা এখন মানব…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23170722%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(148.2%20165.9%20433.7)%20scale(196.3485%20192.42991)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b8ea8%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-271.59292%20-692.42702%20155.56146%20-61.01638%20859.8%20304)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%233eb523%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(-132.8332%20-7.15937%2043.05018%20-798.7422%2074.3%20291.9)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2398a238%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(151.17144%20-78.05001%20284.83032%20551.67459%201191.6%20202.4)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
জমজ সম্পর্কে কিছু কথা
আমাদের পৃথিবীটা অনেক বৈচিত্র্যপূর্ণ, এখানে বিভিন্ন প্রকার বিচিত্র ঘটনার যেন অভাব নেই। ঠিক তেমনই একটা বিচিত্র কিন্তু প্রাকৃতিক ঘটনা হল যমজ শিশুর জন্ম। বিচিত্র বলার কারণ এই যে, দুটি শিশু একই সাথে জন্ম নেবে যারা একই রকম দেখতে হবে, একই রকম সুরে কথা বলবে, একে অন্যের পুরোপুরি ক্লোন হবে, এটা আসলেই অনেক মজার একটা ব্যাপার। তাছাড়া বিজ্ঞানীদের কাছেও যমজ শিশু খুব জনপ্রিয় এবং আকর্ষণীয় একটা বিষয় – এ নিয়ে গবেষণার যেন শেষ নেই। যমজ শিশুর জন্ম একটা প্রাকৃতিক ঘটনা, প্রকৃতিতে সবসময়ই সব প্রাণীর ক্ষেত্রেই এটা ঘটতে দেখা যায়। মানুষের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়, তাই ভাবলাম এটা…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23d1d1d1%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-76.8%20103.3%20-37.6)%20scale(45.7324%20118.68817)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(164.2%20130%2064.8)%20scale(51.31104%20263.10683)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(80.16862%2015.5832%20-10.56607%2054.35771%2060.5%20151.5)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23fff%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(4.23614%20-25.86857%20218.4408%2035.77105%20155.5%209.2)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
এপিজিনোমিক রোডম্যাপ
আমাদের কোন অংশটি লেখা জিনোমে আর কোন অংশটি দৈনন্দিন জীবনাচরনের ফল, সেই বিষয়ক একটি গবেষনা যাকে বলা হচ্ছে ‘এপিজিনোম রোডম্যাপ’ তার প্রকাশনা গত ১৮ই ফেব্রুয়ারী তারিখে এসেছে। এর মধ্য দিয়ে প্রকৃতি বনাম প্রতিপালনের বিতর্কটা আরেকটু চড়া হলো। আমদের জিনগত তথ্যের নিয়ন্ত্রক হিসেবে যা থাকে সেটাই হলো এপিজিনোম। জিনোমটা যদি শব্দের ক্রম হয়, তাহলে এপিজিনোম হচ্ছে দাড়ি, কমা সহ পুরো প্যরাগ্রাফ। যা প্রকৃতপক্ষে কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন যাতে মিথাইল গ্রুপ, এসিটাইল গ্রুপ এরা ডিএনএর সাথে যুক্ত হয় এবং জিন সক্রিয়করন, নিষ্ক্রিয়করনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। জীববিজ্ঞানী এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের একটি সংঘবদ্ধ দল এই গবেষনার মূলে। এপিজিনোমিক ম্যাপ থেকে…
%22%20transform%3D%22translate(.5%20.5)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%237ac6cb%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(137.6%2044.7%2029.3)%20scale(69.58417%2042.54778)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239eaa49%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(1.47926%20-141.25394%2024.08092%20.25218%2016.4%2052.6)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a7ab4c%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(63.5%20-57.1%20106.3)%20scale(22.7038%2072.81546)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f2c8d6%22%20cx%3D%22138%22%20cy%3D%225%22%20rx%3D%2228%22%20ry%3D%2211%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মাইক্রোস্কোপের নিচে মানবদেহ
মানবদেহের শৈল্পিক স্থাপত্যের কিছু নিদর্শন এখানের ছবিগুলো।
%22%20transform%3D%22translate(1.2%201.2)%20scale(2.44531)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23b86915%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(90.6%2069.1%20128.4)%20scale(44.46625%2073.87902)%22%2F%3E%3Cellipse%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(61.4417%20-6.59466%2026.79913%20249.68464%2048.9%2077.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23000002%22%20cx%3D%226%22%20cy%3D%2274%22%20rx%3D%2291%22%20ry%3D%2291%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23a36f25%22%20cx%3D%22196%22%20cy%3D%2261%22%20rx%3D%2243%22%20ry%3D%2226%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
আলোর বছর ২০১৫
আলোর স্রোতে পাল তুলেছে হাজার প্রজাপতি । আলোর ঢেউয়ে উঠল নেচে মল্লিকা মালতী । তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের ছোট একটি অংশ হল দৃশ্যমান আলো। তার শ্রোতেই হাজার প্রজাপতিরা ডানা মেলে, তার ঢেউয়েই মল্লিকা মালতীরা রং ছড়ায়। তার প্রবাহেই চোখদুটো ডুবিয়ে আমরা দিন যাপন করি। দেখি। দেখে মুগ্ধ হই, দেখে শান্ত হই, দেখে রেগে যাই, দেখে ভীত হই। যদিও এই অনুভূতিগুলোর সাথে দেহ ও মগজের বহু রসায়ন জড়িত। তবে, চোখ এবং আলোর অবদান কিন্তু ফেলনা নয়। কিছু কিছু প্রাণী এবং পোকামাকড় নাকি অবলাল(সাপ) কিংবা অতি বেগুনী(প্রজাপতি) ব্যাপ্তি পর্যন্ত দেখতে পায়। এই পরিসর মানুষের চোখের জন্য অদৃশ্য। কেমন হত যদি…
%22%20transform%3D%22translate(3.2%203.2)%20scale(6.46484)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%239b9b9b%22%20cx%3D%22137%22%20cy%3D%22100%22%20rx%3D%2247%22%20ry%3D%2247%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23060606%22%20cx%3D%2220%22%20cy%3D%2275%22%20rx%3D%2254%22%20ry%3D%22253%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230b0b0b%22%20cx%3D%22121%22%20cy%3D%2215%22%20rx%3D%2255%22%20ry%3D%2225%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%230b0b0b%22%20cx%3D%22244%22%20cy%3D%22102%22%20rx%3D%2221%22%20ry%3D%2256%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
ভালুকদের নিয়ে দেড় ঘন্টা [Bears-2014]
ওয়াল্ট ডিজনির তৈরি ডকুমেন্টারিগুলো অসাধারণ হয়ে থাকে। প্রতি বছর একটি করে ডকুমেন্টারি রিলিজ দেয় তাঁরা। রিলিজ হয় আর্থ ডে বা ধরিত্রী দিবসে। ধরিত্রী দিবসে মুক্তি পাওয়া এসব ডকু ফিল্মগুলো যেন পৃথিবীর প্রতি এক অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতিনিধিত্ব করে। প্রতিটা ডকু ফিল্ম একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর হয়ে থাকে। ২০১১ সালের বিষয় ছিল African Cat. (আফ্রিকার বাঘ ও সিংহ। বাঘ ও সিংহ মূলত বিড়াল শ্রেণীর প্রাণী)। ২০১২ তে ছিল শিম্পাঞ্জী। ২০১৪ সালের বিষয় ছিল ‘ভালুক’। Bear- 2014 তে একজোড়া ভালুকের ছোটবেলাকার জীবন, তাদের বেড়ে ওঠার কয়েক বছরকে চিত্রায়িত করা হয়েছে। পরিচালক মুভিটি শুরুই করেছেন এমন একটি মুহূর্তে যখন একটি মা…
%27%20fill-opacity%3D%27.5%27%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23346975%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(165.1%2058%20119.1)%20scale(62.74876%20105.87873)%22%2F%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23e4e3d5%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20d%3D%22M273.8%2082.5l-67.9%2042.3L123.2-7.5l67.9-42.3z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23e7decd%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22matrix(34.74818%20-29.25497%2033.63975%2039.9563%2017%20138.4)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%235ca3ef%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-130.3%20127.4%2028)%20scale(64.44005%2039.92739)%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
মুদ্রায় বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান
বাংলাদেশের মুদ্রাগুলোর জন্য আক্ষেপ হয়, বেচারাদের হাঁপ ছেঁড়ে বাঁচার যেন কোনো সুযোগ নেই। সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে টাকা তার রূপ বদলাতে বাধ্য হয়। এক সরকার আসলে সকল টাকাতে সরকারের আত্মীয় (স্বজন) সম্পর্কীয় কারো ছবিতে ছেয়ে যায়। পরে যদি ঐ সরকার পরিবর্তিত হয়ে অন্য সরকার আসে তাহলে টাকার উপর শুরু হয় ঠিক আগের সরকারের বিপরীত প্রক্রিয়া। আগের সরকারের সকল টাকা বদলে নতুন রূপের টাকা ছাড়ে। প্রথম দলটির নাম আওয়ামীলীগ,পরেরটির নাম বিএনপি। প্রথম দলের দেশের আবেগ অনুভূতি নিয়ে, দেশের ভিত্তি নিয়ে কাজ করেছে এমন কিছু আছে যা পরের দলটির নেই তেমন একটা। যদি থাকতো তাহলে অবশ্যই টাকাতে দ্বিতীয়…
%22%20transform%3D%22translate(1.6%201.6)%20scale(3.21094)%22%20fill-opacity%3D%22.5%22%3E%3Cpath%20fill%3D%22%23513135%22%20d%3D%22M-12.9%2043.6l71.5%208.8-15.7%20128-71.5-8.8z%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%23f0e0de%22%20cx%3D%22134%22%20cy%3D%22118%22%20rx%3D%2270%22%20ry%3D%2270%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2366c8ff%22%20rx%3D%221%22%20ry%3D%221%22%20transform%3D%22rotate(-68.8%20156.4%20-166.6)%20scale(36.3488%20136.68163)%22%2F%3E%3Cellipse%20fill%3D%22%2347b492%22%20cx%3D%22235%22%20cy%3D%22143%22%20rx%3D%2229%22%20ry%3D%2278%22%2F%3E%3C%2Fg%3E%3C%2Fsvg%3E)
হাঁচি! এটা স্বাভাবিক
শুরুতেই বলি, আমি নিজেই একজন ঘনঘন সিরিজ হাঁচির কষ্টে ভোগা মানুষ। নিজে বাঁচার জন্যে জ্ঞান নিতে যেয়ে এই লেখাটা তৈরি হয়ে গেল। অনেক সময় ব্যয় করে, ঘাঁটা-ঘাঁটি করে অবশেষে লেখাটাকে যখন দাঁড় করালাম তখন দেখি এটা হাঁচির রচনা হয়ে গেছে। এটাকে ছোট করতে গেলেই মনে হচ্ছে নিজের জন্যই কিছু একটা তথ্য বাদ পড়ে যাচ্ছে। অবশ্য জ্ঞানটা নিয়ে উপকার পেয়েছি বটে। কিন্তু তারপরও মাঝেমধ্যে ফেক্সোফেনাড্রিন জাতীয় ওষুধ খাই। তবে সেটা আগের থেকে কম। ওষুধ শরীরের জন্যে মোটেও ভাল না। আর আমার তো মাঝেমধ্যে ওষুধ খেয়েও ভাল কাজ হয় না। তাই আমার হাঁচি কেন হচ্ছে, কিভাবে হচ্ছে আর…







